Exam Mate:BCS Previous Year Question
১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
Anonymous Quiz
64%
ক) ৩টি
25%
খ) ৪টি
5%
গ) ৫টি
6%
ঘ) ৬টি
❤10😢4
[Exam Mate]
'অকাল বোধন' বাগধারাটির অর্থ-
'অকাল বোধন' বাগধারাটির অর্থ-
Anonymous Quiz
12%
ক) শেষ বিদায়
67%
খ) অসময়ে আবির্ভাব
16%
গ) শেষ সময়ের কাজ
5%
ঘ) সময়ে আবির্ভাব
😢5❤4🔥3
[Exam Mate]
'অগস্ত্যযাত্রা' বাগধারাটির অর্থ কি?
'অগস্ত্যযাত্রা' বাগধারাটির অর্থ কি?
Anonymous Quiz
6%
ক) শুরু করা
9%
খ) বিশ্রাম করা
22%
গ) তাড়াতাড়ি শেষ করা
64%
ঘ) শেষ বিদায়
😢6🎉5❤4🔥1
[Exam Mate]
'অঞ্চল প্রভাব' বাগধারাটির অর্থ-
'অঞ্চল প্রভাব' বাগধারাটির অর্থ-
Anonymous Quiz
16%
ক) আঞ্চলিকতার প্রভাব
8%
খ) স্বামীর প্রভাব
40%
গ) স্ত্রীর প্রভাব
35%
ঘ) উধ্বর্তন কর্তার প্রভাব
😱21❤8😢1🎉1🫡1
[Exam Mate]
'আগড়ম-বাগড়ম' বাগধারা অর্থ-
'আগড়ম-বাগড়ম' বাগধারা অর্থ-
Anonymous Quiz
2%
ক) সুন্দর কথা
9%
খ) প্রচুর কথা
6%
গ) রাগের কথা
84%
ঘ) অর্থহীন কথা
💯6❤5
[Exam Mate]
'অন্তর টিপুনি' বাগধারাটির অর্থ কি?
'অন্তর টিপুনি' বাগধারাটির অর্থ কি?
Anonymous Quiz
4%
ক) বিপদ
69%
খ) গোপন ব্যথা
7%
গ) গভীর
20%
ঘ) হিংসা
😢5❤3
[Exam Mate]
'অন্ধিসন্ধি' বাগধারাটির অর্থ কি?
'অন্ধিসন্ধি' বাগধারাটির অর্থ কি?
Anonymous Quiz
9%
ক) বেফাঁস কথা
38%
খ) গোপন তথ্য
24%
গ) বিশ্বাসঘাতকতা
28%
ঘ) ষড়যন্ত্র
🔥6😢6❤3
[Exam Mate]
'অশ্বমেধ যজ্ঞ' বাগধারাটির অর্থ?
'অশ্বমেধ যজ্ঞ' বাগধারাটির অর্থ?
Anonymous Quiz
63%
ক) বিপুল আয়োজন
20%
খ) হত্যাযজ্ঞ
11%
গ) ঘোড়া নিধন
7%
ঘ) সম্পূর্ণভাবে
❤9🥰4😢3
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন?
