BCS Mate(Exam Mate) – Telegram
পড়াশোনাটা প্রথম থেকেই শুরু করুন। যদি তা না করেন, তবে তার শাস্তিস্বরূপ যে সময়ে অন্যরা রিভিশন দেবে, সে সময়ে আপনাকে নতুন জিনিস পড়তে হবে। পড়ার সময় এবং খাতায় লেখার সময় মাথায় রাখবেন, প্রশ্নের শুরুটা এবং শেষটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুরুটা এমনভাবে করুন, যাতে আপনার উত্তরটা পড়তে ইচ্ছে করে, আর শেষটা এমনভাবে করুন যাতে আপনার বিশ্লেষণী ক্ষমতা সম্পর্কে পরীক্ষকের মনে ইতিবাচক ধারণা জন্মে। কী বলতে যাচ্ছেন, সেটা নিয়ে শুরুতেই আভাস দেবেন, আর শেষে এসে এতক্ষণ কী লিখলেন, সেটা নিয়ে নিজের মতামত দেবেন। ইংরেজির ক্ষেত্রে সহজ স্টাইলে নির্ভুলভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ভাল ইংরেজি লিখতে ভাল ভোকাবুলারি লাগে না, পণ্ডিতি ফলানোর লেখার স্টাইলও জানতে হয় না। শুধু বানানে ভুল করবেন না, গ্রামারে ভুল করবেন না। প্রাসঙ্গিকভাবে লিখে যান। ব্যস্! মার্কস আসবেই আসবে!
লেখার চর্চা থাকলেই লেখা যায়। বিসিএস পরীক্ষা স্পেশালিস্টদের পরীক্ষা নয়, জেনারেলিস্টদের পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় ভাল করতে হলে অল্প জিনিস নিয়ে বেশি বেশি জানার চাইতে বেশি জিনিস নিয়ে অল্প অল্প জানাটা গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক এবং বিরোধপূর্ণ ইস্যু নিয়ে না লেখাই ভাল। দেশ কিংবা সরকারকে ছোট করে দেখায়, এমন একটা বর্ণও খাতায় লিখবেন না। খাতায় ডাটা, চিত্র, ম্যাপ, টেবিল, ফ্লোচার্ট, কোটেশন, নানান রেফারেন্স, সংবিধান থেকে উদ্ধৃতি, ইত্যাদি যত বেশি দেবেন, আপনার মার্কস তত বাড়বে। আগে থেকে পড়াশোনা না করলে এসবকিছু খাতায় দেয়াটা অনেকটাই অসম্ভব। ইন্টারনেটে টপিক সার্চ করে করে পড়াটা খুব খুব কাজের। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর প্রস্তুতি নেয়ার ক্ষেত্রে এর গুরুত্ব অনেক বেশি। প্রতিদিনই একটা বাংলা পত্রিকার সম্পাদকীয়কে ইংরেজিতে এবং ইংরেজি পত্রিকার সম্পাদকীয়কে বাংলায় অনুবাদ করুন। সত্যিই করুন! ইংরেজি সম্পাদকীয়টিকে অনুবাদ করার পাশাপাশি সামারাইজও করে ফেলবেন। এরপর সে টপিক নিয়ে নিজে এক পৃষ্ঠা লিখবেন। যত কষ্টই হোক না কেন, এই কাজটি না করে কোনোভাবেই ঘুমাতে যাবেন না। শব্দের অর্থ কাউকেই জিজ্ঞেস করবেন না, নিজে ডিকশনারি খুঁজে খুঁজে বের করবেন। অনলাইনে দেশিবিদেশি পত্রিকার আর্টিকেল এবং বিভিন্ন সংস্থার ওয়েবসাইটগুলিতে নিয়মিত ঢুঁ মারুন। খুবই কাজে দেবে। টিভি-রেডিও’র সংবাদ নিয়মিত শুনলে কম পরিশ্রমে অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস মনে রাখতে পারবেন। সবকিছু পড়বেন না, সবকিছু শুনবেন না। অতো বাজে সময় নেই। যা যা পরীক্ষায় কাজে লাগে, শুধু সেগুলির সাথেই থাকুন। পেপার পড়ার সময় সামনের পাতা, সম্পাদকীয় পাতা, আর্টিকেলসমূহ, সংবাদ বিশ্লেষণ, কেস স্টাডি, ব্যবসাবাণিজ্য, আন্তর্জাতিক নানান ইস্যু, ইত্যাদি ভালভাবে পড়বেন। মাঝেমাঝে এসব পড়ে পড়ে নিজে কিছু লেখার চেষ্টা করতে পারেন, খুবই কাজে দেবে। পেপার পড়তে প্রতিদিন ১.৫-২ ঘণ্টার বেশি ব্যয় করার দরকার নেই। পুরো পেপারে যা যা বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়, শুধু তা-ই পড়বেন। অনলাইনে পেপার পড়া সবচাইতে ভাল। এটি অনেক সময় বাঁচায়।
কারো সাজেশনস ফলো করবেন না। নিজের সাজেশনস নিজেই তৈরি করুন। অ্যাড-রিমুভ, এডিট করে অন্তত ৪-৫ সেট সাজেশনস বানান। এজন্য আগের বছরের প্রশ্ন, বিভিন্ন গাইডের সাজেশনস, এবং নিজের আইকিউকে কাজে লাগান। পরীক্ষার হলে বড় প্রশ্ন লেখার সময় প্রাসঙ্গিক কিওয়ার্ড কিংবা কিফ্রেইস ঠিক করে করে সেগুলিকে বিশ্লেষণ করে নিজের মতো করে লিখুন। এভাবে করে লিখলে অনেক আইডিয়া আসবে লেখার। প্রস্তুতি নেয়ার সময় কোনো উত্তরই মুখস্থ করার দরকার নেই। কারণ সে প্রশ্নটি পরীক্ষায় নাও আসতে পারে আর মুখস্থ করতে গিয়ে যে সময়টা নষ্ট হবে, সে সময়ে আরও ৪টা ভিন্ন প্রশ্ন কিংবা আরও ৪টা বই থেকে ওই প্রশ্নটিই পড়ে নেয়া সম্ভব। এটা অনেকবেশি ফলপ্রসূ। যত বেশি সোর্স থেকে পড়বেন, তত বেশি বানিয়ে লিখতে পারবেন। কোনটা কোন সোর্স থেকে পড়ছেন, সেটা সাজেশনস-নোটবুকে প্রশ্নের পাশে পাশে লিখে রাখুন। রিভিশন দেয়ার সময় খুব কাজে লাগবে। কোন কোন অংশে বুদ্ধি করে পড়লে গড়পড়তার চাইতে বেশি মার্কস তোলা সম্ভব, সেগুলিকে চিহ্নিত করে সেগুলির উপর বেশি জোর দিন। কম্পিটিশনে আসতে চাইলে কম্পিটিশনে আসার ক্ষেত্রগুলি কী কী, সেটা তো আগে জানতে হবে, তাই না?
এটা ঠিক যে, সবচাইতে ভালটা প্রথমবারেই পাওয়া যায়! মেধাতালিকায় থাকা প্রথম ১০ জনের বেশিরভাগই প্রথমবারে বিসিএস পরীক্ষা দিয়ে সফল-হওয়া ক্যান্ডিডেট। তবুও যারা প্রথমবারের মতো বিসিএস পরীক্ষা দিচ্ছেন না, তারা এটা কখনোই মাথায় আনবেন না যে আপনার অনেক সময় নষ্ট হয়ে গেছে। বরং এটা মাথায় রাখুন, যদি সামনেরবারও চাকরিটা না পান, তবে অন্তত আরও এক বছর নষ্ট হবে। বিসিএস পরীক্ষায় মেধাতালিকায় প্রথমদিকে থাকা অনেকেরই প্রথম বিসিএস-এ হয়নি। যদি আপনিও ওরকম মেধাতালিকায় প্রথমদিকে থাকতে পারেন, তবে আপনার এই যন্ত্রণা অনেকটাই চলে যাবে। সেই চেষ্টাই করুন। আমার কাছে তো মনে হয়, প্রত্যেকটি বিসিএস-ই আপনার জন্য প্রথম বিসিএস। কীরকম? আপনি যদি ক-তম বিসিএস
