যক্ষের ধন বাগধারার অর্থ?
Anonymous Quiz
23%
চির অশান্তি
16%
গম্ভীর প্রকৃতির
20%
নিষ্ক্রিয় দর্শক
41%
কোনটিই নয়
❤7🔥2😱2😢2🥰1
ভুষন্ডির কাক বাগধারার অর্থ?
Anonymous Quiz
50%
দীর্ঘজীবী
19%
উভয় সংকট
16%
সামান্য সম্পদ
15%
দুঃসাধ্য বস্তু
❤9🔥7🤔4😱1😢1
ভূতের বেগার বাগধারার অর্থ?
Anonymous Quiz
63%
অযথা শ্রম
21%
অসম্ভব ঘটনা
9%
অরাজক দেশে
8%
নিরেট মূর্খ
❤10🔥4😢1
😁47🥰4❤2
🔥8😢6
# বাগধারার প্রেক্ষাপট - ২
১. পোয়া বারো :**
* অর্থ - পরম সৌভাগ্য, সম্পূর্ণ অনুকূল।
* প্রেক্ষাপট - ‘পোয়া বারো’ শব্দটি এসেছে পাশা খেলা থেকে। পাশা খেলায় তিনটি গুটি থাকে। জিনিসটা অনেকটা লুডু খেলার ছক্কার মতো তবে, প্রত্যেকটি গুটিতে ১, ২, ৫ ও ৬ নম্বর থাকে। ছক্কার মতো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ নয়। গুটিগুলো যখন চালা হয় সেটাকে বলে দান। অনেকটা লুডুর মতই তবে পার্থক্য হচ্ছে লুডুতে একটা ছক্কা দিয়ে দান দিতে হয় এখানে তিনটা গুটি দিয়ে দান দিতে হয়। পাশার তিনটি গুটি একসাথে চাল দিলে যদি তার সমষ্টি হয় ৯ তাহলে খেলা শুরু হয়। তবে যদি দুটা গুটিতে ৬ আর অন্যটিতে ১ হয় তাহলে, ৬ + ৬ + ১ = ১৩ হয়। এটি সবচেয়ে দামি চাল, সবচেয়ে দুর্লভও বটে। পাশা খেলায় ১ কে বলা হয় পোয়া, আর বাকি দুটা ৬ মিলে হয় ১২ সব মিলিয়ে সেটা হয়, পোয়া বারো। আগেই বলেছি এটা খুবই দামি চাল এবং পরম সৌভাগ্য থাকলেই এমন চাল হয় বলে ধারণা করা হয়। এভাবেই পোয়া বারো মানে চরম সৌভাগ্য অবস্থা বর্ণনা করার একটা প্রচলন শুরু হলো।
২. আগুনে ঘি ঢালা :
* অর্থ - রাগ বাড়ানো।
* প্রেক্ষাপট - আগুন সবকিছুকে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। মানুষের রাগও অনেকটা আগুনের মতো। আগুনে ঘি ঢাললে আগুন যেমন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। তেমনি রাগান্বিত ব্যক্তিকে উস্কে দিলে আগুনে ঘি ঢালার মতো সেও আরো রেগে যায়।
৩. ভস্মে ঘি ঢালা :
* অর্থ - নিষ্ফল কাজ, নিরর্থক অপব্যয়।
* প্রেক্ষাপট - প্রাচীন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পুরোহিতরা যজ্ঞ করার জন্য যে আগুন জ্বালাতেন তাতে মন্ত্রোচ্চারণ করে দেবতার উদ্দেশ্যে আহুতি দেওয়া হতো ঘি দিয়ে। এতে দাহ্য কাঠখড়ি বেশ ভালোভাবে পুড়ে যায়। দাহ্য পদার্থ পুড়ে ছাই হবার পর ভস্মের মধ্যে মানে ছাইয়ের মধ্যে ঘি দেয়ার কোনো অর্থ হয় না। কিন্তু তারপরও যদি সেখানে ঘি ঢালা হয় তবে তা হবে অপচয় যা আসলেই পণ্ডশ্রম। তাই নিরর্থক অপব্যয় বোঝাতে এই বাগধারার ব্যবহার হয়।
৪. ইঁদুর কপালে :
* অর্থ - নিতান্তই মন্দ ভাগ্য।
* প্রেক্ষাপট - মানুষ মনে করে ইঁদুর তাদের কোনো উপকার করে না,কেবল ক্ষতি করে। তাই ইঁদুরের প্রতি মানুষের বিন্দুমাত্র সহানুভূতি পরিলক্ষিত হয় না। যেখানে পায় সেখানে মারে। অথচ ইঁদুরের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর প্রাণী আছে, যারা মানুষের এমন নিন্দার পাত্র নয়। ভাগ্য খারাপ বলেই এমনটা হয়। ইঁদুরকে সর্বদা লুকিয়ে থাকতে হয়। দেখামাত্র মারার জন্য তাড়া করে মানুষ-বিড়াল। যাতে খাদ্যসংগ্রহ করতে না পারে সেজন্য ঘরে আর দোকানপাটে বিড়াল পুষে। মারার জন্য ফাঁদ বসিয়ে রাখে। খাদ্যে বিষ মিশিয়ে ছড়িয়ে দেয় যত্রতত্র। তাছাড়া সাপের ভয় তো আছেই। চারদিকে এত বিপদ যার তার ভাগ্য যে নিতান্তই মন্দ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই অত্যন্ত খারাপ ভাগ্য বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
