Forwarded from Target Medical💞🥰 (Hasna Banu)
সর্বোচ্চটুকু চেষ্টার পরও যখন কোনো কিছু হয়না, তখন বুঝতে হবে স্রষ্টা নিশ্চয় এর চেয়ে বেটার কোনো প্ল্যান আপনার জন্য করে রেখেছেন। আপনি নিজেই স্রষ্টার পরিকল্পনার একটা অংশ। যেটাকে আপনি শেষ বলছেন সেখান থেকেই নতুন কিছু শুরু হতে পারে। লাইফের সবচেয়ে ম্যাজিকেল সেন্টেন্স হলো- 'আরেকবার চেষ্টা করে দেখি।' বারবার হেরে যাওয়ার পরও যারা এই Magical Sentence ব্যবহার করতে পেরেছে তারা ফাইনালি কোথাও না কোথাও ঠিকই কিছু একটা করে দেখিয়ে দিয়েছে। 'আমার তো সব শেষ /আমার দ্বারা কিছু হবে না' এসব ফালতু Dream Killer Sentence ব্রেইন থেকে আউট করে দিতে না পারলে, এসব সেন্টেন্স আপনার কনফিডেন্সকেই উল্টো আউট করে দিয়ে আপনাকে হারিয়ে দিবে। 'আমার তো সব শেষ'! কী শেষ আপনার? শেষ বলে কিছু নেই। যেখানে মৃত্যুর পরও নতুন গল্প শুরু হয়, যেটাকে আমরা স্বর্গ ও নরক বলি; সেখানে শেষ বলে কিছু নেই। শুরুটা করুন, লেগে থাকুন।
Satyajit Chakraborty
#collected
Satyajit Chakraborty
#collected
👍1
#collected
♥️♥️♥️💯
মনে করেন, আপনাকে আমি কয়েক হাজার টাকা এখন দেবো, বিনিময়ে আপনি আমার সাথে কোন মেডিকেল কলেজের এনাটমি ডিসেকশন রূমে (লাশ কাটা ঘরে) যাবেন!?
সেখানে টেবলের উপর শোয়ানো থাকে জলজ্যান্ত বডি গুলো, কেউ এক বছর পুরানো, কেউ এরও বেশি। তাদের স্কিন - মাসল কেটে কুটে শিখতে হয় ডাক্তারদের। মেডিকেলের স্টুডেন্টরা আস্তে আস্তে এতই সয়ে নেয় ব্যাপার গুলো যে, একদিন সাক্ষাৎ নরমুন্ড নিয়ে পড়ত পড়তে সেটা মাথার কাছে রেখেই ঘুমিয়ে পড়ে!! আপনাকে দুই হাজার টাকা দেবো, পারবেন?! কেমন গা ঘিন ঘিন ব্যাপার না?
.
আমি নিশ্চিত আপনাকে তিন হাজার টাকা দিলেও আপনি রাজি হবেন না মাইক্রোস্কোপ এর নিচে মানুষের মলের মধ্যে থাকা কৃমির ডিম খুঁজে দেখতে!! বা পিপেট দিয়ে মানব রক্ত টেনে অলমোস্ট মুখে যায় যায় এমন অবস্থায় কোন এক্সপেরিমেন্ট শিখতে। ডাক্তারি পড়ে যারা তারা এসব করতে বাধ্য থাকে।
.
পাঁচ হাজার টাকা দেবো, যাবেন একদিন পোস্ট মর্টেম দেখতে?!! কিভাবে ডোম দাদু দক্ষ হাতে ধামা দিয়ে ধাম ধাম করে মৃতের করোটি ভাংতে থাকে আর চারপাশে ছুটে ছুটে আসে হাড়ের কনা!! লাশ যদি ফ্রেশ থাকে তো চলে; গলা পচা বা কবর থেকে তুলে আনা হবে না, সে গ্যারান্টি নেই কিন্তু!
.
