বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
Anonymous Quiz
47%
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
7%
২৬ মার্চ ১৯৭১
27%
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
20%
২৬ মার্চ ১৯৭২
🤔9🥰2😱2😢2🕊2
🥰1
🥰2
🔥4
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় (সদর দপ্তর) কোথায় ছিল?
Anonymous Quiz
72%
৮ নং থিয়েটার রোড কলকাতা
19%
মুজিবনগর
5%
করিমগঞ্জ
4%
বেনাপোল
❤4🫡4
BCS Mate(Exam Mate)
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় (সদর দপ্তর) কোথায় ছিল?
এখানে ধোঁকা খেলেন কে কে???😵💫
😢4
সুন্দর সকলকে আকর্ষণ করে। বাক্যে সুন্দর শব্দটি-
Anonymous Quiz
59%
বিশেষ্য
36%
বিশেষণ
5%
সর্বনাম
1%
অব্যয়
👏2
প্রথম বাংলা হরফ কে তৈরি করেন?
Anonymous Quiz
16%
প্রসন্ন কর্মকার
56%
পঞ্চানন কর্মকার
22%
মনোহর কর্মকার
6%
পাঁচুরাম কর্মকার
😢2
শিউলিমালা নজরুলের কোন ধরনের রচনা? [SUST:19-20]
Anonymous Quiz
34%
উপন্যাস
7%
সঙ্গীত
22%
কবিতা
20%
নাটক
17%
ছোটগল্প
😢9🥰3🔥1
The man who is hungry --money and honour may prove an antisocial element
Anonymous Quiz
29%
After
52%
For
15%
By
4%
None
😢1🫡1
😱1
😢1
BCS Mate(Exam Mate)
The man who is hungry --money and honour may prove an antisocial element
অনেকেই তো এটা পেরেছেন এবার ব্যাখা দিন comment এ👇
😢2
আমি অধ্যাপক আর আমার স্ত্রী হাইস্কুলের শিক্ষিকা।সকাল বেলায় আমার গিন্নির মেজাজ আর চায়ের জল এক সংগে ফুটতে থাকে।আজ হঠাৎ গিন্নির আদেশ হলো - তিতলির (আমার মেয়ের নাম) স্কুল থেকে ডাক এসেছে, তোমাকে যেতেই হবে। অংকের দিদিমণি দেখা করতে চেয়েছেন।
অগত্যা যেতেই হলো।
গিয়ে দেখি, বিশাল একটা হলঘরে চশমা আঁটা অংকের দিদিমণি বসে আছেন।
গম্ভীর গলায় ডাকলেন - অনন্যা পাল। সেই ডাকে অনন্যার মা উঠে দাঁড়ালেন। চললো অনন্যা কোন কোন অংক পারেনি তার বিশ্লেষণ। তার সংগে পাল্লা দিয়ে চললো, বেচারা অনন্যার মায়ের তীব্র আস্ফালন।
- এতগুলো টাকা খরচ করে মাষ্টার রেখেছি। আজ বাড়ি চল, তোর হাত-পা ভাঙব!
পল্লবীর মা আর বাড়ি পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন না। তিনি হলের মধ্যেই পল্লবীর চুলের মুঠি ধরে কয়েকটা চড় মেরে বললেন - আজ তোর বাবা বাড়িতে আসুক। দেখবি ফাঁকি মারার কত মজা!
আর টুম্পার বাবা - টুম্পা তিনটে অংক ভুল করায় তীক্ষ্ণ কন্ঠে বললেন - সামনের তিনদিন টুম্পার খাওয়া বন্ধ !!!
এভাবেই কেটে গেল অনেকটা সময়।
অবশেষে ডাক এলো - তিতলি চ্যাটার্জ্জী, মানে আমার মেয়ে, যার জন্য এখানে আমার আসা।
দিদিমনি বলে চললেন - আপনার মেয়ে তো অর্ধেক অংকই পারেনি!