Anonymous Quiz
14%
প্রধানমন্ত্রী
4%
প্রতিমন্ত্রী
79%
স্পীকার
3%
আদালত
❤21
Forwarded from Nursing Mate
বাংলা ব্যাকরণের ১০০ টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা পরীক্ষায় বার বার আসে
১) অপমান শব্দের অপ উপসর্গটি যে অর্থে
ব্যবহৃত – বিপরীত
২) ‘ধ্বনি দিয়ে আট বাঁধা শব্দই ভাষার ইট ’ এই
ইটকে বাংলা ভাষায় বলে— বর্ণ
৩) ষড়ঋতু এর সন্ধি বিচ্ছেদ – ষট্ + ঋতু
৪) ইচ্ছা শব্দের বিশেষণ -ঐচ্ছিক
৫) নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশী। নিশীথ – বিশেষণ
৬) যা বলা হয়নি – অনুক্ত
৭) অক্ষির সমীপে – সমক্ষ
৮) পুষ্প এন সমার্থক নয় – অবনী
৯) গোঁফ খেজুরে বাগধারার অর্থ – নিতান্ত অলস
১০) রাবনের চিতা – চির অশান্তি
১১) পহেলা বৈশাখ চালু করেন – সম্রাট আকবর
১২) হনন করার ইচ্ছা – জিঘাংসা
১৩) শুদ্ধ বানান – কৃষিজীবী
১৪) আভরন শব্দের অর্থ – অলংকার
১৫) নন্দিত নরকে যাঁর উপন্যাস – হুমায়ুন আহমেদ
১৬) কোর্মা – তুর্কি শব্দ
১৭) তদ্ভব শব্দ – চাঁদ
১৮) অপলাপ শব্দের অর্থ – অস্বীকার
১৯) প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ – উৎকর্ষ, উৎকৃষ্ট, উৎকৃষ্টতা
২০) পুণ্যে মতি হোক। পুণ্যে – বিশেষ্য রুপে ব্যবহৃত
২১) সমাস ভাষাকে – সংক্ষেপ করে
২২) তিনি দরিদ্র কিন্তু খুব উদার – যৌগিক বাক্য
২৩) শুদ্ধ বাক্য – সে এমন রুপবতী যেন অপ্সরা
২৪) যে ব্যক্তির দুহাত সমান চলে – সব্যসাচী
২৫) সূর্য এর প্রতিশব্দ – আদিত্য
২৬) মুজিব নগর স্মৃতি সৌধের স্থপতি -তানভীর কবির
২৭) বাঙ্গালীর ইতিহাস – নীহার রঞ্জন রায়
২৮) সৌভাগ্যের বিষয় – একাদশে বৃহষ্পতি
২৯) সংশপ্তক ভাস্কর্যটিরঅবস্থিত -জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
৩০) পদ বলতে বোঝায় – বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু
৩১) হাতের পাঁচ অর্থ – শেষ সম্বল
৩২) সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি
আছে। এখানে সুন্দর – বিশেষ্য
৩৩) তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে??
এখানে না – হ্যাঁ বাচক
৩৪) যেই তার দর্শন পেলাম, সেই আমরা
প্রস্থান করলাম – মিশ্র বাক্য
৩৫) রবীন্দ্রনাথের নাটক -চতুরঙ্গ
৩৬) শাহনামা রচনা করেন – ফেরদৌসী
৩৭) উপসর্গ – অতি
৩৮) ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে
আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু
কালি পড়ে – প্রমথ চৌধুরী
৩৯) আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে
প্রার্থনা টি – ঈশ্বরী পাটনীর
৪০) কাশবনের কন্যা – উপন্যাস
৪১) যে সমাসের পূর্ব পদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত
পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে বলে- দ্বিগু সমাস
৪২) প্রথম বাংলা থিসরাস বা সমার্থক শব্দের অভিধান
