🏮PSTU Update
💌ওয়েবসাইট ঠিক করা হয়েছে এবং GST তে ২০ এর নিচে যারা তাদের আবেদনের সুযোগ দিয়েছে।
💌আবেদনঃ https://admission.pstu.ac.bd/
#PSTU #GST
💌ওয়েবসাইট ঠিক করা হয়েছে এবং GST তে ২০ এর নিচে যারা তাদের আবেদনের সুযোগ দিয়েছে।
💌আবেদনঃ https://admission.pstu.ac.bd/
#PSTU #GST
⭐️সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত আয়োজক কমিটির উপর
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হবে নাকি পুরো সিলেবাসে হবে সে বিষয়ে ভর্তি কমিটির বৈঠকে ঠিক করা হবে। যদিও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পক্ষে মত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
জানা গেছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ১৯৭৩ এর অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই অধ্যাদেশের ফলে সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করে না। তবে জাতীয় কল্যাণের কথা বিবেচনা করে সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরামর্শ দিতে পারে। এই পরামর্শ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মানবে কিনা সেটি তাদের সিদ্ধান্ত।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে মত দেয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভাবতে শুরু করেছে। তবে এখনি এই বিষয়ে খোলাসা করতে চাচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগে অথবা পরে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান তারা।
আরও পড়ুন: রাবিতে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ নিয়ে যা বললেন ভিসি
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় বিষয় ঠিক হয় ভর্তি কমিটির সভায়। এখানে এককভাবে বলাটা সমীচীন হবে না। কেননা আমি একটি কথা বললাম পরে সেটি পরিবর্তন হয়ে গেল। এতে করে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হবে। তাই এই বিষয়ে ভর্তি কমিটির সভার আগে কিছু বলা সম্ভব হবে না।
এদিকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পক্ষে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর। তিনি বলেন, যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে হচ্ছে সেহেতু ভর্তি পরীক্ষাও এই সিলেবাসের আলোকে নেওয়া দরকার
@The Daily Campus
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হবে নাকি পুরো সিলেবাসে হবে সে বিষয়ে ভর্তি কমিটির বৈঠকে ঠিক করা হবে। যদিও সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পক্ষে মত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
জানা গেছে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ১৯৭৩ এর অধ্যাদেশ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। এই অধ্যাদেশের ফলে সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করে না। তবে জাতীয় কল্যাণের কথা বিবেচনা করে সরকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরামর্শ দিতে পারে। এই পরামর্শ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মানবে কিনা সেটি তাদের সিদ্ধান্ত।
সূত্র জানায়, সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে মত দেয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ভাবতে শুরু করেছে। তবে এখনি এই বিষয়ে খোলাসা করতে চাচ্ছে না কর্তৃপক্ষ। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগে অথবা পরে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চান তারা।
আরও পড়ুন: রাবিতে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষার সুযোগ নিয়ে যা বললেন ভিসি
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ভর্তি পরীক্ষার যাবতীয় বিষয় ঠিক হয় ভর্তি কমিটির সভায়। এখানে এককভাবে বলাটা সমীচীন হবে না। কেননা আমি একটি কথা বললাম পরে সেটি পরিবর্তন হয়ে গেল। এতে করে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি হবে। তাই এই বিষয়ে ভর্তি কমিটির সভার আগে কিছু বলা সম্ভব হবে না।
এদিকে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের পক্ষে নিজের অভিমত ব্যক্ত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আলমগীর। তিনি বলেন, যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের আলোকে হচ্ছে সেহেতু ভর্তি পরীক্ষাও এই সিলেবাসের আলোকে নেওয়া দরকার
@The Daily Campus
A-Unit-2021.pdf
1.7 MB