©shawon
১. পোয়া বারো :**
* অর্থ - পরম সৌভাগ্য, সম্পূর্ণ অনুকূল।
* প্রেক্ষাপট - ‘পোয়া বারো’ শব্দটি এসেছে পাশা খেলা থেকে। পাশা খেলায় তিনটি গুটি থাকে। জিনিসটা অনেকটা লুডু খেলার ছক্কার মতো তবে, প্রত্যেকটি গুটিতে ১, ২, ৫ ও ৬ নম্বর থাকে। ছক্কার মতো ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ নয়। গুটিগুলো যখন চালা হয় সেটাকে বলে দান। অনেকটা লুডুর মতই তবে পার্থক্য হচ্ছে লুডুতে একটা ছক্কা দিয়ে দান দিতে হয় এখানে তিনটা গুটি দিয়ে দান দিতে হয়। পাশার তিনটি গুটি একসাথে চাল দিলে যদি তার সমষ্টি হয় ৯ তাহলে খেলা শুরু হয়। তবে যদি দুটা গুটিতে ৬ আর অন্যটিতে ১ হয় তাহলে, ৬ + ৬ + ১ = ১৩ হয়। এটি সবচেয়ে দামি চাল, সবচেয়ে দুর্লভও বটে। পাশা খেলায় ১ কে বলা হয় পোয়া, আর বাকি দুটা ৬ মিলে হয় ১২ সব মিলিয়ে সেটা হয়, পোয়া বারো। আগেই বলেছি এটা খুবই দামি চাল এবং পরম সৌভাগ্য থাকলেই এমন চাল হয় বলে ধারণা করা হয়। এভাবেই পোয়া বারো মানে চরম সৌভাগ্য অবস্থা বর্ণনা করার একটা প্রচলন শুরু হলো।
২. আগুনে ঘি ঢালা :
* অর্থ - রাগ বাড়ানো।
* প্রেক্ষাপট - আগুন সবকিছুকে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়। মানুষের রাগও অনেকটা আগুনের মতো। আগুনে ঘি ঢাললে আগুন যেমন দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। তেমনি রাগান্বিত ব্যক্তিকে উস্কে দিলে আগুনে ঘি ঢালার মতো সেও আরো রেগে যায়।
৩. ভস্মে ঘি ঢালা :
* অর্থ - নিষ্ফল কাজ, নিরর্থক অপব্যয়।
* প্রেক্ষাপট - প্রাচীন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পুরোহিতরা যজ্ঞ করার জন্য যে আগুন জ্বালাতেন তাতে মন্ত্রোচ্চারণ করে দেবতার উদ্দেশ্যে আহুতি দেওয়া হতো ঘি দিয়ে। এতে দাহ্য কাঠখড়ি বেশ ভালোভাবে পুড়ে যায়। দাহ্য পদার্থ পুড়ে ছাই হবার পর ভস্মের মধ্যে মানে ছাইয়ের মধ্যে ঘি দেয়ার কোনো অর্থ হয় না। কিন্তু তারপরও যদি সেখানে ঘি ঢালা হয় তবে তা হবে অপচয় যা আসলেই পণ্ডশ্রম। তাই নিরর্থক অপব্যয় বোঝাতে এই বাগধারার ব্যবহার হয়।
৪. ইঁদুর কপালে :
* অর্থ - নিতান্তই মন্দ ভাগ্য।
* প্রেক্ষাপট - মানুষ মনে করে ইঁদুর তাদের কোনো উপকার করে না,কেবল ক্ষতি করে। তাই ইঁদুরের প্রতি মানুষের বিন্দুমাত্র সহানুভূতি পরিলক্ষিত হয় না। যেখানে পায় সেখানে মারে। অথচ ইঁদুরের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর প্রাণী আছে, যারা মানুষের এমন নিন্দার পাত্র নয়। ভাগ্য খারাপ বলেই এমনটা হয়। ইঁদুরকে সর্বদা লুকিয়ে থাকতে হয়। দেখামাত্র মারার জন্য তাড়া করে মানুষ-বিড়াল। যাতে খাদ্যসংগ্রহ করতে না পারে সেজন্য ঘরে আর দোকানপাটে বিড়াল পুষে। মারার জন্য ফাঁদ বসিয়ে রাখে। খাদ্যে বিষ মিশিয়ে ছড়িয়ে দেয় যত্রতত্র। তাছাড়া সাপের ভয় তো আছেই। চারদিকে এত বিপদ যার তার ভাগ্য যে নিতান্তই মন্দ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই অত্যন্ত খারাপ ভাগ্য বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