সংকলন করেন – অশোক মুখোপাধ্যায়
৪৩) নিরানব্বইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
৪৪) একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম সংকলনের সম্পাদক – হাসান হাফিজুর রহমান
৪৫) বনফুল – বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
৪৬) কষ্টে অতিক্রম করা যায় না যা -দুরতিক্রম্য
৪৭) উৎকর্ষতা যে কারনে অশুদ্ধ – প্রত্যয়জনিত কারনে
৪৮) কোনটি ঠিক – বহিপীর ( নাটক)
৪৯) ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ রচনা করেন- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
৫০) ক্রিয়াপদ – সব সময়ে বাক্যে থাকবে
৫১) আহোরণ শব্দের বিপরীত – অবরোহন
৫২) ছাই চাপা আগুন যে অর্থ প্রকাশ করে –
অন্তরে বিদ্যমান অথচ বাইরে প্রকাশের অসাধ্য এমন
৫৩) যে ভবিষ্যৎ না ভেবে কাজ করে – অবিমৃষ্যকারী
৫৪) মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস – আগুনের পরশ মনি
৫৫) কবর কবিতা রচনা করেন – জসীমউদদীন
৫৬) সঠিক বাক্য – মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দূরাকাংখা
৫৭) চৌ হদ্দি – ফারসি+ আরবি
৫৮) সর্বাঙ্গে ব্যাথা ঔষধ দিব কোথা। বাক্যে ঔষধ – কর্মে শূন্য
৫৯) শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাস সরকার বাজেয়াপ্ত করে – পথের দাবী
৬০) বেটাইম – ফারসি+ ইংরেজী
৬১) সন্ধি ব্যাকরণের যে অংশে আলোচিত হয় – ধ্বনিতত্ত্ব
৬২) সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে – ঢং ঢং ঘন্টা বাজে
৬৩) বিরাম চিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি – ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
৬৪) শুদ্ধ বানান – সমীচীন
৬৫) জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্ধ – ঝরা পালক
৬৬) কলিঙ্গ পুরষ্কার পান – আবদুল্লাহ আল মুতী
৬৭) নিত্য মূর্ধণ্য ষ যে শব্দে – আষাঢ়
৬৮) সাধু ভাষা অনুপযোগী – নাটকের সংলাপে
৬৯) সাত সাগরের মাঝি কার লেখা – ফররুখ আহমদ
৭০) প্রাতরাশ এর সন্ধি বিচ্ছেদ।- প্রাতঃ+ আশ
৭১) যা বলা হয়নি – অনুক্ত
৭২) যৌগিক শব্দ – গায়ক
৭৩) তৎসম শব্দ – হস্ত
৭৪) নিত্য স্ত্রী বাচক শব্দ – সতীন
৭৫) খাঁটি বাংলা উপসর্গ – ২১ টি
৭৬) বিড়ালের আড়াই পা বাগধারার অর্থ –বেহায়াপনা
৭৭) নজরুল রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন – সঞ্চিতা
৭৮) ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে – জিতেন্দ্রিয়
৭৯) অনিষ্ট করতে গিয়ে ভালো হওয়াকে বলে – শাপেবর
৮০) পৃথিবীর সমার্থক শব্দ – অখিল
৮১) পঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক – সৈয়দ হামজা
৮২) সনেট শব্দটি – ইটালিয়ান
৮৩) সংগীত এর সন্ধি বিচ্ছেদ – সম+ গীত
