Forwarded from Yeakub
54. নিচের কোন প্রস্বেদনের ফলে উদ্ভিদের মৃত্যুও ঘটতে পারে?
Anonymous Quiz
53%
পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন
22%
ত্বকীয় প্রস্বেদন
19%
লেন্টিকুলার প্রস্বেদন
6%
কোনটিই নয়
😱18🔥15❤4
Forwarded from Yeakub
55. পত্রত্বকের কিউটিকলের মাধ্যমে শতকরা কতভাগ প্রস্বেদন সংঘটিত হয়?
Anonymous Quiz
27%
95-98
24%
1-2
47%
2-5
2%
3-7
🔥10😢4🤩2🎉1
🔹প্রস্বেদন (Transpiration):
🔹যে শারীরতাত্ত্বিক (Physiological) প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ (সাধারণত পাতা) হতে অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।
🔹পাতাই উদ্ভিদের প্রধান প্রস্বেদন অঙ্গ।
🔹গড় হিসেবে শোষিত পানির মাত্র ১% দেহে অবস্থান করে ও কাজে লাগে, বাকি ৯৯% পানি দেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়।
🔹বিজ্ঞানী কার্টিস (Curtis) প্রস্বেদনকে 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' (Necessary evil) বলেছেন।
🔹গ্যানং পটোমিটার এর সাহায্যে প্রস্বেদন হার নির্ণয় করা যায়।
🔹প্রস্বেদনকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
🔹01.পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration): পানি বাষ্পাকারে পত্ররন্ধ্র পথে বেরিয়ে বাতাসের সাথে মিশে যাওয়াকে পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন বলে।
🔹পাতায় এবং কচি কান্ডে অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকে (ফুলের বৃতি, পাপড়িতেও পত্ররন্ধ্র থাকে।
🔹শতকরা ৯৫-৯৮ ভাগ প্রস্বেদন এ প্রক্রিয়ার হয়ে থাকে।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকলে প্রস্বেদন বন্ধ থাকে।
🔹এ ধরণের প্রস্বেদন রক্ষীকোষ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।
🔹অধিকাংশ উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র সকাল ১০-১১টা এবং বিকাল ২-৩টায় পূর্ণ খোলা থাকে, অন্যান্য সময় আংশিক খোলা থাকে এবং রাত্রিতে বন্ধ থাকে।
🔹02. ত্বকীয় প্রস্বেদন (Cuticular transpiration): ত্বকের কিউটিকল ভেদ করে সংঘটিত প্রস্বেদনকে ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে।
🔹প্রস্বেদনের হার ২-৫% বা আরো কম।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকলেও প্রস্বেদন চলতে পারে।
🔹এতে রক্ষীকোষের কোনো ভূমিকা নেই।
🔹03. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration): পানি যখন বাষ্পাকারে লেন্টিসেল পথে বেরিয়ে যায়, তখন তাকে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলে।
🔹উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধির ফলে অনেক সময় কান্ডের কর্ক টিস্যুর স্থানে স্থানে ফেটে গিয়ে লেন্টিসেল সৃষ্টি হয়।
🔹প্রায় ১% লেন্টিকুলার প্রস্বেদনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
🔹যে শারীরতাত্ত্বিক (Physiological) প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের বায়বীয় অঙ্গ (সাধারণত পাতা) হতে অতিরিক্ত পানি বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়, তাকে প্রস্বেদন বা বাষ্পমোচন বলে।
🔹পাতাই উদ্ভিদের প্রধান প্রস্বেদন অঙ্গ।
🔹গড় হিসেবে শোষিত পানির মাত্র ১% দেহে অবস্থান করে ও কাজে লাগে, বাকি ৯৯% পানি দেহ থেকে বাষ্পাকারে বের হয়ে যায়।
