পড়ার অনুরোধ রইলো❤️
আজ ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে এ বছরের মতো ডাক্তারি পড়ার এন্ট্র্যান্স পরীক্ষার সমাপ্তি ঘটলো। যারা এমবিবিএসে সরকারি ও আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজগুলোয় ভর্তির সুযোগ পেয়েছো এবং যারা ডেন্টালে সরকারি কলেজ ও ইউনিটে চান্স পাবে, তাদের অনেক অনেক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানাই। আর যারা এই অসম প্রতিযোগিতাটায় খানিকটা পিছিয়ে পড়েছো, তাদেরকে নিয়েই লেখার বাকি অংশটা। বড়ো লেখা, তাই মনোযোগ দিয়ে পড়বে।
আজকে গতবছর ডেন্টালে ৩১তম তিহামের একটা লেখা দেখে হাসলাম মনে মনে। লেখা ছিল অনেকটা এমন— মেডিকেল, ডেন্টালে চান্স না পেয়ে সাতদিন কাঁদবে আর চান্স পেলে সারাজীবন কাঁদবে।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার নিরিখে এটা যে সত্য, তা ভালোই বুঝতে পারছি। বন্ধু দলের সবচেয়ে প্রাণবন্ত মানুষটাও ম্রিয়মাণ হয়ে পড়েছে, যখন থেকে মেডিকেল তার ওপর স্টিমরোলার চালানো শুরু করেছে। আবার কিছু ব্যতিক্রমও দেখেছি, যারা উপভোগ করার চেষ্টা করছে চিকিৎসাবিদ্যার খুঁটিনাটি।
তোমরা যারা মেডিকেল, এএফএমসি, ডেন্টাল কোথাও সুবিধা করতে পারোনি বা পারবে না, তাদেরকে ভেঙে পড়তে নিষেধ করে আসলে লাভ নেই। গৎবাঁধা মোটিভেশান দিয়ে বুস্ট করা সত্যিই অর্থহীন। তাই অন্য একটা কথা বলব আজ। লেখাটা পড়ার পর নিজের ঘরে আলো নিভিয়ে বসবে কিংবা অন্ধকার কোনো জায়গায় নিরিবিলিতে বসবে। তিনবার লম্বা দম নিবে। জগতের যাবতীয় সবকিছু ভুলে গিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করবে, মেডিকেল লাইফ তোমার জন্য কি না। দিনের পর দিন নামমাত্র খানিকক্ষণ ঘুমিয়ে পরীক্ষার পড়া পড়তে আপত্তি আছে কি না। হাজারটা পারিবারিক, সামাজিক উৎসব ভুলে গিয়ে পড়ার টেবিল আঁকড়ে থাকার মানসিকতা আছে কি না। একের পর এক পরীক্ষার মাঝে থাকায় আপত্তি আছে কি না। নিজের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপণ মেনে নিতে পারবে কি না।
যদি তুমি মনের কাছে উত্তর পাও, তুমি সব মুখ বুজে মেনে নিতে পারবে, তবেই চিন্তা করবে, সেকেন্ড টাইমের জন্য প্রস্তুতি নেবে কি না। আমরা অনেক সময় আমাদের দক্ষতার দিকটা আবিষ্কার করতে ভুল করি। আল্লাহ, ঈশ্বর, ভগবান সে ভুল করেন না। তিনি জানেন, তুমি কীসে পারদর্শী। তিনি জানেন, কীসে তোমার কল্যাণ। তিনিই অবগত, কীভাবে তুমি সমাজের, রাষ্ট্রের কাজে আসবে। চিকিৎসক মানেই মানব সেবক আর বাকি পেশার মানুষ জলে ভাসা পদ্ম, এমন সংকীর্ণ মানসিকতা রাখলে চিকিৎসক হয়ে তুমি দাম্ভিক হয়ে পড়বে, ফলশ্রুতিতে তোমার দ্বারা জগতের কোনোপ্রকার কল্যাণ সাধিত হবে না।
আমাদের দেশের দৈন্যতা, আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ রাখতে পেরেছি খুব অল্প। যেমন আজই দেখো! ৫৪৫ সিটের বিপরীতে আবেদন নাকি পড়েছিল ৬৬ সহস্রাধিক!