আচ্ছা না হয় দশ হাজার টাকাই নিয়েন!! ছুঁয়ে দেখবেন কোন পতিতাকে? মধ্যরাতে খদ্দের যাকে টাকা না দিয়ে আচ্ছা করে পিটিয়েছে। বেচারির মুখে ঠোঁটে তখনো রঙ মাখা, সেলাই নিতে হাসপাতালে এসেছে। সাথে তার বন্ধু আরো পাঁচ দশজন হিজড়া। অশ্লীল অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল দিচ্ছে আপনাকে।
.
একবার চিটাগাং এর গরিবুল্লাহ শাহ মাজারের সামনে বসা এক বৃদ্ধ ফকির, পায়ের উপর দিয়ে সিএনজি চলে গেছে, ডিগ্লভিং ইঞ্জুরি নিয়ে এসেছে হাসপাতালে। নেশা করে চুর! কত বছর গোসল করে না আল্লাহ জানেন। গায়ে ময়লার স্তর! মাথায় জটা! অর্থোপেডিক্স এর ইভিনিং ওটিতে উনাকে আমি রিসিভ করি। কি পরম যত্নে যে গরম পানিতে হেক্সিস্ক্রাব ডলে ডলে উনার সে স্কিন ক্লিন করেছি!!
আপনাকে টাকা দেবো না, বাজি ধরবো শুধু!! সেভাবে যত্ন নিয়ে কোনদিন নিজের বাবা মায়ের পা ধুয়ে দেন নি! আমিও দেই নি!!
.
এরপর বিষের বোতল নিয়ে ছানাছানি, রক্ত - সেলাই- কাটাকাটি, বার্নের রোগির মর্মদহ ড্রেসিং, আর নানা রকম ভোগান্তি ওয়ালা রোগি দেখা, একেক রোগির জীবনের করুন করুন গল্প, সদ্য মৃতের শীতল চোখ - তাকে শান্ত ভাবে মৃত ঘোষনা করা -- এসব কাজ করার সাহস করতে বললে, টাকা দিয়ে পরিমাপ করতে পারবেন না।
.
আর দিন নাই, রাত নাই, ঈদ নাই, জন্মদিন নাই - পড়তেই থাকা!! পরীক্ষা দিতেই থাকা! মুখস্থ করতেই থাকা, এসব তো বাদই দিলাম!! শুধু মানুষের যা যা সহ্য ক্ষমতায় থাকে, তার উর্ধে চলে যাবার পর একজন মানুষ ডাক্তার হয়ে বের হয়। এটা কি অমানুষিক, কি অমানবিক প্রক্রিয়া, যে গেছে সে জানে। অথচ আইরনি হল, এর মধ্য দিয়েই শানিত করতে হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে মানবিক পেশা, চিকিৎসা!!
.
একটা সতের আঠারো বছরের বাচ্চা যখন মেডিকেলে কলেজের আংগিনায় আসে, সে একদিন আপনাকে জিন্মি করে টাকা ইনকাম করবে সে আশায় আসে না। সে আশা থাকলে টাকার বিনিময়ে উপরে উল্লেখ করা অভিজ্ঞতা গুলো নিতে চাইতেন সবাই! পেশাটির প্রতি দায়িত্ববোধ ছাড়া, মমতা ছাড়া, আগ্রহ ছাড়া কেউই পাঁচ সাত বছরের এই দীর্ঘ যাত্রা সম্পন্ন করতে পারে না। 🙌
.
চিকিৎসক এর চোখ জানে হাসপাতালে কত জীবানু ঘুরে মরছে। যক্ষা, ফ্লু, স্কিন ডিজিস, ভেনেরিয়াল ডিজিস, হেপাটাইটিস - এগুলো তো করোনা ফরোনা না থাকা সময়েও চিকিৎসক এর চা- সিংগাড়ার নিত্য সংগী। আপনাকে যদি মাসে দশ লক্ষ টাকাও দেই, আর জীবানু গুলো চিনিয়ে দেই, আপনি জেনে শুনে সে জায়গায় হাসপাতালে আর দ্বিতীয় বার যাবেন না!! জীবনের মায়া, বড় মায়া। চিকিৎসক নিজের জীবনের প্রতি সবচেয়ে দায়িত্বহীন।
.