🔹বিজ্ঞানী কার্টিস (Curtis) প্রস্বেদনকে 'প্রয়োজনীয় অমঙ্গল' (Necessary evil) বলেছেন।
🔹গ্যানং পটোমিটার এর সাহায্যে প্রস্বেদন হার নির্ণয় করা যায়।
🔹প্রস্বেদনকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
🔹01.পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন (Stomatal transpiration): পানি বাষ্পাকারে পত্ররন্ধ্র পথে বেরিয়ে বাতাসের সাথে মিশে যাওয়াকে পত্ররন্ধ্রীয় প্রস্বেদন বলে।
🔹পাতায় এবং কচি কান্ডে অসংখ্য পত্ররন্ধ্র থাকে (ফুলের বৃতি, পাপড়িতেও পত্ররন্ধ্র থাকে।
🔹শতকরা ৯৫-৯৮ ভাগ প্রস্বেদন এ প্রক্রিয়ার হয়ে থাকে।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকলে প্রস্বেদন বন্ধ থাকে।
🔹এ ধরণের প্রস্বেদন রক্ষীকোষ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত।
🔹অধিকাংশ উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র সকাল ১০-১১টা এবং বিকাল ২-৩টায় পূর্ণ খোলা থাকে, অন্যান্য সময় আংশিক খোলা থাকে এবং রাত্রিতে বন্ধ থাকে।
🔹02. ত্বকীয় প্রস্বেদন (Cuticular transpiration): ত্বকের কিউটিকল ভেদ করে সংঘটিত প্রস্বেদনকে ত্বকীয় বা কিউটিকুলার প্রস্বেদন বলে।
🔹প্রস্বেদনের হার ২-৫% বা আরো কম।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ থাকলেও প্রস্বেদন চলতে পারে।
🔹এতে রক্ষীকোষের কোনো ভূমিকা নেই।
🔹03. লেন্টিকুলার প্রস্বেদন (Lenticular transpiration): পানি যখন বাষ্পাকারে লেন্টিসেল পথে বেরিয়ে যায়, তখন তাকে লেন্টিকুলার প্রস্বেদন বলে।
🔹উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধির ফলে অনেক সময় কান্ডের কর্ক টিস্যুর স্থানে স্থানে ফেটে গিয়ে লেন্টিসেল সৃষ্টি হয়।
🔹প্রায় ১% লেন্টিকুলার প্রস্বেদনের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
❤36🔥4🎉1🤩1
Forwarded from Yeakub
56. পাতার প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার এলাকায় কতটি পত্ররন্ধ্র থাকতে পারে?
Anonymous Quiz
2%
100-6000
88%
1000-60000
6%
100-60000
4%
2000-60000
❤12😢3🎉2🤩2🔥1
Forwarded from Yeakub
57. রক্ষীকোষের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
Anonymous Quiz
13%
একটি সুস্পষ্ট নিউক্লিয়াস
9%
ঘন সাইটোপ্লাজম
6%
অর্ধচন্দ্রাকৃতির
72%
খাদ্য তৈরি করে না
🔥6❤3🎉1
Forwarded from Yeakub
58. স্টোম্যাটার নিচে কোনটি থাকে?
Anonymous Quiz
9%
সহকারী কোষ
25%
রক্ষীকোষ
59%
বায়ুকুঠুরি
7%
হাইডাথোড
❤15😢5🤩2🔥1
Forwarded from Yeakub
59. নিম্নের কোনটিতে পত্ররন্ধ্র অংশগ্রহণ করে না?
Anonymous Quiz
11%
Respiration
10%
Photosynthesis
14%
Transpiration
65%
Imbibition
❤6🤩3🎉1
Forwarded from Yeakub
60. অধিকাংশ উদ্ভিদের পত্ররন্ধ্র -
Anonymous Quiz
89%
সকাল ১০-১১ টায় পূর্ণ খোলা থাকে
6%
বিকাল ২-৫ টায় পূর্ণ খোলা থাকে
2%
অন্যান্য সময়ও পূর্ণ খোলা থাকে
2%
রাত্রিতে আংশিক খোলা থাকে
❤8🤩6😢1🎉1
Forwarded from Yeakub
61. লুক্কায়িত পত্ররন্ধ্র প্রস্বেদনের হার-
Anonymous Quiz
56%
হ্রাস করে
37%
বৃদ্ধি করে
6%
স্বাভাবিক রাখে
0%
কোনটিই নয়
❤9😱2🔥1
Forwarded from Yeakub
62. সালোকসংশ্লেষণের অন্ধকার বিক্রিয়া কোথায় ঘটে?
Anonymous Quiz
30%
থাইলাকয়েড
55%
স্ট্রোমা
11%
স্টোম্যাটা
3%
হাইডাথোড
❤10😢8🔥3🎉1
Forwarded from Yeakub
63. রক্ষীকোষের স্ফীতি অবস্থা কোনটি দ্বারা প্রভাবিত হয় না?