©shawon
❤62🥰7🔥1😁1
বাংলাদেশের প্রথম আধুনিক মহিলা কবি -
Anonymous Quiz
15%
চন্দ্রাবতী
29%
স্বর্ণকুমারী দেবী
51%
সুফিয়া কামাল
5%
পদ্মাবতী
🥰17🤔12😢11🔥4
বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি -
Anonymous Quiz
34%
চন্দ্রাবতী
34%
স্বর্ণকুমারী দেবী
23%
সুফিয়া কামাল
9%
পদ্মাবতী
🤔24🥰12🔥4❤2👏2
Forwarded from Chemistry Phobia।Exam Mate (D I H A N ☘️)
বিজ্ঞান অনুষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
❤91😱26🥰6🔥3😢2
চবিতে চান্স পাওয়ার যে ৪ কৌশল অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।
কৌশল-১ ( প্রশ্ন ব্যাংক পড়তে হবে) || ৮ দিন
একটা কথা বলে রাখি তোমাদের কে বিগত বছরের প্রশ্ন পড়া ছাড়া চবিতে চান্স পাওয়া অসম্ভব । কারণ বিগত বছরের প্রশ্ন না পড়লে তুমি প্রশ্নের প্যাটার্ন-ই বুঝতে পারবা না অনেক পিছিয়ে যাবা।তাই বিগত বছরের প্রশ্ন সলভ করবে অবশ্যই।
বিগত বছরের প্রশ্ন থেকে ১৫-২০% হুবহু কমন পড়ে এবং ব্যাখ্যাসহ ঐ সব টপিকসগুলা থেকে ৬০-৭০% কমন পড়ে৷ সেইজন্য "চবি গাইডলাইন" প্রশ্ন ব্যাংক থেকে অথবা তোমার কাছে যে বইটি আছে সেটা থেকে অবশ্যই পড়বে। তবে চবি গাইডলাইন আমার কাছে ভালো মনে হয়েছে।
চবির প্রশ্ন ব্যাংক ব্যাখ্যাসহ সম্পূর্ণ পড়লে মোটামুটি চান্স পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি ৬০-৭০% বলা যায় ৷ তাই পরামর্শ থাকবে পরীক্ষা দেওয়ার আগে কমপক্ষে ৩-৪ বার 'চবি গাইডলাইন" পুরো প্রশ্ন ব্যাংক বিশ্লেষণ সহকারে ভালোভাবে পড়ে নেওয়া।
আগে বলছি শুধু প্রশ্ন ব্যাংক পড়লে ১৫-২০% হুবহু কমন পড়ে এবং ব্যাখ্যাসহ ঐ সব টপিকসগুলা থেকে ৬০-৭০% কমন পড়বে।
কৌশল -২ ( বিসিএস প্রশ্ন (১০-৪৪ পড়তে হবে))|| ৭ দিন
যেকোনো প্রতিযোগিতা মূলক পরিক্ষার কথা বললে বিসিএস প্রশ্নের কথা শুনবেন না এটা কখনোই হবেনা। বিসিএস পরিক্ষাকে বাংলাদেশের সবচেয়ে কঠিন প্রতিযোগিতা মূলক পরিক্ষা বলা হয়।এমনকি যারা বিসিএসের চার স্টেপ অতিক্রম করে সুপারিশ প্রাপ্ত হন তাদেরকে সর্ব্বোচ্চ জ্ঞানী হিসেবে ধরা হয়
(বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে) তাই দেখা যায় যে বিগত সালের বিসিএস প্রশ্নগুলো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষায় হুবহু তুলে দেয়। বিগত ১০ বছরের কয়েক হাজার প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে আরেকটি মজার বিষয় বেরিয়ে এসেছে সেটা হলো একই সাবজেক্ট থেকে কমপক্ষে ৫/৬ টি প্রশ্নের হুবহু পুনরাবৃত্তি।
আর চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটে সেটা আরও বেশি জোড়ালো।
তাহলে বুঝতেই পেরেছে কেন বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক পড়বে।
এতকিছু বলার পর কেউ যদি প্রশ্ন করো ভাইয়া কেন বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক পড়বো তাহলে আমিও প্রথম চৌধুরীর মতো বলবো "কে বলেছে আপনাকে বিবিএস প্রশ্ন ব্যাংক পড়তে?"
