নিজের কোন অঙ্গাণু কোষের শক্তি উৎপাদনকারী?
Anonymous Quiz
93%
মাইট্রোকন্ডিয়া
3%
গলগী অ্যাপারাটেস
1%
রাইবোজোম
2%
ক্লোরোপ্লাস্ট
কোন প্রক্রিয়ায় আরএনএ হতে ডিএনএ তৈরী হয়?
Anonymous Quiz
12%
ট্রানস্ক্রিপশন
80%
রিভার্স ট্রানস্ক্রিপশন
7%
ট্রানসলেশন
1%
ট্রানসফর্মেশন
নিচের কোন অঙ্গানু টি ট্রান্সলেশন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত
Anonymous Quiz
10%
মাইট্রোকন্ডিয়া
76%
রাইবোজোম
11%
এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম
3%
গলজি বডি
কোষপ্রাচীর প্রধানত নিচের কোনটি দিয়ে গঠিত হয়?
Anonymous Quiz
86%
সেলুলোজ
2%
গ্লুকোজ
8%
কাইটিন
4%
লিপোপ্রোটিন
উদ্ভিদ কোষের সাইটোপ্লাজম এর সর্ববৃহৎ অঙ্গানু টির নাম কি?
Anonymous Quiz
11%
রাইবোজোম
29%
মাইট্রোকন্ডিয়া
60%
ক্লোরোপ্লাস্ট
1%
লাইসোসোম
প্রোটিন সঞ্চয়কারী লিউকোপ্লাস্ট কে কি বলে?
Anonymous Quiz
3%
ক্রোমোপ্লাস্ট
7%
লিউকোপ্লাস্ট
8%
এলাইওপ্লাস্ট
82%
অ্যালিউরোপ্লাস্ট
মিউটন কি?
Anonymous Quiz
11%
জিন প্রকাশের একক
9%
জিন রিকম্বিনেশন এর একক
6%
জিন কার্যের একক
75%
জিন মিউটেশন এর একক
নিচের কোন অঙ্গের কোষে মাইট্রোকন্ডিয়া উপস্থিতি বেশি থাকে?
Anonymous Quiz
5%
ত্বক
11%
পাকস্থলী
83%
যকৃত
2%
চোখ
নিচের কোনটির ক্রোমোজোম সংখ্যা সঠিক নয়?
Anonymous Quiz
68%
ধান 22
4%
মানুষ 46
14%
গিনিপিক 64
14%
গৃহ মাছি 12
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
❤️❤️❤️
Team:-Lose to Win
Team:-Lose to Win
অসম্পূর্ণ প্রকটতাঃ ১ঃ২ঃ১
সমপ্রকটতাঃ ১ঃ২ঃ১
লিথাল/মারণ জিনঃ ২ঃ১
পরিপূরক& দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিসঃ ৯ঃ৭
একক প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিসঃ ১৩ঃ৩
Team:-Lose to Win 💔
সমপ্রকটতাঃ ১ঃ২ঃ১
লিথাল/মারণ জিনঃ ২ঃ১
পরিপূরক& দ্বৈত প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিসঃ ৯ঃ৭
একক প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিসঃ ১৩ঃ৩
Team:-Lose to Win 💔
এন্টিকোয়াগুলেন্ট ফ্যাক্টর কোনটি?
Anonymous Quiz
17%
থ্রম্বোপ্লাস্টিন
46%
হেপারিন
29%
ক্রিসমাস ফ্যাক্টর
9%
ফাইব্রিনোজেন
ব্রুনাস গ্রন্থি থাকে কোথায়?
Anonymous Quiz
45%
ক্ষুদ্রান্তে
28%
বৃহদান্ত্রে
11%
পাকস্থলীতে
16%
ডিউডেনামে
Media is too big
VIEW IN TELEGRAM
Best💔💔💔
Team:-Lose to Win
Best wishes to all 💕
Try your level best 😊
Team:-Lose to Win
Best wishes to all 💕
Try your level best 😊
🩺Doctor's Dream 🩺
বাংলাদেশের মুদ্রার নাম কি?