যা বলছিলাম, তুমি যদি ভাবো, তোমার জীবনে অনেক কিছু করার আছে, অনেক কিছু দেখার আছে, তুমি স্রেফ মানবদেহের কলকব্জায় জীবন অতিবাহিত করতে চাও না, তাহলে তোমার অবশ্যই মেডিকেল কলেজকে প্রথম পছন্দে রাখা উচিত না। আমাদের সমাজের আরেকটা সমস্যা হলো, আমরা আমাদের ইচ্ছা অনিচ্ছার ভার বাবা-মায়ের ওপর অর্পিত রাখি। দেখো, জীবনটা তোমার। জীবনে হাঁটতে হবে তোমাকেই। আংকেল/আন্টি স্বপ্ন দেখতে পারেন, তোমাকেও স্বপ্ন দেখাতে পারেন, কিন্তু স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট দক্ষতাও লাগে। ইচ্ছা আর দক্ষতার মিশেলই হলো সাফল্য। বলছিলাম, আমরা ধরতে পারি না, কীসে আমাদের মঙ্গল। যে মেয়েটা বা ছেলেটা সারাদিন ঘুরে ঘুরে পৃথিবীটা দেখে, শেখে, তার কাছে মেডিকেলের আবদ্ধতায় দমবন্ধ লাগবে। নিজের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলবে। আর নিজেকে যে হারিয়ে ফেলে, সে লেখাপড়া করে ডাক্তার হোক আর ইঞ্জিনিয়ার হোক, জীবনে উন্নতি করতে পারবে না।
তোমাদের অনেকের অনেক কষ্ট হচ্ছে, আমি জানি। বাঁচতে ইচ্ছে করছে না, তা-ও অনুভব করতে পারি। আমারও এমন লেগেছিল। কিন্তু বিশ্বাস করো, এখন লাগে না। আমি এখন ভালোই টের পাচ্ছি, দ্যাট ওয়াজ নট ফর মি। আমরা স্বপ্ন দেখি, দক্ষতা দেখি না। আর আমাদের ভাগ্যবিধাতা তো সর্বদ্রষ্টা, তাই তিনি সবই দেখেন। একেবারে ভূতভবিষ্যৎ। আমি নিজের জীবনে খুব অদ্ভুতভাবে এটা লক্ষ্য করেছি। দিনরাত এক করে খেটেছিলাম মেডিকেলের জন্য। সেই মেডিকেল আর ডেন্টাল বাদে ঢাবি ক, ঢাবি ঘ, জাবি ঘ, বিইউপি— মোদ্দাকথা যেখানেই পরীক্ষা দিয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ সেখানেই টিকে গেছি। আমি কিন্তু স্বপ্ন ছুঁতে পারিনি, অথচ আল্লাহ আমাকে কত কিছু দিয়েছেন! আল্লাহ সত্যিই পরিশ্রমের মূল্য দেন, কিন্তু তোমার স্বপ্ন বাস্তব রূপ না-ও পেতে পারে, যদি তা তোমার পক্ষে অকল্যাণকর হয়। আর আমাদের অকল্যাণ আমরা বুঝি না।
নিজেকে শুধু সাহস দাও। এখনো অনেক সময় আছে। নিজের মোটিভেশান নিজেই হও। আমি সামনে আরো কিছু ব্যাপারে নির্দেশনা দিবো ইন শা আল্লাহ। জুন মাসে ঢাবির পরীক্ষা। চাপ নিও না। গুম হয়ে বসে থেকো না। প্রার্থনা করো এবং চেষ্টা জারি রাখো। খেয়াল আছে, রবার্ট ব্রুসের কথা? সেই স্কটিশ রাজা, যিনি সাতবার চেষ্টা করে রাজ্য পুনর্দখল করেছিলেন? তুমি তো স্রেফ মেডিকেলেই অসফল হয়েছো, ব্যর্থ তো হওনি!
