সবাই পিন ম্যাসেজ চেক করবে সবসময়।
আর এবার যেহেতু আগে নোটিশ দিয়ে দিয়েছে, সেই হিসেবে প্রস্তুুতি নাও।
আর এবার যেহেতু আগে নোটিশ দিয়ে দিয়েছে, সেই হিসেবে প্রস্তুুতি নাও।
🔥18🫡3
HSC-22
GST
এখন পর্যন্ত প্রাথমিক সার্কুলার দেওয়া বাকি আছে ৩টা বিশ্ববিদ্যালয়ের:-
1) Jagannath University
2)Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman University
3) Rabindra University
💠NewsZone
GST
এখন পর্যন্ত প্রাথমিক সার্কুলার দেওয়া বাকি আছে ৩টা বিশ্ববিদ্যালয়ের:-
1) Jagannath University
2)Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman University
3) Rabindra University
💠NewsZone
Telegram
News Zone
🔗All Channel link:
https://news.1rj.ru/str/confusingQuestions6/6392
🌐website:exammatebd.com
https://news.1rj.ru/str/confusingQuestions6/6392
🌐website:exammatebd.com
❤40🫡9🎉1
আপনি দুইশ টাকার একটা পণ্য কিনতে গেলেও কয়েকটা দোকান যাচাই করেন। তারপর পছন্দ হলে কেনেন। কেনার পরও যদি ভালো না লাগে, তাহলে ফেরতের সুযোগ থাকে। কিংবা বদলাতে পারেন।
অথচ, বিশ্ববিদ্যালয়ে চার-পাঁচ বছর ধরে একটা বিষয় পড়বেন, সেটা যাচাই বাছাইয়ের কোন সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময়ই একটা ডিপার্টমেন্টের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যেতে হয়। যে বিষয়ে পড়বেন, সেই বিষয়ের একটা বই খুলার আগেই আপনাকে চুক্তি করতে হয় যে সেটা নিয়ে পাঁচ বছর পড়বেন। পড়তে গিয়ে যদি ছয় মাস পর মনে হয়, সেটা আপনার জন্য না—তাহলে আর সে বিষয় বদলানোর সুযোগ নেই। ফলে, বেশিরভাগ স্টুডেন্ট তার স্টাডিকে উপভোগ করতে পারে না। একটা সনদ নেয়ার অপেক্ষায় দিন গুণে।
বিয়ে করে ডিভোর্স দেয়া সম্ভব, কিন্তু জ্ঞানার্জন করতে গিয়ে ভালো না লাগলে কোন বিকল্প ব্যবস্থা নেই! —কী ভয়ংকর! তাহলে এস্ট্রোফিজিক্স পড়া স্টুডেন্ট ব্যাংকে চাকরি করবে না তো মহাকাশে যাবে?
এটা যে মূলত মেধাকে ধ্বংস করে, দুনিয়ার বহু দেশ আগেই উপলব্ধি করেছিলো। তাই তারা ভিন্ন নিয়মে চলছে। উন্নত দেশগুলোতে স্টুডেন্টরা নিদির্ষ্ট কোন ডিপার্টমেন্টে চুক্তিবদ্ধ হয় না। ব্যাচেলর করার সময় তারা অনেকগুলো কোর্স করার সুযোগ পায়। কোর্স করার সময় উপলব্ধি করে কোনটা পড়তে বেশি ভালো লাগে। তারপর ব্যাচেলরের তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ষে গিয়ে সেই বিষয়ের উপর এডভান্স কোর্স করে। তারা ব্যাচলর ডিগ্রি নেয় এবং এক বা একাধিক বিষয় তাদের মেজর থাকে।
এতে করে ফার্স্ট ইয়ার কিংবা সেকেন্ড ইয়ারেও যদি কোন স্টুডেন্ট মনে করে যে তার ফিজিক্স ভালো লাগে না কিন্তু তুলনামূলক বায়োকেমেস্ট্রি বেশি ভালো লাগে, তাহলে সে বায়োকেমেস্ট্রি মেজর নিয়ে ডিগ্রি নেয়। এ ধরণের নিয়ম দেশের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে আছে। কিন্তু পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে নেই। অনেকের যুক্তি হলো, জনবহুল দেশে, এতো স্টুডেন্টদের নিয়ে এই নিয়ম করা কঠিন! —খুবই অদ্ভুত যুক্তি! মনে হচ্ছে দুনিয়ার আর কোন দেশের ইউনিভার্সিটিগুলোতে আমাদের মতো এতো সংখ্যক স্টুডেন্ট নেই।
যুগের পর যুগ উচ্চশিক্ষায় একটা নন-প্রোডাক্টিভ নিয়ম চালু থাকবে, অথচ সেটা আমরা বদলাবো না। জ্ঞানকে কতোটা জোরজবড়দস্তি করে রেখেছি—তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ সম্ভবত এটাই।
জ্ঞানার্জনে যদি স্বাধীনতা না থাকে, সেই জ্ঞানার্জনে কোন আনন্দই থাকে না। যে জ্ঞানার্জনে আনন্দ নেই, সে জ্ঞান জাতি গঠণে খুব বেশি ভূমিকা রাখতে পারে না। যেটার নমুনা সমাজে তাকালেই দৃশ্যমান।
………………………..
