গুচ্ছে আবেদন করেছেন ১,৭০,৫৯৯ জন। অর্থাৎ আসন প্রতি লড়বেন প্রায় ১৫ জন।
💔70🥰33🤯17🫡16🍓12👌4🆒4😨3❤2😐2🤷♂1
দশম শ্রেণির সিলেবাসে হবে এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি হবে দুইবার!
©TDC
©TDC
🤷♂80🤯33👏20😐19😨16🫡12🔥4🥰4🍓3👌2🏆2
চবি ক ইউনিট ভর্তি পরীক্ষার আসন বিন্যাস প্রকাশিত।
❇️ রাজশাহী অঞ্চল:
https://drive.google.com/file/d/1LvbjrNbs979q9TDM08jgODSVisD_ZpZs/view
❇️ঢাকা অঞ্চল:
https://drive.google.com/file/d/1llFByCCQE8MBjuxIHE_16ooiIhQ6KTGU/view
❇️ রাজশাহী অঞ্চল:
https://drive.google.com/file/d/1LvbjrNbs979q9TDM08jgODSVisD_ZpZs/view
❇️ঢাকা অঞ্চল:
https://drive.google.com/file/d/1llFByCCQE8MBjuxIHE_16ooiIhQ6KTGU/view
❤🔥22🥰4💔2
আল্লাহ কাউকে এমন মৃত্যু না দেক।
জীবন কি রকম অনিশ্চিত!
হয়তো লিপইয়ার না হলে তারা সবাই আজ বেঁচে থাকতো😔
জীবন কি রকম অনিশ্চিত!
হয়তো লিপইয়ার না হলে তারা সবাই আজ বেঁচে থাকতো😔
😢85😭20😐5
News Zone
Photo
এমনটা না হলেও পারতো!
আমার মাত্র তিনটা বেঞ্চ সামনে বসতো নাহিয়ান (Nahian Amin)। শুধু গ্রুপেরই নয় পুরো কলেজের তুখোড় মেধাবীদের একজন ছিলো নাহিয়ান। কিন্তু সবসময় মুখে হাসি লেগেই থাকতো ওর। ওর অমায়িক এবং নিরহংকার ব্যবহার যে কাউকেই মুগ্ধ করতো। বরিশাল জিলা স্কুল থেকে মেধার স্বাক্ষর রেখে নটরডেম এবং তারপর বুয়েটের EEE তে এইতো কিছুদিন আগেই ভর্তি হয়েছিল।
গণিতের প্রতি ছিলো ওর তীব্র প্যাশন৷ নটরডেম গণিত ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। লেখালেখি তেও ছিলো সক্রিয়। লেখাপড়া ছাড়াও আরো অনেক কাজে নিজেকেই নিজে ছাড়িয়ে গিয়েছিলো ও!
ওর মৃত্যুর খবরটা শুনে হাহাকার করে উঠলো বুকটা। ট্রেনে করে একসাথে বাসায় যাওয়া। পথে যেতে যেতে কত গল্প কত ঘটনার সাক্ষী ছিলাম আমরা! কুইজের আগে ও পড়ে ডিসকাশন থেকে শুরু করে কোনো কিছু না বুঝলেই ওকে মেসেজ দেওয়া সব এখন অতীত!
কত মজা করেছি একসাথে। ও ছিলো অসম্ভব রকমের পরিশ্রমী। কিন্তু আমি আমার জীবনে এতো অমায়িক, ভালো ও তুখোড় মেধাবী বন্ধুর সান্নিধ্য পাইনি বললেই চলে।
ও আজকে পরপারে চলে গেলো। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!
কিন্তু এটা কি নিছকই একটা দুর্ঘটনা ছিলো? নাকি গণহত্যা? যেখানে প্রাণ দিতে হয়েছে আমার সহজ-সরল এই বন্ধুটাকে?
এইতো কয়েকদিন আগেও বলেছিল বাংলাদেশে গেলে বরিশাল ঘুরাবে। বন্ধুর সাথে বরিশাল ঘুরার স্বপ্ন আজ স্বপ্নই রয়ে গেলো! এখন আর মুখে গালভরা একটা হাসি দিয়ে কেউ বলবে না, "এই লর্ড, কেমন আছিস মামা!"
©️
আমার মাত্র তিনটা বেঞ্চ সামনে বসতো নাহিয়ান (Nahian Amin)। শুধু গ্রুপেরই নয় পুরো কলেজের তুখোড় মেধাবীদের একজন ছিলো নাহিয়ান। কিন্তু সবসময় মুখে হাসি লেগেই থাকতো ওর। ওর অমায়িক এবং নিরহংকার ব্যবহার যে কাউকেই মুগ্ধ করতো। বরিশাল জিলা স্কুল থেকে মেধার স্বাক্ষর রেখে নটরডেম এবং তারপর বুয়েটের EEE তে এইতো কিছুদিন আগেই ভর্তি হয়েছিল।
গণিতের প্রতি ছিলো ওর তীব্র প্যাশন৷ নটরডেম গণিত ক্লাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। লেখালেখি তেও ছিলো সক্রিয়। লেখাপড়া ছাড়াও আরো অনেক কাজে নিজেকেই নিজে ছাড়িয়ে গিয়েছিলো ও!
