সাম্প্রতিক তথ্য জেনে নিনঃ
⭕পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রী টোল দিয়েছে ৭৫০টাকা।
⭕ পদ্মা সেতুতে ১ম বাস হিসেবে উঠেছে- গ্রিনলাইন
⭕ পদ্মা সেতুতে ১ম টোল দিয়েছে- এনা (বাস সার্ভিস)
⭕পদ্মা সেতু ১ম ওভারটেক - এনা
⭕পদ্মা বহুমুখী সেতুর দক্ষিণ থানার প্রথম আসামি 'আবু বকর সিদ্দিক'
#সংগৃহীত
⭕পদ্মা সেতুতে প্রধানমন্ত্রী টোল দিয়েছে ৭৫০টাকা।
⭕ পদ্মা সেতুতে ১ম বাস হিসেবে উঠেছে- গ্রিনলাইন
⭕ পদ্মা সেতুতে ১ম টোল দিয়েছে- এনা (বাস সার্ভিস)
⭕পদ্মা সেতু ১ম ওভারটেক - এনা
⭕পদ্মা বহুমুখী সেতুর দক্ষিণ থানার প্রথম আসামি 'আবু বকর সিদ্দিক'
#সংগৃহীত
❤68🔥12🤩11
অনেক আকাঙ্ক্ষিত পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজের সাথে জড়িত রয়েছেন দেশি-বিদেশি অসংখ্য কর্মী। এই বিশাল কর্মযজ্ঞে ২০ বছর বয়সী একজন বাঙালি নারী প্রকৌশলীও রয়েছেন। নাম ইশরাত জাহান। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ গার্লস স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে ভর্তি হন দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। পাশ করে বের হওয়ার কিছুদিন পরই যোগ দেন পদ্মা সেতুর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনে (এমবিইসি)।
❤78🔥7
এক নজরে পদ্মা সেতু 🌉
নাম : পদ্মা সেতু
দৈর্ঘ্য : ৬.১৫ কিলোমিটার
ভায়াডাক্ট (স্থলভাগে সেতুর অংশ) সহ দৈর্ঘ্য : ৯.৮৩ কিলোমিটার
প্রস্ত : ২১.৬৫ মিটার
মোট পিলারের সংখ্যা : ৪২টি
স্প্যানের সংখ্যা : ৪১টি
প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য: ১৫০ মিটার
স্প্যানগুলোর মোট ওজন: ১,১৬,৩৮৮টন
প্রতিটি পিলারে নিচে পাইলের সংখ্যা: ৬টি (কিছু কিছু পিলারে ৭টি পাইলও দেওয়া হয়েছে)
পাইলের ব্যাস: ৩ মিটার
পাইলের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য: ১২৮ মিটার
মোট পাইলের সংখ্যা: ২৬৪টি ( ভায়াডাক্টের পিলারের পাইলসহ ২৯৪টি)
জমি অধিগ্রহণ: ৯১৮ হেক্টর
ব্যবহৃত স্টিলের পরিমাণ : ১,৪৬,০০০ মেট্রিক টন
নির্মাণ কাজ শুরু : ৭ই ডিসেম্বর ২০১৪
মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু : মাওয়া প্রান্তে ৬ নম্বর পিলারের কাজ দিয়ে
সক্ষমতা : দৈনিক ৭৫ হাজার যানবাহন
পানির স্তর থেকে সেতুর উচ্চতা: ১৮ মিটার
পদ্মা সেতুর আকৃতি: ইংরেজি এস (S) অক্ষরের মতো
ভূমিকম্প সহনশীলতা : রিক্টার স্কেলে ৮ মাত্রার কম্পন
এপ্রোচ রোডের দৈর্ঘ্য: ১২ কিলোমিটার
নদীশাসন: ১৬.২১ কিলোমিটার
সেতুর আয়ুষ্কাল: ১০০ বছর
সেতুর মোট ব্যয়: ৩০,১৯৩.৩৯ কোটি
ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে এমন জেলার সংখ্যা: ২১টি
সরাসরি উপকারভোগী মানুষের সংখ্যা: দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের ৩ কোটি মানুষ
যেসব দেশের বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীরা কাজ করেছেন : চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ন্যাদারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, জাপান, ডেনমার্ক, ইতালি, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া, ফিলিপাইন, থাইওয়ান, নেপাল ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
প্রকল্পের অঙ্গ(component) ভিত্তিক ব্যয় বিভাজন:
ক) মূল সেতুর ব্যয়: ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন টাওয়ার ও গ্যাস লাইনের ব্যয়সহ ১১,৯৩৮.৬৩ কোটি টাকা (বরাদ্দ ১২,১৩৩.৩৯ কোটি টাকার বিপরীতে)
খ) নদীশাসন কাজ: ৮,৭০৬.৯১ কোটি টাকা (৯,৪০০ কোটি টাকার বিপরীতে)
গ) অ্যাপ্রোচ রোড: ২টি টোল প্লাজা, ২টি থানা বিল্ডিং ও ৩টি সার্ভিস এরিয়াসহ ১৮৯৫.৫৫ কোটি টাকা (১৯০৭.৬৮ কোটি টাকার বিপরীতে )
ঘ) পুনর্বাসন ব্যয়: ১,১১৬.৭৬ কোটি টাকা (১,৫১৫ কোটি টাকার বিপরীতে)
ঙ) ভ‚মি অধিগ্রহণ: ২৬৯৮.৭৩ কোটি টাকা
