জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এমন সিদ্ধান্তের পর চাকরিজীবীদের সেই হিসাব কিভাবে, কোন পদ্ধতিতে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে একটি ফরম্যাট প্রস্তুত করা হবে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেস উর রহমান।
জানা গেছে, পাঁচ বছর পর পর সরকারি কর্মচারীর সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার বিধান চালু হয় ১৯৭৯ সালে।
পাঁচ বছর পরপর সরকারি কর্মচারীর নিজ সম্পদ বিবরণী নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার কথা। তবে চাকরির সেই আচরণবিধি আদতে মানছেন না তেমন কেউ। সম্পদের হিসাব দিতে সরকারি চাকরিজীবীর তেমন হেলদোল নেই। তাদের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থারও হিসাব নেওয়ার ব্যাপারে নেই গরজ।
জানা গেছে, পাঁচ বছর পর পর সরকারি কর্মচারীর সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার বিধান চালু হয় ১৯৭৯ সালে।
পাঁচ বছর পরপর সরকারি কর্মচারীর নিজ সম্পদ বিবরণী নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার কথা। তবে চাকরির সেই আচরণবিধি আদতে মানছেন না তেমন কেউ। সম্পদের হিসাব দিতে সরকারি চাকরিজীবীর তেমন হেলদোল নেই। তাদের নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থারও হিসাব নেওয়ার ব্যাপারে নেই গরজ।
💯106❤🔥15❤9🔥4👏2🫡2🆒2
Exam Mate এর অফিসিয়াল পেইজে এভাবেই GK এর মতো other sub এর রেগুলার Rapid Fire নেওয়া হবে ইনশা আল্লাহ্,যদি reponse ভালো থাকে।
Test link:https://www.facebook.com/share/r/Me7KfgBtfVcF2wWU/?mibextid=oFDknk
Test link:https://www.facebook.com/share/r/Me7KfgBtfVcF2wWU/?mibextid=oFDknk
❤19
২০২৫ সালে দশম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা (২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য) নেওয়ার লক্ষ্যে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা অব্যাহত রেখে পূর্বের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর আলোকে প্রণীত সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তকগুলো (অর্থাৎ ২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত পুস্তক) শিক্ষার্থীদের সরবরাহ করা হবে।
যেসব শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে, তাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর আলোকে প্রণীত শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তকগুলো (২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত) প্রদান করা হবে। এসব শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে দুই শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি শেষে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
যেসব শিক্ষার্থী ২০২৫ সালে নবম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে, তাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম-২০১২ এর আলোকে প্রণীত শাখা ও গুচ্ছভিত্তিক সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তকগুলো (২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ব্যবহৃত) প্রদান করা হবে। এসব শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণি মিলিয়ে দুই শিক্ষাবর্ষে সম্পূর্ণ পাঠ্যসূচি শেষে ২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে।
🔥118❤27😍1
বিষয়টাকি বুঝতে পেরেছি আমরা?
২০২৬ সালে এক বছরের সিলেবাস দিয়ে পরীক্ষা হবে,২৭ এ দুইবছরের সিলেবাস মিলে।
২০২৬ সালে এক বছরের সিলেবাস দিয়ে পরীক্ষা হবে,২৭ এ দুইবছরের সিলেবাস মিলে।
👏73😱14👌10💯4
ডিএমটিসিএল সূত্র বলছে, শুক্রবার মেট্রোরেল চালুর বিষয়টি নিশ্চিত, খুব বেশি সময় লাগবে না। ইতোমধ্যে স্টেশন কন্ট্রোলার, ট্রেন অপারেটরসহ অন্য যেসব কর্মী কাজ করবেন, তাদের ডিউটির জন্য রোস্টার তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সকালের দিকে যাত্রী কম থাকায় শুক্রবার দুপুর ৩টা থেকে রাত পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল করবে। উত্তরা উত্তর থেকে মতিঝিল শেষ ট্রেন ছাড়বে রাত ৮টা ৩৩ মিনিট এবং মতিঝিল থেকে উত্তরার শেষ ট্রেনটি রাত ৯টা ১৩ মিনিটে ছাড়বে।
🥰119❤4
এনসিটিবির কর্তারা বলছেন, অনেকটা আগের নিয়মেই অর্থাৎ ২০১২ সালের জাতীয় শিক্ষাক্রমের যে আঙ্গিকে পরীক্ষার আয়োজন করা হত সেভাবেই ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা নেয়ার পথ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের ছোট প্রশ্ন,বড় প্রশ্ন ও এমসিকিউ টাইপ প্রশ্নে (এক কথায় উত্তর, শূন্যস্থান পূরণ ইত্যাদি) বার্ষিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। তবে প্রশ্ন হবে বিদ্যমান অর্থাৎ নতুন শিক্ষাক্রমের বই থেকেই। মূল্যায়ন নির্দেশিকা সংশোধন ও পরিমার্জনের কাজ প্রায় শেষের দিকে বলেও জানিয়েছে এনসিটিবি।
💯100🔥21❤10
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে জানিয়েছে, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে চলমান পাঠ্যপুস্তকগুলো ২০২৪ সালব্যাপী বহাল থাকবে। ২০২৫ সালে যথাসম্ভব সংশোধিত ও পরিমার্জিত পাঠ্যপুস্তক সরবরাহ করা হবে। ২০২৪ সালের অবশিষ্ট সময়ে ও বার্ষিক পরীক্ষায় ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদেরকে সংশোধিত ও পরিমার্জিত মূল্যায়ন পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করা হবে। সংশোধিত ও পরিমার্জনকৃত মূল্যায়ন রূপরেখার ভিত্তিতে ডিসেম্বর নাগাদ ২০২৪ সালের ৬ষ্ঠ থেকে ৯ম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সংশোধিত ও পরিমার্জিত মূল্যায়ন পদ্ধতির রূপরেখা শিগগিরই বিদ্যালয়গুলোতে পাঠানো হবে।
🔥104❤11👏8💯8⚡2👌1🏆1