🥰3😢3💯1
'আসাদের শার্ট ' কবিতার রচয়িতা?
Anonymous Quiz
15%
সিকান্দার আবু জাফর
22%
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
11%
নির্মলেন্দু গুন
52%
শামসুর রহমান
😢5🔥3🤔2
🎉4😢3🥰1😱1
মুজিবর্ষ উপলক্ষে কোথায় মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস আ্যন্ড লির্বার্টি সূচনা হয়?
Anonymous Quiz
47%
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
33%
বাংল একাডেমি
15%
জাতীয় সংসদ ভবন
5%
গন ভবন
😱1
অপারেশন সার্চলাইট শুরু হয় কীভাবে?
Anonymous Quiz
31%
বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের মাধ্যমে
57%
ঢাকাসহ সারাদেশে হত্যাকান্ডের মাধ্যমে
10%
বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে
2%
বাঙালি নেতাদের কারারুদ্ধ করে
🔥3
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
Anonymous Quiz
9%
খুলনা
73%
চাপাইনবয়াবগঞ্জ
12%
রাজশাহী
5%
দিনাজপুর
🔥2😢2
🥰4🤔1
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?
Anonymous Quiz
81%
২৬ শে মার্চ
7%
১৭ মার্চ
3%
২১ ফেব্রুয়ারী
10%
১৬ ডিসেম্বর
🥰6😢3
নদী ও নারী উপন্যাস টির লেখক কে?
Anonymous Quiz
30%
হুমায়ূন কবির
50%
হুমায়ুন আহমেদ
10%
জাফর ইকবাল
9%
গাজী সেলিম
🤔5🥰2
🥰1😢1
ঢাকার নামকরণ জাহাঙ্গীরনগর করা হয় কত সালে?
Anonymous Quiz
10%
১৬১১ সালে
77%
১৬১০ সালে
7%
১৭১৭ সালে
6%
১৭৮০ সালে
🎉2❤1
বাংলাদেশের সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
Anonymous Quiz
2%
ফজলুল রহমান
4%
মাজহারুল ইসলাম
92%
লুই আই কান
2%
বার্ট ল্যাংকাস্টার
🔥3😱1
কর্ণফুলী নদীর নিচে নির্মাধীন( bangubhndhu tanel) বঙ্গবন্ধু টানেল এর অপর নাম কি?
Anonymous Quiz
7%
CITY -TOWN-TANEL
29%
TWO CITY-ONE TANEL
42%
KARNAPHULI TANEL
22%
TWO TOWNS -ONE CITY
😱11
মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণ দলিলের নাম কি ছিলো?
Anonymous Quiz
26%
instrument of Surrender
37%
Surrenders of Pakistan
23%
Fight no more forever.
14%
We surrenders!
🔥5🎉2
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় কখন?
Anonymous Quiz
24%
২রা মার্চ ১৯৪৮
22%
২রা মার্চ ১৯৫২
44%
৩১ শে জানুয়ারী ১৯৫২
10%
৩১ শে জানুয়ারী ১৯৪৮
😢1
🤔8🔥6
পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয় কখন?
Anonymous Quiz
18%
১৯৫৪, ৯মে
27%
১৯৫৬, ৯মে
30%
১৯৫৪, ১৬ ফেব্রুয়ারি
24%
১৯৫৬, ১৬ফেব্রুয়ারি
🥰2
মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুর কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
Anonymous Quiz
16%
৫ নং
28%
৭ নং
44%
৬ নং
12%
৮নং
বাংলাদেশ এর প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়?
Anonymous Quiz
13%
৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩
57%
৭ মার্চ ১৯৭৩
23%
৭ জানুয়ারি ১৯৭৩
7%
৭ এপ্রিল ১৯৭৩
🥰2
বিসিএস পরীক্ষায় ভালো করতে হলে
August 8, 2023 by Susanta Paul
বন্ধুরা!
