🔹পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়া নিয়ে তিনজন বিজ্ঞানী তিনভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
🔹আমরা জানি, রাতে বেলা সূর্যালোক না থাকায় সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু শ্বসন চলতে থাকে বিধায় CO2 বেশি উৎপন্ন হয়। [শ্বসনের বিক্রিয়াটি দেখো]
🔹আর দিনের বেলায় CO2 সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়ে যায় বিধায় কার্বন ডাই-অক্সাইড কম থাকে।
🔹পত্ররন্ধ্র খোলাঃ দিনের বেলায় CO2 কম থাকে যার ফলে CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে যে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে তা কম। এতে pH বেড়ে যায়। (কারণ আমরা জানি pH=-log[H+])। pH বেড়ে গেলে অদ্রবনীয় শ্বেতসার চিনিতে রুপান্তরিত হয় আর আমরা জানি চিনি পানিতে দ্রবনীয় এখন রক্ষীকোষে অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি প্রবেশ করবে ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি হবে যার ফলে পত্ররন্ধ্র খোলে যাবে দিনের বেলায়।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়াঃ রাত্রিতে CO2 বেশি থাকে যার ফলে CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে যে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে তা বেশি। এতে pH কমে যায়। (কারণ আমরা জানি pH=-log[H+])। pH কমে গেলে কোষস্থ দ্রবনীয় চিনি অদ্রবনীয় শ্বেতসারে পরিণত হয় আর আমরা জানি শ্বেতসার পানিতে অদ্রবনীয় এখন রক্ষীকোষে বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি বের হয়ে যায় ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি কমে যায় যার ফলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায় রাতের বেলায়।
🔹H. Von Mohl এর মতে, রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তনই পত্ররন্ধ্র খোলা বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ।
🔹F. E. Loyd এর মতে, রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তন স্টার্চ-শ্যুগার পারস্পরিক পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল। এটি স্টার্চ-শ্যুগার মতবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
🔹Sayre এর মতে, শ্বেতসার ও চিনির আন্তঃপরিবর্তন কোষরসের pH এর জন্য ঘটে থাকে।
🔹আমরা জানি, রাতে বেলা সূর্যালোক না থাকায় সালোকসংশ্লেষণ বন্ধ হয়ে যায় কিন্তু শ্বসন চলতে থাকে বিধায় CO2 বেশি উৎপন্ন হয়। [শ্বসনের বিক্রিয়াটি দেখো]
🔹আর দিনের বেলায় CO2 সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়ে যায় বিধায় কার্বন ডাই-অক্সাইড কম থাকে।
🔹পত্ররন্ধ্র খোলাঃ দিনের বেলায় CO2 কম থাকে যার ফলে CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে যে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে তা কম। এতে pH বেড়ে যায়। (কারণ আমরা জানি pH=-log[H+])। pH বেড়ে গেলে অদ্রবনীয় শ্বেতসার চিনিতে রুপান্তরিত হয় আর আমরা জানি চিনি পানিতে দ্রবনীয় এখন রক্ষীকোষে অন্তঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি প্রবেশ করবে ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি হবে যার ফলে পত্ররন্ধ্র খোলে যাবে দিনের বেলায়।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়াঃ রাত্রিতে CO2 বেশি থাকে যার ফলে CO2 পানির সাথে বিক্রিয়া করে যে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে তা বেশি। এতে pH কমে যায়। (কারণ আমরা জানি pH=-log[H+])। pH কমে গেলে কোষস্থ দ্রবনীয় চিনি অদ্রবনীয় শ্বেতসারে পরিণত হয় আর আমরা জানি শ্বেতসার পানিতে অদ্রবনীয় এখন রক্ষীকোষে বহিঃঅভিস্রবণ প্রক্রিয়ায় পানি বের হয়ে যায় ফলে রক্ষীকোষ স্ফীতি কমে যায় যার ফলে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায় রাতের বেলায়।
