কোনো বাড়ির মেইন মিটারে 10A-220V চিহ্নিত করা আছে। কতগুলো ১০০ ওয়াটের বাতি নিরাপত্তার সঙ্গে পূর্ণ শক্তিতে ঐ বাড়িতে ব্যবহার করা যাবে?
Anonymous Quiz
3%
১৮টি
12%
২০টি
82%
২২টি
2%
২৪টি
❤6
5 ohm রোধকের মধ্য দিয়ে প্রতি মিনিটে 720C চার্জ প্রবাহিত হলে রোধকের প্রান্তদ্বয়ের বিভব পার্থক্য কত হবে?
Anonymous Quiz
4%
6V
16%
12V
16%
48V
64%
60V
🥰9😱3🔥1
90 ohm রোধের একটি গ্যালভানোমিটারের সাথে 10 ohm রোধের একটি সান্ট ব্যবহার করলে মূল প্রবাহের শতকরা কত অংশ গ্যালভানোমিটারের মধ্য দিয়ে প্রবেশ করবে?
Anonymous Quiz
3%
20%
78%
10%
15%
30%
3%
15%
🥰6❤2
একটি বৈদ্যুতিক বাল্বের গায়ে “40W-220V” লিখা আছে। বাল্বটির রোধ কত ওহম?
Anonymous Quiz
4%
20
4%
15
10%
25
60%
1210
3%
30
19%
উত্তর নেই💁♂️💁♀️
🥰4❤1🔥1
কোনো বাড়ির মেইন মিটারে 10A-220V চিহ্নিত করা আছে। নিচের কোনটি নিরাপদ?
Anonymous Quiz
15%
20 টি 100watt & 4টি 60W
10%
23টি 100watt
64%
15টি 100 watt & 10টি 60W
11%
18টি 100 watt & 7টি 60W
❤6🔥3😢3
প্রতি KWH 2tk হলে একটি 2KW হিটার 10 ঘন্টা চালালে খরচ হবে-
Anonymous Quiz
5%
10tk
11%
5tk
80%
40tk
4%
50tk
🥰5
দুটি বিভিন্ন পদার্থের ধাতব তারের দৈর্ঘ্য একই এবং রোধও একই। তার ২টির ব্যাসার্ধের অনুপাত ২ঃ১ হলে তার ২টি আপেক্ষিক রোধের অনুপাত-
Anonymous Quiz
17%
১ঃ৪
49%
৪ঃ১
15%
১ঃ১
19%
কোনোটিই নয়
❤6
220V, 40W & 110V, 40W লেখা দুটি ইলেক্ট্রিক বাল্বের রোধের অনুপাত-
Anonymous Quiz
8%
১ঃ২
12%
১ঃ৪
35%
২ঃ১
44%
৪ঃ১
1%
৩ঃ১
🥰6🤔4
কত ভোল্ট বিভব বৈষম্য ১০০০ ওহম রোধের একটি বৈদ্যুতিক বাতি ০.২ এম্পিয়ার বিদ্যুৎ প্রবাহ করবে?
Anonymous Quiz
70%
200V
14%
100V
10%
60V
6%
240V
👏2
Physics Phobia(Exam Mate)
একটি বৈদ্যুতিক বাল্বের গায়ে “40W-220V” লিখা আছে। বাল্বটির রোধ কত ওহম?
এত্ত মানুষ ‘উত্তর নেই’ দাগিয়েছেন কেন?😐
🤔4🤩3😱2
একটি তামার তারের রোধ R. এর দ্বিগুণ দৈর্ঘ্য ও দ্বিগুণ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট একটি তারের রোধ কত হবে???
Anonymous Quiz
15%
R/4
51%
R/2
22%
R
13%
2R
😱2❤1
2ms^-2 ত্বরনে উপরে উঠন্ত একটি লিফটে এ একটি লোক দাড়ানোর ফলে উধ্বমুখী বল 1180 N হলে,লোকটির ভর কত?
Anonymous Quiz
5%
50 kg
67%
100 kg
16%
80 kg
11%
কোনটি নয়
❤10
Physics Phobia(Exam Mate)
একটি তামার তারের রোধ R. এর দ্বিগুণ দৈর্ঘ্য ও দ্বিগুণ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট একটি তারের রোধ কত হবে???