Anonymous Quiz
10%
আলো
13%
তাপমাত্রা
35%
জলীয় বাষ্প
43%
চাপ
❤13😢11🤩3🔥1
Forwarded from Yeakub
64. রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তনই পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ। কোন বিজ্ঞানীর মতে?
Anonymous Quiz
48%
H. Von Mohl
20%
F. E. Loyd
17%
Sayre
16%
S. Imamura
😢11🔥8🤩4
Forwarded from Yeakub
65. রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তন স্টার্চ-শ্যুগার পারস্পরিক পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল। কার মতে?
Anonymous Quiz
25%
Sayre
17%
S. Imamura
50%
F. E. Loyd
8%
H. Von Mohl
❤10😢3🔥1😱1🤩1
Forwarded from Yeakub
66. কোন বিজ্ঞানীর মতে, শ্বেতসার ও চিনির আন্তঃপরিবর্তন কোষরসের pH এর জন্য ঘটে থাকে?
Anonymous Quiz
20%
S. Imamura
11%
H. Von Mohl
12%
F. E. Loyd
56%
Sayre
🔥8❤1🎉1
🔹পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়া নিয়ে তিনজন বিজ্ঞানী তিনভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
🔹আমরা জানি, রাতে বেলা সূর্যালোক না থাকায় সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু শ্বসন চলতে থাকে বিধায় CO2 বেশি উৎপন্ন হয়। [শ্বসনের বিক্রিয়াটি দেখো]
🔹আর দিনের বেলায় CO2 সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়ে যায় বিধায় কার্বন ডাই-অক্সাইড কম থাকে।
🔹পত্ররন্ধ্র খোলাঃ দিনের বেলায় CO2 কম থাকে যার ফলে CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে যে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে তা কম। এতে pH বেড়ে যায়। (কারণ আমরা জানি pH=-log[H+])। pH বেড়ে গেলে অদ্রবনীয় শ্বেতসার চিনিতে রুপান্তরিত হয় আর আমরা জানি চিনি পানিতে দ্রবনীয় এখন রক্ষীকোষে অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি প্রবেশ করবে ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি হবে যার ফলে পত্ররন্ধ্র খোলে যাবে দিনের বেলায়।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়াঃ রাত্রিতে CO2 বেশি থাকে যার ফলে CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে যে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে তা বেশি। এতে pH কমে যায়। (কারণ আমরা জানি pH=-log[H+])। pH কমে গেলে কোষস্থ দ্রবনীয় চিনি অদ্রবনীয় শ্বেতসারে পরিণত হয় আর আমরা জানি শ্বেতসার পানিতে অদ্রবনীয় এখন রক্ষীকোষে বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি বের হয়ে যায় ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি কমে যায় যার ফলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায় রাতের বেলায়।
🔹H. Von Mohl এর মতে, রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তনই পত্ররন্ধ্র খোলা বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ।
🔹F. E. Loyd এর মতে, রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তন স্টার্চ-শ্যুগার পারস্পরিক পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল। এটি স্টার্চ-শ্যুগার মতবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
🔹Sayre এর মতে, শ্বেতসার ও চিনির আন্তঃপরিবর্তন কোষরসের pH এর জন্য ঘটে থাকে।
🔹আমরা জানি, রাতে বেলা সূর্যালোক না থাকায় সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু শ্বসন চলতে থাকে বিধায় CO2 বেশি উৎপন্ন হয়। [শ্বসনের বিক্রিয়াটি দেখো]
🔹আর দিনের বেলায় CO2 সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়ে যায় বিধায় কার্বন ডাই-অক্সাইড কম থাকে।