🥰6
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন, তবে সেটিই তো আপনার জন্য প্রথম, কারণ এর আগে আপনি কখনোই ক-তম বিসিএস পরীক্ষা দেননি। বিসিএস পরীক্ষা চুম্বনের মতো। প্রতিটি চুম্বনই প্রথম চুম্বন, প্রতিটি বিসিএস-ই প্রথম বিসিএস। একইভাবে দ্বিতীয়বার চুমু খাওয়া সম্ভব নয়, একইভাবে দ্বিতীয়বার বিসিএস পরীক্ষা দেয়া সম্ভব নয়। অনেকেই আছেন, যারা প্রথমবারে প্রিলিই পাস করতে পারলেন না, আর পরেরবারে গিয়ে মেধাতালিকায় স্থান করে নিলেন। এমন দৃষ্টান্ত ভূরি ভূরি। সবকিছুই নির্ভর করে আপনার নিজের ইচ্ছাশক্তি, ধৈর্য, আর পরিশ্রমের উপর।
আপনার সক্ষমতা অনুযায়ী প্রতিদিন কত সময় পড়াশোনা করবেন, সেটা ঠিক করে নিন। এখানে সক্ষমতা বলতে আমি বোঝাতে চাইছি, ৮০% মানসিক সক্ষমতা আর ২০% শারীরিক সক্ষমতা। পরিশ্রম করার জন্য সবচাইতে বেশি দরকার মানসিক শক্তি। আমার নিজেরটাই বলি। আমি প্রতিদিন ১৫ ঘণ্টা পড়াশোনা করার সময় বেঁধে দিয়েছিলাম এবং যতদিন বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম, এই ১৫ ঘণ্টার নিয়মটি খুব স্ট্রিক্টলি ফলো করতাম। ১৫ ঘণ্টা মানে কিন্তু ১৪ ঘণ্টা ৫৯ মিনিট ৬০ সেকেন্ড, এর কম কিছুতেই না। কখনো কখনো সময়টা এর চাইতে বেড়ে যেত, কিন্তু অসুস্থ হয়ে না পড়লে পড়ার সময়টা কোনোভাবেই কমানো যাবে না, এটাই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। এতে আমার যে লাভটি হয়েছে, সেটি হলো, শেষ মুহূর্তের বাড়তি চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পেরেছি। আমাদের মনটা একটা অদৃশ্য সময়ের ছকে চলে। তা-ই যদি না হবে, তবে ৯টা মানেই অফিসটাইম কেন? যাদের অফিস শুরু হয় ৮টা থেকে, তারা ঠিকই ১ ঘণ্টা আগেই ঘুম থেকে জাগেন। মনকে একবার নিজের সুবিধামতো রুটিনে ফেলে দিতে পারলেই হলো! স্নায়বিক চাপের ফলে অনেকেরই ভাল প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষা খারাপ হয়ে যায়। অতিরিক্ত চাপ আত্মবিশ্বাসও কমিয়ে দেয়, যেটা ভীষণ আত্মঘাতী। অনেকেই হয়তো এর চাইতে কম সময় পড়ে ম্যানেজ করতে পেরেছেন। এটা নির্ভর যার যার পড়ার ধরন এবং বেসিকের উপর। আমি খুব মেধাবী কখনোই ছিলাম না বলে আমাকে বেশি সময় ধরে পড়তে হয়েছে। যতক্ষণই পড়াশোনা করুন না কেন, কোয়ান্টিটি স্টাডির চাইতে কোয়ালিটি স্টাডিই বেশি দরকার। যে সময়টাতে পড়াশোনা করছেন, নিজের ১০০%ই দিয়ে পড়াশোনা করুন। ফাঁকি দিলে নিজের ফাঁকির শাস্তি নিজেকেই ভোগ করতে হবে। সপ্তাহের শেষ দিনে ৪-৫ ঘণ্টা আগের ৬ দিনে যা যা পড়েছেন, সেগুলি খুব দ্রুততার সাথে একবার রিভিশন দিন। কোনো পড়া প্রথমবার পড়ার সময় প্রয়োজনীয় এবং কঠিন অংশগুলি অবশ্যই রঙিন কালিতে দাগিয়ে দাগিয়ে পড়বেন। এতে রিভিশন দিতে অনেক সুবিধা হয়।