এটা এখন কে ভুল করলো???😒
সামনে আসো শুধু একবার😠
সামনে আসো শুধু একবার😠
🤩12😱2❤1
আমি অনেক গুগল করেও খুঁজে পেলাম না- অক্সফোর্ড কিংবা হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি'তে এই বছর, গত বছর কিংবা এর আগের বছর গুলোতে কে বা কারা ভর্তি পরিক্ষায় প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় হয়েছে। নিজে যখন ইংল্যান্ড-আমেরিকায় ছিলাম তখনও কোন দিন কোন পত্রিকায় এমন শিরোনাম দেখিনি। হয়ত আমার জানার ভুল। তাই ভাবলাম গুগল করে জেনে নেই। কিন্তু কোথাও কোন তথ্য খুঁজে পেলাম না।
তো, গুগল করে যেটা পেলাম- হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ৫৭৭৫৬ জন আবেদন করেছে ভর্তি'র জন্য। এর মাঝে এডমিশন পেয়েছে ২৩২০ জন। একজনও ওয়েটিং থেকে এডমিশন পায়নি। ৮৫ ভাগ ছাত্র আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা। ১৫ ভাগ ইন্টারন্যাশনাল। কতো ভাগ ছাত্র-ছাত্রী কোন বিভাগে ভর্তি হয়েছে। বছরের টোটাল বাজেট কতো। এই বাজেটের কতো ভাগ স্কলারশিপ হিসেবে দেয়া হচ্ছে ইত্যাদি।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে মোট ১০৮৯০ জন গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদন করেছে। এর মাঝে ৬৬৫৭ জন চান্স পেয়েছে। এর মাঝে ৫১ ভাগ ছেলে, ৪৯ ভাগ মেয়ে ইত্যাদি।
আমি হ্যারিকেন দিয়ে খোঁজার চেষ্টা করেছি- কে প্রথম হয়েছে, কে দ্বিতীয় হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায় কিনা। কিংবা কে কোন কলেজ থেকে এসছে। কোন কলেজ থেকে কতো জন চান্স পেয়েছে এমন তথ্য আছে কিনা। অথবা প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় যারা হয়েছে- তারা কি খায়, কখন ঘুমায়, কখন পড়াশুনা করে, কখন বাথরুমে যায় এমন তথ্য কিংবা পত্রিকা রিপোর্ট যদি পাওয়া যায়।
কিন্তু কোন তথ্য'ই পেলাম না। অথচ আমাদের দেশের পত্র-পত্রিকা থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটির শিক্ষকরা পর্যন্ত বলে বেড়ায়- অমুক প্রথম হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, মেডিক্যাল কিংবা অন্যান্য নাম করা ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরিক্ষায়। তাদের বিশাল বিশাল সাক্ষাৎকার ছাপা হয়। আরও কতো কিছু!
আমার ঠিক জানা নেই, জগতের কোন সভ্য দেশে এমন প্র্যাকটিস আছে কিনা। অন্তত আমি কখনো দেখনি। কেউ জানেও না কে ভর্তি পরিক্ষায় প্রথম হয়েছে আর কে লাস্ট হয়েছে! আমি ভেবেছিলাম আমার জানার কমতি থাকতে পারে। তাই বেশ কিছুক্ষণ গুগল করলাম। সেখানেও কিছু পেলাম না।
আমাদের সময় ম্যাট্রিক, ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার সময় বোর্ডে স্ট্যান্ড করার একটা রেওয়াজ চালু ছিল। অর্থাৎ প্রতিটা বোর্ডের সেরা ২০ জনের একটা তালিকা করা হত। এদেরকে বলা হত "স্ট্যান্ড" করেছে। নাম্বারের ভিত্তিতে যারা বেশি নাম্বার পেত, তারাই স্ট্যান্ড করতো। তাদের নাম, স্কুল,-কলেজের নাম সহ পত্র-পত্রিকায় ছাপা হত। অনেকের বাবা-মা'র ছবি সহও সাক্ষাৎকার পত্রিকা গুলো ছাপাত। একটা সময় যখন সবাই বুঝতে পেরেছে- এটি খুব একটা ভালো প্র্যাকটিস না, তখন স্ট্যান্ড করার ব্যাপারটি বন্ধ করা হয়েছিল।
