আচ্ছা সমাসে আপনাদের সমস্যা কোথায়? সমাস নিয়ে প্রশ্ন আসলেই আপনারা উত্তর করতে পারছেন না । কেন? সমাস নিয়ে এর আগে অনেকগুলো পোল + শর্টকাট টেকনিক দেওয়া হয়েছে। তবুও এতো ভুল কেন? বারবার বলা হয়েছে কোনো কনসেপ্ট বুঝতে সমস্যা হলে এডমিনদের জানাবেন। কিন্তু না, আপনাদের কোনো সমস্যা নেই, আবার পোল দিলেও পারেন না। কেন?
😢39
Forwarded from Bangla Phobia।Exam Mate (D I H A N ☘️)
সমাস_শর্টকাট_টেকনিক
☘️ দ্বন্দ্ব_সমাস : এবং,ও,আর (৩টি অব্যয়) থাকলে দ্বন্দ্ব
সমাস।
☘️অলুক_দ্বন্দ্ব :ব্যাসবাক্যে ে ও ো থাকলে অলুক
দ্বন্দ্ব।
☘️দ্বিগু_সমাস : ব্যাসবাক্যে “সমাহার” থাকলে দ্বিগু সমাস।
☘️নঞ_তৎপুরুষ : শুরুতে ন থাকলে নঞ তৎপুষ।
☘️ উপপদ_তৎপুরুষ : শেষে ” যা” থাকলে উপপদ
তৎপুরুষ সমাস।
☘️অলুক_তৎপুরুষ : পরিবর্তন না হলে অলুক তৎপরুষ।
☘️কর্মধারায়_সমাস :ব্যাসবাক্যের মাঝে “যে” থাকলে
কর্মধারায় সমাস।
☘️মধ্যপদলোপী__কর্মধারায় : মাঝে বিভক্তি লোপ
পেলে মধ্যপদলোপী কর্মধারায় সমাস।
☘️ উপমান_কর্মধারায় : মাঝে “ন্যায়” থাকলে উপমান
কর্মধারায় সমাস।
☘️উপমিত_কর্মধারায় : শেষে ন্যায়” থাকলে উপমিত
কর্মধারায় সমাস।
☘️ রুপক_কর্মধারায় : মাঝে “রুপ” থাকলে রুপক কর্মধারায়
☘️বহুব্রীহি_সমাস : শেষে “যার” থাকলে বহুব্রীহি
সমাস।
☘️ব্যতিহার_বহুব্রীহি : হাতাহাতি, কানাকানি ইত্যাদি ব্যতিহার
বহুব্রীহি।
☘️ অব্যয়ীভাব_সমাস : পর্যন্ত, অভাব, সমীপে,
অতিক্রম, গমন,সদৃশ ইত্যাদি অব্যয়ীভাব সমাস।
☘️প্রাদি_সামাস : প্র, পরা, প্রতি, অনু থাকলে প্রাদি সমাস।
☘️নিত্য_সমাস : “অন্য” দিয়ে সমাস হলে নিত্য সমাস।
☘️কবিতা:
এবং,ও,আর মিলে যদি হয় দ্বন্দ্ব,
সমাহারে দ্বিগু হলে নয় সেটা মন্দ।
যে যা তা যিনি তিনি কর্মধারায়,
যে যার শেষে থাকলে বহুব্রীহি কয়।
অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে “অব্যয়ী”
মেলে,
বিভক্তি লোপ পেলে তাকে তৎপুরুষ বলে।
➡️➡️বিঃ দ্রঃ কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে।
☘️ দ্বন্দ্ব_সমাস : এবং,ও,আর (৩টি অব্যয়) থাকলে দ্বন্দ্ব
সমাস।
☘️অলুক_দ্বন্দ্ব :ব্যাসবাক্যে ে ও ো থাকলে অলুক
দ্বন্দ্ব।
☘️দ্বিগু_সমাস : ব্যাসবাক্যে “সমাহার” থাকলে দ্বিগু সমাস।
☘️নঞ_তৎপুরুষ : শুরুতে ন থাকলে নঞ তৎপুষ।
☘️ উপপদ_তৎপুরুষ : শেষে ” যা” থাকলে উপপদ
তৎপুরুষ সমাস।
☘️অলুক_তৎপুরুষ : পরিবর্তন না হলে অলুক তৎপরুষ।
☘️কর্মধারায়_সমাস :ব্যাসবাক্যের মাঝে “যে” থাকলে
কর্মধারায় সমাস।
☘️মধ্যপদলোপী__কর্মধারায় : মাঝে বিভক্তি লোপ