৮৪) বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে -প্রাতিপদিক
৮৫) যে সমাসের পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ হয় না – অলুক সমাস
৮৬) শুদ্ধ বানান – মুমূর্ষু
৮৭) হুতোম প্যাঁচা যাঁর ছদ্মনাম – কালীপ্রসন্ন সিংহ
১) অপমান শব্দের অপ উপসর্গটি যে অর্থে
ব্যবহৃত – বিপরীত
২) ‘ধ্বনি দিয়ে আট বাঁধা শব্দই ভাষার ইট ’ এই
ইটকে বাংলা ভাষায় বলে— বর্ণ
৩) ষড়ঋতু এর সন্ধি বিচ্ছেদ – ষট্ + ঋতু
৪) ইচ্ছা শব্দের বিশেষণ -ঐচ্ছিক
৫) নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশী। নিশীথ – বিশেষণ
৬) যা বলা হয়নি – অনুক্ত
৭) অক্ষির সমীপে – সমক্ষ
৮) পুষ্প এন সমার্থক নয় – অবনী
৯) গোঁফ খেজুরে বাগধারার অর্থ – নিতান্ত অলস
১০) রাবনের চিতা – চির অশান্তি
১১) পহেলা বৈশাখ চালু করেন – সম্রাট আকবর
১২) হনন করার ইচ্ছা – জিঘাংসা
১৩) শুদ্ধ বানান – কৃষিজীবী
১৪) আভরন শব্দের অর্থ – অলংকার
১৫) নন্দিত নরকে যাঁর উপন্যাস – হুমায়ুন আহমেদ
১৬) কোর্মা – তুর্কি শব্দ
১৭) তদ্ভব শব্দ – চাঁদ
১৮) অপলাপ শব্দের অর্থ – অস্বীকার
১৯) প্রত্যয়গতভাবে শুদ্ধ – উৎকর্ষ, উৎকৃষ্ট, উৎকৃষ্টতা
২০) পুণ্যে মতি হোক। পুণ্যে – বিশেষ্য রুপে ব্যবহৃত
২১) সমাস ভাষাকে – সংক্ষেপ করে
২২) তিনি দরিদ্র কিন্তু খুব উদার – যৌগিক বাক্য
২৩) শুদ্ধ বাক্য – সে এমন রুপবতী যেন অপ্সরা
২৪) যে ব্যক্তির দুহাত সমান চলে – সব্যসাচী
২৫) সূর্য এর প্রতিশব্দ – আদিত্য
২৬) মুজিব নগর স্মৃতি সৌধের স্থপতি -তানভীর কবির
২৭) বাঙ্গালীর ইতিহাস – নীহার রঞ্জন রায়
২৮) সৌভাগ্যের বিষয় – একাদশে বৃহষ্পতি
২৯) সংশপ্তক ভাস্কর্যটিরঅবস্থিত -জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
৩০) পদ বলতে বোঝায় – বিভক্তিযুক্ত শব্দ বা ধাতু
৩১) হাতের পাঁচ অর্থ – শেষ সম্বল
৩২) সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি
আছে। এখানে সুন্দর – বিশেষ্য
৩৩) তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে??
এখানে না – হ্যাঁ বাচক
৩৪) যেই তার দর্শন পেলাম, সেই আমরা
প্রস্থান করলাম – মিশ্র বাক্য
৩৫) রবীন্দ্রনাথের নাটক -চতুরঙ্গ
৩৬) শাহনামা রচনা করেন – ফেরদৌসী
৩৭) উপসর্গ – অতি
৩৮) ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে
আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু
কালি পড়ে – প্রমথ চৌধুরী
৩৯) আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে
প্রার্থনা টি – ঈশ্বরী পাটনীর
৪০) কাশবনের কন্যা – উপন্যাস
৪১) যে সমাসের পূর্ব পদ সংখ্যাবাচক এবং সমস্ত
পদের দ্বারা সমাহার বোঝায় তাকে বলে- দ্বিগু সমাস
৪২) প্রথম বাংলা থিসরাস বা সমার্থক শব্দের অভিধান
সংকলন করেন – অশোক মুখোপাধ্যায়
৪৩) নিরানব্বইয়ের ধাক্কা – সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
