কোষ প্রাচীর গঠনের প্রক্রিয়া নিচের কোনটি?
[আজিবুর রহমান স্যার]
[আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
13%
সেলুলোজ → মাইক্রোফাইব্রিল → মাইসেলি →ম্যাক্রোফাইব্রিল
26%
সেলুলোজ → ম্যাক্রোফাইব্রিল →মাইক্রোফাইব্রিল → মাইসেলি
52%
সেলুলোজ → মাইসেলি → মাইক্রোফাইব্রিল →ম্যাক্রোফাইব্রিল
9%
সেলুলোজ→মাইসেলি→ম্যাক্রোফাইব্রিল→ মাইক্রোফাইব্রিল
❤7😱3
উদ্ভিদের কোষপর্দা কী দ্বারা তৈরী?
[আজিবুর রহমান স্যার]
[আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
25%
কাইটিন
46%
লিপোপ্রোটিন
20%
লিগনিন
9%
সুবেরিন
😢9🔥6🤩1
Biology Phobia।Exam Mate
কোষ প্রাচীর গঠনের প্রক্রিয়া নিচের কোনটি?
[আজিবুর রহমান স্যার]
[আজিবুর রহমান স্যার]
১-৩ হাজার সেলুলোজ অনু নিয়ে গঠিত হয় একটি সেলুলোজ চেইন। প্রায় ১০০ টি সেলোলুজ চেইন মিলিত হয়ে গঠিত হয় একটি ক্রিস্টালাইন মাইসেলি। ২০ টি মাইসেলি মিলে গঠিত হয় মাইক্রোফাইব্রিল এবং ২৫০ টি মাইক্রোফাইব্রিল মিলে গঠিত হয় ম্যাক্রোফাইব্রিল।
❤27🔥6😢1
কোষের বাইরে প্রোটোপ্লাজম নির্মিত দ্বি স্তরী আবরণীকে কি বলে?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
53%
প্লাজমালেমা
18%
নিউক্লিয়ার মেমব্রেন
7%
সাইটোপ্লাজম
21%
কোষপ্রাচীর
😢5🎉2
Biology Phobia।Exam Mate
কোষের বাইরে প্রোটোপ্লাজম নির্মিত দ্বি স্তরী আবরণীকে কি বলে?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
প্রোটোপ্লাজমের বাইরে যে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট পর্দা থাকে তাকে প্লাজমালেমা বলে। এটি দুই স্তরবিশিষ্ট একটি স্থিতিস্থাপক পর্দা। এটি লিপিড ও প্রোটিন দ্বারা গঠিত। প্লাজমালেমা একটি বৈষম্যভেদ্য পর্দা হওয়ায় অভিস্রবণের মাধ্যমে পানি ও খনিজ লবণ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে এবং পার্শ্ববর্তী কোষগুলোকে পরস্পর থেকে আলাদা করে রাখে।
❤20
ফ্র্যাগমোপ্লাস্ট নিচের কোনটির উপাদান?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
32%
সাইটোপ্লাজম
53%
কোষপ্লেট
8%
স্ট্রোমা
6%
নিউক্লিওপ্লাজম
😢5
কোষ পর্দাবিহীন সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কোনটি?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
62%
রাইবোসোম
16%
সলজি বস্তু
10%
মাইটোকন্ড্রিয়া
12%
লাইসোসোম
🔥5😢3
Biology Phobia।Exam Mate
কোষ পর্দাবিহীন সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কোনটি?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
*২য় অপশনটা গলগি বস্তু হবে।
টাইপিং ভুলের জন্য দুঃখিত।
টাইপিং ভুলের জন্য দুঃখিত।
Biology Phobia।Exam Mate
কোষ পর্দাবিহীন সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু কোনটি?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
পর্দাবিহীনঃ
টেকনিকঃ RCC
R= রাইবোজোম।
C= সেন্ট্রিওল।
C= সাইটোস্কেলিটন
টেকনিকঃ RCC
R= রাইবোজোম।
C= সেন্ট্রিওল।
C= সাইটোস্কেলিটন
🔥26❤5