Collected
Abdullah All Noman
Dept. of Public Administration
University of Dhaka
আজ ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে এ বছরের মতো ডাক্তারি পড়ার এন্ট্র্যান্স পরীক্ষার সমাপ্তি ঘটলো। যারা এমবিবিএসে সরকারি ও আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজগুলোয় ভর্তির সুযোগ পেয়েছো এবং যারা ডেন্টালে সরকারি কলেজ ও ইউনিটে চান্স পাবে, তাদের অনেক অনেক অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানাই। আর যারা এই অসম প্রতিযোগিতাটায় খানিকটা পিছিয়ে পড়েছো, তাদেরকে নিয়েই লেখার বাকি অংশটা। বড়ো লেখা, তাই মনোযোগ দিয়ে পড়বে।
আজকে গতবছর ডেন্টালে ৩১তম তিহামের একটা লেখা দেখে হাসলাম মনে মনে। লেখা ছিল অনেকটা এমন— মেডিকেল, ডেন্টালে চান্স না পেয়ে সাতদিন কাঁদবে আর চান্স পেলে সারাজীবন কাঁদবে।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার নিরিখে এটা যে সত্য, তা ভালোই বুঝতে পারছি। বন্ধু দলের সবচেয়ে প্রাণবন্ত মানুষটাও ম্রিয়মাণ হয়ে পড়েছে, যখন থেকে মেডিকেল তার ওপর স্টিমরোলার চালানো শুরু করেছে। আবার কিছু ব্যতিক্রমও দেখেছি, যারা উপভোগ করার চেষ্টা করছে চিকিৎসাবিদ্যার খুঁটিনাটি।
তোমরা যারা মেডিকেল, এএফএমসি, ডেন্টাল কোথাও সুবিধা করতে পারোনি বা পারবে না, তাদেরকে ভেঙে পড়তে নিষেধ করে আসলে লাভ নেই। গৎবাঁধা মোটিভেশান দিয়ে বুস্ট করা সত্যিই অর্থহীন। তাই অন্য একটা কথা বলব আজ। লেখাটা পড়ার পর নিজের ঘরে আলো নিভিয়ে বসবে কিংবা অন্ধকার কোনো জায়গায় নিরিবিলিতে বসবে। তিনবার লম্বা দম নিবে। জগতের যাবতীয় সবকিছু ভুলে গিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করবে, মেডিকেল লাইফ তোমার জন্য কি না। দিনের পর দিন নামমাত্র খানিকক্ষণ ঘুমিয়ে পরীক্ষার পড়া পড়তে আপত্তি আছে কি না। হাজারটা পারিবারিক, সামাজিক উৎসব ভুলে গিয়ে পড়ার টেবিল আঁকড়ে থাকার মানসিকতা আছে কি না। একের পর এক পরীক্ষার মাঝে থাকায় আপত্তি আছে কি না। নিজের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপণ মেনে নিতে পারবে কি না।
যদি তুমি মনের কাছে উত্তর পাও, তুমি সব মুখ বুজে মেনে নিতে পারবে, তবেই চিন্তা করবে, সেকেন্ড টাইমের জন্য প্রস্তুতি নেবে কি না। আমরা অনেক সময় আমাদের দক্ষতার দিকটা আবিষ্কার করতে ভুল করি। আল্লাহ, ঈশ্বর, ভগবান সে ভুল করেন না। তিনি জানেন, তুমি কীসে পারদর্শী। তিনি জানেন, কীসে তোমার কল্যাণ। তিনিই অবগত, কীভাবে তুমি সমাজের, রাষ্ট্রের কাজে আসবে। চিকিৎসক মানেই মানব সেবক আর বাকি পেশার মানুষ জলে ভাসা পদ্ম, এমন সংকীর্ণ মানসিকতা রাখলে চিকিৎসক হয়ে তুমি দাম্ভিক হয়ে পড়বে, ফলশ্রুতিতে তোমার দ্বারা জগতের কোনোপ্রকার কল্যাণ সাধিত হবে না।
আমাদের দেশের দৈন্যতা, আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ রাখতে পেরেছি খুব অল্প। যেমন আজই দেখো! ৫৪৫ সিটের বিপরীতে আবেদন নাকি পড়েছিল ৬৬ সহস্রাধিক!