এখন শুরু হয়েছে- কে কোন ইউনিভার্সিটি, মেডিক্যাল ইত্যাদিতে প্রথম হয়েছে। কোন কলেজ থেকে কতো জন চান্স পেয়েছে এইসব নিয়ে আলোচনা। অথচ জগত সেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যারা প্রথম, দ্বিতীয় হচ্ছে তাদের নাম গন্ধ কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অবশ্য তারা তো আর মেধাবী না। জগতের সকল মেধাবীরা বোধকরি বাংলাদেশেই বসবাস করে।
আমি একটা খুব ছোট এবং সাধারণ মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই এখানে। আমাদের এখানে ছাত্র-ছাত্রীর অনুমতি ছাড়া আমরা প্রকাশ্যে তাদের কোন রেজাল্টও দিতে পারি না। তাদের রেজাল্ট তারা যে যার প্রফাইলের মাধ্যমে জেনে যায়। অন্য আর কেউ জানেও না কোন ছাত্র-ছাত্রীর কি রেজাল্ট। হ্যাঁ, এমন কি শিক্ষকরাও না। একজন শিক্ষক কেবল তার নিজের কোর্সে কোন ছাত্র কতো গ্রেড পেয়েছে, সেটাই জানে। এর বাইরে তার জিপিএ কতো। সে অন্যান্য কোর্সে কেমন করছে। সে কি ভালো না খারাপ ছাত্র; এর কোন তথ্য আমরা কেউ জানি না। কেবল ওই ছাত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি রেগুলেটর ছাড়া আর কেউ জানে না। কারো সেই তথ্য প্রকাশ্যে বলার পারমিশনও নেই ছাত্র-ছাত্রীদের অনুমতি ছাড়া।
আর আমরা কে প্রথম হয়েছে, কে দ্বিতীয় হয়েছে; তারা কি খায়, কি মাথায় দেয়, কখন ঘুমায়, কখন বাথরুমে যায় সে নিয়ে ব্যস্ত আছি। আমাদের শিক্ষকরাও ক্লাস রুমে প্রকাশ্যে এইসব নিয়ে আলোচনা করে এবং বলে বেড়ায়- তোমার জিপিএ ভালো না। তুমি তো খারাপ ছাত্র! তোমার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আহা, কি মেধাবী আমরা! #Collected
তো, গুগল করে যেটা পেলাম- হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি ৫৭৭৫৬ জন আবেদন করেছে ভর্তি'র জন্য। এর মাঝে এডমিশন পেয়েছে ২৩২০ জন। একজনও ওয়েটিং থেকে এডমিশন পায়নি। ৮৫ ভাগ ছাত্র আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা। ১৫ ভাগ ইন্টারন্যাশনাল। কতো ভাগ ছাত্র-ছাত্রী কোন বিভাগে ভর্তি হয়েছে। বছরের টোটাল বাজেট কতো। এই বাজেটের কতো ভাগ স্কলারশিপ হিসেবে দেয়া হচ্ছে ইত্যাদি।
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে মোট ১০৮৯০ জন গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে আবেদন করেছে। এর মাঝে ৬৬৫৭ জন চান্স পেয়েছে। এর মাঝে ৫১ ভাগ ছেলে, ৪৯ ভাগ মেয়ে ইত্যাদি।
আমি হ্যারিকেন দিয়ে খোঁজার চেষ্টা করেছি- কে প্রথম হয়েছে, কে দ্বিতীয় হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায় কিনা। কিংবা কে কোন কলেজ থেকে এসছে। কোন কলেজ থেকে কতো জন চান্স পেয়েছে এমন তথ্য আছে কিনা। অথবা প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় যারা হয়েছে- তারা কি খায়, কখন ঘুমায়, কখন পড়াশুনা করে, কখন বাথরুমে যায় এমন তথ্য কিংবা পত্রিকা রিপোর্ট যদি পাওয়া যায়।
কিন্তু কোন তথ্য'ই পেলাম না। অথচ আমাদের দেশের পত্র-পত্রিকা থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটির শিক্ষকরা পর্যন্ত বলে বেড়ায়- অমুক প্রথম হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট, মেডিক্যাল কিংবা অন্যান্য নাম করা ইউনিভার্সিটির ভর্তি পরিক্ষায়। তাদের বিশাল বিশাল সাক্ষাৎকার ছাপা হয়। আরও কতো কিছু!