কৌশল - ৩ ( গুরুত্বপূর্ণ টপিক সিলেকশন) || ৮ দিন
বিগত বছরের প্রশ্ন পড়ার পর দেখবেন বিগত বছরে যেসব টপিক্স থেকে প্রশ্ন এসেছিল সেসব বা তার আশেপাশের রিলেটেড টপিকগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ ৷ অবশ্যই সেগুলা ভালো করে পড়তে হবে।
যদি একটা উদাহরণ দিয়ে বলি ' ২০১৯-২০ সেশনে প্রশ্ন এসেছে পলাশীর যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
এই টপিকটা যদি বিশ্লেষণ সহকারে পড়তে চান তাহলে আটেকটু বিস্তরভাবে জেনে নিতে হবে।
যেমন;পলাশীর যুদ্ধ কি,কোথায়,কোন নদীর তীরে হয়েছিল,কত তারিখে হয়েছিলো, কি কারণে হয়েছিলো, পলাশী যুদ্ধের এর নায়ক কে ছিলো এমনকি পলাশী যুদ্ধের সারমর্ম কি ছিলো ইত্যাদি, ইত্যাদি।গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবশ্যই জেনে নিতে হবে। একটু গভীরভাবে বিশ্লেষন করে দেখলে বুঝতে পারবে যে ওপরের প্রশ্নগুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরিক্ষায় এসেছে ( BCS,Bank Job,Primary, Medical,University etc) তাই এগুলো একটু বিশ্লেষণ সহকারে পড়লেই সেই টপিক থেকে কোন প্রশ্ন আসলে ১০০% কমন পাবে আমি নিশ্চিয়তা দিচ্ছি।
কৌশল-৪ ( বার বার অনুশীলন করা) || ৭ দিন
ধাপ-১,২,৩ অতিক্রম করার পরের কাজ হলো ধাপ-৪ ( বার বার অনুশীলন করা) কথায় আছে "Practice Make a man Perfect " আমাদের সমাজের একটা রীতি প্রচলিত আছে, কেউ একজন ভালো রেজাল্ট করলে তাকে মেধাবী ত্যাগ দিয়ে দেই।এলাকার মানুষ বলে ছেলেটা প্রচন্ড রকমের মেধাবী। আমাদের মধ্যে অনেকে আছি একজন আরেকজনকে দিয়ে তুলনা করে ; না সে তো অনেক মেধাবী আমি তো তার মতো মেধাবী না ইত্যাদি ইত্যাদি।
আসলে ভাই এই মেধাবী বলতে কিছুই না "Quality is not an Act It’s a Habit " মেধা কারো পৈত্রিক সম্পত্তি না যে, সে উত্তরাধীকার সুত্রে পাবে। এই মেধা তোমাকে পরিশ্রম করে অর্জন করতে হবে।
এই মেধা তুমি তখনি অর্জন করতে পারবে যখন তুমি বার বার একটা বিষয় অনুশীলন করবে।
অনুশীলন এর কোন বিকল্প নেই। চবিতে চান্স পেতে হলে বার বার তোমাকে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো অনুশীলন করতে হবে।
মোটকথা চবির প্রশ্ন ব্যাংক বিশ্লেষণ সহকারে পড়ে ৩/৪ বার রিভিশন দাও। বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক বিশ্লেষণ সহকারে পড়ে ৩/৪ বার রিভিশন দাও।গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো বিশ্লেষণ সহকারে পড়ে ৩/৪ বার রিভিশন দাও এবং পরিক্ষার আগ পর্যন্ত অনুশীলন করতে থাকো।