যা বলছিলাম, তুমি যদি ভাবো, তোমার জীবনে অনেক কিছু করার আছে, অনেক কিছু দেখার আছে, তুমি স্রেফ মানবদেহের কলকব্জায় জীবন অতিবাহিত করতে চাও না, তাহলে তোমার অবশ্যই মেডিকেল কলেজকে প্রথম পছন্দে রাখা উচিত না। আমাদের সমাজের আরেকটা সমস্যা হলো, আমরা আমাদের ইচ্ছা অনিচ্ছার ভার বাবা-মায়ের ওপর অর্পিত রাখি। দেখো, জীবনটা তোমার। জীবনে হাঁটতে হবে তোমাকেই। আংকেল/আন্টি স্বপ্ন দেখতে পারেন, তোমাকেও স্বপ্ন দেখাতে পারেন, কিন্তু স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্ট দক্ষতাও লাগে। ইচ্ছা আর দক্ষতার মিশেলই হলো সাফল্য। বলছিলাম, আমরা ধরতে পারি না, কীসে আমাদের মঙ্গল। যে মেয়েটা বা ছেলেটা সারাদিন ঘুরে ঘুরে পৃথিবীটা দেখে, শেখে, তার কাছে মেডিকেলের আবদ্ধতায় দমবন্ধ লাগবে। নিজের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলবে। আর নিজেকে যে হারিয়ে ফেলে, সে লেখাপড়া করে ডাক্তার হোক আর ইঞ্জিনিয়ার হোক, জীবনে উন্নতি করতে পারবে না।
তোমাদের অনেকের অনেক কষ্ট হচ্ছে, আমি জানি। বাঁচতে ইচ্ছে করছে না, তা-ও অনুভব করতে পারি। আমারও এমন লেগেছিল। কিন্তু বিশ্বাস করো, এখন লাগে না। আমি এখন ভালোই টের পাচ্ছি, দ্যাট ওয়াজ নট ফর মি। আমরা স্বপ্ন দেখি, দক্ষতা দেখি না। আর আমাদের ভাগ্যবিধাতা তো সর্বদ্রষ্টা, তাই তিনি সবই দেখেন। একেবারে ভূতভবিষ্যৎ। আমি নিজের জীবনে খুব অদ্ভুতভাবে এটা লক্ষ্য করেছি। দিনরাত এক করে খেটেছিলাম মেডিকেলের জন্য। সেই মেডিকেল আর ডেন্টাল বাদে ঢাবি ক, ঢাবি ঘ, জাবি ঘ, বিইউপি— মোদ্দাকথা যেখানেই পরীক্ষা দিয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ সেখানেই টিকে গেছি। আমি কিন্তু স্বপ্ন ছুঁতে পারিনি, অথচ আল্লাহ আমাকে কত কিছু দিয়েছেন! আল্লাহ সত্যিই পরিশ্রমের মূল্য দেন, কিন্তু তোমার স্বপ্ন বাস্তব রূপ না-ও পেতে পারে, যদি তা তোমার পক্ষে অকল্যাণকর হয়। আর আমাদের অকল্যাণ আমরা বুঝি না।
নিজেকে শুধু সাহস দাও। এখনো অনেক সময় আছে। নিজের মোটিভেশান নিজেই হও। আমি সামনে আরো কিছু ব্যাপারে নির্দেশনা দিবো ইন শা আল্লাহ। জুন মাসে ঢাবির পরীক্ষা। চাপ নিও না। গুম হয়ে বসে থেকো না। প্রার্থনা করো এবং চেষ্টা জারি রাখো। খেয়াল আছে, রবার্ট ব্রুসের কথা? সেই স্কটিশ রাজা, যিনি সাতবার চেষ্টা করে রাজ্য পুনর্দখল করেছিলেন? তুমি তো স্রেফ মেডিকেলেই অসফল হয়েছো, ব্যর্থ তো হওনি!