ওর মৃত্যুর খবরটা শুনে হাহাকার করে উঠলো বুকটা। ট্রেনে করে একসাথে বাসায় যাওয়া। পথে যেতে যেতে কত গল্প কত ঘটনার সাক্ষী ছিলাম আমরা! কুইজের আগে ও পড়ে ডিসকাশন থেকে শুরু করে কোনো কিছু না বুঝলেই ওকে মেসেজ দেওয়া সব এখন অতীত!
কত মজা করেছি একসাথে। ও ছিলো অসম্ভব রকমের পরিশ্রমী। কিন্তু আমি আমার জীবনে এতো অমায়িক, ভালো ও তুখোড় মেধাবী বন্ধুর সান্নিধ্য পাইনি বললেই চলে।
ও আজকে পরপারে চলে গেলো। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!
কিন্তু এটা কি নিছকই একটা দুর্ঘটনা ছিলো? নাকি গণহত্যা? যেখানে প্রাণ দিতে হয়েছে আমার সহজ-সরল এই বন্ধুটাকে?
এইতো কয়েকদিন আগেও বলেছিল বাংলাদেশে গেলে বরিশাল ঘুরাবে। বন্ধুর সাথে বরিশাল ঘুরার স্বপ্ন আজ স্বপ্নই রয়ে গেলো! এখন আর মুখে গালভরা একটা হাসি দিয়ে কেউ বলবে না, "এই লর্ড, কেমন আছিস মামা!"
©️
😢310😭63💔19
অগ্নিকান্ডে যাদের মৃত্যু হয়, তাদের মৃত্যুর সবচেয়ে বড়ো কারণ দেহাংশ আগুনে পুড়ে যাওয়া নয়, বরং আগ্নিকাণ্ডে সৃষ্ট কার্বন মনোক্সাইড-এর বিষক্রিয়া।
কাঠ কিংবা অন্যান্য 'সলিড ফুয়েলে' আগুন লাগলে এবং বদ্ধ পরিবেশে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকায় একটি অসম্পূর্ণ বিক্রিয়ায় বিষাক্ত CO তৈরি হয়। এমনই একটি গ্যাস, যার নেই কোনো গন্ধ, নেই কোনো স্বাদ। এমনকি বর্ণহীন হওয়ায় দেখাও যায় না।
এই গ্যাস আপনার নাক-মুখ দিয়ে ফুসফুসে যাওয়া মাত্রই রক্তে থাকা হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে পড়ে এবং তৈরি করে কার্বোক্সি-হিমোগ্লোবিন (HbCO)। অথচ এখানে অক্সিজেনের যুক্ত হওয়ার কথা ছিল (HbO)। HbO এর তুলনায় HbCO রাসায়নিকভাবে অনেক বেশি স্থিতিশীল (Stable)। ব্যাস, দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে দেখা দেয় অক্সিজেন ঘাটতি। প্রথমে অজ্ঞান হবেন, এরপর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা না নিলে ধীরে ধীরে মৃত্যু। এই ব্যাপারটিকেই বলা হয় 'কার্বন-মনোক্সাইড বিষক্রিয়া'।
এই কারণে অগ্নিকাণ্ডের পরিস্থিতিতে যথাসম্ভব প্রশ্বাস বন্ধ রেখে পালানোর চেষ্টা করা উচিত।
#chemistry #Phyisiology #Biology
©Bigyanprio
কাঠ কিংবা অন্যান্য 'সলিড ফুয়েলে' আগুন লাগলে এবং বদ্ধ পরিবেশে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকায় একটি অসম্পূর্ণ বিক্রিয়ায় বিষাক্ত CO তৈরি হয়। এমনই একটি গ্যাস, যার নেই কোনো গন্ধ, নেই কোনো স্বাদ। এমনকি বর্ণহীন হওয়ায় দেখাও যায় না।
এই গ্যাস আপনার নাক-মুখ দিয়ে ফুসফুসে যাওয়া মাত্রই রক্তে থাকা হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে পড়ে এবং তৈরি করে কার্বোক্সি-হিমোগ্লোবিন (HbCO)। অথচ এখানে অক্সিজেনের যুক্ত হওয়ার কথা ছিল (HbO)। HbO এর তুলনায় HbCO রাসায়নিকভাবে অনেক বেশি স্থিতিশীল (Stable)। ব্যাস, দেহের অঙ্গপ্রত্যঙ্গে দেখা দেয় অক্সিজেন ঘাটতি। প্রথমে অজ্ঞান হবেন, এরপর তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা না নিলে ধীরে ধীরে মৃত্যু। এই ব্যাপারটিকেই বলা হয় 'কার্বন-মনোক্সাইড বিষক্রিয়া'।
এই কারণে অগ্নিকাণ্ডের পরিস্থিতিতে যথাসম্ভব প্রশ্বাস বন্ধ রেখে পালানোর চেষ্টা করা উচিত।
#chemistry #Phyisiology #Biology
©Bigyanprio
😢194❤39❤🔥6👏6💔6🔥4😨4😐2
News Zone
অগ্নিকান্ডে যাদের মৃত্যু হয়, তাদের মৃত্যুর সবচেয়ে বড়ো কারণ দেহাংশ আগুনে পুড়ে যাওয়া নয়, বরং আগ্নিকাণ্ডে সৃষ্ট কার্বন মনোক্সাইড-এর বিষক্রিয়া। কাঠ কিংবা অন্যান্য 'সলিড ফুয়েলে' আগুন লাগলে এবং বদ্ধ পরিবেশে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকায় একটি অসম্পূর্ণ বিক্রিয়ায় বিষাক্ত…
Informative post
**Must Read
**Must Read
❤66💔3🔥2