যারা বিসিএস পরীক্ষা দেবেন, প্রস্তুতিপর্বে তাদের প্রথমেই যেখানে পরিবর্তনটা আনতে হবে সেটা হলো মাইন্ডসেটে। পরীক্ষার ধরন বদলে গেছে, এর মানে, আপনার সাথে যারা পরীক্ষা দেবে, সবার জন্যই পরীক্ষার ধরন বদলে গেছে। আপনি এখানে ইউনিক কেউ নন। আগের পরীক্ষাগুলি সহজ ছিল, এর মানে কিন্তু এ-ই নয় যে, আগের পরীক্ষাগুলি দিয়ে যারা চাকরি পেয়েছেন, তারা আপনার চাইতে কম মেধাবী। পরীক্ষার ধরনের ওপর ওদের কোনো হাত ছিল না। এখনকার মতো পরীক্ষা হলে ওরাও নিজেদেরকে ওভাবে করেই প্রস্তুত করতো। আচ্ছা, আপনি উনাদের সময়ে পরীক্ষা দিলেই চাকরিটা পেয়ে যেতেন? শিওর? কাউকে আপনার চাইতে অযোগ্য বলার আগে উনার সাথে প্রতিযোগিতা করে উনাকে হারিয়ে দিয়ে এরপর বলুন। আপনার নিজেকে যোগ্য বলার আগে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেখান কাজে, মুখে নয়। মুখে কোনো কিছু বলে ফেলার জন্য কোনো বাড়তি যোগ্যতা লাগে না, শুধু কথা বলতে জানলেই হয়।
প্রস্তুতি নিচ্ছেন, অথচ সেটা ঠিকমতো কাজে লাগছে না। কেন? আপনার প্রস্তুতির ধরন ঠিক নেই। নিজে যা করছেন, তা হয়তো ঠিকই আছে, কিন্তু যথেষ্ট নাও হতে পারে। নোকিয়া কোম্পানি সবকিছুই ঠিকঠাক করছিল, কাজে কোনো ফাঁকি ছিল না, ওদের প্রোডাক্টের কোয়ালিটিও ভাল ছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও বন্ধ হয়ে গেল। কেন? ওরা যে পদ্ধতিতে ব্যবসা করছিল, সেটা বদলানোর, প্রোডাক্ট আপডেট করার সময় এসে গিয়েছিল, কিন্তু ওরা সেটা না করেই ওদের মতো করে ব্যবসা করে যাছিল। ওদের যারা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান, তারা তো আর বসে নেই! অন্যরা যখন পরিবর্তনকে সহজে গ্রহণ করছিল, তখন ওরা পুরোনোকেই আঁকড়ে ধরে বসেছিল। শুধু ঠিক কাজটি করাটাই বড় কথা নয়, দেখতে হবে সে ঠিক কাজটি করা কতটুকু দরকার। আপনি কেমন, সেটা আপনি নিজেকে কেমন ভাবেন, সে ভাবনা নির্ধারণ করে দেয় না। আপনি আসলেই কেমন, সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। সবারই নিজের কাছে নিজেকে সেরা মনে হয়, অন্য কারো চাইতে ভাল মনে হয়। যদি আপনিও এমনকিছু ভেবে নিয়ে বসে থাকেন, তবে সেটা আপনাকে কিছু বোকা আত্মতৃপ্তি ছাড়া আর কিছুই দেবে না। আপনি যেমন ছিলেন, তেমনই থেকে যাবেন। আপনি নিজেকে কী ভাবেন, সেটা কেউই কেয়ার করে না। আপনি আসলে কী, সেটাই অন্যরা দেখে। আপনার মূল্যায়ন আপনার কাজের মাধ্যমে, আপনার ভাবনার মাধ্যমে নয়। মুখে মুখে কিংবা মনে মনে হাতিঘোড়া মেরে কী লাভ? নিজের কল্পনার রাজ্যে সবাইই তো রাজা।