✅হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এর মেধাতালিকা প্রকাশিত।
Agri Admission Notice.pdf
5 MB
Agriculture Waiting Update,
এখনো প্রোফাইলে অপশন Add হয়নি। রাত ৯ টার পরে Login করলে অপশন পেয়ে যাবে,আশা করছি।
🔘Log in link:
https://admission-agri.org/student_panel/applicant_login.php
এখনো প্রোফাইলে অপশন Add হয়নি। রাত ৯ টার পরে Login করলে অপশন পেয়ে যাবে,আশা করছি।
🔘Log in link:
https://admission-agri.org/student_panel/applicant_login.php
Admission 21-22 update
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী বছরের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর উপাচার্য পরিষদের সভায় ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নাকি পুরো সিলেবাসে হবে সেটিও এই বৈঠকে ঠিক করা হবে।
২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী বছরের মাঝামাঝি অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর উপাচার্য পরিষদের সভায় ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। ভর্তি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নাকি পুরো সিলেবাসে হবে সেটিও এই বৈঠকে ঠিক করা হবে।
# Breaking News
ভর্তিপরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে--মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা.দিপুমনি
https://www.facebook.com/groups/1875947025889852/permalink/2167931516691400/?sfnsn=mo&ref=share
@ConfusingQuestions10
ভর্তিপরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে--মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা.দিপুমনি
https://www.facebook.com/groups/1875947025889852/permalink/2167931516691400/?sfnsn=mo&ref=share
@ConfusingQuestions10
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
💥RU Update
রাবি সি ইউনিট সাব্জেক্ট চয়েজের ১২তম সিলেকশন ও ওয়েটিং লিস্ট প্রকাশিত
🔘Links:
http://admission.ru.ac.bd/notice_202021/result/c/Unit_C_1_12thSelection30Dec2021.pdf
http://admission.ru.ac.bd/notice_202021/result/c/Unit_C_2_12thSelection30Dec2021.pdf
http://admission.ru.ac.bd/notice_202021/result/c/Unit_C_3_12thSelection30Dec2021.pdf
রাবি সি ইউনিট সাব্জেক্ট চয়েজের ১২তম সিলেকশন ও ওয়েটিং লিস্ট প্রকাশিত
🔘Links:
http://admission.ru.ac.bd/notice_202021/result/c/Unit_C_1_12thSelection30Dec2021.pdf
http://admission.ru.ac.bd/notice_202021/result/c/Unit_C_2_12thSelection30Dec2021.pdf
http://admission.ru.ac.bd/notice_202021/result/c/Unit_C_3_12thSelection30Dec2021.pdf
👍5🎉2
⭐️এ বছর ঢাবি ভর্তি পরীক্ষায় বেশি আসন কমবে কলা অনুষদে, আসন বাড়বে বিজ্ঞানে⭐️
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক পর্যায়ে আসন পুনর্নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এ সংক্রান্ত একটি সুপারিশও জমা দিয়েছে ডিনস কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদার কথা বিবেচনা করে দক্ষ জনবল তৈরি করতেই এ উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।
সুপারিশ অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আসন কমছে কলা অনুষদে। আর বিজ্ঞান অনুষদের বিভাগগুলোতে আসন বাড়ানো হচ্ছে। সুপারিশ আমলে নিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন কমবে ১ হাজার ১৫টি।
ডিনস কমিটির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কলা অনুষদের বেশির ভাগ বিভাগেই আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। কলা অনুষদে বিভাগ রয়েছে ১৭টি। এর মধ্যে ১৬টিতেই আসন কমানোর সুপারিশ করেছে ডিনস কমিটি। একটি বিভাগে আসন বাড়ছে ৭টি।
আসন কমছে বাংলা বিভাগে। বিভাগটিতে ১৩২ থেকে ১২০টি, ইংরেজিতে ১৫০ থেকে ১২০টি, আরবিতে ১৫০ থেকে ১০০টি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্যে ১০০ থেকে ৭৫টি, উর্দুতে ১১০ থেকে ৭০টি, পালি ও বুড্ডিস্ট স্টাডিজে ৯০ থেকে ৫০টি, ইতিহাসে ১৩০ থেকে ১১০টি, দর্শনে ১৭০ থেকে ১২০টি, ইসলামিক স্টাডিজে ১৮৫ থেকে ১০০টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ১৬০ থেকে ১১০টি, তথ্যবিজ্ঞান ও প্রন্থাগার ব্যবস্থাপনায় ৭৫ থেকে ৬৫টি, ভাষাবিজ্ঞানে ৯০ থেকে ৭০টি, সংগীতে ৮০ থেকে ৬০টি, বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতিতে ১০০ থেকে ৬০টি ও নৃত্যকলায় ৩৫ থেকে ৩০টি আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। ৭টি আসন বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজে। বিভাগটিতে আগে আসন ছিলো ১৮টি। ডিনস কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে কলা অনুষদে আসন কমবে ৫১৫টি। কলা অনুষদে আসন ছিলো ১ হাজার ৮৭৫টি।