তাই বাড়তি টাকা, প্রনোদনা, ঝুঁকি ভাতা কিছু দিয়েই মূল্যায়িত করা যাবে না, একজন চিকিৎসক কি বোধ থেকে নানা আকালেও তার পেশাকে ধারন করেন।
দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবার কর্মিরা এক অসম যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছেন। তাদের সম্মান করুন। শুধু পেশা বলেই কাজ করতে যাওয়া আর মনের মধ্যে চিকিৎসক কে জাগিয়ে কাজ করার মধ্যে অনেক ফারাক। এই ফারাক বাড়াবেন না অযথা তাদের সমালোচনা করে।
তাদের হাসপাতালের কাছে ফ্রি তে থাকার জায়গা দিন। বাড়ি বিছিন্ন হয়ে যারা কাজ করছে হাসপাতালে, তাদের জন্য খাবার পাঠান। তাদের পরিবারকে সাদরে নিজের বিল্ডিং এ স্থান দিন। কাজ করতে যেয়ে যারা প্রান হারাবেন, তাদের জন্য একটা কিছু করার কথা ভেবে রাখুন।
সম্পদ, সম্পত্তি সব কিছু রিপ্লেস করতে পারা যাবে, একজন চিকিৎসক কোন কিছু দিয়ে রিপ্লেস করা যায় না।
😞
♥️♥️♥️💯
মনে করেন, আপনাকে আমি কয়েক হাজার টাকা এখন দেবো, বিনিময়ে আপনি আমার সাথে কোন মেডিকেল কলেজের এনাটমি ডিসেকশন রূমে (লাশ কাটা ঘরে) যাবেন!?
সেখানে টেবলের উপর শোয়ানো থাকে জলজ্যান্ত বডি গুলো, কেউ এক বছর পুরানো, কেউ এরও বেশি। তাদের স্কিন - মাসল কেটে কুটে শিখতে হয় ডাক্তারদের। মেডিকেলের স্টুডেন্টরা আস্তে আস্তে এতই সয়ে নেয় ব্যাপার গুলো যে, একদিন সাক্ষাৎ নরমুন্ড নিয়ে পড়ত পড়তে সেটা মাথার কাছে রেখেই ঘুমিয়ে পড়ে!! আপনাকে দুই হাজার টাকা দেবো, পারবেন?! কেমন গা ঘিন ঘিন ব্যাপার না?
.
আমি নিশ্চিত আপনাকে তিন হাজার টাকা দিলেও আপনি রাজি হবেন না মাইক্রোস্কোপ এর নিচে মানুষের মলের মধ্যে থাকা কৃমির ডিম খুঁজে দেখতে!! বা পিপেট দিয়ে মানব রক্ত টেনে অলমোস্ট মুখে যায় যায় এমন অবস্থায় কোন এক্সপেরিমেন্ট শিখতে। ডাক্তারি পড়ে যারা তারা এসব করতে বাধ্য থাকে।
.
পাঁচ হাজার টাকা দেবো, যাবেন একদিন পোস্ট মর্টেম দেখতে?!! কিভাবে ডোম দাদু দক্ষ হাতে ধামা দিয়ে ধাম ধাম করে মৃতের করোটি ভাংতে থাকে আর চারপাশে ছুটে ছুটে আসে হাড়ের কনা!! লাশ যদি ফ্রেশ থাকে তো চলে; গলা পচা বা কবর থেকে তুলে আনা হবে না, সে গ্যারান্টি নেই কিন্তু!
.
আচ্ছা না হয় দশ হাজার টাকাই নিয়েন!! ছুঁয়ে দেখবেন কোন পতিতাকে? মধ্যরাতে খদ্দের যাকে টাকা না দিয়ে আচ্ছা করে পিটিয়েছে। বেচারির মুখে ঠোঁটে তখনো রঙ মাখা, সেলাই নিতে হাসপাতালে এসেছে। সাথে তার বন্ধু আরো পাঁচ দশজন হিজড়া। অশ্লীল অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল দিচ্ছে আপনাকে।
.
