🤔18❤8😱3🔥1
Bangla Phobia।Exam Mate
ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে কোন প্রত্যয় যুক্ত হয়?
এটা আমি যে বই থেকে প্রশ্ন করছি সেখানে উত্তর ভুল ছিলো।এটার সঠিক উত্তর হবে আই বা আও প্রত্যয়🙂।
প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ। সবাই দেখে রাখবেন
প্রশ্নটা গুরুত্বপূর্ণ। সবাই দেখে রাখবেন
❤38😢10🎉1
নিদারুণ শব্দে 'নি' উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
Anonymous Quiz
23%
প্রকৃষ্ট
17%
সম্যক
45%
আতিশয্য
14%
বাক্যলংকার
😢23🔥15❤4😱3🥰2
😢34🥰9🔥2
Post graduate এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
4%
সমাপ্তি
15%
স্নাতক
10%
সম্মাননা
72%
স্নাতকোত্তর
❤21🔥9🤔5😢5🥰3
😢23🔥18❤4🥰1
🔥24😢10👏5😁4
✔✔গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় যে ভুলগুলো করা যাবেনা❌❌
✅এটা প্রথম কাজ।
পরীক্ষা শুরুর মিনিমাম ১ ঘন্টা আগে তোমাকে পরীক্ষার কেন্দ্রের কাছে অবস্থান করতে হবে।
এটা তোমাকে প্রথম রিলাক্সজেশন দিবে।
এখান থেকে ই খেলা শুরু, নারভাস হওয়া যাবেনা।
তাই রিলাক্সজেশন পেতে অবশ্যই আগে কেন্দ্রে পৌছাবে💪
✅পরীক্ষার হল এমন এক জায়গা,যেখানে নিজের মাইন্ড সেটাপের তাপমাত্রা থাকে ৪০°C😱
এই তাপমাত্রা নিতান্তই মনের তাপমাত্রা।
এটাই তোমাকে চান্স পাওয়া থেকে দূরে ঠেলে দেওয়ার অন্যতম কারণ🙄
সহজ কথা,
পরীক্ষার হলে নিজেকে যথেষ্ট ঠান্ডা রাখতে হবে।
এটা করতে পারলে তুমি চান্স পাওয়ার দৌড়ে ১০% এগিয়ে যাবা😲
✅প্রশ্ন হাতে পাওয়ার সাথে সাথে উত্তেজিত বা ভেঙে পরা যাবেন😱😥
একটাই কথা মনে মনে ভাববা চান্স মানেই কিন্তু জীবনের সবকিছু না👍
আবার চান্স না পাইলে ও জীবন শেষ না
👍
তবে এটা মাথায় রাখতে হবে,
তোমার পরীক্ষার হলের ১ ঘন্টা হবে জীবনের সেরা সময়✌
আর সেরা সময় টাকে, সেরা ভাবে ব্যবহার করাই থাকবে তোমাদের মূল লক্ষ্য✌
✅ পরীক্ষা শুরু করার পূর্বে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো
তোমার নিজের রোল,সেট কোড ইত্যাদি প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খুবই সতর্কের সাথে পূরন করা।
এগুলো ভুল করা মানে তোমার রেজাল্ট আসবে না,
তুমি যতই ভালো পরীক্ষা দাও না কেনো।
😥
➡যেই ভুল টা আমি করেছি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়,
ফলে আমার রেজাল্ট আসেনি।
এটা সবচেয়ে দুঃখজনক।
তুমি চান্স পাও না পাও সেটা ব্যাপার না,
তবে সবারই আগ্রহ থাকে নিজের ফলাফল টা জানার
তাই পরীক্ষার হলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো রোল,সেট কোড এগুলো ভালো করে পূরণ করা🙋
✅এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,,
তোমরা অবশ্যই পরীক্ষা শুরু করবা,
যে যেই বিষয়ে সবচেয়ে পারদর্শী💪
কনফিডেন্স লেভেল যেই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো👍
সেটা দিয়ে উত্তর দেওয়া শুরু করা,
কারণ তুমি প্রথম প্রথম ভালো উত্তর করতে পারলে
তোমার মনকে পজিটিভ বানাবে😀
ফলে,পরের প্রশ্নগুলো হার্ড হলেও তোমরা দিতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবা।
✅এটা তার চেয়ে ও ভয়ংকর গুরুত্বপূর্ণ,,,,
তোমরা অনেকে ই অনেক গুলো প্রশ্ন,
মানে পরপর চারটা - পাঁচটা প্রশ্ন না পারলে একদম ঘাবড়ে যাও।
এটা তোমাকে চান্স পাওয়া থেকে ৫০% দূরে ঠেলে দিবে
😭
তুমি পারোনা, কোনো সমস্যা নাই।
পরের টা চেষ্টা করো।
ঘাবড়ানো যাবে না।
✅নেগেটিভ 😲
এটা পিছন থেকে টেনে ধরার মতো কাজ করে,
তুৃমি একটু ভালো পারফরম্যান্স করছো,
এমন সময় নেগেটিভ এসে কানে কানে বলবে এতো ভালো করিস কেনো?😁
একটু ভুল কর,,
একটু ভুল কর,,
এটাও চান্স না পাওয়ার মেজর ইম্পরট্যান্ট বিষয়।
তুমি যা পারো তা দাগাও,,
নেগেটিভ খাওয়া যাবে না।
✅কিভাবে শুরু করবে??