কোচিং সেন্টারে যাওয়া ঠিক কিনা, এটা আমাকে অনেকেই জিজ্ঞেস করেন। এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হলো, কোচিং সেন্টারে যাওয়া যাবে যদি আপনি ওদের সব কথাকেই অন্ধভাবে বিশ্বাস না করেন। আপনাকে খুব ভালোভাবে বুঝতে হবে, আপনার কী করা উচিত, কী করা উচিত নয়। ওদের কথা শোনার সময় এটা ধরে ফেলতে হবে, ওদের কোন কোন কথা স্রেফ কোচিং সেন্টারে স্টুডেন্টের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বলা। ওদের গৎবাঁধা ছকে চললে আপনি হয়তোবা ক্যাডার হতে পারবেন, কিন্তু খুব ভাল করতে পারবেন না। এর চাইতে ভাল, বিভিন্ন গাইড বই, রেফারেন্স বই, ইন্টারনেট আর পেপার থেকে পড়াশোনা করা। কোচিং সেন্টারে যেতে পারেন যদি আপনি নিজের ব্যক্তিগত পড়াশোনাকে ঠিক রেখে বুঝেশুনে ওদের পরামর্শ ফলো করতে পারেন। কীরকম? ধরুন, পরেরদিন কোচিং-এ একটা মডেল টেস্ট আছে। এর জন্য আগেরদিন কিছুতেই আপনার ব্যক্তিগত পড়াশোনাকে ব্যাহত করা যাবে না। প্রয়োজনে এর জন্য এক্সট্রা আওয়ার খাটতে হবে। তাতে কোচিং-এর পরীক্ষায় মার্কস কম পেলেও অসুবিধা নেই। আমি কোচিং সেন্টারে টপারদেরকে বিসিএস পরীক্ষায় টপার হতে খুব একটা দেখিনি। আপনি কোচিং সেন্টারে ভর্তি হবেন নিজের মনটাকে খুঁতখুঁত করা থেকে বাঁচানোর জন্য, নিজেকে ধাক্কা দিয়ে দিয়ে ভালভাবে প্রস্তুত করার জন্য—সব ক্লাস করে পয়সা উশুল করার জন্য নয়। কোচিং সেন্টারের সব ক্লাস করার চাইতে বোকামি আর হয় না। অনেক ছেলেই কোচিং সেন্টারে প্রতিদিন যায় সুন্দরী মেয়ে দেখার জন্য আর অনেক মেয়েই যায় ছেলেদের পয়সায় শিঙাড়া খাওয়ার জন্য। চাকরি নাই, অথচ ফুটানির শেষ নাই। নিজের সাথে এর চাইতে বড় ফাঁকিবাজি আর হয় না। আপনি কোচিং সেন্টারে যাবেন কীভাবে শুরু করবেন সেটা বুঝতে, কিছু টেকনিক শিখতে, মডেল টেস্টগুলি নিয়মিত দিতে আর আপনার অবস্থানটা জানতে। কোচিং সেন্টারে না গেলে অনেকসময়ই, আপনি অনেক জানেন, আর কেউ অতো জানে না; যতটুকু জানেন, ততটুকু যথেষ্ট; অনেক পড়াশোনা করে ফেলছেন, এর চাইতে বেশি পড়তে হবে না; এই জাতীয় বিভিন্ন আত্মতুষ্টিতে ভুগতে পারেন। প্রয়োজন মনে করলে আর হাতে অর্থ ও সময় থাকলে কোচিং সেন্টারে যেতে পারেন, তবে পড়াশোনার ব্যাপারটা সম্পূর্ণই নিজের উপর নির্ভর করে। আপনি চাকরি পাবেন আপনার ব্যক্তিগত পড়াশোনার জোরে, কোচিং সেন্টারের জোরে নয়।