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে বর্তমানে আসন রয়েছে ১২৫০টি। অনুষদটিতে ২০০ আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস, মার্কেটিং, ফাইন্যান্স ও ম্যানেজমেন্টে ৩০টি করে আসন কমানোর কথা বলা হয়েছে। বিভাগগুলোতে আসন ছিলো ১৮০ করে। ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগে ১৫০ থেকে ১০০টি, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগে ১১৫ তেকে ১০০টি, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসেও ১১৫ থেকে ১০০টি এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে ১১৫ থেকে ১০০টি আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এই অনুষদের একটি মাত্র বিভাগে ১৫টি আসন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে ডিনস কমিটি। অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগে ৩৫ থেকে আসন বাড়িয়ে ৫০টি করা হচ্ছে।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদেও কমছে আসন। অনুষদটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ২০০ থেকে ১৫০টি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ১০০ থেকে ৮০টি, সমাজবিজ্ঞানে ১৮৫ থেকে ১৫০টি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ৬৬ থেকে ৬০টি, লোকপ্রশাসনে ১১০ থেকে ৯০টি, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নে ৬০ থেকে ৪০টি, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে ৪৫ থেকে ৪০টি, ক্রিমিনোলজিতে ৬০ থেকে ৫০টি, কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারসে ৪০ থেকে ৩০টি ও জাপানিজ স্টাডিজে ৬০ থেকে ৫০টি আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। আসন বাড়ছে তিনটি বিভাগে। অর্থনীতি বিভাগে ১২৮ থেকে ১৩০টি, পপুলেশন সায়েন্সেসে ২৫ থেকে ৪০টি ও ডেভেলেপমেন্ট স্টাডিজে ২৮ থেকে ৪০টি আসনে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে। বাকী বিভাগগুলো নৃবিজ্ঞান, টেলিভিশন-ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি ও প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন স্টাডিজে আসন অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
আইন অনুষদে আসন ১৩০ থেকে আসন সংখ্যা কমিয়ে ১১০ করার সুপারিশ করা হয়েছে। চারুকলা অনুষদের শুধু অংকন ও চিত্রায়ণ বিভাগে শিক্ষার্থী আসন সংখ্যা ৩০ থেকে কমিয়ে ২৫ করার সুপারিশ করা হয়েছে। বাকী বিভাগগুলোতে আসন সংখ্যা অপরবির্তিত থাকবে।।
@ConfusingQuestions10
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে স্নাতক পর্যায়ে আসন পুনর্নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে এ সংক্রান্ত একটি সুপারিশও জমা দিয়েছে ডিনস কমিটি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদার কথা বিবেচনা করে দক্ষ জনবল তৈরি করতেই এ উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।
সুপারিশ অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আসন কমছে কলা অনুষদে। আর বিজ্ঞান অনুষদের বিভাগগুলোতে আসন বাড়ানো হচ্ছে। সুপারিশ আমলে নিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন কমবে ১ হাজার ১৫টি।
ডিনস কমিটির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কলা অনুষদের বেশির ভাগ বিভাগেই আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। কলা অনুষদে বিভাগ রয়েছে ১৭টি। এর মধ্যে ১৬টিতেই আসন কমানোর সুপারিশ করেছে ডিনস কমিটি। একটি বিভাগে আসন বাড়ছে ৭টি।
আসন কমছে বাংলা বিভাগে। বিভাগটিতে ১৩২ থেকে ১২০টি, ইংরেজিতে ১৫০ থেকে ১২০টি, আরবিতে ১৫০ থেকে ১০০টি, ফারসি ভাষা ও সাহিত্যে ১০০ থেকে ৭৫টি, উর্দুতে ১১০ থেকে ৭০টি, পালি ও বুড্ডিস্ট স্টাডিজে ৯০ থেকে ৫০টি, ইতিহাসে ১৩০ থেকে ১১০টি, দর্শনে ১৭০ থেকে ১২০টি, ইসলামিক স্টাডিজে ১৮৫ থেকে ১০০টি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ১৬০ থেকে ১১০টি, তথ্যবিজ্ঞান ও প্রন্থাগার ব্যবস্থাপনায় ৭৫ থেকে ৬৫টি, ভাষাবিজ্ঞানে ৯০ থেকে ৭০টি, সংগীতে ৮০ থেকে ৬০টি, বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতিতে ১০০ থেকে ৬০টি ও নৃত্যকলায় ৩৫ থেকে ৩০টি আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। ৭টি আসন বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজে। বিভাগটিতে আগে আসন ছিলো ১৮টি। ডিনস কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে কলা অনুষদে আসন কমবে ৫১৫টি। কলা অনুষদে আসন ছিলো ১ হাজার ৮৭৫টি।