টার্গেট নিয়েছিলাম এই কুইজটা হান্ডেট পার্সেন্ট হবে। কিন্তু কেউ মজা/ইচ্ছা করেই করতে দিল না। এটা কি ঠিক করলেন ভাই/বোন 🙁🥺
চান্স পেয়েছে যে ছেলেটা, তাকে নিয়ে সবাই মাতামাতি করে। একটু ওপরের দিকে সিরিয়াল থাকলে তাকে নিয়ে কোচিং সেন্টারগুলোতে টানাটানি শুরু হয়, কোন এক পত্রিকার শিক্ষাপাতার সম্পাদক ফোন করে সেই ছেলেটার সাক্ষাৎকার নিতে চান, তাকে নিয়ে আত্মীয় স্বজনের মধ্যে আনন্দের হিল্লোল বয়ে যায়।
কিন্তু যে ছেলেটা চান্স পায় নি, তারে নিয়ে কেউ ওমন মাতামাতি কেউ করে না, ইনফ্যাক্ট করাটা উচিতও না। কেউ করলে, তারে মনে হয় জনম জনমের শত্রু।
জানি, অনেক চাওয়ার পরে একটা জিনিস না পেলে দুঃখেরা হয় বাধনবিহীন, সীমানা ছাড়া। কাউকে মুখ দেখাতে ইচ্ছে হয় না। অকারণ অভিমান জমে মনে।
কার ওপরে সে অভিমান, ঠিক স্পষ্ট করে বলা যায় না, কাউকে বোঝানোও যায় না।
আমি গতবছর থেকে দুজন ছাত্রকে চিনতাম। নটরডেম কলেজের।
একই রুমে থাকতো। একসাথে পড়তো।
ফার্স্ট টাইমে একজন চান্স পেলো, আরেকজন পেলো না। অথচ আমি ভেবেছিলাম, ওই ছেলেটা চান্স পাচ্ছেই। সেকেন্ড টাইমে সে আবার পরীক্ষা দিলো। যথাসাধ্য পরিশ্রমও করলো। কিন্তু আল্লাহ তাকে চান্স দিলেন না। স্বপ্নটা তার পূরণ হলো না।
এখন এই ছেলেটা আসলে কার ওপর অভিমান করবে? নিজের কপালের ওপর?
নাকি অন্য কারো ওপর?
কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর থাকে না। অপশন ব্লাংক।
ভর্তি পরীক্ষা অথবা জীবনের পরীক্ষা, সবখানেই।
সেই প্রশ্নটা আপনাকে মুকাবিলা করতেই হবে, অথচ উত্তর আপনার জানা নেই! খুব অদ্ভুত না ব্যাপারটা?
আল্লাহ কখনো কখনো এমন সব পরীক্ষা নেন, নির্বাক হয়ে অশ্রু ঝরানো ছাড়া আপনার করার কিছুই থাকে না। সবর করতে হয়। সাবরুন জামিল।
তবে এটুকু সত্য, এই দুঃখের ভার আপনার বওয়ার সামর্থ্য আছে বলেই এই দুঃখ আল্লাহ আপনার কাধে চাপিয়েছেন। কখনো কখনো আল্লাহর নিয়ামতগুলো আসলে আমাদের কাছে আসে পরীক্ষা হয়ে। সে পরীক্ষা হয়তো আমাদের জন্য কঠিন হবে বলে আল্লাহ সে নিয়ামত থেকে আমাদের দূরে সরিয়ে রাখেন। আল্লাহ তায়ালাই সিদ্ধান্ত নেন, কাকে কিভাবে পরীক্ষা নেবেন, কার পরীক্ষা সহজ করবেন, কারটা কঠিন।
আমরা তো তার বান্দা শুধু। আমরা শুধু চেষ্টা করে যেতে পারি, ফলাফল দেওয়ার মালিক তো আল্লাহ তায়ালা। আল্লাহ যখন চেয়েছেন, ব্যর্থ হয়েছি।
আল্লাহ যখন চেয়েছেন, সফল হয়েছি। এটা হচ্ছে বিশ্বাস, এটা হচ্ছে ঈমান।
আমার সাথে হাসনাইন নামের একটা ছেলে মেডিকেল এ্যাডমিশন দিয়েছিলো। ছেলেটার চান্স হয় নি। এতোদিন পর্যন্ত যতোবার ওর সাথে দেখা হতো, ও শুধু হতাশাই ব্যক্ত করতো, কেন চান্স হলো না, চান্স হলে কি হতো, এসব নিয়ে কথা হতো, আলোচনা-পর্যালোচনা হতো।
কয়েকদিন আগে সেই ছেলেটা মাদীনা ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চলে গেলো। এতোদিন ও আমাকে ঈর্ষা করতো, আর এখন আমিই ওকে ঈর্ষা করি। মনে মনে ভাবি, আহ! আমিও যদি ওর মতো মদীনায় 'মাসজিদে নববীতে' দিনের মধ্যে ইচ্ছেমত কয়েক ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে পারতাম! যদি পারতাম নবীর রাওযা যিয়ারত করতে!