পেলে মধ্যপদলোপী কর্মধারায় সমাস।
☘️ উপমান_কর্মধারায় : মাঝে “ন্যায়” থাকলে উপমান
কর্মধারায় সমাস।
☘️উপমিত_কর্মধারায় : শেষে ন্যায়” থাকলে উপমিত
কর্মধারায় সমাস।
☘️ রুপক_কর্মধারায় : মাঝে “রুপ” থাকলে রুপক কর্মধারায়
☘️বহুব্রীহি_সমাস : শেষে “যার” থাকলে বহুব্রীহি
সমাস।
☘️ব্যতিহার_বহুব্রীহি : হাতাহাতি, কানাকানি ইত্যাদি ব্যতিহার
বহুব্রীহি।
☘️ অব্যয়ীভাব_সমাস : পর্যন্ত, অভাব, সমীপে,
অতিক্রম, গমন,সদৃশ ইত্যাদি অব্যয়ীভাব সমাস।
☘️প্রাদি_সামাস : প্র, পরা, প্রতি, অনু থাকলে প্রাদি সমাস।
☘️নিত্য_সমাস : “অন্য” দিয়ে সমাস হলে নিত্য সমাস।
☘️কবিতা:
এবং,ও,আর মিলে যদি হয় দ্বন্দ্ব,
সমাহারে দ্বিগু হলে নয় সেটা মন্দ।
যে যা তা যিনি তিনি কর্মধারায়,
যে যার শেষে থাকলে বহুব্রীহি কয়।
অব্যয়ের অর্থ প্রাধান্য পেলে “অব্যয়ী”
মেলে,
বিভক্তি লোপ পেলে তাকে তৎপুরুষ বলে।
➡️➡️বিঃ দ্রঃ কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম হতে পারে।
❤93🔥9🥰8👏3🤔2
Forwarded from Bangla Phobia।Exam Mate (Emon)
🥰অলুক দ্বন্দ vs অলুক তৎপুরুষ vs অলুক বহুব্রীহি সমাস🥰
🩸অলুক দ্বন্দঃ এই সমাসের ক্ষেত্রে সমস্তপদের পূর্বপদ আর পরপদ দুটোর মধ্যেই বিভক্তি যুক্ত থাকে। যেমনঃ দেশে - বিদেশে, দুধে-পিঠে, আকাশে-বাতাসে। এখানে খেয়াল করুন উদাহরণ গুলোর পূর্বপদ আর পরপদে "এ" বিভক্তি যুক্ত থাকে।
🩸অলুক তৎপুরুষঃ এই সমাসের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পূর্বপদের সাথে বিভক্তি যুক্ত থাকে, পরপদ সিঙ্গেল থাকে তোমার মতো🙂। যেমনঃ তেলে-ভাজা,ঘোড়ার ডিম, খেলার মাঠ।
🩸 অলুক বহুব্রীহিঃ এটাও অলুক তৎপুরুষ সমাসের মতো। অর্থাৎ পূর্বপদে বিভক্তি থাকে, আর পরপদ বিভক্তি থাকেনা। যেমনঃ গায়ে-হলুদ,মুখে ভাত,কানে কলম।
এখন অনেকের মনে প্রশ্ন ভাইয়া অলুক তৎপুরুষ আর অলুক বহুব্রীহি তো একই রকম। তাহলে পরীক্ষায় আসলে চিনবো কেমনে?😒
শুনেন তাইলে, অলুক বহুব্রীহি এর উদাহরণ গুলোর দিকে তাকান। কি দেখলেন?🤔 অলুক বহুব্রীহির পূর্বপদটি মানুষের কোনো না কোনো অঙ্গের সাথে জড়িত থাকে।যেমনঃ কানে-কলম,মাথায় পাগড়ি।এখানে কান আর মাথা আমাদের শরীরের সাথে সম্পর্কিত। বিশ্বাস হয় না? বই খুলে এই ৩ টা টপিক এই শর্টকাটে মিলিয়ে দেখুন।
আর এভাবেই এই ৩টা সমাস নির্ণয় করবেন।
গুছিয়ে লিখতে পারছি কিনা জানিনা তবে চেষ্টা করেছি। তারপরও কেউ না বুঝলে কমেন্ট করুন।