প্রথমত তুমি যে বিষয় গুলো ১০০% শিউর ঐগুলো ই দাগাবে কিন্তু। ✔
এভাবে তুমি প্রতিটি বিষয় থেকেই কিন্তু মোট ১০০ টা প্রশ্নের মধ্যে যেগুলো জাস্ট শিউর ঐ গুলো ই দিবা।
তুমি যদি নিয়মিত স্টুডেন্ট হও তাহলে তোমার এইভাবে দাগালে ৪০ টা পারবা শিউর।✔
মানে তোমার কমন পরবে।
তারপর ৫০% শিউর গুলো দাগানো শুরু করবা।🤔
এগুলো দাগানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই অপশন বাদ ❌দেওয়ার ক্রাইটেরিয়া ফলো করবা।
কিছু কিছু অপশন থাকবো যা কখনো উত্তর হবে না,
এটা তুমি ধরতে পারবা।
ঐ অপশন গুলো বাদ দিয়ে তারপর বাকি গুলো নিয়ে চিন্তা করে দিবা।
এভাবে তুমি ২০- ২৫ পারবা।এখান থেকে তোমার মিনিমাম ১৫ টা হবে।💪
বাকিগুলো ভুল যাবে, তাহলে নেগেটিভ আসবে, আসুক সমস্যা নাই।
এই টুকু রিস্ক নিতে হবে,তবে নেগেটিভ তো এখানে বেশি না।
তাই সমস্যা হবে না।এভাবে তোমার ৫২- ৫৩ নম্বর চলে আসবে✌✌✌✌
শেষ পর্যায়ে এসে না পারা প্রতিটা প্রশ্ন দেখবা,
কারণ পরীক্ষার হলে সময়ের সাথে সাথে প্রশ্ন সহজ হয়।
তাই যেগুলো ২০-৩০% পারো এমন ৫-১০ প্রশ্ন থাকবে তুমি ঐ প্রশ্ন গুলোর ক্লু বের করার চেষ্টা করবে।
যদি একটাও শিউর করতে পারো।
এটাই বোনাস, এটাই তোমাকে ভালো সাবজেক্ট ও ভালো বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিবে🔰
তবে আন্দাজে কিন্ত ১০০ টা দাগানো যাবে না😱
তুমি পরীক্ষার হলে গননা করে দেখতে পারো তোমার কয়টা দাগানো হয়েছে।
যখন দেখবা ৬০+ দাগানো হইছে👍
তখন কিন্তু তোমার মন খারাপ হয়ে যাবে, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখবে সময় আছে মাত্র ১০ মিনিট🥺
পাশের বন্ধু র দিকে তাকিয়ে দেখি সে দাগাইছে ৯০+ 😲
তখন তোমার মাথা নষ্ট হয়ে যাবে🤬
বারবার মন চাইবে
আর ১০ টা দাগা👌 আর ১০ টা দাগাই👌
এটাই কিন্তু তোমাকে বাঁশ দিবে😰
সো পাশের বন্ধু কি করলো সেদিকে তাকানো যাবে না❌
যদি তুমি ৭০+ দাগাতে পারো।
তাহলে ভাই আর দাগাই ও না।
সাস্ট তোমার জন্য অপেক্ষা করতেছে।
তবে নেগেটিভ খাওয়া যাবে না ❌
#collected
✅এটা প্রথম কাজ।
পরীক্ষা শুরুর মিনিমাম ১ ঘন্টা আগে তোমাকে পরীক্ষার কেন্দ্রের কাছে অবস্থান করতে হবে।
এটা তোমাকে প্রথম রিলাক্সজেশন দিবে।
এখান থেকে ই খেলা শুরু, নারভাস হওয়া যাবেনা।
তাই রিলাক্সজেশন পেতে অবশ্যই আগে কেন্দ্রে পৌছাবে💪
✅পরীক্ষার হল এমন এক জায়গা,যেখানে নিজের মাইন্ড সেটাপের তাপমাত্রা থাকে ৪০°C😱
এই তাপমাত্রা নিতান্তই মনের তাপমাত্রা।