গলগি বস্তুর প্লাজমামেমব্রেনের কাছাকাছি অংশকে কি বলে?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
23%
ট্রান্সগলগি নেটওয়ার্ক
36%
ট্রান্সফেইস
16%
সিজফেইস
24%
ট্রান্সসিস্টার্না
😢12🔥5❤1
কোষের কোন অঙ্গাণুটি ATP সিন্থেসিস করে?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
85%
মাইটোকন্ড্রিয়া
11%
সাইটোপ্লাজম
2%
নিউক্লিয়াস
2%
ক্রোমোসোম
❤1
Biological Power House এ কোন পদার্থটির পরিমাণ ২৫-৩০%?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
24%
ফসফোলিপিড
10%
RNA
41%
প্রোটিন
24%
লিপিড
😢16❤3
কোনটি স্টার্চ বা শ্বেতসার সঞ্চয় করে?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
75%
অ্যামাইলোপ্লাস্ট
6%
ক্রোমোপ্লাস্ট
9%
ইলায়োপ্লাস্ট
9%
অ্যালিউরোপ্লাস্ট
❤3😢1
অ্যামাইলোপ্লাস্টঃ স্টার্চজাতীয় খাদ্য সঞ্চয় করে।
ইলায়োপ্লাস্টঃ চর্বিজাতীয় খাদ্য সঞ্চয় করে।
অ্যালিউরোপ্লাস্টঃ আমিষ জাতীয় খাদ্য সঞ্চয় করে।
ইলায়োপ্লাস্টঃ চর্বিজাতীয় খাদ্য সঞ্চয় করে।
অ্যালিউরোপ্লাস্টঃ আমিষ জাতীয় খাদ্য সঞ্চয় করে।
🔥15❤4
নিচের কোনটিকে অন্তঃমিথোজীবীতা মনে করা হয়?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
16%
রাইবোসোম
18%
সেন্ট্রিওল
47%
ক্লোরোপ্লাস্ট
19%
গলি বস্তু
😢11❤4🎉3
কোষ গহ্বরের চারপাশে যে পাতলা আবরণ থাকে তাকে কি বলে?
Anonymous Quiz
3%
ইলায়োপ্লাস্ট
5%
অ্যালিউরোপ্লাস্ট
6%
অ্যামাইলোপ্লাস্ট
86%
টনোপ্লাস্ট
সেন্ট্রিওল কে আবিষ্কার করেন.?
[ আজিবুর রহমান স্যার]
[ আজিবুর রহমান স্যার]
Anonymous Quiz
15%
Strasbarger
45%
Van Benden
23%
Bovery
17%
De Duvr
❤9😱9
আজ এইটুকুই। বাকিগুলো পরে দিবো ইন শা আল্লাহ। ☘️
❤14
SUMMARY
কোষ ও কোষের গঠন।
🌸কোষপ্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
🌸 বিজ্ঞানী হাক্সলে প্রোটোপ্লাজমকে “জীবনের ভৌত ভিত্তি” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
🌸প্লাজমা মেমব্রেন দ্বিস্তরী ফসফোলিপিড দিয়ে গঠিত। ফসফোলিপিডের মাথার অংশ পানিগ্রাহী (hydrophilic) আর লেজের অংশ পানিবিদ্বেষী (hydrophobic)। (philic মানে আকর্ষী আর phobia মানে তো ভয়🤭🤭। কেউ আবার বায়োলজিকে ভয় পাও না তো?)
🌸প্লাজমা মেমব্রেনে ফসফোলিপিড অণু সবসময় সচল থাকে। (বই-এর ছবিতে যদিও খুব স্থির মনে হয়) তাই তরল পদার্থের মত মনে হয়। আর প্রোটিনগুলো ওই তরল পদার্থে ভাসমান মোজাইকের মত। এজন্যই মডেলটির নাম “ফ্লুইড-মোজাইক মডেল”। এটি প্রবর্তন করেন সিঙ্গার এবং নিকলসন।
🌸 সাইটোপ্লাজমের ম্যাট্রিক্স কে বলা হয় হায়ালোপ্লাজম। উদ্ভিদের সাইটোপ্লাজমে বৃহৎ কোষ গহবর থাকে।
☘️ কোষ গহ্বরকে বেষ্টনকারী পদার্থকে বলা হয় – টনোপ্লাস্ট।
সাইটোপ্লাজমের বিভিন্ন অঙ্গাণু:
🌸 প্লাস্টিড: (প্লাস্টার থেকে এই প্লাস্টিড নামটা এসেছে)
☘️ লিউকোপ্লাস্ট বর্ণহীন (লিউকো=বর্ণহীন), এরা আলো পেলে ক্লোরোপ্লাস্ট বা ক্রোমোপ্লাস্ট-এ পরিণত হতে পারে।
☘️ সঞ্চিত খাদ্য অনুসারে লিউকোপ্লাস্টিডের প্রকারভেদ:
💫 অ্যামাইলোপ্লাস্ট = শর্করা
💫 অ্যালিউরোপ্লাস্ট = আমিষ / প্রোটিন (একে প্রোটিনোপ্লাস্ট-ও বলা হয়)
