🥰10❤3
❤3👏2😢2
🔥7😁5🤔5❤1
😢10🥰7🤔2👏1
❤11😢6🥰5😱4🤔2🔥1👏1
❤13😢4🔥3👏2
❤10😢7🎉5🔥2🤔2👏1😱1
❤6🔥6😢3🤩3👏1
❤9🤔4
"ঈশ্বর " শব্দের সর্মাথক শব্দ??
Anonymous Quiz
4%
জগদীশ্বর
5%
বিধাতা
7%
সৃষ্টিকর্তা
2%
স্রষ্টা
82%
সবগুলো
❤12🥰7
😢17😁11❤6🤔4🔥2
যক্ষের ধন বাগধারার অর্থ?
Anonymous Quiz
23%
চির অশান্তি
16%
গম্ভীর প্রকৃতির
20%
নিষ্ক্রিয় দর্শক
41%
কোনটিই নয়
❤7🔥2😱2😢2🥰1
ভুষন্ডির কাক বাগধারার অর্থ?
Anonymous Quiz
50%
দীর্ঘজীবী
19%
উভয় সংকট
16%
সামান্য সম্পদ
15%
দুঃসাধ্য বস্তু
❤9🔥7🤔4😱1😢1
ভূতের বেগার বাগধারার অর্থ?
Anonymous Quiz
63%
অযথা শ্রম
21%
অসম্ভব ঘটনা
9%
অরাজক দেশে
8%
নিরেট মূর্খ
❤10🔥4😢1
😁47🥰4❤2
🔥8😢6
# বাগধারার প্রেক্ষাপট - ২
১. পোয়া বারো :**
* অর্থ - পরম সৌভাগ্য, সম্পূর্ণ অনুকূল।
* প্রেক্ষাপট - ‘পোয়া বারো’ শব্দটি এসেছে পাশা খেলা থেকে। পাশা খেলায় তিনটি গুটি থাকে। জিনিসটা অনেকটা লুডু খেলার ছক্কার মতো তবে, প্রত্যেকটি গুটিতে ১, ২, ৫ ও ৬ নম্বর থাকে। ছক্কার মতো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ নয়। গুটিগুলো যখন চালা হয় সেটাকে বলে দান। অনেকটা লুডুর মতই তবে পার্থক্য হচ্ছে লুডুতে একটা ছক্কা দিয়ে দান দিতে হয় এখানে তিনটা গুটি দিয়ে দান দিতে হয়। পাশার তিনটি গুটি একসাথে চাল দিলে যদি তার সমষ্টি হয় ৯ তাহলে খেলা শুরু হয়। তবে যদি দুটা গুটিতে ৬ আর অন্যটিতে ১ হয় তাহলে, ৬ + ৬ + ১ = ১৩ হয়। এটি সবচেয়ে দামি চাল, সবচেয়ে দুর্লভও বটে। পাশা খেলায় ১ কে বলা হয় পোয়া, আর বাকি দুটা ৬ মিলে হয় ১২ সব মিলিয়ে সেটা হয়, পোয়া বারো। আগেই বলেছি এটা খুবই দামি চাল এবং পরম সৌভাগ্য থাকলেই এমন চাল হয় বলে ধারণা করা হয়। এভাবেই পোয়া বারো মানে চরম সৌভাগ্য অবস্থা বর্ণনা করার একটা প্রচলন শুরু হলো।
২. আগুনে ঘি ঢালা :
* অর্থ - রাগ বাড়ানো।
* প্রেক্ষাপট - আগুন সবকিছুকে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। মানুষের রাগও অনেকটা আগুনের মতো। আগুনে ঘি ঢাললে আগুন যেমন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। তেমনি রাগান্বিত ব্যক্তিকে উস্কে দিলে আগুনে ঘি ঢালার মতো সেও আরো রেগে যায়।
৩. ভস্মে ঘি ঢালা :
* অর্থ - নিষ্ফল কাজ, নিরর্থক অপব্যয়।
* প্রেক্ষাপট - প্রাচীন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পুরোহিতরা যজ্ঞ করার জন্য যে আগুন জ্বালাতেন তাতে মন্ত্রোচ্চারণ করে দেবতার উদ্দেশ্যে আহুতি দেওয়া হতো ঘি দিয়ে। এতে দাহ্য কাঠখড়ি বেশ ভালোভাবে পুড়ে যায়। দাহ্য পদার্থ পুড়ে ছাই হবার পর ভস্মের মধ্যে মানে ছাইয়ের মধ্যে ঘি দেয়ার কোনো অর্থ হয় না। কিন্তু তারপরও যদি সেখানে ঘি ঢালা হয় তবে তা হবে অপচয় যা আসলেই পণ্ডশ্রম। তাই নিরর্থক অপব্যয় বোঝাতে এই বাগধারার ব্যবহার হয়।
৪. ইঁদুর কপালে :
* অর্থ - নিতান্তই মন্দ ভাগ্য।
* প্রেক্ষাপট - মানুষ মনে করে ইঁদুর তাদের কোনো উপকার করে না,কেবল ক্ষতি করে। তাই ইঁদুরের প্রতি মানুষের বিন্দুমাত্র সহানুভূতি পরিলক্ষিত হয় না। যেখানে পায় সেখানে মারে। অথচ ইঁদুরের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর প্রাণী আছে, যারা মানুষের এমন নিন্দার পাত্র নয়। ভাগ্য খারাপ বলেই এমনটা হয়। ইঁদুরকে সর্বদা লুকিয়ে থাকতে হয়। দেখামাত্র মারার জন্য তাড়া করে মানুষ-বিড়াল। যাতে খাদ্যসংগ্রহ করতে না পারে সেজন্য ঘরে আর দোকানপাটে বিড়াল পুষে। মারার জন্য ফাঁদ বসিয়ে রাখে। খাদ্যে বিষ মিশিয়ে ছড়িয়ে দেয় যত্রতত্র। তাছাড়া সাপের ভয় তো আছেই। চারদিকে এত বিপদ যার তার ভাগ্য যে নিতান্তই মন্দ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই অত্যন্ত খারাপ ভাগ্য বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