এটাই তোমাকে চান্স পাওয়া থেকে দূরে ঠেলে দেওয়ার অন্যতম কারণ🙄
সহজ কথা,
পরীক্ষার হলে নিজেকে যথেষ্ট ঠান্ডা রাখতে হবে।
এটা করতে পারলে তুমি চান্স পাওয়ার দৌড়ে ১০% এগিয়ে যাবা😲
✅প্রশ্ন হাতে পাওয়ার সাথে সাথে উত্তেজিত বা ভেঙে পরা যাবেন😱😥
একটাই কথা মনে মনে ভাববা চান্স মানেই কিন্তু জীবনের সবকিছু না👍
আবার চান্স না পাইলে ও জীবন শেষ না
👍
তবে এটা মাথায় রাখতে হবে,
তোমার পরীক্ষার হলের ১ ঘন্টা হবে জীবনের সেরা সময়✌
আর সেরা সময় টাকে, সেরা ভাবে ব্যবহার করাই থাকবে তোমাদের মূল লক্ষ্য✌
✅ পরীক্ষা শুরু করার পূর্বে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো
তোমার নিজের রোল,সেট কোড ইত্যাদি প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো খুবই সতর্কের সাথে পূরন করা।
এগুলো ভুল করা মানে তোমার রেজাল্ট আসবে না,
তুমি যতই ভালো পরীক্ষা দাও না কেনো।
😥
➡যেই ভুল টা আমি করেছি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায়,
ফলে আমার রেজাল্ট আসেনি।
এটা সবচেয়ে দুঃখজনক।
তুমি চান্স পাও না পাও সেটা ব্যাপার না,
তবে সবারই আগ্রহ থাকে নিজের ফলাফল টা জানার
তাই পরীক্ষার হলে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো রোল,সেট কোড এগুলো ভালো করে পূরণ করা🙋
✅এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ,,
তোমরা অবশ্যই পরীক্ষা শুরু করবা,
যে যেই বিষয়ে সবচেয়ে পারদর্শী💪
কনফিডেন্স লেভেল যেই বিষয়ে সবচেয়ে ভালো👍
সেটা দিয়ে উত্তর দেওয়া শুরু করা,
কারণ তুমি প্রথম প্রথম ভালো উত্তর করতে পারলে
তোমার মনকে পজিটিভ বানাবে😀
ফলে,পরের প্রশ্নগুলো হার্ড হলেও তোমরা দিতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করবা।
✅এটা তার চেয়ে ও ভয়ংকর গুরুত্বপূর্ণ,,,,
তোমরা অনেকে ই অনেক গুলো প্রশ্ন,
মানে পরপর চারটা - পাঁচটা প্রশ্ন না পারলে একদম ঘাবড়ে যাও।
এটা তোমাকে চান্স পাওয়া থেকে ৫০% দূরে ঠেলে দিবে
😭
তুমি পারোনা, কোনো সমস্যা নাই।
পরের টা চেষ্টা করো।
ঘাবড়ানো যাবে না।
✅নেগেটিভ 😲
এটা পিছন থেকে টেনে ধরার মতো কাজ করে,
তুৃমি একটু ভালো পারফরম্যান্স করছো,
এমন সময় নেগেটিভ এসে কানে কানে বলবে এতো ভালো করিস কেনো?😁
একটু ভুল কর,,
একটু ভুল কর,,
এটাও চান্স না পাওয়ার মেজর ইম্পরট্যান্ট বিষয়।
তুমি যা পারো তা দাগাও,,
নেগেটিভ খাওয়া যাবে না।
✅কিভাবে শুরু করবে??