Collected
Abdullah All Noman
Dept. of Public Administration
University of Dhaka
❤145🔥4😢3😱1
টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র
সংখ্যাভিত্তিক বিশ্লেষণ
বিগত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অধ্যায় হতে মোট ৯ টি প্রশ্ন এসেছে । তন্মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন এসেছে ভাস্কুলার টিস্যুতন্ত্র ( জাইলেম হতে ১ টি ও ফ্লোয়েম হতে ৩ টি ) । দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩ টি প্রশ্ন ভাস্কুলার বান্ডল হতে এসেছে । এছাড়াও টিস্যুতন্ত্রের এপিডার্মিস বা ত্বক হতে ২ টি প্রশ্ন এসেছে ।
শতকরা হিসাবভিত্তিক বিশ্লেষণে গত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অধ্যায় হতে সর্বোচ্চ ৪৪.৪৪ % প্রশ্ন ( জাইলেম হতে ১১.১১ % ও ফ্লোয়েম হতে ৩৩.৩৩ % ) এসেছে ভাস্কুলার টিস্যুতন্ত্র হতে । পাশাপাশি ভাস্কুলার বান্ডল হতে ৩৩.৩৩ % প্রশ্ন এসেছে । আর টিস্যুতন্ত্রের এপিডার্মিস বা ত্বক হতে ২২.২২ % প্রশ্ন এসেছে ।
Collected♥
সংখ্যাভিত্তিক বিশ্লেষণ
বিগত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অধ্যায় হতে মোট ৯ টি প্রশ্ন এসেছে । তন্মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন এসেছে ভাস্কুলার টিস্যুতন্ত্র ( জাইলেম হতে ১ টি ও ফ্লোয়েম হতে ৩ টি ) । দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩ টি প্রশ্ন ভাস্কুলার বান্ডল হতে এসেছে । এছাড়াও টিস্যুতন্ত্রের এপিডার্মিস বা ত্বক হতে ২ টি প্রশ্ন এসেছে ।
শতকরা হিসাবভিত্তিক বিশ্লেষণে গত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই অধ্যায় হতে সর্বোচ্চ ৪৪.৪৪ % প্রশ্ন ( জাইলেম হতে ১১.১১ % ও ফ্লোয়েম হতে ৩৩.৩৩ % ) এসেছে ভাস্কুলার টিস্যুতন্ত্র হতে । পাশাপাশি ভাস্কুলার বান্ডল হতে ৩৩.৩৩ % প্রশ্ন এসেছে । আর টিস্যুতন্ত্রের এপিডার্মিস বা ত্বক হতে ২২.২২ % প্রশ্ন এসেছে ।
Collected♥
🔥40❤23
১. উদ্ভিদের রোম অথবা ট্রাইকোম কোনটির অংশ ?
Anonymous Quiz
47%
ত্বক
25%
অধঃত্বক
17%
কর্টেক্স
11%
অন্তঃত্বক
😢12🔥8🤩3🎉1
😢6🤩6❤1🔥1
❤12😢4🔥1🤩1
৪. পাটের আঁশ কোন জাতীয় টিস্যু ?
Anonymous Quiz
8%
শীর্ষস্থ ভাজক টিস্যু
32%
সেকেন্ডারি জাইলেম টিস্যু
8%
প্রাইমারী জাইলেম টিস্যু
53%
সেকেন্ডারি ফ্লোয়েম টিস্যু
😢6🤩6❤4🔥3
🔥10😢6🤩3
৬. পরিপক্ক পর্যায়ে নিচের কোন কোষে নিউক্লিয়াস থাকে না ?