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে বর্তমানে আসন রয়েছে ১২৫০টি। অনুষদটিতে ২০০ আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস, মার্কেটিং, ফাইন্যান্স ও ম্যানেজমেন্টে ৩০টি করে আসন কমানোর কথা বলা হয়েছে। বিভাগগুলোতে আসন ছিলো ১৮০ করে। ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগে ১৫০ থেকে ১০০টি, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগে ১১৫ তেকে ১০০টি, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেসেও ১১৫ থেকে ১০০টি এবং ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্টে ১১৫ থেকে ১০০টি আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। এই অনুষদের একটি মাত্র বিভাগে ১৫টি আসন বাড়ানোর সুপারিশ করেছে ডিনস কমিটি। অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ বিভাগে ৩৫ থেকে আসন বাড়িয়ে ৫০টি করা হচ্ছে।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদেও কমছে আসন। অনুষদটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ২০০ থেকে ১৫০টি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ১০০ থেকে ৮০টি, সমাজবিজ্ঞানে ১৮৫ থেকে ১৫০টি, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে ৬৬ থেকে ৬০টি, লোকপ্রশাসনে ১১০ থেকে ৯০টি, শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়নে ৬০ থেকে ৪০টি, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগে ৪৫ থেকে ৪০টি, ক্রিমিনোলজিতে ৬০ থেকে ৫০টি, কমিউনিকেশন ডিজঅর্ডারসে ৪০ থেকে ৩০টি ও জাপানিজ স্টাডিজে ৬০ থেকে ৫০টি আসন কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে। আসন বাড়ছে তিনটি বিভাগে। অর্থনীতি বিভাগে ১২৮ থেকে ১৩০টি, পপুলেশন সায়েন্সেসে ২৫ থেকে ৪০টি ও ডেভেলেপমেন্ট স্টাডিজে ২৮ থেকে ৪০টি আসনে উন্নীত করার কথা বলা হয়েছে। বাকী বিভাগগুলো নৃবিজ্ঞান, টেলিভিশন-ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি ও প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিকেশন স্টাডিজে আসন অপরিবর্তিত রাখার সুপারিশ করা হয়েছে।
আইন অনুষদে আসন ১৩০ থেকে আসন সংখ্যা কমিয়ে ১১০ করার সুপারিশ করা হয়েছে। চারুকলা অনুষদের শুধু অংকন ও চিত্রায়ণ বিভাগে শিক্ষার্থী আসন সংখ্যা ৩০ থেকে কমিয়ে ২৫ করার সুপারিশ করা হয়েছে। বাকী বিভাগগুলোতে আসন সংখ্যা অপরবির্তিত থাকবে।।
@ConfusingQuestions10
🔥6😢2👍1😁1
এপ্রিলের ১ তারিখ
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা।।
সেশন ২১-২২।।
আবার __ সেশন ২২-২৩
ভর্তি পরীক্ষা এই বছরে শেষে।।
★★ ২২ সালে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দুইটি।।
ডাঃ এ কে এম আহসান হাবিব
পরিচালক,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর৷।।
@ConfusingQuestions10
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা।।
সেশন ২১-২২।।
আবার __ সেশন ২২-২৩
ভর্তি পরীক্ষা এই বছরে শেষে।।
★★ ২২ সালে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা দুইটি।।
ডাঃ এ কে এম আহসান হাবিব
পরিচালক,স্বাস্থ্য অধিদপ্তর৷।।
@ConfusingQuestions10
😱10👍4❤3😁3😢3👎1
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম মেধাতালিকা প্রকাশিত।
A-Unit সাবজেক্ট পেয়েছে ৩৭১৭ মেরিট পর্যন্ত।
B-Unit সাবজেক্ট পেয়েছে ১৬৫০ মেরিট পর্যন্ত।
C-Unit সাবজেক্ট পেয়েছে ১১২৫ মেরিট পর্যন্ত।
@ConfusingQuestions10
A-Unit সাবজেক্ট পেয়েছে ৩৭১৭ মেরিট পর্যন্ত।
B-Unit সাবজেক্ট পেয়েছে ১৬৫০ মেরিট পর্যন্ত।
C-Unit সাবজেক্ট পেয়েছে ১১২৫ মেরিট পর্যন্ত।
@ConfusingQuestions10
👍6👎1🔥1
🔥12💩4❤2😱2👍1
Forwarded from Exam Mate Official (Abstracted Alif)
⭐️SUST ⭐️
SUST এ ভর্তির সময় শুধু HSC এর Original Marksheet এর জমা নেয় So এটা ব্যতিত SUST এ ভর্তি হতে পারবেনা
বাকি documents গুলো শুধু প্রদর্শন করতে হয়
NB:original documents ব্যতিত যারা ফটোকপি নিয়ে গেছে তাদের ভর্তি ছাড়াই ফেরত আসতে হয়েছে!