আপনি যা যা পারেন না, তা তা পারা দরকার কিনা, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। যদি দরকার হয়, তবে সেসবকিছু কীভাবে পারতে হয়, সেটা নিয়ে ভাবুন। একটা কাগজে লিখে ফেলুন, আপনার কোন কোন দুর্বলতা আপনাকে কাটিয়ে উঠতে হবে। এক্ষেত্রে নিজেকে বিন্দুমাত্রও ছাড় দেয়া যাবে না। আপনি ওটা পারেন না, এটা কোনো সমস্যা নয়। সমস্যা হলো, ওটা আপনার পারা দরকার কিন্তু পারার জন্য আপনি কোনো বুদ্ধি বের করছেন না, সেটা। যারা বিসিএস ক্যাডার হতে পারে আর যারা পারে না, তাদের মধ্যে পার্থক্য বেশি নয়। তিন জায়গাতে পার্থক্য আছে বলে মনে হয়। এক। প্রস্তুতি নেয়ার ধরনে। দুই। পরীক্ষা দেয়ার ধরনে। তিন। ভাগ্যে। আপনি তৃতীয়টাতে বিশ্বাস করেন না? আচ্ছা ঠিক আছে, বিসিএস পরীক্ষা দিন, বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন। যেকোনো পরীক্ষায় ভাল করার ৪টি বুদ্ধি আছে: পরিশ্রমটা কী নিয়ে করবো, পরিশ্রম কেন করবো, পরিশ্রম কীভাবে করবো—এই ৩টি জেনেবুঝে সঠিকভাবে কঠোর পরিশ্রম করা। বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষা দেশের সবচাইতে কঠিন পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় ভাল করতে বুদ্ধিমত্তা কিংবা মেধার চাইতে পরিশ্রমের মূল্য বহুগুণে বেশি। আপনার বুদ্ধিমত্তা বড়োজোর আপনি কীভাবে করে সবচাইতে ভালভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন, সেটা ঠিক করে দিতে পারে। কিন্তু আসল কাজটাই হল কিছু নির্ঘুম রাতকাটানো অক্লান্ত পরিশ্রমের। আবার পড়ুন। আপনি কী হবেন, কী হবেন না, সেটা অনেকাংশেই ঠিক করে দেবে আপনার পরিশ্রম। বিসিএস ক্যাডার হতে হলে মেধাবী বা জিনিয়াস, এর কোনটাই হতে হয় না। বরং এর জন্য লাগে একটা অনার্সের সার্টিফিকেট আর পরিশ্রম। পরিশ্রম না করার শাস্তি আপনি হাতে-হাতে পাবেন।
আপনি যা হতে চাইছেন তা হওয়ার আগ পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো কথাই বলবেন না, চুপচাপ কাজ করে যাবেন, চূড়ান্ত সাফল্য আসার পর কথা বলবেন। অবশ্য, সাফল্য আসার পর কথা বলতেও হয় না। সাফল্য নিজেই অনেক জোরে কথা বলতে পারে! আপনি সফল হওয়ার পর, আপনি কীভাবে সফল হলেন, সেটা অন্যরা নিজ দায়িত্বেই জেনে নেবে, আপনাকে নিজ থেকে কিছুই বলতে হবে না। আমার কাছে মনে হয়, চোখকান খোলা রেখে মুখ বন্ধ রেখে কাজ করলে আপনার কাজটা সহজ হবে। কোনো বিষয়ে বলার মতো অবস্থান তৈরি না হলে সে বিষয়ে না বলাই ভাল। আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করলে কীভাবে অ্যাকাডেমিক পরীক্ষায় ভাল করা যায়, আমি বলি, “জানি না”। কারণ সেটা আমি জানি কিংবা না জানি, আমার অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট বলে দেয়, সেটা নিয়ে বলার কোনো যোগ্যতা আমার নেই। অনার্স-মাস্টার্সে সেকেন্ড ক্লাস পাওয়া স্টুডেন্ট ফার্স্ট ক্লাস
August 8, 2023 by Susanta Paul
বন্ধুরা!