💫 এলায়োপ্লাস্ট = চর্বি / তেল
☘️ ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয় সবুজ ছাড়া অন্য যে কোন রঙের প্লাস্টিডকে। (ক্রোম = রঙ, যেমন ক্রোমোজোম), ফুলে, ফলে এই ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে।
☘️ ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ বর্ণ সৃষ্টিকারী, এখানে ক্লোরোফিল a এবং b এর সাথে ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল-ও থাকে। কিন্তু ক্লোরোফিল বেশি থাকার জন্য সবুজ দেখায়।
☘️ ক্লোরোপ্লাস্ট-এর ম্যাট্রিক্স কে স্ট্রোমা বলা হয়।
☘️ গ্রানাম চাকতির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনকারী নালিকা “স্ট্রোমা ল্যামেলী” (গ্রানাম ল্যামিলা নয় কিন্তু!!)।
☘️ ক্লোরোপ্লাস্টেও কিছু ATP তৈরি হয়, (শুধুমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়াতেই না।)
☘️ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ক্লোরোপ্লাস্টে ঘটে।
🌸 মাইটোকন্ড্রিয়া: কোষের পাওয়ার হাউস
☘️ উদ্ভিদের প্রতি কোষে ২০০-৪০০ টি মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।
☘️ বহিঃঝিল্লী সমান্তরাল ও মসৃণ, অন্তঃঝিল্লী ভিতরের দিকে ভাঁজ হয়ে ক্রিস্টি সৃষ্টি করে। ক্রিস্টিতে ATP সিন্থেসিস হয়।
☘️ ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন পরিবহন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ইত্যাদি মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরে সম্পন্ন করে।
☘️ কিছু পরিমাণ DNA, RNA তৈরি করতে পারে। (মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টের নিজস্ব DNA আছে)
🌸 গলগি বডি: (রপ্তানীকারক অঙ্গাণু)
☘️ এদের প্রধান কাজ হরমোন সহ বিভিন্ন বিপাকীয় দ্রব্য ক্ষরণ করা। প্রাণিদেহে হরমোন অনেক বেশি ব্যবহৃত, তাই প্রাণিকোষে গলগি বডি বেশি, উদ্ভিদ কোষে কম।
☘️ এরা লাইসোসোম তৈরি করে, যা হচ্ছে কোষের রিসাইকল সেন্টার।
☘️ মাইটোকন্ড্রিয়ায় ATP সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় সব এনজাইম থাকে না। কিছু এনজাইম গলগি বডি থেকে যায় (নিঃসৃত হয়)।
🌸 রাইবোসোম: প্রোটিন তৈরির কারখানা
☘️ ৫০% RNA এবং ৫০% হিস্টোন জাতীয় আমিষ
☘️ রাইবোসোম মূলত দু’প্রকার, 70S এবং 80S. প্রোক্যারিওট কোষের রাইবোজোম 70S এবং ইউক্যারিওট কোষের রাইবোজোম 80S।
☘️ 60S + 40S = 80S & 50S + 30S = 70S (গাণিতিকভাবে সাবইউনিট গুলোর S-এর মান যোগ করা হয় না, দু’টো আলাদা সাবইউনিট মিলে যে রাইবোজোম গঠিত, এর S এর মান যোগফলের চেয়ে একটু কম হয়)
☘️ রাইবোসোমের প্রধান কাজ প্রোটিন তৈরি করা।
🌸 এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম:
☘️ দু’প্রকার, মসৃণ ও অমসৃণ। অমসৃণ –এর গায়ে রাইবোজোম থাকে।
☘️ অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে প্রোটিন তৈরি হয় (যেহেতু সেখানে রাইবোজোম থাকে), আর মসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে লিপিড তৈরি হয়।