@ConfusingQuestion2
SUST এ ভর্তির সময় শুধু HSC এর Original Marksheet এর জমা নেয় So এটা ব্যতিত SUST এ ভর্তি হতে পারবেনা
বাকি documents গুলো শুধু প্রদর্শন করতে হয়
NB:original documents ব্যতিত যারা ফটোকপি নিয়ে গেছে তাদের ভর্তি ছাড়াই ফেরত আসতে হয়েছে!
@ConfusingQuestion2
👍3❤2
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির বলেছেন, ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ সিলেবাসেই হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হবে না। মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে, ১৭ জানুয়ারি ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সভা করে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। সভায় মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগের নিয়মেই আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কথা রয়েছে।
ওই সভায় স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বাদল সভাপতিত্ব করেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ এইচএম এনায়েত হোসেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পরীক্ষা আয়োজক কমিটির এক সদস্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি উত্থাপন করে। কিন্তু বাকী সদস্যের এর বিপক্ষে মত দেন। ফলে সভায় আগের নিয়মেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির বলেন, সভায় সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বিষয়টি তোলা হয়েছিল। তবে সেটিতে কেউ রাজি নন। তাই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ সিলেবাসের আলোকেই অনুষ্ঠিত হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা হবে না।
প্রসঙ্গত, করোনা মহামারীর মধ্যে গত বছরের ২ এপ্রিল সারাদেশে একযোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেবার ৩৭টি সরকারি মেডিকেলে ৪ হাজার ৩৫০টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষার একদিন পর ৪ এপ্রিল ফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাস করেন ৪৮ হাজার ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন।
এর আগে, ১৭ জানুয়ারি ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সভা করে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর। সভায় মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগের নিয়মেই আয়োজনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কথা রয়েছে।
ওই সভায় স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল ইসলাম বাদল সভাপতিত্ব করেন। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ এইচএম এনায়েত হোসেন, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. এ কে এম আহসান হাবীব উপস্থিত ছিলেন।
সভায় পরীক্ষা আয়োজক কমিটির এক সদস্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার বিষয়টি উত্থাপন করে। কিন্তু বাকী সদস্যের এর বিপক্ষে মত দেন। ফলে সভায় আগের নিয়মেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির বলেন, সভায় সংক্ষিপ্ত সিলেবাসের বিষয়টি তোলা হয়েছিল। তবে সেটিতে কেউ রাজি নন। তাই ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সম্পূর্ণ সিলেবাসের আলোকেই অনুষ্ঠিত হবে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে ভর্তি পরীক্ষা হবে না।
প্রসঙ্গত, করোনা মহামারীর মধ্যে গত বছরের ২ এপ্রিল সারাদেশে একযোগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সেবার ৩৭টি সরকারি মেডিকেলে ৪ হাজার ৩৫০টি আসনের বিপরীতে ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ১ লাখ ১৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষার একদিন পর ৪ এপ্রিল ফল প্রকাশ করা হয়। এতে পাস করেন ৪৮ হাজার ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন।
👍8❤7🔥4
🔥Breaking News🔥
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ১ এপ্রিল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে
https://thedailycampus.com/admission-test/85229
@ConfusingQuestions10
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ১ এপ্রিল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা ২২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে
https://thedailycampus.com/admission-test/85229
@ConfusingQuestions10
The Daily Campus
মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
দেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। আর ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা হবে একই মাসের ২২ তারিখে।
❤3👍1
ওমিক্রন: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি ধাপে ধাপে বাড়াতে পারে