যারা বিসিএস পরীক্ষা দেবেন, প্রস্তুতিপর্বে তাদের প্রথমেই যেখানে পরিবর্তনটা আনতে হবে সেটা হলো মাইন্ডসেটে। পরীক্ষার ধরন বদলে গেছে, এর মানে, আপনার সাথে যারা পরীক্ষা দেবে, সবার জন্যই পরীক্ষার ধরন বদলে গেছে। আপনি এখানে ইউনিক কেউ নন। আগের পরীক্ষাগুলি সহজ ছিল, এর মানে কিন্তু এ-ই নয় যে, আগের পরীক্ষাগুলি দিয়ে যারা চাকরি পেয়েছেন, তারা আপনার চাইতে কম মেধাবী। পরীক্ষার ধরনের ওপর ওদের কোনো হাত ছিল না। এখনকার মতো পরীক্ষা হলে ওরাও নিজেদেরকে ওভাবে করেই প্রস্তুত করতো। আচ্ছা, আপনি উনাদের সময়ে পরীক্ষা দিলেই চাকরিটা পেয়ে যেতেন? শিওর? কাউকে আপনার চাইতে অযোগ্য বলার আগে উনার সাথে প্রতিযোগিতা করে উনাকে হারিয়ে দিয়ে এরপর বলুন। আপনার নিজেকে যোগ্য বলার আগে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দেখান কাজে, মুখে নয়। মুখে কোনো কিছু বলে ফেলার জন্য কোনো বাড়তি যোগ্যতা লাগে না, শুধু কথা বলতে জানলেই হয়।
প্রস্তুতি নিচ্ছেন, অথচ সেটা ঠিকমতো কাজে লাগছে না। কেন? আপনার প্রস্তুতির ধরন ঠিক নেই। নিজে যা করছেন, তা হয়তো ঠিকই আছে, কিন্তু যথেষ্ট নাও হতে পারে। নোকিয়া কোম্পানি সবকিছুই ঠিকঠাক করছিল, কাজে কোনো ফাঁকি ছিল না, ওদের প্রোডাক্টের কোয়ালিটিও ভাল ছিল, কিন্তু তা সত্ত্বেও বন্ধ হয়ে গেল। কেন? ওরা যে পদ্ধতিতে ব্যবসা করছিল, সেটা বদলানোর, প্রোডাক্ট আপডেট করার সময় এসে গিয়েছিল, কিন্তু ওরা সেটা না করেই ওদের মতো করে ব্যবসা করে যাছিল। ওদের যারা প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠান, তারা তো আর বসে নেই! অন্যরা যখন পরিবর্তনকে সহজে গ্রহণ করছিল, তখন ওরা পুরোনোকেই আঁকড়ে ধরে বসেছিল। শুধু ঠিক কাজটি করাটাই বড় কথা নয়, দেখতে হবে সে ঠিক কাজটি করা কতটুকু দরকার। আপনি কেমন, সেটা আপনি নিজেকে কেমন ভাবেন, সে ভাবনা নির্ধারণ করে দেয় না। আপনি আসলেই কেমন, সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। সবারই নিজের কাছে নিজেকে সেরা মনে হয়, অন্য কারো চাইতে ভাল মনে হয়। যদি আপনিও এমনকিছু ভেবে নিয়ে বসে থাকেন, তবে সেটা আপনাকে কিছু বোকা আত্মতৃপ্তি ছাড়া আর কিছুই দেবে না। আপনি যেমন ছিলেন, তেমনই থেকে যাবেন। আপনি নিজেকে কী ভাবেন, সেটা কেউই কেয়ার করে না। আপনি আসলে কী, সেটাই অন্যরা দেখে। আপনার মূল্যায়ন আপনার কাজের মাধ্যমে, আপনার ভাবনার মাধ্যমে নয়। মুখে মুখে কিংবা মনে মনে হাতিঘোড়া মেরে কী লাভ? নিজের কল্পনার রাজ্যে সবাইই তো রাজা।