☘️ সিস্টারনি, ভেসিকল, টিউবিউল ইত্যাদি এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের অংশ। এগুলো গলগি বডিতেও থাকে।
🌸 লাইসোসোম: (কোষের রিসাইকেল সেন্টার)
☘️ অন্তঃকোষীয় পরিপাকের মুখ্য উপাদান, অর্থাৎ কোষের ভিতরের বিভিন্ন বস্তু লাইসোজোম পরিপাক করে, যেমন অনুপ্রবেশ করা জীবাণু, বা খাদ্য উপাদান, নিজের অঙ্গাণু ধ্বংস করে।
☘️ লাইসিস করে বলে “লাইসোসোম” নাম দেওয়া।
☘️ উদ্ভিদকোষে তেমন দেখা যায় না।
(অন্তঃকোষীয় না আন্তঃকোষীয়, এ নিয়ে একটা সমস্যা সবসময়েই থেকে যেতে পারে, একটা উদাহরণ মনে রাখা যেতে পারে, আন্তঃবিভাগ প্রতিযোগিতা মানে বিশ্ববিদ্যালয়ে যত বিভাগ রয়েছে, সবার মধ্যে প্রতিযোগিতা, আর অন্তঃবিভাগ বলতে শুধুমাত্র একটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিজেদের মাঝে প্রতিযোগিতা। আন্তঃ বলতে নিজের টাইপের মধ্যে কিন্তু বাইরের সাথে, অন্তঃ বলতে নিজের মধ্যেই)
🌸 মাইক্রোটিউবিউল্স: (কোষের কঙ্কাল)
কোষ ও কোষের গঠন।
🌸কোষপ্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।
🌸 বিজ্ঞানী হাক্সলে প্রোটোপ্লাজমকে “জীবনের ভৌত ভিত্তি” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
🌸প্লাজমা মেমব্রেন দ্বিস্তরী ফসফোলিপিড দিয়ে গঠিত। ফসফোলিপিডের মাথার অংশ পানিগ্রাহী (hydrophilic) আর লেজের অংশ পানিবিদ্বেষী (hydrophobic)। (philic মানে আকর্ষী আর phobia মানে তো ভয়🤭🤭। কেউ আবার বায়োলজিকে ভয় পাও না তো?)
🌸প্লাজমা মেমব্রেনে ফসফোলিপিড অণু সবসময় সচল থাকে। (বই-এর ছবিতে যদিও খুব স্থির মনে হয়) তাই তরল পদার্থের মত মনে হয়। আর প্রোটিনগুলো ওই তরল পদার্থে ভাসমান মোজাইকের মত। এজন্যই মডেলটির নাম “ফ্লুইড-মোজাইক মডেল”। এটি প্রবর্তন করেন সিঙ্গার এবং নিকলসন।
🌸 সাইটোপ্লাজমের ম্যাট্রিক্স কে বলা হয় হায়ালোপ্লাজম। উদ্ভিদের সাইটোপ্লাজমে বৃহৎ কোষ গহবর থাকে।
☘️ কোষ গহ্বরকে বেষ্টনকারী পদার্থকে বলা হয় – টনোপ্লাস্ট।
সাইটোপ্লাজমের বিভিন্ন অঙ্গাণু:
🌸 প্লাস্টিড: (প্লাস্টার থেকে এই প্লাস্টিড নামটা এসেছে)
☘️ লিউকোপ্লাস্ট বর্ণহীন (লিউকো=বর্ণহীন), এরা আলো পেলে ক্লোরোপ্লাস্ট বা ক্রোমোপ্লাস্ট-এ পরিণত হতে পারে।
☘️ সঞ্চিত খাদ্য অনুসারে লিউকোপ্লাস্টিডের প্রকারভেদ:
💫 অ্যামাইলোপ্লাস্ট = শর্করা
💫 অ্যালিউরোপ্লাস্ট = আমিষ / প্রোটিন (একে প্রোটিনোপ্লাস্ট-ও বলা হয়)
💫 এলায়োপ্লাস্ট = চর্বি / তেল
☘️ ক্রোমোপ্লাস্ট বলা হয় সবুজ ছাড়া অন্য যে কোন রঙের প্লাস্টিডকে। (ক্রোম = রঙ, যেমন ক্রোমোজোম), ফুলে, ফলে এই ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে।
☘️ ক্লোরোপ্লাস্ট সবুজ বর্ণ সৃষ্টিকারী, এখানে ক্লোরোফিল a এবং b এর সাথে ক্যারোটিন ও জ্যান্থোফিল-ও থাকে। কিন্তু ক্লোরোফিল বেশি থাকার জন্য সবুজ দেখায়।
☘️ ক্লোরোপ্লাস্ট-এর ম্যাট্রিক্স কে স্ট্রোমা বলা হয়।
☘️ গ্রানাম চাকতির মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনকারী নালিকা “স্ট্রোমা ল্যামেলী” (গ্রানাম ল্যামিলা নয় কিন্তু!!)।