একবার চিটাগাং এর গরিবুল্লাহ শাহ মাজারের সামনে বসা এক বৃদ্ধ ফকির, পায়ের উপর দিয়ে সিএনজি চলে গেছে, ডিগ্লভিং ইঞ্জুরি নিয়ে এসেছে হাসপাতালে। নেশা করে চুর! কত বছর গোসল করে না আল্লাহ জানেন। গায়ে ময়লার স্তর! মাথায় জটা! অর্থোপেডিক্স এর ইভিনিং ওটিতে উনাকে আমি রিসিভ করি। কি পরম যত্নে যে গরম পানিতে হেক্সিস্ক্রাব ডলে ডলে উনার সে স্কিন ক্লিন করেছি!!
আপনাকে টাকা দেবো না, বাজি ধরবো শুধু!! সেভাবে যত্ন নিয়ে কোনদিন নিজের বাবা মায়ের পা ধুয়ে দেন নি! আমিও দেই নি!!
.
এরপর বিষের বোতল নিয়ে ছানাছানি, রক্ত - সেলাই- কাটাকাটি, বার্নের রোগির মর্মদহ ড্রেসিং, আর নানা রকম ভোগান্তি ওয়ালা রোগি দেখা, একেক রোগির জীবনের করুন করুন গল্প, সদ্য মৃতের শীতল চোখ - তাকে শান্ত ভাবে মৃত ঘোষনা করা -- এসব কাজ করার সাহস করতে বললে, টাকা দিয়ে পরিমাপ করতে পারবেন না।
.
আর দিন নাই, রাত নাই, ঈদ নাই, জন্মদিন নাই - পড়তেই থাকা!! পরীক্ষা দিতেই থাকা! মুখস্থ করতেই থাকা, এসব তো বাদই দিলাম!! শুধু মানুষের যা যা সহ্য ক্ষমতায় থাকে, তার উর্ধে চলে যাবার পর একজন মানুষ ডাক্তার হয়ে বের হয়। এটা কি অমানুষিক, কি অমানবিক প্রক্রিয়া, যে গেছে সে জানে। অথচ আইরনি হল, এর মধ্য দিয়েই শানিত করতে হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে মানবিক পেশা, চিকিৎসা!!
.
একটা সতের আঠারো বছরের বাচ্চা যখন মেডিকেলে কলেজের আংগিনায় আসে, সে একদিন আপনাকে জিন্মি করে টাকা ইনকাম করবে সে আশায় আসে না। সে আশা থাকলে টাকার বিনিময়ে উপরে উল্লেখ করা অভিজ্ঞতা গুলো নিতে চাইতেন সবাই! পেশাটির প্রতি দায়িত্ববোধ ছাড়া, মমতা ছাড়া, আগ্রহ ছাড়া কেউই পাঁচ সাত বছরের এই দীর্ঘ যাত্রা সম্পন্ন করতে পারে না। 🙌
.
চিকিৎসক এর চোখ জানে হাসপাতালে কত জীবানু ঘুরে মরছে। যক্ষা, ফ্লু, স্কিন ডিজিস, ভেনেরিয়াল ডিজিস, হেপাটাইটিস - এগুলো তো করোনা ফরোনা না থাকা সময়েও চিকিৎসক এর চা- সিংগাড়ার নিত্য সংগী। আপনাকে যদি মাসে দশ লক্ষ টাকাও দেই, আর জীবানু গুলো চিনিয়ে দেই, আপনি জেনে শুনে সে জায়গায় হাসপাতালে আর দ্বিতীয় বার যাবেন না!! জীবনের মায়া, বড় মায়া। চিকিৎসক নিজের জীবনের প্রতি সবচেয়ে দায়িত্বহীন।
.