আমি বললাম
- অর্ধেক অংক তো পেরেছে। আর একটু বড় হলে বাকিটা শিখে নেবে। আপনি টেনশন করবেন না, ম্যাডাম।
- আপনি কনফিডেন্ট?
- নিশ্চিত। আসলে কি জানেন ম্যাডাম, আমি আর তিতলির মা, মাধ্যমিকে দুজনে মিলে অংকে ১০০ তুলতে পারি নি। তবুও আমার অধ্যাপক হওয়া কিম্বা তিতলির মায়ের রাগী দিদিমণি হতে কোন অসুবিধেই হয় নি!
তিতলি খুশী হয়ে বলল --
- বাবা, আজ বিরিয়ানী খাব।
আমি বললাম - টুম্পাকেও ডাকিস। ওর বাবা ওকে তিন দিন খেতে দেবে না বলেছে !!!!
বাড়তি চাপ দিয়ে ছেলেমেয়েকে টেনশন দেবেন না। টেনশন নেওয়ার জন্য তো সারা জীবনটা পড়ে রইল ওরা যেদিন নিজে বুঝবে ঠিক শুধরে যাবে।
_জনৈক অধ্যাপক
-সংগৃহীত
অগত্যা যেতেই হলো।
গিয়ে দেখি, বিশাল একটা হলঘরে চশমা আঁটা অংকের দিদিমণি বসে আছেন।
গম্ভীর গলায় ডাকলেন - অনন্যা পাল। সেই ডাকে অনন্যার মা উঠে দাঁড়ালেন। চললো অনন্যা কোন কোন অংক পারেনি তার বিশ্লেষণ। তার সংগে পাল্লা দিয়ে চললো, বেচারা অনন্যার মায়ের তীব্র আস্ফালন।
- এতগুলো টাকা খরচ করে মাষ্টার রেখেছি। আজ বাড়ি চল, তোর হাত-পা ভাঙব!
পল্লবীর মা আর বাড়ি পর্যন্ত অপেক্ষা করলেন না। তিনি হলের মধ্যেই পল্লবীর চুলের মুঠি ধরে কয়েকটা চড় মেরে বললেন - আজ তোর বাবা বাড়িতে আসুক। দেখবি ফাঁকি মারার কত মজা!
আর টুম্পার বাবা - টুম্পা তিনটে অংক ভুল করায় তীক্ষ্ণ কন্ঠে বললেন - সামনের তিনদিন টুম্পার খাওয়া বন্ধ !!!
এভাবেই কেটে গেল অনেকটা সময়।
অবশেষে ডাক এলো - তিতলি চ্যাটার্জ্জী, মানে আমার মেয়ে, যার জন্য এখানে আমার আসা।
দিদিমনি বলে চললেন - আপনার মেয়ে তো অর্ধেক অংকই পারেনি!
আমি বললাম
- অর্ধেক অংক তো পেরেছে। আর একটু বড় হলে বাকিটা শিখে নেবে। আপনি টেনশন করবেন না, ম্যাডাম।
- আপনি কনফিডেন্ট?
- নিশ্চিত। আসলে কি জানেন ম্যাডাম, আমি আর তিতলির মা, মাধ্যমিকে দুজনে মিলে অংকে ১০০ তুলতে পারি নি। তবুও আমার অধ্যাপক হওয়া কিম্বা তিতলির মায়ের রাগী দিদিমণি হতে কোন অসুবিধেই হয় নি!
তিতলি খুশী হয়ে বলল --
- বাবা, আজ বিরিয়ানী খাব।
আমি বললাম - টুম্পাকেও ডাকিস। ওর বাবা ওকে তিন দিন খেতে দেবে না বলেছে !!!!
বাড়তি চাপ দিয়ে ছেলেমেয়েকে টেনশন দেবেন না। টেনশন নেওয়ার জন্য তো সারা জীবনটা পড়ে রইল ওরা যেদিন নিজে বুঝবে ঠিক শুধরে যাবে।
_জনৈক অধ্যাপক
-সংগৃহীত
🔥15🥰10🫡2❤1