আপনি যা যা পারেন না, তা তা পারা দরকার কিনা, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। যদি দরকার হয়, তবে সেসবকিছু কীভাবে পারতে হয়, সেটা নিয়ে ভাবুন। একটা কাগজে লিখে ফেলুন, আপনার কোন কোন দুর্বলতা আপনাকে কাটিয়ে উঠতে হবে। এক্ষেত্রে নিজেকে বিন্দুমাত্রও ছাড় দেয়া যাবে না। আপনি ওটা পারেন না, এটা কোনো সমস্যা নয়। সমস্যা হলো, ওটা আপনার পারা দরকার কিন্তু পারার জন্য আপনি কোনো বুদ্ধি বের করছেন না, সেটা। যারা বিসিএস ক্যাডার হতে পারে আর যারা পারে না, তাদের মধ্যে পার্থক্য বেশি নয়। তিন জায়গাতে পার্থক্য আছে বলে মনে হয়। এক। প্রস্তুতি নেয়ার ধরনে। দুই। পরীক্ষা দেয়ার ধরনে। তিন। ভাগ্যে। আপনি তৃতীয়টাতে বিশ্বাস করেন না? আচ্ছা ঠিক আছে, বিসিএস পরীক্ষা দিন, বিশ্বাস করতে বাধ্য হবেন। যেকোনো পরীক্ষায় ভাল করার ৪টি বুদ্ধি আছে: পরিশ্রমটা কী নিয়ে করবো, পরিশ্রম কেন করবো, পরিশ্রম কীভাবে করবো—এই ৩টি জেনেবুঝে সঠিকভাবে কঠোর পরিশ্রম করা। বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষা দেশের সবচাইতে কঠিন পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় ভাল করতে বুদ্ধিমত্তা কিংবা মেধার চাইতে পরিশ্রমের মূল্য বহুগুণে বেশি। আপনার বুদ্ধিমত্তা বড়োজোর আপনি কীভাবে করে সবচাইতে ভালভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন, সেটা ঠিক করে দিতে পারে। কিন্তু আসল কাজটাই হল কিছু নির্ঘুম রাতকাটানো অক্লান্ত পরিশ্রমের। আবার পড়ুন। আপনি কী হবেন, কী হবেন না, সেটা অনেকাংশেই ঠিক করে দেবে আপনার পরিশ্রম। বিসিএস ক্যাডার হতে হলে মেধাবী বা জিনিয়াস, এর কোনটাই হতে হয় না। বরং এর জন্য লাগে একটা অনার্সের সার্টিফিকেট আর পরিশ্রম। পরিশ্রম না করার শাস্তি আপনি হাতে-হাতে পাবেন।
আপনি যা হতে চাইছেন তা হওয়ার আগ পর্যন্ত সে বিষয়ে কোনো কথাই বলবেন না, চুপচাপ কাজ করে যাবেন, চূড়ান্ত সাফল্য আসার পর কথা বলবেন। অবশ্য, সাফল্য আসার পর কথা বলতেও হয় না। সাফল্য নিজেই অনেক জোরে কথা বলতে পারে! আপনি সফল হওয়ার পর, আপনি কীভাবে সফল হলেন, সেটা অন্যরা নিজ দায়িত্বেই জেনে নেবে, আপনাকে নিজ থেকে কিছুই বলতে হবে না। আমার কাছে মনে হয়, চোখকান খোলা রেখে মুখ বন্ধ রেখে কাজ করলে আপনার কাজটা সহজ হবে। কোনো বিষয়ে বলার মতো অবস্থান তৈরি না হলে সে বিষয়ে না বলাই ভাল। আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করলে কীভাবে অ্যাকাডেমিক পরীক্ষায় ভাল করা যায়, আমি বলি, “জানি না”। কারণ সেটা আমি জানি কিংবা না জানি, আমার অ্যাকাডেমিক রেজাল্ট বলে দেয়, সেটা নিয়ে বলার কোনো যোগ্যতা আমার নেই। অনার্স-মাস্টার্সে সেকেন্ড ক্লাস পাওয়া স্টুডেন্ট ফার্স্ট ক্লাস
❤13