আল্লাহ সে সুযোগ আমাকে দেননি, ওকে দিয়েছেন।
আল্লাহ তায়ালাই যাকে ইচ্ছে কাঁদান, যাকে ইচ্ছে হাসান। আজকে যিনি আপনাকে কাঁদিয়েছেন, কাল তিনিই কেবল আপনার মুখে হাসি ফোটাতে পারেন।
আর কেউ পারে না। কেউ না।
আল্লাহ তায়ালাই আমাদের জীবনে সুখ আর দুঃখের আবর্তন ঘটান। আজকে যদি আপনার জীবনে দুঃখ আসে, কাল আপনার জীবনে সুখ এনে দেওয়া আল্লাহর ওয়াদা। আর, তাঁর চাইতে ভালো ওয়াদাপালনকারী আর কেউ নেই। বিশ্বাস করুন, কেউ নেই। আপনি শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন, আল্লাহ আপনার মুখে অবশ্যই হাসি ফোটাবেন।
হয়তো সেদিন অবাক হয়ে ভাববেন, 'আহ! আমার মালিক কতো মেহেরবান'!
এই অনুভূতির সম্মুখীন ইনশাআল্লাহ আপনিই একদিন হবেন, প্রয়োজন শুধু সেই মুহূর্তটুকুর জন্য অপেক্ষা। চলুন, মল্লিকের প্রিয় একটা গানের ক'টা চমৎকার লাইনের সাথে কন্ঠ মেলাই..
'সাহসের সাথে কিছু স্বপ্ন জড়াও
তারপর পথ চল নির্ভয়,
আধারের ভাজ কেটে আসবে বিজয়
সূর্যের লগ্ন সে নিশ্চয়'।।
সূর্যের কিরণমাখা সে লগ্ন আসবেই ইনশাআল্লাহ।
_ Dr.Jobayer Mahmud
©Copy
কিন্তু যে ছেলেটা চান্স পায় নি, তারে নিয়ে কেউ ওমন মাতামাতি কেউ করে না, ইনফ্যাক্ট করাটা উচিতও না। কেউ করলে, তারে মনে হয় জনম জনমের শত্রু।
জানি, অনেক চাওয়ার পরে একটা জিনিস না পেলে দুঃখেরা হয় বাধনবিহীন, সীমানা ছাড়া। কাউকে মুখ দেখাতে ইচ্ছে হয় না। অকারণ অভিমান জমে মনে।
কার ওপরে সে অভিমান, ঠিক স্পষ্ট করে বলা যায় না, কাউকে বোঝানোও যায় না।
আমি গতবছর থেকে দুজন ছাত্রকে চিনতাম। নটরডেম কলেজের।
একই রুমে থাকতো। একসাথে পড়তো।
ফার্স্ট টাইমে একজন চান্স পেলো, আরেকজন পেলো না। অথচ আমি ভেবেছিলাম, ওই ছেলেটা চান্স পাচ্ছেই। সেকেন্ড টাইমে সে আবার পরীক্ষা দিলো। যথাসাধ্য পরিশ্রমও করলো। কিন্তু আল্লাহ তাকে চান্স দিলেন না। স্বপ্নটা তার পূরণ হলো না।
এখন এই ছেলেটা আসলে কার ওপর অভিমান করবে? নিজের কপালের ওপর?
নাকি অন্য কারো ওপর?
কিছু কিছু প্রশ্নের উত্তর থাকে না। অপশন ব্লাংক।
ভর্তি পরীক্ষা অথবা জীবনের পরীক্ষা, সবখানেই।
সেই প্রশ্নটা আপনাকে মুকাবিলা করতেই হবে, অথচ উত্তর আপনার জানা নেই! খুব অদ্ভুত না ব্যাপারটা?