ইমরান হোসেন রাকিব,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
ইন্সট্রাক্টর, প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং।
কৌশল-১ ( প্রশ্ন ব্যাংক পড়তে হবে) || ৮ দিন
একটা কথা বলে রাখি তোমাদের কে বিগত বছরের প্রশ্ন পড়া ছাড়া চবিতে চান্স পাওয়া অসম্ভব । কারণ বিগত বছরের প্রশ্ন না পড়লে তুমি প্রশ্নের প্যাটার্ন-ই বুঝতে পারবা না অনেক পিছিয়ে যাবা।তাই বিগত বছরের প্রশ্ন সলভ করবে অবশ্যই।
বিগত বছরের প্রশ্ন থেকে ১৫-২০% হুবহু কমন পড়ে এবং ব্যাখ্যাসহ ঐ সব টপিকসগুলা থেকে ৬০-৭০% কমন পড়ে৷ সেইজন্য "চবি গাইডলাইন" প্রশ্ন ব্যাংক থেকে অথবা তোমার কাছে যে বইটি আছে সেটা থেকে অবশ্যই পড়বে। তবে চবি গাইডলাইন আমার কাছে ভালো মনে হয়েছে।
চবির প্রশ্ন ব্যাংক ব্যাখ্যাসহ সম্পূর্ণ পড়লে মোটামুটি চান্স পাওয়ার জন্য প্রস্তুতি ৬০-৭০% বলা যায় ৷ তাই পরামর্শ থাকবে পরীক্ষা দেওয়ার আগে কমপক্ষে ৩-৪ বার 'চবি গাইডলাইন" পুরো প্রশ্ন ব্যাংক বিশ্লেষণ সহকারে ভালোভাবে পড়ে নেওয়া।
আগে বলছি শুধু প্রশ্ন ব্যাংক পড়লে ১৫-২০% হুবহু কমন পড়ে এবং ব্যাখ্যাসহ ঐ সব টপিকসগুলা থেকে ৬০-৭০% কমন পড়বে।
কৌশল -২ ( বিসিএস প্রশ্ন (১০-৪৪ পড়তে হবে))|| ৭ দিন
যেকোনো প্রতিযোগিতা মূলক পরিক্ষার কথা বললে বিসিএস প্রশ্নের কথা শুনবেন না এটা কখনোই হবেনা। বিসিএস পরিক্ষাকে বাংলাদেশের সবচেয়ে কঠিন প্রতিযোগিতা মূলক পরিক্ষা বলা হয়।এমনকি যারা বিসিএসের চার স্টেপ অতিক্রম করে সুপারিশ প্রাপ্ত হন তাদেরকে সর্ব্বোচ্চ জ্ঞানী হিসেবে ধরা হয়
(বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে) তাই দেখা যায় যে বিগত সালের বিসিএস প্রশ্নগুলো বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরিক্ষায় হুবহু তুলে দেয়। বিগত ১০ বছরের কয়েক হাজার প্রশ্ন বিশ্লেষণ করে আরেকটি মজার বিষয় বেরিয়ে এসেছে সেটা হলো একই সাবজেক্ট থেকে কমপক্ষে ৫/৬ টি প্রশ্নের হুবহু পুনরাবৃত্তি।
আর চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষাপটে সেটা আরও বেশি জোড়ালো।
তাহলে বুঝতেই পেরেছে কেন বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক পড়বে।
এতকিছু বলার পর কেউ যদি প্রশ্ন করো ভাইয়া কেন বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক পড়বো তাহলে আমিও প্রথম চৌধুরীর মতো বলবো "কে বলেছে আপনাকে বিবিএস প্রশ্ন ব্যাংক পড়তে?"