☘️ ক্লোরোপ্লাস্টেও কিছু ATP তৈরি হয়, (শুধুমাত্র মাইটোকন্ড্রিয়াতেই না।)
☘️ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া ক্লোরোপ্লাস্টে ঘটে।
🌸 মাইটোকন্ড্রিয়া: কোষের পাওয়ার হাউস
☘️ উদ্ভিদের প্রতি কোষে ২০০-৪০০ টি মাইটোকন্ড্রিয়া থাকে।
☘️ বহিঃঝিল্লী সমান্তরাল ও মসৃণ, অন্তঃঝিল্লী ভিতরের দিকে ভাঁজ হয়ে ক্রিস্টি সৃষ্টি করে। ক্রিস্টিতে ATP সিন্থেসিস হয়।
☘️ ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন পরিবহন, অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ইত্যাদি মাইটোকন্ড্রিয়ার অভ্যন্তরে সম্পন্ন করে।
☘️ কিছু পরিমাণ DNA, RNA তৈরি করতে পারে। (মাইটোকন্ড্রিয়া ও ক্লোরোপ্লাস্টের নিজস্ব DNA আছে)
🌸 গলগি বডি: (রপ্তানীকারক অঙ্গাণু)
☘️ এদের প্রধান কাজ হরমোন সহ বিভিন্ন বিপাকীয় দ্রব্য ক্ষরণ করা। প্রাণিদেহে হরমোন অনেক বেশি ব্যবহৃত, তাই প্রাণিকোষে গলগি বডি বেশি, উদ্ভিদ কোষে কম।
☘️ এরা লাইসোসোম তৈরি করে, যা হচ্ছে কোষের রিসাইকল সেন্টার।
☘️ মাইটোকন্ড্রিয়ায় ATP সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় সব এনজাইম থাকে না। কিছু এনজাইম গলগি বডি থেকে যায় (নিঃসৃত হয়)।
🌸 রাইবোসোম: প্রোটিন তৈরির কারখানা
☘️ ৫০% RNA এবং ৫০% হিস্টোন জাতীয় আমিষ
☘️ রাইবোসোম মূলত দু’প্রকার, 70S এবং 80S. প্রোক্যারিওট কোষের রাইবোজোম 70S এবং ইউক্যারিওট কোষের রাইবোজোম 80S।
☘️ 60S + 40S = 80S & 50S + 30S = 70S (গাণিতিকভাবে সাবইউনিট গুলোর S-এর মান যোগ করা হয় না, দু’টো আলাদা সাবইউনিট মিলে যে রাইবোজোম গঠিত, এর S এর মান যোগফলের চেয়ে একটু কম হয়)
☘️ রাইবোসোমের প্রধান কাজ প্রোটিন তৈরি করা।
🌸 এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম:
☘️ দু’প্রকার, মসৃণ ও অমসৃণ। অমসৃণ –এর গায়ে রাইবোজোম থাকে।
☘️ অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে প্রোটিন তৈরি হয় (যেহেতু সেখানে রাইবোজোম থাকে), আর মসৃণ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে লিপিড তৈরি হয়।
☘️ সিস্টারনি, ভেসিকল, টিউবিউল ইত্যাদি এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামের অংশ। এগুলো গলগি বডিতেও থাকে।
🌸 লাইসোসোম: (কোষের রিসাইকেল সেন্টার)
☘️ অন্তঃকোষীয় পরিপাকের মুখ্য উপাদান, অর্থাৎ কোষের ভিতরের বিভিন্ন বস্তু লাইসোজোম পরিপাক করে, যেমন অনুপ্রবেশ করা জীবাণু, বা খাদ্য উপাদান, নিজের অঙ্গাণু ধ্বংস করে।
☘️ লাইসিস করে বলে “লাইসোসোম” নাম দেওয়া।
☘️ উদ্ভিদকোষে তেমন দেখা যায় না।
(অন্তঃকোষীয় না আন্তঃকোষীয়, এ নিয়ে একটা সমস্যা সবসময়েই থেকে যেতে পারে, একটা উদাহরণ মনে রাখা যেতে পারে, আন্তঃবিভাগ প্রতিযোগিতা মানে বিশ্ববিদ্যালয়ে যত বিভাগ রয়েছে, সবার মধ্যে প্রতিযোগিতা, আর অন্তঃবিভাগ বলতে শুধুমাত্র একটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের নিজেদের মাঝে প্রতিযোগিতা। আন্তঃ বলতে নিজের টাইপের মধ্যে কিন্তু বাইরের সাথে, অন্তঃ বলতে নিজের মধ্যেই)
🌸 মাইক্রোটিউবিউল্স: (কোষের কঙ্কাল)
❤37🔥3