🔹H. Von Mohl এর মতে, রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তনই পত্ররন্ধ্র খোলা বন্ধ হওয়ার প্রধান কারণ।
🔹F. E. Loyd এর মতে, রক্ষীকোষের স্ফীতির পরিবর্তন স্টার্চ-শ্যুগার পারস্পরিক পরিবর্তনের উপর নির্ভরশীল। এটি স্টার্চ-শ্যুগার মতবাদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।
🔹Sayre এর মতে, শ্বেতসার ও চিনির আন্তঃপরিবর্তন কোষরসের pH এর জন্য ঘটে থাকে।
❤37🤩2🔥1
Forwarded from Yeakub
😢12❤10🤩2🔥1
🔹পত্ররন্ধ্র খোলা এবং বন্ধ হওয়া নিয়ে আধুনিক মতবাদ বা প্রোটন প্রবাহ মতবাদঃ গবেষণায় রক্ষীকোষে পটাশিয়াম আয়নের (K+) প্রবেশকে রক্ষীকোষের স্ফীতির মূল কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়। [S. Imamura (1943)]। ব্যাখ্যাঃ
🔹পত্ররন্ধ্র খোলাঃ (দিনে)
(i) আলোর নীল অংশের প্রভাবে বা CO2 এর পরিমাণ কমে গেলে রক্ষীকোষে পটাশিয়াম আয়ন (K+) বেড়ে যায় এর ফলে অন্তঃঅভিস্রবণও বেডে যায় যার ফলে রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করে স্ফীত হয় ফলে পত্ররন্ধ্র খোলে যায়।
(ii) রক্ষীকোষ থেকে সক্রিয়ভাবে H+ বের হয়ে গেলেও পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়াঃ (রাতে)
(i) আলোর অভাবে বা পানির পরিমাণ কমে গিয়ে অ্যাবসিসিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে পটাশিয়াম আয়ন (K+) কমে যায় যার ফলে বহিঃঅভিস্রবণও বেড়ে যায় ফলে রক্ষীকোষ থেকে পানি বেরিয়ে গিয়ে স্ফীতি কমে যায় এতে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
(ii) উচ্চ তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষণ কমে যায় যার ফলে শ্বসন বেড়ে যায় এতে CO2 বেড়ে যায়। পরিণামে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
🔹পত্ররন্ধ্র খোলাঃ (দিনে)
(i) আলোর নীল অংশের প্রভাবে বা CO2 এর পরিমাণ কমে গেলে রক্ষীকোষে পটাশিয়াম আয়ন (K+) বেড়ে যায় এর ফলে অন্তঃঅভিস্রবণও বেডে যায় যার ফলে রক্ষীকোষে পানি প্রবেশ করে স্ফীত হয় ফলে পত্ররন্ধ্র খোলে যায়।
(ii) রক্ষীকোষ থেকে সক্রিয়ভাবে H+ বের হয়ে গেলেও পত্ররন্ধ্র খুলে যায়।
🔹পত্ররন্ধ্র বন্ধ হওয়াঃ (রাতে)
(i) আলোর অভাবে বা পানির পরিমাণ কমে গিয়ে অ্যাবসিসিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে পটাশিয়াম আয়ন (K+) কমে যায় যার ফলে বহিঃঅভিস্রবণও বেড়ে যায় ফলে রক্ষীকোষ থেকে পানি বেরিয়ে গিয়ে স্ফীতি কমে যায় এতে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
(ii) উচ্চ তাপমাত্রায় সালোকসংশ্লেষণ কমে যায় যার ফলে শ্বসন বেড়ে যায় এতে CO2 বেড়ে যায়। পরিণামে পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়।
❤19🔥10🤩1
Forwarded from Yeakub
68. গবেষণায় রক্ষীকোষে কোন আয়নের প্রবেশকে রক্ষীকোষের স্ফীতির মূল কারণ হিসেবে প্রমাণিত হয়?
Anonymous Quiz
9%
H+
4%
Na+
10%
Mg++
77%
K+
🔥8❤5🎉1🤩1
Forwarded from Yeakub
69. রক্ষীকোষ থেকে সক্রিয়ভাবে কোন আয়ন বের হয়ে গেলে পত্ররন্ধ্র খুলে যায়?
Anonymous Quiz
52%
K+
38%
H+
5%
Na+
5%
Mg++
🔥17❤4🎉1
Forwarded from Yeakub
70. মেসোফিল কোষে পানির অভাব দেখা দিলে সেখানে কোন এসিড তৈরি হয়?
Anonymous Quiz
6%
কার্বনিক এসিড
7%
কার্বক্সিলিক এসিড
85%
অ্যাবসিসিক এসিড
2%
সালফিউরিক এসিড
❤5🤩3🔥2🎉1
Forwarded from Yeakub
71. মেসোফিল কোষে কিসের অভাব দেখা দিলে সেখানে অ্যাবসিসিক অ্যাসিড তৈরি হয়?
Anonymous Quiz
9%
CO2
78%
H2O
10%
K
2%
H2
🤩16❤2🔥2😢2😱1
Forwarded from Yeakub
72. কোন কোষে পানির অভাব দেখা দিলে সেখানে অ্যাবসিসিক অ্যাসিড তৈরি হয়?
Anonymous Quiz
8%
Bundle Sheath cell
10%
Muscle cell
82%
Mesophyll cell
0%
Blood cell
🤩13❤6😱4
Forwarded from Yeakub
73. পত্ররন্ধ্র খোলা বা বন্ধ হওয়ার ব্যাখ্যার আধুনিক মতবাদ কোনটি?