RAUFUL ALAM
💠NewsZone
অথচ, বিশ্ববিদ্যালয়ে চার-পাঁচ বছর ধরে একটা বিষয় পড়বেন, সেটা যাচাই বাছাইয়ের কোন সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সময়ই একটা ডিপার্টমেন্টের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যেতে হয়। যে বিষয়ে পড়বেন, সেই বিষয়ের একটা বই খুলার আগেই আপনাকে চুক্তি করতে হয় যে সেটা নিয়ে পাঁচ বছর পড়বেন। পড়তে গিয়ে যদি ছয় মাস পর মনে হয়, সেটা আপনার জন্য না—তাহলে আর সে বিষয় বদলানোর সুযোগ নেই। ফলে, বেশিরভাগ স্টুডেন্ট তার স্টাডিকে উপভোগ করতে পারে না। একটা সনদ নেয়ার অপেক্ষায় দিন গুণে।
বিয়ে করে ডিভোর্স দেয়া সম্ভব, কিন্তু জ্ঞানার্জন করতে গিয়ে ভালো না লাগলে কোন বিকল্প ব্যবস্থা নেই! —কী ভয়ংকর! তাহলে এস্ট্রোফিজিক্স পড়া স্টুডেন্ট ব্যাংকে চাকরি করবে না তো মহাকাশে যাবে?
এটা যে মূলত মেধাকে ধ্বংস করে, দুনিয়ার বহু দেশ আগেই উপলব্ধি করেছিলো। তাই তারা ভিন্ন নিয়মে চলছে। উন্নত দেশগুলোতে স্টুডেন্টরা নিদির্ষ্ট কোন ডিপার্টমেন্টে চুক্তিবদ্ধ হয় না। ব্যাচেলর করার সময় তারা অনেকগুলো কোর্স করার সুযোগ পায়। কোর্স করার সময় উপলব্ধি করে কোনটা পড়তে বেশি ভালো লাগে। তারপর ব্যাচেলরের তৃতীয় বা চতুর্থ বর্ষে গিয়ে সেই বিষয়ের উপর এডভান্স কোর্স করে। তারা ব্যাচলর ডিগ্রি নেয় এবং এক বা একাধিক বিষয় তাদের মেজর থাকে।
এতে করে ফার্স্ট ইয়ার কিংবা সেকেন্ড ইয়ারেও যদি কোন স্টুডেন্ট মনে করে যে তার ফিজিক্স ভালো লাগে না কিন্তু তুলনামূলক বায়োকেমেস্ট্রি বেশি ভালো লাগে, তাহলে সে বায়োকেমেস্ট্রি মেজর নিয়ে ডিগ্রি নেয়। এ ধরণের নিয়ম দেশের প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে আছে। কিন্তু পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে নেই। অনেকের যুক্তি হলো, জনবহুল দেশে, এতো স্টুডেন্টদের নিয়ে এই নিয়ম করা কঠিন! —খুবই অদ্ভুত যুক্তি! মনে হচ্ছে দুনিয়ার আর কোন দেশের ইউনিভার্সিটিগুলোতে আমাদের মতো এতো সংখ্যক স্টুডেন্ট নেই।
যুগের পর যুগ উচ্চশিক্ষায় একটা নন-প্রোডাক্টিভ নিয়ম চালু থাকবে, অথচ সেটা আমরা বদলাবো না। জ্ঞানকে কতোটা জোরজবড়দস্তি করে রেখেছি—তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ সম্ভবত এটাই।
জ্ঞানার্জনে যদি স্বাধীনতা না থাকে, সেই জ্ঞানার্জনে কোন আনন্দই থাকে না। যে জ্ঞানার্জনে আনন্দ নেই, সে জ্ঞান জাতি গঠণে খুব বেশি ভূমিকা রাখতে পারে না। যেটার নমুনা সমাজে তাকালেই দৃশ্যমান।
………………………..
RAUFUL ALAM
💠NewsZone
😢102❤44🔥25👏11⚡3🫡1