৪৪) একুশে ফেব্রুয়ারি প্রথম সংকলনের সম্পাদক – হাসান হাফিজুর রহমান
৪৫) বনফুল – বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
৪৬) কষ্টে অতিক্রম করা যায় না যা -দুরতিক্রম্য
৪৭) উৎকর্ষতা যে কারনে অশুদ্ধ – প্রত্যয়জনিত কারনে
৪৮) কোনটি ঠিক – বহিপীর ( নাটক)
৪৯) ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ রচনা করেন- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
৫০) ক্রিয়াপদ – সব সময়ে বাক্যে থাকবে
৫১) আহোরণ শব্দের বিপরীত – অবরোহন
৫২) ছাই চাপা আগুন যে অর্থ প্রকাশ করে –
অন্তরে বিদ্যমান অথচ বাইরে প্রকাশের অসাধ্য এমন
৫৩) যে ভবিষ্যৎ না ভেবে কাজ করে – অবিমৃষ্যকারী
৫৪) মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস – আগুনের পরশ মনি
৫৫) কবর কবিতা রচনা করেন – জসীমউদদীন
৫৬) সঠিক বাক্য – মনোরম উদ্যানে ভ্রমণ দূরাকাংখা
৫৭) চৌ হদ্দি – ফারসি+ আরবি
৫৮) সর্বাঙ্গে ব্যাথা ঔষধ দিব কোথা। বাক্যে ঔষধ – কর্মে শূন্য
৫৯) শরৎচন্দ্রের যে উপন্যাস সরকার বাজেয়াপ্ত করে – পথের দাবী
৬০) বেটাইম – ফারসি+ ইংরেজী
৬১) সন্ধি ব্যাকরণের যে অংশে আলোচিত হয় – ধ্বনিতত্ত্ব
৬২) সমুচ্চয়ী অব্যয় ব্যবহৃত হয়েছে – ঢং ঢং ঘন্টা বাজে
৬৩) বিরাম চিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি – ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
৬৪) শুদ্ধ বানান – সমীচীন
৬৫) জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্ধ – ঝরা পালক
৬৬) কলিঙ্গ পুরষ্কার পান – আবদুল্লাহ আল মুতী
৬৭) নিত্য মূর্ধণ্য ষ যে শব্দে – আষাঢ়
৬৮) সাধু ভাষা অনুপযোগী – নাটকের সংলাপে
৬৯) সাত সাগরের মাঝি কার লেখা – ফররুখ আহমদ
৭০) প্রাতরাশ এর সন্ধি বিচ্ছেদ।- প্রাতঃ+ আশ
৭১) যা বলা হয়নি – অনুক্ত
৭২) যৌগিক শব্দ – গায়ক
৭৩) তৎসম শব্দ – হস্ত
৭৪) নিত্য স্ত্রী বাচক শব্দ – সতীন
৭৫) খাঁটি বাংলা উপসর্গ – ২১ টি
৭৬) বিড়ালের আড়াই পা বাগধারার অর্থ –বেহায়াপনা
৭৭) নজরুল রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন – সঞ্চিতা
৭৮) ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে – জিতেন্দ্রিয়
৭৯) অনিষ্ট করতে গিয়ে ভালো হওয়াকে বলে – শাপেবর
৮০) পৃথিবীর সমার্থক শব্দ – অখিল
৮১) পঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক – সৈয়দ হামজা
৮২) সনেট শব্দটি – ইটালিয়ান
৮৩) সংগীত এর সন্ধি বিচ্ছেদ – সম+ গীত
৮৪) বিভক্তিহীন নাম শব্দকে বলে -প্রাতিপদিক
৮৫) যে সমাসের পূর্ব পদের বিভক্তি লোপ হয় না – অলুক সমাস
৮৬) শুদ্ধ বানান – মুমূর্ষু
৮৭) হুতোম প্যাঁচা যাঁর ছদ্মনাম – কালীপ্রসন্ন সিংহ
❤53👏5🥰1😢1
Forwarded from News Zone
কী বার্তা দিচ্ছে ৪৭তম বিসিএস প্রিলি প্রশ্ন?