প্রথমত তুমি যে বিষয় গুলো ১০০% শিউর ঐগুলো ই দাগাবে কিন্তু। ✔
এভাবে তুমি প্রতিটি বিষয় থেকেই কিন্তু মোট ১০০ টা প্রশ্নের মধ্যে যেগুলো জাস্ট শিউর ঐ গুলো ই দিবা।
তুমি যদি নিয়মিত স্টুডেন্ট হও তাহলে তোমার এইভাবে দাগালে ৪০ টা পারবা শিউর।✔
মানে তোমার কমন পরবে।
তারপর ৫০% শিউর গুলো দাগানো শুরু করবা।🤔
এগুলো দাগানোর ক্ষেত্রে অবশ্যই অপশন বাদ ❌দেওয়ার ক্রাইটেরিয়া ফলো করবা।
কিছু কিছু অপশন থাকবো যা কখনো উত্তর হবে না,
এটা তুমি ধরতে পারবা।
ঐ অপশন গুলো বাদ দিয়ে তারপর বাকি গুলো নিয়ে চিন্তা করে দিবা।
এভাবে তুমি ২০- ২৫ পারবা।এখান থেকে তোমার মিনিমাম ১৫ টা হবে।💪
বাকিগুলো ভুল যাবে, তাহলে নেগেটিভ আসবে, আসুক সমস্যা নাই।
এই টুকু রিস্ক নিতে হবে,তবে নেগেটিভ তো এখানে বেশি না।
তাই সমস্যা হবে না।এভাবে তোমার ৫২- ৫৩ নম্বর চলে আসবে✌✌✌✌
শেষ পর্যায়ে এসে না পারা প্রতিটা প্রশ্ন দেখবা,
কারণ পরীক্ষার হলে সময়ের সাথে সাথে প্রশ্ন সহজ হয়।
তাই যেগুলো ২০-৩০% পারো এমন ৫-১০ প্রশ্ন থাকবে তুমি ঐ প্রশ্ন গুলোর ক্লু বের করার চেষ্টা করবে।
যদি একটাও শিউর করতে পারো।
এটাই বোনাস, এটাই তোমাকে ভালো সাবজেক্ট ও ভালো বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দিবে🔰
তবে আন্দাজে কিন্ত ১০০ টা দাগানো যাবে না😱
তুমি পরীক্ষার হলে গননা করে দেখতে পারো তোমার কয়টা দাগানো হয়েছে।
যখন দেখবা ৬০+ দাগানো হইছে👍
তখন কিন্তু তোমার মন খারাপ হয়ে যাবে, ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখবে সময় আছে মাত্র ১০ মিনিট🥺
পাশের বন্ধু র দিকে তাকিয়ে দেখি সে দাগাইছে ৯০+ 😲
তখন তোমার মাথা নষ্ট হয়ে যাবে🤬
বারবার মন চাইবে
আর ১০ টা দাগা👌 আর ১০ টা দাগাই👌
এটাই কিন্তু তোমাকে বাঁশ দিবে😰
সো পাশের বন্ধু কি করলো সেদিকে তাকানো যাবে না❌
যদি তুমি ৭০+ দাগাতে পারো।
তাহলে ভাই আর দাগাই ও না।
সাস্ট তোমার জন্য অপেক্ষা করতেছে।
তবে নেগেটিভ খাওয়া যাবে না ❌
#collected
❤141🥰16😢1
😁47🥰10😢9👏2❤1
➡️সংখ্যায় ধ্বনিতত্ত্ব ⬅️
এইগুলা থেকে একটা প্রশ্ন পাবেই ইনশাআল্লাহ।
▪️বাংলা বর্ণমালার সংখ্যা = ১ টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা = ৫০ (১১+৩৯) টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় অসংযুক্ত বর্ণের সংখ্যা = ৫০ টি।