🔹পত্ররন্ধ্র খোলাঃ দিনের বেলায় CO2 কম থাকে যার ফলে CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে যে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে তা কম। এতে pH বেড়ে যায়। (কারণ আমরা জানি pH=-log[H+])। pH বেড়ে গেলে অদ্রবনীয় শ্বেতসার চিনিতে রুপান্তরিত হয় আর আমরা জানি চিনি পানিতে দ্রবনীয় এখন রক্ষীকোষে অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি প্রবেশ করবে ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি হবে যার ফলে পত্ররন্ধ্র খোলে যাবে দিনের বেলায়।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়াঃ রাত্রিতে CO2 বেশি থাকে যার ফলে CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে যে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে তা বেশি। এতে pH কমে যায়। (কারণ আমরা জানি pH=-log[H+])। pH কমে গেলে কোষস্থ দ্রবনীয় চিনি অদ্রবনীয় শ্বেতসারে পরিণত হয় আর আমরা জানি শ্বেতসার পানিতে অদ্রবনীয় এখন রক্ষীকোষে বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি বের হয়ে যায় ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি কমে যায় যার ফলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায় রাতের বেলায়।
🔹H. Von Mohl এর মতে, রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তনই পত্ররন্ধ্র খোলা বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ।
🔹F. E. Loyd এর মতে, রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তন স্টার্চ-শ্যুগার পারস্পরিক পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল। এটি স্টার্চ-শ্যুগার মতবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
🔹Sayre এর মতে, শ্বেতসার ও চিনির আন্তঃপরিবর্তন কোষরসের pH এর জন্য ঘটে থাকে।
❤37🤩2🔥1
Forwarded from Yeakub
😢12❤10🤩2🔥1
🔹পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়া নিয়ে আধুনিক মতবাদ বা প্রোটন প্রবাহ মতবাদঃ গবেষণায় রক্ষীকোষে পটাশিয়াম আয়নের (K+) প্রবেশকে রক্ষীকোষের স্ফীতির মূল কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়। [S. Imamura (1943)]। ব্যাখ্যাঃ
🔹পত্ররন্ধ্র খোলাঃ (দিনে)
(i) আলোর নীল অংশের প্রভাবে বা CO2 এর পরিমাণ কমে গেলে রক্ষীকোষে পটাশিয়াম আয়ন (K+) বেড়ে যায় এর ফলে অন্তঃঅভিস্রবণও বেডে যায় যার ফলে রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করে স্ফীত হয় ফলে পত্ররন্ধ্র খোলে যায়।
(ii) রক্ষীকোষ থেকে সক্রিয়ভাবে H+ বের হয়ে গেলেও পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়াঃ (রাতে)
(i) আলোর অভাবে বা পানির পরিমাণ কমে গিয়ে অ্যাবসিসিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে পটাশিয়াম আয়ন (K+) কমে যায় যার ফলে বহিঃঅভিস্রবণও বেড়ে যায় ফলে রক্ষীকোষ থেকে পানি বেরিয়ে গিয়ে স্ফীতি কমে যায় এতে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
(ii) উচ্চ তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষণ কমে যায় যার ফলে শ্বসন বেড়ে যায় এতে CO2 বেড়ে যায়। পরিণামে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
🔹পত্ররন্ধ্র খোলাঃ (দিনে)
(i) আলোর নীল অংশের প্রভাবে বা CO2 এর পরিমাণ কমে গেলে রক্ষীকোষে পটাশিয়াম আয়ন (K+) বেড়ে যায় এর ফলে অন্তঃঅভিস্রবণও বেডে যায় যার ফলে রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করে স্ফীত হয় ফলে পত্ররন্ধ্র খোলে যায়।
(ii) রক্ষীকোষ থেকে সক্রিয়ভাবে H+ বের হয়ে গেলেও পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়াঃ (রাতে)
(i) আলোর অভাবে বা পানির পরিমাণ কমে গিয়ে অ্যাবসিসিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে পটাশিয়াম আয়ন (K+) কমে যায় যার ফলে বহিঃঅভিস্রবণও বেড়ে যায় ফলে রক্ষীকোষ থেকে পানি বেরিয়ে গিয়ে স্ফীতি কমে যায় এতে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
(ii) উচ্চ তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষণ কমে যায় যার ফলে শ্বসন বেড়ে যায় এতে CO2 বেড়ে যায়। পরিণামে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
❤19🔥10🤩1
Forwarded from Yeakub
68. গবেষণায় রক্ষীকোষে কোন আয়নের প্রবেশকে রক্ষীকোষের স্ফীতির মূল কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়?
Anonymous Quiz
9%
H+
4%
Na+
10%
Mg++
77%
K+
🔥8❤5🎉1🤩1
Forwarded from Yeakub
69. রক্ষীকোষ থেকে সক্রিয়ভাবে কোন আয়ন বের হয়ে গেলে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়?
Anonymous Quiz
52%
K+
38%
H+
5%
Na+
5%
Mg++
🔥17❤4🎉1