Anonymous Quiz
76%
সিভনল
6%
স্টোম্যাটাল সেল
16%
জাইলেম ফাইবার
2%
ডিপ্লোটিন ভাস্কুলার
🔥9🤩4😢3😱1
৭. কোনটিতে হ্যান্ড্রোসেন্ট্রিক ভাস্কুলার বান্ডল থাকে ?
Anonymous Quiz
64%
Pteris
28%
Dracaena
6%
Nymphaea
2%
Cynodon
😢5❤4🔥2🎉2🤩2
৮. দ্বিবীজপত্রী মূলে জাইলেম ও ফ্লোয়েম বান্ডলের সংখ্যা-
Anonymous Quiz
36%
2-6
54%
2-4
9%
2-8
1%
1-12
😢14🔥5🤩5❤1🎉1
৯. সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল পাওয়া যায়-
Anonymous Quiz
48%
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে
18%
একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে
25%
একবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে
8%
দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে
🔥6😢6🤩5🎉2
বিগত ১০ বছরে '' টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র " অধ্যায় হতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা ৯টি প্রশ্নে প্রাপ্ত নম্বর-
Anonymous Poll
20%
৯
21%
৮
17%
৭
12%
৬
11%
৫
9%
৪
5%
৩
3%
২
2%
১
❤17😢13
নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী(VVI💯💯)
সংখ্যাভিত্তিক বিশ্লেষণ👇
বিগত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় এই অধ্যায় হতে মোট ১৪ টি প্রশ্ন এসেছে । যার মধ্যে নগ্নবীজী উদ্ভিদ হতে ৫ টি ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ হতে ৯ টি প্রশ্ন এসেছে । নগ্নবীজী উদ্ভিদ হতে আসা ৫ টি প্রশ্নের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন এসেছে সাইকাস হতে এবং অপর প্রশ্নটি এসেছে নগ্নবীজী উদ্ভিদের প্রাথমিক আলোচনা হতে । আবৃতবীজী উদ্ভিদ হতে আসা ৯ টি প্রশ্নের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ টি করে প্রশ্ন এসেছে Poaceae বা ঘাস গোত্র হতে এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র পরিচিতি হতে ( Malvaceae গোত্র হতে ২ টি ও Acanthaceae গোত্র হতে ১ টি ) । দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২ টি প্রশ্ন এসেছে প্লাসেন্টেশন বা অমরাবিন্যাস হতে । অপর প্রশ্নটি এসেছে এস্টিভেশন বা পুষ্পপত্রবিন্যাস হতে ।
শতকরা হিসাবভিত্তিক বিশ্লেষণ👇
গত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় এই অধ্যায় হতে সবচেয়ে বেশি ( ২৮.৫৭ % ) প্রশ্ন এসেছে নগ্নবীজী উদ্ভিদ সাইকাস হতে । পাশাপাশি , ২১.৪৩ % করে প্রশ্ন এসেছে আবৃতবীজী উদ্ভিদের Poaceae বা ঘাস গোত্র হতে এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র পরিচিতি হতে ( Malvaceae গোত্র হতে ১৪.২৯ % ও Acanthaceae গোত্র হতে ৭.১৪ % ) । এর বাইরে আবৃতবীজী উদ্ভিদের প্লাসেন্টেশন বা অমরাবিন্যাস হতে ১৪.২৯ % প্রশ্ন এসেছে । আর ৭.১৪ % করে প্রশ্ন এসেছে নগ্নবীজী উদ্ভিদের প্রাথমিক আলোচনা হতে এবং আবৃতবীজী উদ্ভিদের এস্টিভেশন বা পুষ্পপত্রবিন্যাস হতে ।