🩸অলুক দ্বন্দঃ এই সমাসের ক্ষেত্রে সমস্তপদের পূর্বপদ আর পরপদ দুটোর মধ্যেই বিভক্তি যুক্ত থাকে। যেমনঃ দেশে - বিদেশে, দুধে-পিঠে, আকাশে-বাতাসে। এখানে খেয়াল করুন উদাহরণ গুলোর পূর্বপদ আর পরপদে "এ" বিভক্তি যুক্ত থাকে।
🩸অলুক তৎপুরুষঃ এই সমাসের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পূর্বপদের সাথে বিভক্তি যুক্ত থাকে, পরপদ সিঙ্গেল থাকে তোমার মতো🙂। যেমনঃ তেলে-ভাজা,ঘোড়ার ডিম, খেলার মাঠ।
🩸 অলুক বহুব্রীহিঃ এটাও অলুক তৎপুরুষ সমাসের মতো। অর্থাৎ পূর্বপদে বিভক্তি থাকে, আর পরপদ বিভক্তি থাকেনা। যেমনঃ গায়ে-হলুদ,মুখে ভাত,কানে কলম।
এখন অনেকের মনে প্রশ্ন ভাইয়া অলুক তৎপুরুষ আর অলুক বহুব্রীহি তো একই রকম। তাহলে পরীক্ষায় আসলে চিনবো কেমনে?😒
শুনেন তাইলে, অলুক বহুব্রীহি এর উদাহরণ গুলোর দিকে তাকান। কি দেখলেন?🤔 অলুক বহুব্রীহির পূর্বপদটি মানুষের কোনো না কোনো অঙ্গের সাথে জড়িত থাকে।যেমনঃ কানে-কলম,মাথায় পাগড়ি।এখানে কান আর মাথা আমাদের শরীরের সাথে সম্পর্কিত। বিশ্বাস হয় না? বই খুলে এই ৩ টা টপিক এই শর্টকাটে মিলিয়ে দেখুন।
আর এভাবেই এই ৩টা সমাস নির্ণয় করবেন।
গুছিয়ে লিখতে পারছি কিনা জানিনা তবে চেষ্টা করেছি। তারপরও কেউ না বুঝলে কমেন্ট করুন।
❤84🔥5
Forwarded from Bangla Phobia।Exam Mate (Emon)
উপমান vs উপমিত vs রূপক কর্মধারয় সমাস।
🩸উপমানঃ উপমান মানে সত্যি কথা। এটুকু মনে রাখলেই শেষ। উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা ক্লিয়ার করি। যেমনঃ কাজলকালোঃ- কাজলের রঙ কালো। সুতরাং এটা সত্যি কথা।
তুষারশুভ্রঃ তুষারের রঙ সাদা মানে শুভ্র। এটাও সত্যি।
রক্তলাল- রক্তের রঙ লাল..এটাও সত্যি। বই থেকে দেখে বাকি উদাহরণ গুলো মিলাও।
🩸উপমিতঃ উপমিত এর শেষে মিত আছে। মিত দিয়ে মনে রাখবা মিথ্যা কথা। উদাহরণ দি।
সিংহপুরুষঃ মানুষকি সিংহের মতো? অবশ্যই না। সুতরাং এটা মিথ্যা কথা।
চন্দ্রমুখঃ মুখ কি চাঁদের মতো হয়? এটাও মিথ্যা কথা।
ফুলকুমারি - মেয়েরা কি ফুলের মতো হয়?😑...তাও না। মিথ্যা কথা।
বাকি উদাহরণ গুলো বই দেখে মিলাও।
🩸রূপকঃ রুপকের পূর্বপদ আর পরপদের মধ্যে যেকোনো একটা পদ চোখে দেখা যায় আর অন্য পদটি চোখে দেখা যায় না। উদাহরণ দিয়ে ক্লিয়ার করি।
জীবনতরীঃ জীবন চোখে দেখা যায় না। কিন্তু তরী মানে নৌকা চোখে দেখা যায়।
মনমাঝি- মন দেখা যায় না কিন্তু মাঝি দেখা যায়।
প্রাণপাখিঃ প্রাণ চোখে দেখা যায় না কিন্তু পাখি চোখে দেখা যায়।
এভাবে এই শর্টকাট দিয়ে বই থেকে সকল উদাহরণ সলভ করে ফেলো😉
আর হ্যাঁ আমার জন্য দোয়া কইরো🥺