©shawon
১. পোয়া বারো :**
* অর্থ - পরম সৌভাগ্য, সম্পূর্ণ অনুকূল।
* প্রেক্ষাপট - ‘পোয়া বারো’ শব্দটি এসেছে পাশা খেলা থেকে। পাশা খেলায় তিনটি গুটি থাকে। জিনিসটা অনেকটা লুডু খেলার ছক্কার মতো তবে, প্রত্যেকটি গুটিতে ১, ২, ৫ ও ৬ নম্বর থাকে। ছক্কার মতো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ নয়। গুটিগুলো যখন চালা হয় সেটাকে বলে দান। অনেকটা লুডুর মতই তবে পার্থক্য হচ্ছে লুডুতে একটা ছক্কা দিয়ে দান দিতে হয় এখানে তিনটা গুটি দিয়ে দান দিতে হয়। পাশার তিনটি গুটি একসাথে চাল দিলে যদি তার সমষ্টি হয় ৯ তাহলে খেলা শুরু হয়। তবে যদি দুটা গুটিতে ৬ আর অন্যটিতে ১ হয় তাহলে, ৬ + ৬ + ১ = ১৩ হয়। এটি সবচেয়ে দামি চাল, সবচেয়ে দুর্লভও বটে। পাশা খেলায় ১ কে বলা হয় পোয়া, আর বাকি দুটা ৬ মিলে হয় ১২ সব মিলিয়ে সেটা হয়, পোয়া বারো। আগেই বলেছি এটা খুবই দামি চাল এবং পরম সৌভাগ্য থাকলেই এমন চাল হয় বলে ধারণা করা হয়। এভাবেই পোয়া বারো মানে চরম সৌভাগ্য অবস্থা বর্ণনা করার একটা প্রচলন শুরু হলো।
২. আগুনে ঘি ঢালা :
* অর্থ - রাগ বাড়ানো।
* প্রেক্ষাপট - আগুন সবকিছুকে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। মানুষের রাগও অনেকটা আগুনের মতো। আগুনে ঘি ঢাললে আগুন যেমন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। তেমনি রাগান্বিত ব্যক্তিকে উস্কে দিলে আগুনে ঘি ঢালার মতো সেও আরো রেগে যায়।
৩. ভস্মে ঘি ঢালা :
* অর্থ - নিষ্ফল কাজ, নিরর্থক অপব্যয়।
* প্রেক্ষাপট - প্রাচীন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পুরোহিতরা যজ্ঞ করার জন্য যে আগুন জ্বালাতেন তাতে মন্ত্রোচ্চারণ করে দেবতার উদ্দেশ্যে আহুতি দেওয়া হতো ঘি দিয়ে। এতে দাহ্য কাঠখড়ি বেশ ভালোভাবে পুড়ে যায়। দাহ্য পদার্থ পুড়ে ছাই হবার পর ভস্মের মধ্যে মানে ছাইয়ের মধ্যে ঘি দেয়ার কোনো অর্থ হয় না। কিন্তু তারপরও যদি সেখানে ঘি ঢালা হয় তবে তা হবে অপচয় যা আসলেই পণ্ডশ্রম। তাই নিরর্থক অপব্যয় বোঝাতে এই বাগধারার ব্যবহার হয়।
৪. ইঁদুর কপালে :
* অর্থ - নিতান্তই মন্দ ভাগ্য।
* প্রেক্ষাপট - মানুষ মনে করে ইঁদুর তাদের কোনো উপকার করে না,কেবল ক্ষতি করে। তাই ইঁদুরের প্রতি মানুষের বিন্দুমাত্র সহানুভূতি পরিলক্ষিত হয় না। যেখানে পায় সেখানে মারে। অথচ ইঁদুরের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর প্রাণী আছে, যারা মানুষের এমন নিন্দার পাত্র নয়। ভাগ্য খারাপ বলেই এমনটা হয়। ইঁদুরকে সর্বদা লুকিয়ে থাকতে হয়। দেখামাত্র মারার জন্য তাড়া করে মানুষ-বিড়াল। যাতে খাদ্যসংগ্রহ করতে না পারে সেজন্য ঘরে আর দোকানপাটে বিড়াল পুষে। মারার জন্য ফাঁদ বসিয়ে রাখে। খাদ্যে বিষ মিশিয়ে ছড়িয়ে দেয় যত্রতত্র। তাছাড়া সাপের ভয় তো আছেই। চারদিকে এত বিপদ যার তার ভাগ্য যে নিতান্তই মন্দ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই অত্যন্ত খারাপ ভাগ্য বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
©shawon
❤62🥰7🔥1😁1
বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক মহিলা কবি -
Anonymous Quiz
15%
চন্দ্রাবতী
29%
স্বর্ণকুমারী দেবী
51%
সুফিয়া কামাল
5%
পদ্মাবতী
🥰17🤔12😢11🔥4
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি -
Anonymous Quiz
34%
চন্দ্রাবতী
34%
স্বর্ণকুমারী দেবী
23%
সুফিয়া কামাল
9%
পদ্মাবতী
🤔24🥰12🔥4❤2👏2