চ) পরিবেশ: ২৬.৭২ কোটি (১২৯.০৩ কোটি টাকা)
ছ) অন্যান্য বেতন ভাতা, পরামর্শক, সেনা নিরাপত্তা ইত্যাদি: ১৩৪৮.৭৮ কোটি (২৪০৯.৫৬ কোটি টাকার বিপরীতে)
প্রকল্পের মোট অনুমোদিত ব্যয়: ২৭,৭৩২.০৮ কোটি টাকা (৩০১৯৩.৩৯ কোটি টাকার বিপরীতে)
সেতু উদ্বোধন: ২৫ জুন ২০২২।
(তথ্যসূত্র: পদ্মা সেতু প্রকল্প অফিস, ক্যাবিনেট ডিভিশন, সংবাদ সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার কপি; আপডেট: ২৩ জুন ২০২২)
#Collected
নাম : পদ্মা সেতু
দৈর্ঘ্য : ৬.১৫ কিলোমিটার
ভায়াডাক্ট (স্থলভাগে সেতুর অংশ) সহ দৈর্ঘ্য : ৯.৮৩ কিলোমিটার
প্রস্ত : ২১.৬৫ মিটার
মোট পিলারের সংখ্যা : ৪২টি
স্প্যানের সংখ্যা : ৪১টি
প্রতিটি স্প্যানের দৈর্ঘ্য: ১৫০ মিটার
স্প্যানগুলোর মোট ওজন: ১,১৬,৩৮৮টন
প্রতিটি পিলারে নিচে পাইলের সংখ্যা: ৬টি (কিছু কিছু পিলারে ৭টি পাইলও দেওয়া হয়েছে)
পাইলের ব্যাস: ৩ মিটার
পাইলের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য: ১২৮ মিটার
মোট পাইলের সংখ্যা: ২৬৪টি ( ভায়াডাক্টের পিলারের পাইলসহ ২৯৪টি)
জমি অধিগ্রহণ: ৯১৮ হেক্টর
ব্যবহৃত স্টিলের পরিমাণ : ১,৪৬,০০০ মেট্রিক টন
নির্মাণ কাজ শুরু : ৭ই ডিসেম্বর ২০১৪
মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু : মাওয়া প্রান্তে ৬ নম্বর পিলারের কাজ দিয়ে
সক্ষমতা : দৈনিক ৭৫ হাজার যানবাহন
পানির স্তর থেকে সেতুর উচ্চতা: ১৮ মিটার
পদ্মা সেতুর আকৃতি: ইংরেজি এস (S) অক্ষরের মতো
ভূমিকম্প সহনশীলতা : রিক্টার স্কেলে ৮ মাত্রার কম্পন
এপ্রোচ রোডের দৈর্ঘ্য: ১২ কিলোমিটার
নদীশাসন: ১৬.২১ কিলোমিটার
সেতুর আয়ুষ্কাল: ১০০ বছর
সেতুর মোট ব্যয়: ৩০,১৯৩.৩৯ কোটি
ঢাকার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হবে এমন জেলার সংখ্যা: ২১টি
সরাসরি উপকারভোগী মানুষের সংখ্যা: দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের ৩ কোটি মানুষ
যেসব দেশের বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীরা কাজ করেছেন : চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানি, অট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ন্যাদারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, জাপান, ডেনমার্ক, ইতালি, মালয়েশিয়া, কলম্বিয়া, ফিলিপাইন, থাইওয়ান, নেপাল ও দক্ষিণ আফ্রিকা।
প্রকল্পের অঙ্গ(component) ভিত্তিক ব্যয় বিভাজন:
ক) মূল সেতুর ব্যয়: ৪০০ কেভি ট্রান্সমিশন লাইন টাওয়ার ও গ্যাস লাইনের ব্যয়সহ ১১,৯৩৮.৬৩ কোটি টাকা (বরাদ্দ ১২,১৩৩.৩৯ কোটি টাকার বিপরীতে)
খ) নদীশাসন কাজ: ৮,৭০৬.৯১ কোটি টাকা (৯,৪০০ কোটি টাকার বিপরীতে)
গ) অ্যাপ্রোচ রোড: ২টি টোল প্লাজা, ২টি থানা বিল্ডিং ও ৩টি সার্ভিস এরিয়াসহ ১৮৯৫.৫৫ কোটি টাকা (১৯০৭.৬৮ কোটি টাকার বিপরীতে )
ঘ) পুনর্বাসন ব্যয়: ১,১১৬.৭৬ কোটি টাকা (১,৫১৫ কোটি টাকার বিপরীতে)
ঙ) ভ‚মি অধিগ্রহণ: ২৬৯৮.৭৩ কোটি টাকা
চ) পরিবেশ: ২৬.৭২ কোটি (১২৯.০৩ কোটি টাকা)
ছ) অন্যান্য বেতন ভাতা, পরামর্শক, সেনা নিরাপত্তা ইত্যাদি: ১৩৪৮.৭৮ কোটি (২৪০৯.৫৬ কোটি টাকার বিপরীতে)
প্রকল্পের মোট অনুমোদিত ব্যয়: ২৭,৭৩২.০৮ কোটি টাকা (৩০১৯৩.৩৯ কোটি টাকার বিপরীতে)
সেতু উদ্বোধন: ২৫ জুন ২০২২।
(তথ্যসূত্র: পদ্মা সেতু প্রকল্প অফিস, ক্যাবিনেট ডিভিশন, সংবাদ সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার কপি; আপডেট: ২৩ জুন ২০২২)
#Collected
❤28🔥5🤩4
💥আদমশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য💥
@GK PHOBIA
☣️ ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে। পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
☣️ বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
☣️ প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