▪️বাংলা ভাষায় মোট ধ্বনির সংখ্যা = ৩৭ (৭+৩০) টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ = ১১ টি।
▪️মৌলিক স্বরধ্বনি = ৭ টি ( অ,আ,ই,উ,এ,অ্যা,ও)।
▪️মৌলিক স্বরবর্ণ = ৬ টি (অ,আ,ই,উ,এ,ও)।
▪️স্বতন্ত্র স্বরধ্বনি = ১ টি ( অ্যা)।
▪️যৌগিক স্বরধ্বনি / দ্বিস্বর/ যুগ্মস্বর/ সন্ধিস্বর = ২৫ টি।
▪️যৌগিক স্বরবর্ণ / যৌগিক সরজ্ঞাপক = ২ টি (ঐ,ঔ)।
▪️হ্রস্ব স্বর = ৪ টি ( অ,ই,উ,ঋ)।
▪️দীর্ঘ স্বর = ৭ টি ( আ,ঈ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ)।
▪️অর্ধস্বর = ৪ টি ( ই,উ,এ,ও)।
▪️উচ্চারণস্থান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি = ১ টি ( আ)।
▪️সংক্ষিপ্ত স্বর / কার = ১০ টি ( 'অ' বাদে)।
▪️নিলীন বর্ণ = ১ টি ( অ)।
▪️সংক্ষিপ্ত ব্যন্জ্ঞন / ফলা = ৬ টি ( ম,ন,য,র,ব,ল)।
▪️মোট ব্যন্জ্ঞনবর্ণ = ৩৯ টি
▪️মোট ব্যন্জ্ঞনধ্বনি = ৩০ টি
▪️বর্গীয় বর্ণ = ২৫ টি ( ক-ম)।
▪️বর্গীয় ধ্বনি = ২৩ টি ( ঞ,ণ বাদে ক-ম)।
▪️নাসিক্য বর্ণ/নাসিক্য ব্যন্জ্ঞন/ অনুনাসিক বর্ণ = ৭ টি ( ঙ,ঞ,ণ,ন,ম,ং,ঁ)।
▪️নাসিক্য ধ্বনি/অনুনাসিক ধ্বনি = ৩ টি ( ঙ,ন,ম)।
▪️ঘৃষ্ঠ ধ্বনি / ঘৃষ্ঠ বর্ণ = ৪ টি ( চ,ছ,জ,ঝ)।
▪️স্পর্শ ব্যন্জ্ঞন / স্পর্শ ধ্বনি / স্পর্শ বর্ণ/ স্পৃষ্ট বর্ণ / স্পষ্ট ধ্বনি = ১৬ টি ( ঘৃষ্ট ধ্বনি বাদে প্রতি বর্গের ১ম ৪ টি)।
▪️পার্শিক ধ্বনি = ১ টি ( ল)।
▪️কম্পিত ধ্বনি / কম্পনজাত বর্ণ = ১ টি ( র)।
▪️তরল বর্ণ = ২ টি, ( র, ল)।
▪️তাড়িত ধ্বনি / তাড়নজাত বর্ণ = ২ টি ( ড়,ঢ়)।
▪️উষ্মবর্ণ = ৪ টি ( শ,স,ষ,হ)।
▪️উষ্মধ্বনি = ৩ টি ( শ,স,হ)।
▪️শিস বর্ণ = ৩ টি ( শ,স,ষ)।
▪️শিস ধ্বনি = ২ টি ( শ,স)।
▪️অন্তঃস্থ বর্ণ = ৪ টি ( য,র,ল,ব)।
▪️অন্তঃস্থ ধ্বনি = ৩ টি ( র,ল,ব)।
▪️অযোগবাহ বর্ণ = ২ টি ( ং,ঃ)।
▪️পরাশ্রয়ী বর্ণ = ৩ টি ( ং,ঃ,ঁ)।
▪️বর্ণাতিরিক্ত চিহ্ন = ২ টি ( হসন্ত, রেফ)।
#Collected
এইগুলা থেকে একটা প্রশ্ন পাবেই ইনশাআল্লাহ।
▪️বাংলা বর্ণমালার সংখ্যা = ১ টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণের সংখ্যা = ৫০ (১১+৩৯) টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় অসংযুক্ত বর্ণের সংখ্যা = ৫০ টি।