🔥4🥰1
বিসিএস পরীক্ষায় ভাল করার ক্ষেত্রে অন্য কারো পরামর্শ অনুসরণ না করে নিজের মতো করে গুছিয়ে পড়াশোনা করাটাই সবচাইতে ভাল। তবে একথা মাথায় রাখলে সুবিধা: চাকরির পরীক্ষায় ভাল করা আর অ্যাকাডেমিক পরীক্ষায় ভাল করার টেকনিকগুলিতে অসংখ্য অমিল রয়েছে। আমি কয়েকজন অনার্স এবং মাস্টার্সে টপারকে বিসিএস প্রিলিতেই ফেল করতে দেখেছি। আরেকটা জিনিস সবসময়ই মাথায় রাখুন। সেটি হলো, কখনোই বিসিএস নিয়ে বেশি লোকের সাথে কথা বলবেন না, আলাপ-পরামর্শ করতে যাবেন না। শুধু যারা এ পরীক্ষায় সফল হয়েছেন, তাদের সাথেই এটা নিয়ে কথা বলুন। তেমন কাউকে পাওয়া না গেলে, কিংবা তেমন কেউ আপনাকে সময় না দিলে কারো সাথেই কোনো কথা বলার দরকার নেই। বিসিএস ক্যাডারের সাথে বকবক করলে আর বিসিএস ক্যাডারের বকবকানি শুনলেই বিসিএস ক্যাডার হওয়া যায় না। পদ্ধতিগতভাবে পড়াশোনা করে যান, নিজের উপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখুন, জয় আপনার হবেই হবে!
কিছু কথা বলতে ইচ্ছে করছে:
এক। আপনার ভালথাকাটা কারো না কারো স্বপ্ন। সেই ভালমানুষটিকে ভাল রাখতে হলেও ভাল থাকুন।
দুই। আপনি পরীক্ষায় খারাপ করলে কেউ না কেউ অনেক শান্তি পাবে। আর কিছু না হোক, শুধু উনাকে অশান্তিতে রাখতে হলেও পরীক্ষায় ভাল করুন। এ এক দারুণ প্রতিশোধ!
তিন। আপনি ভাল একটা অবস্থানে যেতে পারলে আপনার জন্য আপনার বাবা-মা, কাছের মানুষগুলি সম্মানিত হবেন। তাদেরকে গর্বিত করতে ভাল করে পড়াশোনা করুন।
চার। আপনি যে অক্লান্ত পরিশ্রমটা করে যাচ্ছেন, সেটা নিয়ে যাতে কেউ হাসাহাসি করতে না পারে, সেটার জন্য হলেও চাকরিটা পেয়েই দেখান।
পাঁচ। আপনার সামর্থ্য নিয়ে আপনার আশেপাশের যে মূর্খরা আজেবাজে বকছে, তাদেরকে সমুচিত জবাবটা আপনার কাজের মাধ্যমে দিয়ে দিন! সত্যি বলছি, অনেকবেশিই স্বস্তি পাবেন।
সব কথার শেষকথাটি: বিসিএস প্রিলি, রিটেন, ভাইভা নিয়ে আমার অন্তত ৩০+টি লেখা আছে যেগুলি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে ছাপা হয়েছিল। এর বাইরেও অন্তত ১০০+টি প্রাসঙ্গিক লেখা আছে। লেখাগুলির সবকটিই আমার ফেসবুক নোটসে পাবেন। আমার সব নোটই পাবলিক-করা, তাই আমার বন্ধু-তালিকায় থাকুন আর না-ই থাকুন, পড়তে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন। আমার এই লেখায় নেই, এমন প্রয়োজনীয় অনেককিছুই ওগুলিতে পেয়ে যাবেন।
গুড লাক!!
সুশান্ত পাল
আপনাদের সিনিয়র সহকর্মী