কৌশল - ৩ ( গুরুত্বপূর্ণ টপিক সিলেকশন) || ৮ দিন
বিগত বছরের প্রশ্ন পড়ার পর দেখবেন বিগত বছরে যেসব টপিক্স থেকে প্রশ্ন এসেছিল সেসব বা তার আশেপাশের রিলেটেড টপিকগুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ ৷ অবশ্যই সেগুলা ভালো করে পড়তে হবে।
যদি একটা উদাহরণ দিয়ে বলি ' ২০১৯-২০ সেশনে প্রশ্ন এসেছে পলাশীর যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
এই টপিকটা যদি বিশ্লেষণ সহকারে পড়তে চান তাহলে আটেকটু বিস্তরভাবে জেনে নিতে হবে।
যেমন;পলাশীর যুদ্ধ কি,কোথায়,কোন নদীর তীরে হয়েছিল,কত তারিখে হয়েছিলো, কি কারণে হয়েছিলো, পলাশী যুদ্ধের এর নায়ক কে ছিলো এমনকি পলাশী যুদ্ধের সারমর্ম কি ছিলো ইত্যাদি, ইত্যাদি।গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবশ্যই জেনে নিতে হবে। একটু গভীরভাবে বিশ্লেষন করে দেখলে বুঝতে পারবে যে ওপরের প্রশ্নগুলো বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরিক্ষায় এসেছে ( BCS,Bank Job,Primary, Medical,University etc) তাই এগুলো একটু বিশ্লেষণ সহকারে পড়লেই সেই টপিক থেকে কোন প্রশ্ন আসলে ১০০% কমন পাবে আমি নিশ্চিয়তা দিচ্ছি।
কৌশল-৪ ( বার বার অনুশীলন করা) || ৭ দিন
ধাপ-১,২,৩ অতিক্রম করার পরের কাজ হলো ধাপ-৪ ( বার বার অনুশীলন করা) কথায় আছে "Practice Make a man Perfect " আমাদের সমাজের একটা রীতি প্রচলিত আছে, কেউ একজন ভালো রেজাল্ট করলে তাকে মেধাবী ত্যাগ দিয়ে দেই।এলাকার মানুষ বলে ছেলেটা প্রচন্ড রকমের মেধাবী। আমাদের মধ্যে অনেকে আছি একজন আরেকজনকে দিয়ে তুলনা করে ; না সে তো অনেক মেধাবী আমি তো তার মতো মেধাবী না ইত্যাদি ইত্যাদি।
আসলে ভাই এই মেধাবী বলতে কিছুই না "Quality is not an Act It’s a Habit " মেধা কারো পৈত্রিক সম্পত্তি না যে, সে উত্তরাধীকার সুত্রে পাবে। এই মেধা তোমাকে পরিশ্রম করে অর্জন করতে হবে।
এই মেধা তুমি তখনি অর্জন করতে পারবে যখন তুমি বার বার একটা বিষয় অনুশীলন করবে।
অনুশীলন এর কোন বিকল্প নেই। চবিতে চান্স পেতে হলে বার বার তোমাকে গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো অনুশীলন করতে হবে।
মোটকথা চবির প্রশ্ন ব্যাংক বিশ্লেষণ সহকারে পড়ে ৩/৪ বার রিভিশন দাও। বিসিএস প্রশ্ন ব্যাংক বিশ্লেষণ সহকারে পড়ে ৩/৪ বার রিভিশন দাও।গুরুত্বপূর্ণ টপিকগুলো বিশ্লেষণ সহকারে পড়ে ৩/৪ বার রিভিশন দাও এবং পরিক্ষার আগ পর্যন্ত অনুশীলন করতে থাকো।
ইমরান হোসেন রাকিব,
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
ইন্সট্রাক্টর, প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং।
❤82🔥7🥰3👏1
রাবির জন্য বাংলা শর্টসিলেবাসের বাইরে যে টপিকসগুলো পড়তে হবেই-
📝 বাগধারা(বিগত বছর)
📝 সন্ধি
📝 কারক বিভক্তি
📝 সংখ্যাবাচক শব্দ
📝 সামর্থক শব্দ
📝 এক কথায় প্রকাশ।
📝 বাগধারা(বিগত বছর)
📝 সন্ধি
📝 কারক বিভক্তি
📝 সংখ্যাবাচক শব্দ
📝 সামর্থক শব্দ
📝 এক কথায় প্রকাশ।
❤77🔥15🥰8😢3👏2😱2
😢20❤13🔥5😁3🤔2😱2
🔥8🥰4❤1
🥰16🔥5❤3
❤6🔥6😱5
🔥10🥰7
❤13😢6😱3🥰1😁1
😢20🥰13🤔2
🔥14❤7😢3