🩸উপমানঃ উপমান মানে সত্যি কথা। এটুকু মনে রাখলেই শেষ। উদাহরণ দিয়ে বিষয়টা ক্লিয়ার করি। যেমনঃ কাজলকালোঃ- কাজলের রঙ কালো। সুতরাং এটা সত্যি কথা।
তুষারশুভ্রঃ তুষারের রঙ সাদা মানে শুভ্র। এটাও সত্যি।
রক্তলাল- রক্তের রঙ লাল..এটাও সত্যি। বই থেকে দেখে বাকি উদাহরণ গুলো মিলাও।
🩸উপমিতঃ উপমিত এর শেষে মিত আছে। মিত দিয়ে মনে রাখবা মিথ্যা কথা। উদাহরণ দি।
সিংহপুরুষঃ মানুষকি সিংহের মতো? অবশ্যই না। সুতরাং এটা মিথ্যা কথা।
চন্দ্রমুখঃ মুখ কি চাঁদের মতো হয়? এটাও মিথ্যা কথা।
ফুলকুমারি - মেয়েরা কি ফুলের মতো হয়?😑...তাও না। মিথ্যা কথা।
বাকি উদাহরণ গুলো বই দেখে মিলাও।
🩸রূপকঃ রুপকের পূর্বপদ আর পরপদের মধ্যে যেকোনো একটা পদ চোখে দেখা যায় আর অন্য পদটি চোখে দেখা যায় না। উদাহরণ দিয়ে ক্লিয়ার করি।
জীবনতরীঃ জীবন চোখে দেখা যায় না। কিন্তু তরী মানে নৌকা চোখে দেখা যায়।
মনমাঝি- মন দেখা যায় না কিন্তু মাঝি দেখা যায়।
প্রাণপাখিঃ প্রাণ চোখে দেখা যায় না কিন্তু পাখি চোখে দেখা যায়।
এভাবে এই শর্টকাট দিয়ে বই থেকে সকল উদাহরণ সলভ করে ফেলো😉
আর হ্যাঁ আমার জন্য দোয়া কইরো🥺
❤87🥰9🔥3
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বেড়ে ১৫০০, পাস নম্বর ৩০
ICT নিয়ে এখনো কোনো সংবাদ জানা যায়নি, কোনো তথ্য পেলে জানিয়ে দেওয়া হবে
ICT নিয়ে এখনো কোনো সংবাদ জানা যায়নি, কোনো তথ্য পেলে জানিয়ে দেওয়া হবে
❤22😢12
Forwarded from Bangla Phobia।Exam Mate (Emon)
🩸দ্বিগু vs সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি🩸
পূর্বপদ যদি সংখ্যাবাচক হয় তখন থাকে দ্বিগু আর সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি বলে।
🩸সংখ্যাবাচক বহুব্রীহিঃ বহুব্রীহি মানে বলে একটা বুঝাই আরেকটা। এগুলোর উদাহরণ নির্দিষ্ট। অর্থাৎ পরীক্ষায় আসলে এগুলোর ভিতর থেকে আসে না হলে আসেই না। যেমনঃ
* তেপায়া- এখানে তেপায়া বলতে তিন পা বুঝায় নি। তিন পা ওয়ালা টেবিলকে বুঝিয়েছে। অর্থাৎ বলে একটা বুঝায় আরেকটা।
* চৌকাঠঃ চৌকাঠ মানে চার কাঠ বুঝায় নি। বুঝিয়েছে সীমানা। (তোকে যাতে আমি আমার বাড়ির চৌকাঠেও না দেখি🙂)। এখানেও বলেছে একটা বুঝিয়েছে আরেকটা।
*সেতারা- সেতারা বলতে তিনটি তারকে বুঝায় না,,সেতার বলতে একটা বাদ্যযন্ত্রকে বুঝিয়েছে। এখানেও বলেছে একটা বুঝিয়েছে আরেকটা।
*দশঅাননঃ দশঅানন মানে দশটি মাথা। আর দশ মাথা দ্বারা রাবণকে বুঝিয়েছে। এখানেও বলেছে একটা বুঝিয়েছে আরেকটা।
*দশভুজাঃ দশভুজা মানে দশ বাহু। যা দ্বারা দেবী দূর্গাকে বুঝিয়েছে। এখানেও বলেছে একটা বুঝিয়েছে আরেকটা।