করোনা সংকটে প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও আবার শ্রেণি ও বোর্ড পরীক্ষায় নেমে আসতে পারে স্থবিরতা। চলতি বছরের শুরুতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে আপাতত ৬ ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগের মতো এবারো ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, আগের মতো এবারো ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নির্ধারণ করা হবে ছুটি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক বিদ্যালয়) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত স্কুল-কলেজ খোলা সম্ভব হবে না। বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে আমরা অনলাইন ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হচ্ছে। ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট শুরু করতে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। শিগগির ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত এর আওতায় আনা হবে। অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অ্যাসাইনমেন্ট ও অনলাইন ক্লাসের জন্য আগের চেয়ে শিক্ষকদের অনেক বেশি বেল্ডেন্ডার এডুকেশনের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। যত দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করা যায় সে চেষ্টা আমাদের আছে। যতক্ষণ তা না করা যায় ততক্ষণ অনলাইন কার্যক্রমের উপর নির্ভর করতে হবে।
জানা যায়, দেশে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘরবন্দি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চালিয়ে নিতে সরকার সংসদ টিভি, রেডিও এবং অনলাইনে শিক্ষকদের পাঠদান সম্প্রচার করলেও দেশের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এর আওতায় আসেনি। ঢাকা মহানগরের কিছু শিক্ষার্থী পেয়েছে এ সুবিধা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, করোনার কারণে আইসিটিভিত্তিক শিক্ষা শুরু করেছে বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয়ভাবে আইসিটি শিক্ষাব্যবস্থা চালু নেই দেশে। বিচ্ছিন্নভাবে অনলাইনে যে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে তা সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে না। ফলে আইসিটি শিক্ষায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
সমস্যা সমাধানে যেসব সুপারিশ করেছেন শিক্ষাবিদরা তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শিক্ষকদের আইসিটি বিষয়ে অভিজ্ঞ করে তোলা। বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন ডিভাইস দিয়ে অনলাইন ক্লাসে সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
~ TDC Report
করোনা সংকটে প্রায় দেড় বছর বন্ধের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও আবার শ্রেণি ও বোর্ড পরীক্ষায় নেমে আসতে পারে স্থবিরতা। চলতি বছরের শুরুতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে আপাতত ৬ ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে আগের মতো এবারো ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, আগের মতো এবারো ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ানো হবে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে নির্ধারণ করা হবে ছুটি। সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (মাধ্যমিক বিদ্যালয়) অধ্যাপক বেলাল হোসাইন বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত স্কুল-কলেজ খোলা সম্ভব হবে না। বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে আমরা অনলাইন ক্লাস শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হচ্ছে। ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট শুরু করতে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। শিগগির ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত এর আওতায় আনা হবে। অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অ্যাসাইনমেন্ট ও অনলাইন ক্লাসের জন্য আগের চেয়ে শিক্ষকদের অনেক বেশি বেল্ডেন্ডার এডুকেশনের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে সক্ষমতা তৈরি করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে। যত দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু করা যায় সে চেষ্টা আমাদের আছে। যতক্ষণ তা না করা যায় ততক্ষণ অনলাইন কার্যক্রমের উপর নির্ভর করতে হবে।
জানা যায়, দেশে করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। ঘরবন্দি শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা চালিয়ে নিতে সরকার সংসদ টিভি, রেডিও এবং অনলাইনে শিক্ষকদের পাঠদান সম্প্রচার করলেও দেশের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এর আওতায় আসেনি। ঢাকা মহানগরের কিছু শিক্ষার্থী পেয়েছে এ সুবিধা।
সংশ্লিষ্টদের মতে, করোনার কারণে আইসিটিভিত্তিক শিক্ষা শুরু করেছে বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয়ভাবে আইসিটি শিক্ষাব্যবস্থা চালু নেই দেশে। বিচ্ছিন্নভাবে অনলাইনে যে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে তা সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করতে পারবে না। ফলে আইসিটি শিক্ষায় বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে।
সমস্যা সমাধানে যেসব সুপারিশ করেছেন শিক্ষাবিদরা তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে শিক্ষকদের আইসিটি বিষয়ে অভিজ্ঞ করে তোলা। বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে বিভিন্ন ডিভাইস দিয়ে অনলাইন ক্লাসে সব শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।
~ TDC Report
👍17👎6🔥5💩4😁3