মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছেন দুজন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী। তাদের আবেদনের ওপর মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুরে আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের আদালতে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
আবেদনকারী দুই শিক্ষার্থী হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আলসাদি ভূঁইয়া এবং আহনাফ সাঈদ খান।
🛑 Follow NewsZone For more important information
🔥90😢7💯5❤🔥4🥰3
কোটা নিয়ে সব পক্ষের বক্তব্য শুনে ন্যায়বিচার করবেন আদালত: আইনমন্ত্রী
🔥53🫡12❤4❤🔥2👏2💯2😢1🆒1
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার থেকে আগামীকাল ১০ জুলাই সারা দেশে সকাল সন্ধ্যা "বাংলা ব্লকেড" কর্মসূচি পালিত হবে। সড়ক ও রেলপথ "বাংলা ব্লকেড" এর আওতায় থাকবে।
এক দফা এক দাবি টি হল
সরকারি চাকরির সকল গ্রেডে বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে শুধুমাত্র অনগ্রসর গোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী ও মুক্তিযুদ্ধার সন্তানদের জন্য সর্বোচ্চ ৫% কোটা রাখতে হবে।
সোর্স: সংবাদ সম্মেলন (কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ঢাবি)
🛑 Follow NewsZone For more important information
🔥86❤🔥7👌3💯3😢2
🔥23
চবির কোটা আন্দোলনকারীকে হত্যার হুমকি, ছাত্রলীগের কর্মীর বিরুদ্ধে দুই থানায় জিডি
😢68❤🔥5👌4💔4🔥2
চুক্তি অনুযায়ী বিসিএস এর তিন ধাপে মোট ৫০ থেকে ৬০ লাখ টাকার চুক্তি হতো। এছাড়া অন্যান্য পরীক্ষায় ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকায় চুক্তি হতো। এই সব টাকা ধাপে ধাপে নেওয়া হতো।
বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে এ সব প্রার্থী সিলেক্ট করা হতো। যারা টাকা দেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন কেবল তাদেরকেই আলাদা করে কোচিং করানো হতো। ধীরে ধীরে তাদের সঙ্গে চুক্তি করা হতো।
বেশির ভাগ প্রার্থী ম্যানেজ করার কাজটি করতো গ্রেফতার হওয়া পিএসসির উপ-পরিচালক আবু জাফর যিনি মালিবাগে জ্যোতি ইনস্টিটিউট নামে একটি সেন্টার চালাতেন। এই কোচিং সেন্টারটি তার স্ত্রীর নামে। এস এম আলমগীর কবির চালাতেন মিরপুরে একটি কোচিং সেন্টার। এ দুটো কোচিং সেন্টারে সরকারি চাকরির পড়া ছাড়া আর কোনো কিছু করানো হতো না।
সিআইডি কর্মকর্তারা বলেছেন, এই দুই কোচিং সেন্টার থেকেই মূলত বেছে বেছে প্রার্থী সিলেক্ট করা হতো। যেহেতু টাকা একেবারে লাগে না তাই প্রার্থীরাও ধীরে ধীরে টাকা দিতে পারে এবং পরীক্ষার একটি ধাপে টিকে গেলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। পরবর্তীতে সম্পদ নষ্ট করে হলেও চাকরির জন্য টাকা দিয়ে দেয় প্রার্থীরা।
এখন এই প্রশ্ন ক্রেতাদের মুখোশ উন্মোচন করা জরুরি। এরা এখন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ পদে সেট হয়ে আছে।
আপনার পরিচিত কারা কারা এই জ্যোতি ইনস্টিটিউটে কোচিং করেছেন তাদের ব্যাপারে খোঁজ নিন।
©Abdur Rehman
🛑 Follow NewsZone For more important information
বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে এ সব প্রার্থী সিলেক্ট করা হতো। যারা টাকা দেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন কেবল তাদেরকেই আলাদা করে কোচিং করানো হতো। ধীরে ধীরে তাদের সঙ্গে চুক্তি করা হতো।
বেশির ভাগ প্রার্থী ম্যানেজ করার কাজটি করতো গ্রেফতার হওয়া পিএসসির উপ-পরিচালক আবু জাফর যিনি মালিবাগে জ্যোতি ইনস্টিটিউট নামে একটি সেন্টার চালাতেন। এই কোচিং সেন্টারটি তার স্ত্রীর নামে। এস এম আলমগীর কবির চালাতেন মিরপুরে একটি কোচিং সেন্টার। এ দুটো কোচিং সেন্টারে সরকারি চাকরির পড়া ছাড়া আর কোনো কিছু করানো হতো না।
সিআইডি কর্মকর্তারা বলেছেন, এই দুই কোচিং সেন্টার থেকেই মূলত বেছে বেছে প্রার্থী সিলেক্ট করা হতো। যেহেতু টাকা একেবারে লাগে না তাই প্রার্থীরাও ধীরে ধীরে টাকা দিতে পারে এবং পরীক্ষার একটি ধাপে টিকে গেলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায়। পরবর্তীতে সম্পদ নষ্ট করে হলেও চাকরির জন্য টাকা দিয়ে দেয় প্রার্থীরা।
এখন এই প্রশ্ন ক্রেতাদের মুখোশ উন্মোচন করা জরুরি। এরা এখন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ পদে সেট হয়ে আছে।
আপনার পরিচিত কারা কারা এই জ্যোতি ইনস্টিটিউটে কোচিং করেছেন তাদের ব্যাপারে খোঁজ নিন।
©Abdur Rehman
🛑 Follow NewsZone For more important information
😱58🔥14💯7💔7😨4🤩2🆒2😐1
আবেদ আলীর সর্বশেষ স্বীকারোক্তি :
সর্বশেষ ৫ জুলাই রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার ৪৬ জন প্রার্থীকে রাজধানীর পল্টনের একটি পানির ফিল্টারের গুদামে রাখা হয়েছিল। বিসিএস পরীক্ষার প্রিলিমিনারি ও লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র এই চক্রটি ২০০২ সালে ২৪তম বিসিএস পরীক্ষা থেকে শুরু করে সর্বশেষ ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও তারা ফাঁস করেছে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক।
🛑 Follow NewsZone For more important information
😢73😱34💔9😨8👏6❤1🤩1
মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় চার সপ্তাহ স্থগিত
©TDC
©TDC
🔥62😢31😐10👏7💔7👌3
🔥7
প্রশ্নফাঁস চক্রটির কাছে দুটি বিসিএস পরীক্ষার শত শত প্রবেশপত্রের ফটোকপি পাওয়া গেছে। তবে কোন দুটি বিসিএস পরীক্ষার প্রবেশপত্র এ বিষয়ে কিছু জানায়নি সিআইডি।
পিএসসির ভেতরে-বাইরে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিল চক্রটি। ফলে সুরক্ষিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভেদ করে প্রশ্ন বের করে আনা এবং টাকার বিনিময়ে তা পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানোর কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্ন হতো। নিয়োগ পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার জন্য পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তি করত তারা। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র, আইডি ও পাসওয়ার্ড থাকত চক্রের কাছে। যেন চাইলেও কোনো পরীক্ষার্থী তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে না পারেন।
🛑 Follow NewsZone For more important information
💔30😢19