*বারোহাতিঃ বারোটা হাতিকে বুঝায় নি। বুঝিয়েছে মেয়েদের শাড়িকে।
*দোনলাঃ দুই নল থাকে বন্দুকে। বন্দুককে বুঝিয়েছে।
*চৌবাচ্চাঃ মানে কি চারটা বাচ্চা?🙂 না। চৌবাচ্চা মানে পানি ধরার পাত্র।
*চৌচালাঃ চারটি চাল আছে এমন ঘর কে বুঝাই। এখানেও বলে একটা বুঝায় আরেকটা।
*দশগজিঃ এটা হচ্ছে রাজমিস্ত্রীদের একটা যন্ত্রকে বুঝিয়েছে,এটি দ্বারা ধুতিকেও বুঝানো হয়।
উপরের সবগুলো উদাহরণ সংখ্যাবাচক বহুব্রীহির। খেয়াল করে দেখো উদাহরণগুলোতে বলেছে একটা কিন্তু বুঝিয়েছে অন্য জিনিসকে।নিচে কিছু সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি মনে রাখার একটা নেমোনিক দিচ্ছিঃ
🩸পঞ্চগড়ের পঞ্চানন চৌচালা ঘরের চৌকাঠের নিকট তেপায়াতে বসে সেতারা বাজিয়ে তার বন্ধু দশাননের বাচ্চাকে মিস করে। ( ৩ বার পড়লে মুখস্থ হয়ে যাবে)
সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি টাই মনে রাখো। এগুলা বাদে বাদবাকি সব দ্বিগু। ওইটা আর মনে রাখার দরকার নাই।
পূর্বপদ যদি সংখ্যাবাচক হয় তখন থাকে দ্বিগু আর সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি বলে।
🩸সংখ্যাবাচক বহুব্রীহিঃ বহুব্রীহি মানে বলে একটা বুঝাই আরেকটা। এগুলোর উদাহরণ নির্দিষ্ট। অর্থাৎ পরীক্ষায় আসলে এগুলোর ভিতর থেকে আসে না হলে আসেই না। যেমনঃ
* তেপায়া- এখানে তেপায়া বলতে তিন পা বুঝায় নি। তিন পা ওয়ালা টেবিলকে বুঝিয়েছে। অর্থাৎ বলে একটা বুঝায় আরেকটা।
* চৌকাঠঃ চৌকাঠ মানে চার কাঠ বুঝায় নি। বুঝিয়েছে সীমানা। (তোকে যাতে আমি আমার বাড়ির চৌকাঠেও না দেখি🙂)। এখানেও বলেছে একটা বুঝিয়েছে আরেকটা।
*সেতারা- সেতারা বলতে তিনটি তারকে বুঝায় না,,সেতার বলতে একটা বাদ্যযন্ত্রকে বুঝিয়েছে। এখানেও বলেছে একটা বুঝিয়েছে আরেকটা।
*দশঅাননঃ দশঅানন মানে দশটি মাথা। আর দশ মাথা দ্বারা রাবণকে বুঝিয়েছে। এখানেও বলেছে একটা বুঝিয়েছে আরেকটা।
*দশভুজাঃ দশভুজা মানে দশ বাহু। যা দ্বারা দেবী দূর্গাকে বুঝিয়েছে। এখানেও বলেছে একটা বুঝিয়েছে আরেকটা।
*বারোহাতিঃ বারোটা হাতিকে বুঝায় নি। বুঝিয়েছে মেয়েদের শাড়িকে।
*দোনলাঃ দুই নল থাকে বন্দুকে। বন্দুককে বুঝিয়েছে।
*চৌবাচ্চাঃ মানে কি চারটা বাচ্চা?🙂 না। চৌবাচ্চা মানে পানি ধরার পাত্র।
*চৌচালাঃ চারটি চাল আছে এমন ঘর কে বুঝাই। এখানেও বলে একটা বুঝায় আরেকটা।
*দশগজিঃ এটা হচ্ছে রাজমিস্ত্রীদের একটা যন্ত্রকে বুঝিয়েছে,এটি দ্বারা ধুতিকেও বুঝানো হয়।