#Collected
37
আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস
🎉2820
Forwarded from Bangla Phobia।Exam Mate (ASRAFUL🌿)
৯ম ও ১০ম শ্রেণী বাংলা ২য় পত্র

▶️ সকল পোল লিংক (👇)

পরিচ্ছেদ- ১, ২, ৩ ( ভাষা ও বাংলা ভাষা, বাংলা ব্যাকরণ, ভাষার রীতি ও বিভাজন) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7068

পরিচ্ছদ- ৪, ৫, ৬ ( বাগযন্ত্র, ধ্বনি ও বর্ণ, স্বরধ্বনি) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7107

পরিচ্ছদ- ৭, ৮, ৯ ( ব্যঞ্জনধ্বনি, বর্ণের উচ্চারণ, শব্দ ও পদের গঠন) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7146

পরিচ্ছেদ- ১০, ১১, ১২ ( উপসর্গ, প্রত্যয়, সমাস নিয়ে শব্দ গঠন ) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7179

পরিচ্ছেদ- ১৩, ১৪, ১৫, ১৬ ( সন্ধি, শব্দদ্বিত্ব, নরবাচক, সংখ্যাবাচক শব্দ ) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7227

পরিচ্ছেদ- ১৭, ১৮, ১৯ ২০ ( শব্দের শ্রেণিবিভাগ, বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষন) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7273

পরিচ্ছেদ- ২১, ২২, ২৩, ২৪ ( ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষন, অনুসর্গ, যোজক) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7335

পরিচ্ছেদ- ২৫, ২৬, ২৭, ২৮ ( আবেগ, নির্দেশক, বচন, বিভক্তি ) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7373

পরিচ্ছেদ- ২৯,৩০,৩১,৩২ ( ক্রিয়াবিভক্তি, ক্রিয়ারকাল, বাক্যের অংশ, বাক্যের বর্গ) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7470

পরিচ্ছেদ- ৩৩, ৩৪, ৩৫ ( উদ্দেশ্য ও বিধেয়, সরল ও জটিল এবং যৌগিক বাক্য, কারক) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7502

পরিচ্ছেদ- ৩৬, ৩৭, ৩৮ ( বাচ্য, উক্তি, যতিচিহ্ন ) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7540

পরিচ্ছেদ- ৩৯, ৪০, ৪১, ৪২, ৪৩ ( বাগর্থের শ্রেনি, বাগধারা, প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দজোড়) লিংক- https://news.1rj.ru/str/ConfusingQuestions16/7572

আশা করে সকলের অনেক উপকারে আসবে।
16🎉1
মুজিবনগর সরকারের সদস্য ছিলেন কয়জন?
Anonymous Quiz
21%
9%
45%
25%
১০
5🤔2😱2👏1
৭ই মার্চ এ ভাষণ এর বিষয়বস্তু ছিল কয়টি?
Anonymous Quiz
22%
61%
9%
১০
7%
6😢3🤔2
মুক্তিযুদ্ধভিওিক ভাস্কর্য "বিজয়গাথা "কোথায় অবস্থিত?
Anonymous Quiz
36%
ঢাকা সেনানিবাস
39%
রংপুর সেনানিবাস
22%
যশোর সেনানিবাস
3%
সিলেট সেনানিবাস
🥰9😢5🔥1
‘মহাসেন’ যার সাথে সম্পর্কিত-ঃ
Anonymous Quiz
64%
সাইক্লোন
20%
টর্নেডো
11%
ভূমিকম্প
5%
বন্যা
🥰6😢4🔥2🎉1
বাংলাদেশের কয়টি ভূ উপগ্রহকেন্দ্র রয়েছে?
Anonymous Quiz
50%
৪ টি
20%
১ টি
6%
৫ টি
24%
৩ টি
🥰5🤔4😢2
বাংলাদেশ মান সময় গ্রীনিচ সময় অপেক্ষা কত ঘন্টা অগ্রবর্তী?
Anonymous Quiz
9%
৪ ঘন্টা
85%
৬ ঘন্টা
4%
৫ ঘন্টা
1%
৭ ঘন্টা
🥰8🔥2😱1🎉1
🥰11😢2
Who wrote the short story ‘The Ant and the Grasshopper’?
Anonymous Quiz
13%
Guy de Maupassant
56%
W. Somerset Maugham
20%
J. K. Rawlings
11%
O’ Henry
🥰10🫡5🕊3
Forwarded from English Phobia।Exam Mate (Doctor Strange)
★Always -- সর্বদা ( ১০০%)
★Usually --- সচরাচর ( ৯০%)
★Normally/Generally --- সাধারণত(৮০%)
★Frequently -- প্রায়ই ( ৭০%)
★Sometimes -- মাঝে মাঝে ( ৫০%)
★Occasionally --- উপলক্ষ্যভেদে ( ৩০%)
★Seldom -- কদাচিৎ ( ১০%)
★Hardly ever/Rarely-খুবই কদাচিৎ (৫%)
★Never -- কখনই না (০%)
★Everyday -- প্রতিদিন।
★All Day long -- সারা দিন।
🔥398🥰6👌3🎉2
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কালো দিবস -

Exam Mate
Anonymous Quiz
23%
২৩শে সেপ্টেম্বর
20%
২৪সে সেপ্টেম্বর
51%
২৩সে আগস্ট
7%
২২সে শ্রাবণ
😢23🥰5
🔥1912
GK এর Recent Information গুলো আমাদের Fb পেইজে এভাবে দেওয়া হবে

Page Link:https://www.facebook.com/ExamMate21
28😱5