আমার ঠিক জানা নেই, জগতের কোন সভ্য দেশে এমন প্র্যাকটিস আছে কিনা। অন্তত আমি কখনো দেখনি। কেউ জানেও না কে ভর্তি পরিক্ষায় প্রথম হয়েছে আর কে লাস্ট হয়েছে! আমি ভেবেছিলাম আমার জানার কমতি থাকতে পারে। তাই বেশ কিছুক্ষণ গুগল করলাম। সেখানেও কিছু পেলাম না।
আমাদের সময় ম্যাট্রিক, ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষার সময় বোর্ডে স্ট্যান্ড করার একটা রেওয়াজ চালু ছিল। অর্থাৎ প্রতিটা বোর্ডের সেরা ২০ জনের একটা তালিকা করা হত। এদেরকে বলা হত "স্ট্যান্ড" করেছে। নাম্বারের ভিত্তিতে যারা বেশি নাম্বার পেত, তারাই স্ট্যান্ড করতো। তাদের নাম, স্কুল,-কলেজের নাম সহ পত্র-পত্রিকায় ছাপা হত। অনেকের বাবা-মা'র ছবি সহও সাক্ষাৎকার পত্রিকা গুলো ছাপাত। একটা সময় যখন সবাই বুঝতে পেরেছে- এটি খুব একটা ভালো প্র্যাকটিস না, তখন স্ট্যান্ড করার ব্যাপারটি বন্ধ করা হয়েছিল।
এখন শুরু হয়েছে- কে কোন ইউনিভার্সিটি, মেডিক্যাল ইত্যাদিতে প্রথম হয়েছে। কোন কলেজ থেকে কতো জন চান্স পেয়েছে এইসব নিয়ে আলোচনা। অথচ জগত সেরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যারা প্রথম, দ্বিতীয় হচ্ছে তাদের নাম গন্ধ কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অবশ্য তারা তো আর মেধাবী না। জগতের সকল মেধাবীরা বোধকরি বাংলাদেশেই বসবাস করে।
আমি একটা খুব ছোট এবং সাধারণ মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই এখানে। আমাদের এখানে ছাত্র-ছাত্রীর অনুমতি ছাড়া আমরা প্রকাশ্যে তাদের কোন রেজাল্টও দিতে পারি না। তাদের রেজাল্ট তারা যে যার প্রফাইলের মাধ্যমে জেনে যায়। অন্য আর কেউ জানেও না কোন ছাত্র-ছাত্রীর কি রেজাল্ট। হ্যাঁ, এমন কি শিক্ষকরাও না। একজন শিক্ষক কেবল তার নিজের কোর্সে কোন ছাত্র কতো গ্রেড পেয়েছে, সেটাই জানে। এর বাইরে তার জিপিএ কতো। সে অন্যান্য কোর্সে কেমন করছে। সে কি ভালো না খারাপ ছাত্র; এর কোন তথ্য আমরা কেউ জানি না। কেবল ওই ছাত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টাডি রেগুলেটর ছাড়া আর কেউ জানে না। কারো সেই তথ্য প্রকাশ্যে বলার পারমিশনও নেই ছাত্র-ছাত্রীদের অনুমতি ছাড়া।
আর আমরা কে প্রথম হয়েছে, কে দ্বিতীয় হয়েছে; তারা কি খায়, কি মাথায় দেয়, কখন ঘুমায়, কখন বাথরুমে যায় সে নিয়ে ব্যস্ত আছি। আমাদের শিক্ষকরাও ক্লাস রুমে প্রকাশ্যে এইসব নিয়ে আলোচনা করে এবং বলে বেড়ায়- তোমার জিপিএ ভালো না। তুমি তো খারাপ ছাত্র! তোমার ভবিষ্যৎ অন্ধকার। আহা, কি মেধাবী আমরা! #Collected
❤71😢22🔥7👏3
কোনটি ত্রিভুজ সূত্রের উদাহরণ?
Anonymous Quiz
16%
স্রোতের বেগ
26%
দোওয়ালে ছবি লাগানো
38%
আকাশে ঘুড়ি উড়ানো
20%
লন ঠেলা
❤6🔥4