উপরের সবগুলো উদাহরণ সংখ্যাবাচক বহুব্রীহির। খেয়াল করে দেখো উদাহরণগুলোতে বলেছে একটা কিন্তু বুঝিয়েছে অন্য জিনিসকে।নিচে কিছু সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি মনে রাখার একটা নেমোনিক দিচ্ছিঃ
🩸পঞ্চগড়ের পঞ্চানন চৌচালা ঘরের চৌকাঠের নিকট তেপায়াতে বসে সেতারা বাজিয়ে তার বন্ধু দশাননের বাচ্চাকে মিস করে। ( ৩ বার পড়লে মুখস্থ হয়ে যাবে)
সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি টাই মনে রাখো। এগুলা বাদে বাদবাকি সব দ্বিগু। ওইটা আর মনে রাখার দরকার নাই।
❤55🥰7🔥1
বাকিগুলো পিনপোস্ট থেকে খুজে নেন। এর পরেও যদি সমস্যা থাকে যেকোনো এডমিন কে ইনবক্সে / কমেন্টে জানাবেন। ওনারা অবশ্যই সলভ করে দিবেন।
❤26
Ready For Rapid Fire 🔥 (1st part) Credit- @silence_and_hope
🔥22
'মামার মুখ তখন অনর্গল ছুটিতেছিল'-'অপরিচিতা' রচনার এ উদ্ধৃতিতে প্রকাশ পেয়েছে অনুপমের মামার-
Anonymous Quiz
16%
কেতাদুরস্ত ভাব
41%
অন্তঃসারশূন্য অহংকার
14%
অর্থলোলুপতা
29%
কৌলীন্য
😢48❤15🔥6🤩2
🥰28😢11❤5🔥2
বয়স হলে এরা আর কিছু হোক না হোক
Anonymous Quiz
15%
অপরিসীন কৌতুহলে মুখ বাড়ায়
62%
শক্ত করে গিরেটা দিতে শিখে
14%
ছুটতে শেখে
9%
দেহটা গেলেই হয়,এমন ভাবনা ভাবে
🥰17😢15🤩8❤7🔥5😱3
🤩31❤9😢7🔥5🥰2👏2
কোন কবিতায় মানুষের হৃদয়বৃত্তিকে অনুভব করা হয়েছে
Anonymous Quiz
29%
ঐকতান
35%
সাম্যবাদী
18%
সেই অস্ত্র
18%
None
😢53❤13🔥5🤔2😁1
মাদাম লোইসেলের স্বামী কোথায় চাকরি করত
Anonymous Quiz
14%
জনশিক্ষা সচিবালয়ে
56%
শিক্ষা পরিষদ অফিসে
10%
জেলা পরিষদ অফিসে
19%
জনশিক্ষা অফিসে
😢33🔥18❤10🥰3😱3
নজরুলের প্রবন্ধ গ্রন্থ নয়
Anonymous Quiz
13%
যুগবাণী
22%
দুর্দিনের যাত্রী
40%
রিক্তের বেদন
25%
রুদ্র-মঙ্গল
😢35🥰15🔥6🤔3❤2😱2
১৯৪৬ সালে বঙ্গবন্ধু ওয়ার্কার ইনচার্জ ছিলেন কোথায়?
Anonymous Quiz
6%
ঢাকায়
77%
ফরিদপুরে
13%
গোপালগঞ্জে
4%
None
🥰21😢9❤8🔥3👏3
"ভিক্টরি অর ডেথ"-উক্তিটি কার
Anonymous Quiz
24%
ক্যাপ্টেন ক্লাইভ
16%
হলওয়েল
20%
রবার্ট ড্রেক
40%
ক্যাপ্টেন ক্লেটন
😢34🔥14❤4🥰4👏2😱2
ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতায় সালামের হাত থেকে কি ঝরে
Anonymous Quiz
79%
বর্ণমালা
10%
অক্ষর
8%
. রক্ত
3%
ফ্ল্যাগ
🥰23😢12🔥8❤3
Bangla Phobia।Exam Mate
কোন কবিতায় মানুষের হৃদয়বৃত্তিকে অনুভব করা হয়েছে
এটা আপনারা অনেকে ভুল করেছেন | কমন প্রশ্ন দেখলেই সেটাতে লাফিয়ে পড়া যাবেনা | ধীর স্থির ভাবে প্রশ্ন পড়তে হবে তারপর প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে 😊
🥰33😢22❤9👏6