☣️ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ। সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ২৩ লাখ। প্রতি ১০ বছরে অন্তত দুই কোটি জনসংখ্যা বাড়ে বলে ধারণা করা হয়।
☣️২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।
©বিবিসি বাংলা
@GK PHOBIA
☣️ ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে। পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
☣️ বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
☣️ প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
☣️ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ। সর্বশেষ ২০১১ সালের আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৪ কোটি ২৩ লাখ। প্রতি ১০ বছরে অন্তত দুই কোটি জনসংখ্যা বাড়ে বলে ধারণা করা হয়।
☣️২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।
©বিবিসি বাংলা
❤36🔥4
GK Phobia। Exam Mate
Topics of GK to be completed within 25 June,2022 Questions from these topics will be published at 10.00 PM on 25 June 2022 ✅বাংলাদেশের সংবিধান ✅বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ ✅বাংলাদেশের সংবিধানের সংশােধন ✅বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ✅বাংলাদেশের নির্বাচন ✅আন্তর্জাতিক…
💥💥
পরীক্ষা-৩ঃhttps://www.rayvila.com/g.php/220510082911
I am extremely sorry because I forgot to publish the exam link yesterday.... Please attend this exam 🙃🙃
পরীক্ষা-৩ঃhttps://www.rayvila.com/g.php/220510082911
I am extremely sorry because I forgot to publish the exam link yesterday.... Please attend this exam 🙃🙃
🔥13🎉1
GK Phobia। Exam Mate pinned «💥💥 পরীক্ষা-৩ঃhttps://www.rayvila.com/g.php/220510082911 I am extremely sorry because I forgot to publish the exam link yesterday.... Please attend this exam 🙃🙃»
GK Phobia। Exam Mate
💥💥 পরীক্ষা-৩ঃhttps://www.rayvila.com/g.php/220510082911 I am extremely sorry because I forgot to publish the exam link yesterday.... Please attend this exam 🙃🙃
result will be published and solve sheet will be given at 10. 00 PM
🔥6
GK Phobia। Exam Mate
UNICEF মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোন পুরস্কারে ভূষিত করেছে?(চবি-ঘ ২০১৯-২০২০ বিকাল)
এটা অনেকেই ভুল করেছেন
দেখে নেন😊🤲🏻
দেখে নেন😊🤲🏻
🔥14❤6
💥GST Update (HSC-21)
‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ এই তিনটি ইউনিটে সর্বমোট ২ লাখ ৯৪ হাজার ৫২৪ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন।
সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে। এই ইউনিটে এক লাখ ৬১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন করেছেন।
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে সবচেয়ে কম। এই ইউনিটে আবেদন করেছে ৪২ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী।
আর মানবিকের জন্য নির্ধারিত ‘খ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন ৯০ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী।
‘ক’, ‘খ’ ও ‘গ’ এই তিনটি ইউনিটে সর্বমোট ২ লাখ ৯৪ হাজার ৫২৪ জন ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন।
সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটে। এই ইউনিটে এক লাখ ৬১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি আবেদন করেছেন।
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদভুক্ত ‘গ’ ইউনিটে আবেদন পড়েছে সবচেয়ে কম। এই ইউনিটে আবেদন করেছে ৪২ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী।
আর মানবিকের জন্য নির্ধারিত ‘খ’ ইউনিটে আবেদন করেছেন ৯০ হাজারের কিছু বেশি শিক্ষার্থী।
🔥7