প্রশ্নটা দেখলাম। বিগত কয়েকটা বিসিএসের তুলনায় এবারের প্রশ্ন অনেক কঠিন মনে হয়েছে। কঠিনের মধ্যেও কিছু ক্রাইটেরিয়া থাকে, যেটা কঠিন হলেও শিক্ষার্থীদের জানা গুরুত্বপূর্ণ। অথবা এমন কঠিন যেটা লাইমলাইটে নিয়ে আসা জরুরি যেন এটা নিয়ে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা বৃহৎ পড়াশোনা করে। তবে এবারের প্রশ্নে সেরকম কঠিন ছিল না। যেটা হয়েছে অপরিচিত এবং অগুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ছিল যেগুলো আসলে একজন বিসিএস ক্যান্ডিডেটের জনার দরকার নেই, কিছু প্রশ্নের মেরিট ছিল না যেটা আসলে জানতেই হবে। যেহেতু প্রতিযোগিতামূলত পরিক্ষা, অনেক পার্টিসিপ্যান্ট তাই হয়তো এরকম অগুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন রেখেছে।
তবে প্রশ্ন থেকে যে কয়েকটা মেসেজ নেওয়া যেতে পারে:
এক. প্রিলিতে হয়তো কমসংখ্যক পরিক্ষার্থী টিকাবে। আট থেকে দশ হজারের মতো। পিএসসি একটা রোডম্যাপ দিয়েছিল এক বছরে একটা বিসিএস সম্পূর্ণ করবে। ফলে রিটেন যত কমসংখ্যক নিবে ততদ্রুত বিসিএসটা সম্পূর্ণ করতে পারবে; এই ফর্মুলায় যেতে পারে।
দুই. এবারের রিটেন পরিক্ষার প্রশ্নের প্যাটার্নেও পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে সেটার একটা ইঙ্গিত দিয়েছে পিএসসি। এবারের প্রশ্ন পূর্বের ন্যায় গতানুগতিক না হবার সম্ভাবনাই বেশি।
তিন. কঠিন প্রশ্নের মাধ্যমে বিসিএসের প্রতি যে অত্যধিক ঝোক সেটিকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিসিএসের প্রতি সম্পূর্ণ ডেডিকেশন না থাকলে কিংবা নিজের প্রস্তুতি ও যোগ্যতার ঘাটতি রেখে এই চক্রে প্রবেশ করে বছরের পর বছর সময় নষ্ট না করার প্রতি বার্তা দেওয়া হয়েছে।
প্রশ্নটা দেখলাম। বিগত কয়েকটা বিসিএসের তুলনায় এবারের প্রশ্ন অনেক কঠিন মনে হয়েছে। কঠিনের মধ্যেও কিছু ক্রাইটেরিয়া থাকে, যেটা কঠিন হলেও শিক্ষার্থীদের জানা গুরুত্বপূর্ণ। অথবা এমন কঠিন যেটা লাইমলাইটে নিয়ে আসা জরুরি যেন এটা নিয়ে পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা বৃহৎ পড়াশোনা করে। তবে এবারের প্রশ্নে সেরকম কঠিন ছিল না। যেটা হয়েছে অপরিচিত এবং অগুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন ছিল যেগুলো আসলে একজন বিসিএস ক্যান্ডিডেটের জনার দরকার নেই, কিছু প্রশ্নের মেরিট ছিল না যেটা আসলে জানতেই হবে। যেহেতু প্রতিযোগিতামূলত পরিক্ষা, অনেক পার্টিসিপ্যান্ট তাই হয়তো এরকম অগুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রশ্ন রেখেছে।
তবে প্রশ্ন থেকে যে কয়েকটা মেসেজ নেওয়া যেতে পারে:
এক. প্রিলিতে হয়তো কমসংখ্যক পরিক্ষার্থী টিকাবে। আট থেকে দশ হজারের মতো। পিএসসি একটা রোডম্যাপ দিয়েছিল এক বছরে একটা বিসিএস সম্পূর্ণ করবে। ফলে রিটেন যত কমসংখ্যক নিবে ততদ্রুত বিসিএসটা সম্পূর্ণ করতে পারবে; এই ফর্মুলায় যেতে পারে।
দুই. এবারের রিটেন পরিক্ষার প্রশ্নের প্যাটার্নেও পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে সেটার একটা ইঙ্গিত দিয়েছে পিএসসি। এবারের প্রশ্ন পূর্বের ন্যায় গতানুগতিক না হবার সম্ভাবনাই বেশি।
তিন. কঠিন প্রশ্নের মাধ্যমে বিসিএসের প্রতি যে অত্যধিক ঝোক সেটিকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিসিএসের প্রতি সম্পূর্ণ ডেডিকেশন না থাকলে কিংবা নিজের প্রস্তুতি ও যোগ্যতার ঘাটতি রেখে এই চক্রে প্রবেশ করে বছরের পর বছর সময় নষ্ট না করার প্রতি বার্তা দেওয়া হয়েছে।
❤38😢17🤔11🔥3🥰2🕊2
🔥8❤6😢1