আল্লাহ কখনো কখনো এমন সব পরীক্ষা নেন, নির্বাক হয়ে অশ্রু ঝরানো ছাড়া আপনার করার কিছুই থাকে না। সবর করতে হয়। সাবরুন জামিল।
তবে এটুকু সত্য, এই দুঃখের ভার আপনার বওয়ার সামর্থ্য আছে বলেই এই দুঃখ আল্লাহ আপনার কাধে চাপিয়েছেন। কখনো কখনো আল্লাহর নিয়ামতগুলো আসলে আমাদের কাছে আসে পরীক্ষা হয়ে। সে পরীক্ষা হয়তো আমাদের জন্য কঠিন হবে বলে আল্লাহ সে নিয়ামত থেকে আমাদের দূরে সরিয়ে রাখেন। আল্লাহ তায়ালাই সিদ্ধান্ত নেন, কাকে কিভাবে পরীক্ষা নেবেন, কার পরীক্ষা সহজ করবেন, কারটা কঠিন।
আমরা তো তার বান্দা শুধু। আমরা শুধু চেষ্টা করে যেতে পারি, ফলাফল দেওয়ার মালিক তো আল্লাহ তায়ালা। আল্লাহ যখন চেয়েছেন, ব্যর্থ হয়েছি।
আল্লাহ যখন চেয়েছেন, সফল হয়েছি। এটা হচ্ছে বিশ্বাস, এটা হচ্ছে ঈমান।
আমার সাথে হাসনাইন নামের একটা ছেলে মেডিকেল এ্যাডমিশন দিয়েছিলো। ছেলেটার চান্স হয় নি। এতোদিন পর্যন্ত যতোবার ওর সাথে দেখা হতো, ও শুধু হতাশাই ব্যক্ত করতো, কেন চান্স হলো না, চান্স হলে কি হতো, এসব নিয়ে কথা হতো, আলোচনা-পর্যালোচনা হতো।
কয়েকদিন আগে সেই ছেলেটা মাদীনা ইউনিভার্সিটিতে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে চলে গেলো। এতোদিন ও আমাকে ঈর্ষা করতো, আর এখন আমিই ওকে ঈর্ষা করি। মনে মনে ভাবি, আহ! আমিও যদি ওর মতো মদীনায় 'মাসজিদে নববীতে' দিনের মধ্যে ইচ্ছেমত কয়েক ওয়াক্ত সালাত আদায় করতে পারতাম! যদি পারতাম নবীর রাওযা যিয়ারত করতে!
আল্লাহ সে সুযোগ আমাকে দেননি, ওকে দিয়েছেন।
আল্লাহ তায়ালাই যাকে ইচ্ছে কাঁদান, যাকে ইচ্ছে হাসান। আজকে যিনি আপনাকে কাঁদিয়েছেন, কাল তিনিই কেবল আপনার মুখে হাসি ফোটাতে পারেন।
আর কেউ পারে না। কেউ না।
আল্লাহ তায়ালাই আমাদের জীবনে সুখ আর দুঃখের আবর্তন ঘটান। আজকে যদি আপনার জীবনে দুঃখ আসে, কাল আপনার জীবনে সুখ এনে দেওয়া আল্লাহর ওয়াদা। আর, তাঁর চাইতে ভালো ওয়াদাপালনকারী আর কেউ নেই। বিশ্বাস করুন, কেউ নেই। আপনি শুধু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন, আল্লাহ আপনার মুখে অবশ্যই হাসি ফোটাবেন।
হয়তো সেদিন অবাক হয়ে ভাববেন, 'আহ! আমার মালিক কতো মেহেরবান'!
এই অনুভূতির সম্মুখীন ইনশাআল্লাহ আপনিই একদিন হবেন, প্রয়োজন শুধু সেই মুহূর্তটুকুর জন্য অপেক্ষা। চলুন, মল্লিকের প্রিয় একটা গানের ক'টা চমৎকার লাইনের সাথে কন্ঠ মেলাই..
'সাহসের সাথে কিছু স্বপ্ন জড়াও
তারপর পথ চল নির্ভয়,
আধারের ভাজ কেটে আসবে বিজয়
সূর্যের লগ্ন সে নিশ্চয়'।।
সূর্যের কিরণমাখা সে লগ্ন আসবেই ইনশাআল্লাহ।
_ Dr.Jobayer Mahmud
©Copy