Collected ♥️
সংখ্যাভিত্তিক বিশ্লেষণ👇
বিগত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় এই অধ্যায় হতে মোট ১৪ টি প্রশ্ন এসেছে । যার মধ্যে নগ্নবীজী উদ্ভিদ হতে ৫ টি ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ হতে ৯ টি প্রশ্ন এসেছে । নগ্নবীজী উদ্ভিদ হতে আসা ৫ টি প্রশ্নের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন এসেছে সাইকাস হতে এবং অপর প্রশ্নটি এসেছে নগ্নবীজী উদ্ভিদের প্রাথমিক আলোচনা হতে । আবৃতবীজী উদ্ভিদ হতে আসা ৯ টি প্রশ্নের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩ টি করে প্রশ্ন এসেছে Poaceae বা ঘাস গোত্র হতে এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র পরিচিতি হতে ( Malvaceae গোত্র হতে ২ টি ও Acanthaceae গোত্র হতে ১ টি ) । দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২ টি প্রশ্ন এসেছে প্লাসেন্টেশন বা অমরাবিন্যাস হতে । অপর প্রশ্নটি এসেছে এস্টিভেশন বা পুষ্পপত্রবিন্যাস হতে ।
শতকরা হিসাবভিত্তিক বিশ্লেষণ👇
গত ১০ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় এই অধ্যায় হতে সবচেয়ে বেশি ( ২৮.৫৭ % ) প্রশ্ন এসেছে নগ্নবীজী উদ্ভিদ সাইকাস হতে । পাশাপাশি , ২১.৪৩ % করে প্রশ্ন এসেছে আবৃতবীজী উদ্ভিদের Poaceae বা ঘাস গোত্র হতে এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের গোত্র পরিচিতি হতে ( Malvaceae গোত্র হতে ১৪.২৯ % ও Acanthaceae গোত্র হতে ৭.১৪ % ) । এর বাইরে আবৃতবীজী উদ্ভিদের প্লাসেন্টেশন বা অমরাবিন্যাস হতে ১৪.২৯ % প্রশ্ন এসেছে । আর ৭.১৪ % করে প্রশ্ন এসেছে নগ্নবীজী উদ্ভিদের প্রাথমিক আলোচনা হতে এবং আবৃতবীজী উদ্ভিদের এস্টিভেশন বা পুষ্পপত্রবিন্যাস হতে ।
Collected ♥️
❤37🔥4
০১. ' Enquiry into plants ' বইটি রচনা করেন-
Anonymous Quiz
22%
Carolus Linnaeus
10%
Charles Darwin
14%
Gregor Johann Mendel
54%
Theophrastus
😢15🔥8🤩4❤2🎉1
❤7🔥5🤩4😢1
০৩. নিম্নের কোন সপুষ্পক উদ্ভিদটিতে আর্কিগোনিয়াম পাওয়া যায় ?
Anonymous Quiz
4%
Artocarpus
7%
Hibiscus
87%
Cycas
2%
Ficus
🔥5❤4🤩4😢1🎉1
🔥6🤩4🎉2
🔥5❤4🤩4🎉1
০৬. নিচের কোনটিতে ইমব্রিকেট পুষ্পপত্রবিন্যাস থাকে ?
Anonymous Quiz
45%
Cassia sophera
24%
Brassica napus
13%
Lablab purpureus
18%
Pisum sativum
😢16🔥10
০৭. কোনটিতে গাত্রীয় অমরাবিন্যাস পাওয়া যায় ?
Anonymous Quiz
23%
Oryza sativa
59%
Nelumbo nucifera
14%
Helianthus annuus
3%
Portulaca oleracea
🔥10😢9🤩4
০৮.Cucumis sativus এর প্লাসেন্টেশন কোন প্রকৃতির ?
Anonymous Quiz
14%
বেসাল
17%
শীর্ষক
23%
একপ্রান্তীয়
46%
প্যারাইটাল
😢15🔥5🤩4