Anonymous Quiz
13%
H. Von Mohl এর মতবাদ
9%
F. E. Loyd এর মতবাদ
18%
Sayre এর মতবাদ
60%
প্রোটন প্রবাহ মতবাদ
❤15😱8🤩4🔥1
Forwarded from Yeakub
74. রক্ষীকোষের স্ফীতির কারণে পত্ররন্ধ্র খুলে গেলে সঞ্চিত বাষ্প কোন প্রক্রিয়ায় বায়ুমন্ডলে ছড়িয়ে পড়ে?
Anonymous Quiz
56%
Diffusion
13%
Imbibition
17%
Osmosis
13%
Evaporation
❤6🤩5🔥1
Forwarded from Yeakub
🔥7❤2🎉1🤩1
Forwarded from Yeakub
76. আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম হলে প্রস্বেদনের হার-
Anonymous Quiz
12%
কমে যায়
87%
বেড়ে যায়
1%
স্বাভাবিক থাকে
0%
কোনটিই নয়
❤8🎉2🔥1
Forwarded from Yeakub
77. আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেড়ে গেলে প্রস্বেদনের হার-
Anonymous Quiz
87%
হ্রাস পায়
10%
বৃদ্ধি পায়
2%
অপরিবর্তিত থাকে
1%
কোনটিই নয়
🤩4❤3🔥2🎉1
Forwarded from Yeakub
78. আবহমন্ডলের চাপ বেড়ে গেলে প্রস্বেদনের হার-
Anonymous Quiz
27%
বেড়ে যায়
65%
কমে যায়
6%
স্বাভাবিক থাকে
2%
কোনটিই নয়
❤5🔥2😱2🤩2😢1🎉1
Forwarded from Yeakub
79. আবহমন্ডলের চাপ কমে গেলে প্রস্বেদনের হার-
Anonymous Quiz
8%
কমে যায়
91%
বেড়ে যায়
1%
স্বাভাবিক থাকে
0%
কোনটিই নয়
❤6🔥2🎉1
Forwarded from Yeakub
80. কোনটি প্রস্বেদনের বাহ্যিক প্রভাবক?
Anonymous Quiz
9%
জীবনী শক্তি
15%
মূল বিটপ অনুপাত
48%
মাটিস্থ পানি
27%
পাতার সংখ্যা
🔥4❤2😱2😢1
Forwarded from Yeakub
81. প্রস্বেদনের হারকে নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?
Anonymous Quiz
11%
পত্ররন্ধ্রের সংখ্যা
3%
রন্ধ্রের পরিমাণ
8%
রক্ষীকোষের গঠন
77%
সবগুলোই
🤩7❤5🔥4😱1🎉1
🔹পাতার গঠনঃ
🔹পাতায় পাতলা কিউটিকল, পাতলা কোষ প্রাচীর, অধিক স্পঞ্জি টিস্যু ও উন্মুক্ত পত্ররন্ধ্র থাকলে প্রস্বেদন তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।
🔹পাতায় পুরু কিউটিকল, অধিক প্যালিসেড প্যারেনকাইমা এবং পত্ররন্ধ্র গর্ভস্থিত থাকলে প্রস্বেদনের হার কমে যায়।
🔹পাতার গায়ে পত্ররন্ধ্রের সংখ্যা, রন্ধ্রের পরিমাণ এবং রক্ষীকোষের গঠন প্রভৃতি প্রস্বেদনের হারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
🔹পাতায় পাতলা কিউটিকল, পাতলা কোষ প্রাচীর, অধিক স্পঞ্জি টিস্যু ও উন্মুক্ত পত্ররন্ধ্র থাকলে প্রস্বেদন তুলনামূলকভাবে বেশি হয়।
🔹পাতায় পুরু কিউটিকল, অধিক প্যালিসেড প্যারেনকাইমা এবং পত্ররন্ধ্র গর্ভস্থিত থাকলে প্রস্বেদনের হার কমে যায়।
🔹পাতার গায়ে পত্ররন্ধ্রের সংখ্যা, রন্ধ্রের পরিমাণ এবং রক্ষীকোষের গঠন প্রভৃতি প্রস্বেদনের হারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
❤28🔥4🤩1
Forwarded from Yeakub
82. কোনটির উপস্থিতিতে প্রস্বেদনের হার বেড়ে যায়?
Anonymous Quiz
6%
পুরু কিউটিকল
44%
অধিক প্যালিসেড প্যারেনকাইমা
6%
গর্ভস্থিত পত্ররন্ধ্র
44%
উন্মুক্ত পত্ররন্ধ্র
😢13🤩9😱3❤2🔥1
Forwarded from Yeakub
83. নিচের কোনটির কারণে গাছ নিস্তেজ হয়ে পড়ে?
Anonymous Quiz
2%
ব্যাপন
7%
অভিস্রবণ
10%
বাষ্পীভবন
81%
প্রস্বেদন
🤩8🔥6😢6❤1😱1🎉1