তাই বাড়তি টাকা, প্রনোদনা, ঝুঁকি ভাতা কিছু দিয়েই মূল্যায়িত করা যাবে না, একজন চিকিৎসক কি বোধ থেকে নানা আকালেও তার পেশাকে ধারন করেন।
দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য সেবার কর্মিরা এক অসম যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছেন। তাদের সম্মান করুন। শুধু পেশা বলেই কাজ করতে যাওয়া আর মনের মধ্যে চিকিৎসক কে জাগিয়ে কাজ করার মধ্যে অনেক ফারাক। এই ফারাক বাড়াবেন না অযথা তাদের সমালোচনা করে।
তাদের হাসপাতালের কাছে ফ্রি তে থাকার জায়গা দিন। বাড়ি বিছিন্ন হয়ে যারা কাজ করছে হাসপাতালে, তাদের জন্য খাবার পাঠান। তাদের পরিবারকে সাদরে নিজের বিল্ডিং এ স্থান দিন। কাজ করতে যেয়ে যারা প্রান হারাবেন, তাদের জন্য একটা কিছু করার কথা ভেবে রাখুন।
সম্পদ, সম্পত্তি সব কিছু রিপ্লেস করতে পারা যাবে, একজন চিকিৎসক কোন কিছু দিয়ে রিপ্লেস করা যায় না।
😞
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
Team:-Lose to Win
💔💔💔
💔💔💔
রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমে যাওয়াকে কি বলে?
Anonymous Quiz
58%
হাইপোগ্লাইসেমিয়া
27%
হাইপারগ্লাইসেমিয়া
10%
হেমাচুরিয়া
5%
অলিগুরিয়া
👍1
April-10
Review day...
T-1 & T-2 full...
Best wishes to all 💕
Team:- Lose to Win
Review day...
T-1 & T-2 full...
Best wishes to all 💕
Team:- Lose to Win
নিচের কোনটি উদ্ভিদ কোষে থাকে না?
Anonymous Quiz
77%
সেন্ট্রোসোম
4%
প্লাস্টিড
9%
কোষ প্রাচীর
10%
সঞ্চিত খাদ্য শ্বেতসার
নিজের কোন অঙ্গাণু কোষের শক্তি উৎপাদনকারী?
Anonymous Quiz
93%
মাইট্রোকন্ডিয়া
3%
গলগী অ্যাপারাটেস
1%
রাইবোজোম
2%
ক্লোরোপ্লাস্ট
কোন প্রক্রিয়ায় আরএনএ হতে ডিএনএ তৈরী হয়?
Anonymous Quiz
12%
ট্রানস্ক্রিপশন
80%
রিভার্স ট্রানস্ক্রিপশন
7%
ট্রানসলেশন
1%
ট্রানসফর্মেশন
নিচের কোন অঙ্গানু টি ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত
Anonymous Quiz
10%
মাইট্রোকন্ডিয়া
76%
রাইবোজোম
11%
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
3%
গলজি বডি
কোষপ্রাচীর প্রধানত নিচের কোনটি দিয়ে গঠিত হয়?
Anonymous Quiz
86%
সেলুলোজ
2%
গ্লুকোজ
8%
কাইটিন
4%
লিপোপ্রোটিন
উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজম এর সর্ববৃহৎ অঙ্গানু টির নাম কি?
Anonymous Quiz
11%
রাইবোজোম
29%
মাইট্রোকন্ডিয়া
60%
ক্লোরোপ্লাস্ট
1%
লাইসোসোম
প্রোটিন সঞ্চয়কারী লিউকোপ্লাস্ট কে কি বলে?
Anonymous Quiz
3%
ক্রোমোপ্লাস্ট
7%
লিউকোপ্লাস্ট
8%
এলাইওপ্লাস্ট
82%
অ্যালিউরোপ্লাস্ট
মিউটন কি?
Anonymous Quiz
11%
জিন প্রকাশের একক
9%
জিন রিকম্বিনেশন এর একক
6%
জিন কার্যের একক
75%
জিন মিউটেশন এর একক
নিচের কোন অঙ্গের কোষে মাইট্রোকন্ডিয়া উপস্থিতি বেশি থাকে?
Anonymous Quiz
5%
ত্বক
11%
পাকস্থলী
83%
যকৃত
2%
চোখ