▪️বাংলা ভাষায় মোট ধ্বনির সংখ্যা = ৩৭ (৭+৩০) টি।
▪️বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ = ১১ টি।
▪️মৌলিক স্বরধ্বনি = ৭ টি ( অ,আ,ই,উ,এ,অ্যা,ও)।
▪️মৌলিক স্বরবর্ণ = ৬ টি (অ,আ,ই,উ,এ,ও)।
▪️স্বতন্ত্র স্বরধ্বনি = ১ টি ( অ্যা)।
▪️যৌগিক স্বরধ্বনি / দ্বিস্বর/ যুগ্মস্বর/ সন্ধিস্বর = ২৫ টি।
▪️যৌগিক স্বরবর্ণ / যৌগিক সরজ্ঞাপক = ২ টি (ঐ,ঔ)।
▪️হ্রস্ব স্বর = ৪ টি ( অ,ই,উ,ঋ)।
▪️দীর্ঘ স্বর = ৭ টি ( আ,ঈ,ঊ,এ,ঐ,ও,ঔ)।
▪️অর্ধস্বর = ৪ টি ( ই,উ,এ,ও)।
▪️উচ্চারণস্থান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি = ১ টি ( আ)।
▪️সংক্ষিপ্ত স্বর / কার = ১০ টি ( 'অ' বাদে)।
▪️নিলীন বর্ণ = ১ টি ( অ)।
▪️সংক্ষিপ্ত ব্যন্জ্ঞন / ফলা = ৬ টি ( ম,ন,য,র,ব,ল)।
▪️মোট ব্যন্জ্ঞনবর্ণ = ৩৯ টি
▪️মোট ব্যন্জ্ঞনধ্বনি = ৩০ টি
▪️বর্গীয় বর্ণ = ২৫ টি ( ক-ম)।
▪️বর্গীয় ধ্বনি = ২৩ টি ( ঞ,ণ বাদে ক-ম)।
▪️নাসিক্য বর্ণ/নাসিক্য ব্যন্জ্ঞন/ অনুনাসিক বর্ণ = ৭ টি ( ঙ,ঞ,ণ,ন,ম,ং,ঁ)।
▪️নাসিক্য ধ্বনি/অনুনাসিক ধ্বনি = ৩ টি ( ঙ,ন,ম)।
▪️ঘৃষ্ঠ ধ্বনি / ঘৃষ্ঠ বর্ণ = ৪ টি ( চ,ছ,জ,ঝ)।
▪️স্পর্শ ব্যন্জ্ঞন / স্পর্শ ধ্বনি / স্পর্শ বর্ণ/ স্পৃষ্ট বর্ণ / স্পষ্ট ধ্বনি = ১৬ টি ( ঘৃষ্ট ধ্বনি বাদে প্রতি বর্গের ১ম ৪ টি)।
▪️পার্শিক ধ্বনি = ১ টি ( ল)।
▪️কম্পিত ধ্বনি / কম্পনজাত বর্ণ = ১ টি ( র)।
▪️তরল বর্ণ = ২ টি, ( র, ল)।
▪️তাড়িত ধ্বনি / তাড়নজাত বর্ণ = ২ টি ( ড়,ঢ়)।
▪️উষ্মবর্ণ = ৪ টি ( শ,স,ষ,হ)।
▪️উষ্মধ্বনি = ৩ টি ( শ,স,হ)।
▪️শিস বর্ণ = ৩ টি ( শ,স,ষ)।
▪️শিস ধ্বনি = ২ টি ( শ,স)।
▪️অন্তঃস্থ বর্ণ = ৪ টি ( য,র,ল,ব)।
▪️অন্তঃস্থ ধ্বনি = ৩ টি ( র,ল,ব)।
▪️অযোগবাহ বর্ণ = ২ টি ( ং,ঃ)।
▪️পরাশ্রয়ী বর্ণ = ৩ টি ( ং,ঃ,ঁ)।
▪️বর্ণাতিরিক্ত চিহ্ন = ২ টি ( হসন্ত, রেফ)।
#Collected
❤99🔥13🎉2
❤14😢12🔥4🥰4👏1
❤9🥰8
😢26❤10🔥2😱2
🤔12❤4🥰2😁2😢1
😁56🤩9😢4❤3🥰2🤔2😱1
কয় চামচ ডাবের পানি খেয়ে বঙ্গবন্ধুর অনশন ভাঙে?
Anonymous Quiz
11%
১ চামচ
69%
২ চামচ
10%
৪ চামচ
9%
৩ চামচ
❤19🤩5🔥4😱3
😢30🔥13😁7❤5🤔4
❤15😢5🥰1😱1
😢10❤9🔥2😁1🤔1
❤13😢8🤔5😱2🥰1