বাংলাদেশের "মেডিকেলে পড়াবো" হাইপ নিয়ে একটা চরম সত'র্কতা। একটা ভ'য়ং'কর ঘটনা ঘটে গেছে ভারতে।
অনুরাগ অনিল নামে একজন স্টুডেন্ট ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৯৯.৯৯% এর চেয়ে বেশি পেয়ে ২৪ লাখ স্টুডেন্টের মধ্যে ১৪৭৫ তম হয়েছিলো। ২৪ লাখের মধ্যে ১৪৭৫ তম! মাথানষ্ট রেজাল্ট। তার যোগ্যতা ছিলো ১০০%।
কিন্ত এরপরই অদ্ভুত ঘটনাটা ঘটে। মেডিকেল কলেজে ভর্তির আগের দিন সে সু'ই''সা''ইড করেছে। কারণ তার বাবা-মা তাকে জোর করে মেডিকেল পড়াতে চেয়েছিলো আর তার স্বপ্ন ছিলো বড় বিজনেসম্যান হওয়া। তার রেখে যাওয়া নোট থেকে এটাই জানা গেছে।
এর থেকে প্রমাণ হয়, বাংলাদেশের মা-বাবা যে জোর করে মেডিকেলে পাঠান, তাদের সন্তানদেরকে। মেডিকেল আসলে জোর করে পড়াশোনা করানোর জায়গা না। এখানে নিজের ইচ্ছা না থাকলে সারভাইভ করা খুব খুব কঠিন।
তাই মেডিকেলে আপনার সন্তানকে জোর করে পাঠাবেন না। তার যোগ্যতা থাকলেও। যোগ্যতা আছে বলেই, তার অনিচ্ছায় জোর করবেন না।
শাদমান আবরার,
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
অনুরাগ অনিল নামে একজন স্টুডেন্ট ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ৯৯.৯৯% এর চেয়ে বেশি পেয়ে ২৪ লাখ স্টুডেন্টের মধ্যে ১৪৭৫ তম হয়েছিলো। ২৪ লাখের মধ্যে ১৪৭৫ তম! মাথানষ্ট রেজাল্ট। তার যোগ্যতা ছিলো ১০০%।
বি.দ্র. বাংলাদেশে মেডিকেল এক্সাম দেয় সর্বোচ্চ মাত্র ১.৫ লাখ।
কিন্ত এরপরই অদ্ভুত ঘটনাটা ঘটে। মেডিকেল কলেজে ভর্তির আগের দিন সে সু'ই''সা''ইড করেছে। কারণ তার বাবা-মা তাকে জোর করে মেডিকেল পড়াতে চেয়েছিলো আর তার স্বপ্ন ছিলো বড় বিজনেসম্যান হওয়া। তার রেখে যাওয়া নোট থেকে এটাই জানা গেছে।
এর থেকে প্রমাণ হয়, বাংলাদেশের মা-বাবা যে জোর করে মেডিকেলে পাঠান, তাদের সন্তানদেরকে। মেডিকেল আসলে জোর করে পড়াশোনা করানোর জায়গা না। এখানে নিজের ইচ্ছা না থাকলে সারভাইভ করা খুব খুব কঠিন।
তাই মেডিকেলে আপনার সন্তানকে জোর করে পাঠাবেন না। তার যোগ্যতা থাকলেও। যোগ্যতা আছে বলেই, তার অনিচ্ছায় জোর করবেন না।
শাদমান আবরার,
স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
😢115❤21💯6🥰2😍2
সরকার ফরিদপুর ও কুমিল্লা নামে দুটি নতুন প্রশাসনিক বিভাগ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রি-নিকার বৈঠকে প্রাথমিক অনুমোদনের পর আগামী অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস কমিটির (নিকার) বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রস্তাব করেছে, ফরিদপুর বিভাগে ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুর অন্তর্ভুক্ত হবে। অন্যদিকে কুমিল্লা বিভাগ গঠিত হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী নিয়ে। বর্তমানে দেশে মোট ৮টি প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালে ময়মনসিংহকে বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এর আগে ২০২২ সালে ফরিদপুর ও কুমিল্লা অঞ্চলকে ‘পদ্মা’ ও ‘মেঘনা’ বিভাগ হিসেবে গঠনের প্রস্তাব উঠেছিল। তবে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তা স্থগিত রাখা হয়। এবার নতুন বিভাগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আবারও আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রস্তাব করেছে, ফরিদপুর বিভাগে ফরিদপুর, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও শরীয়তপুর অন্তর্ভুক্ত হবে। অন্যদিকে কুমিল্লা বিভাগ গঠিত হবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী নিয়ে। বর্তমানে দেশে মোট ৮টি প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে, সর্বশেষ ২০১৫ সালে ময়মনসিংহকে বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এর আগে ২০২২ সালে ফরিদপুর ও কুমিল্লা অঞ্চলকে ‘পদ্মা’ ও ‘মেঘনা’ বিভাগ হিসেবে গঠনের প্রস্তাব উঠেছিল। তবে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে তা স্থগিত রাখা হয়। এবার নতুন বিভাগের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আবারও আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
😢40❤17🔥4👌2💔1😨1🆒1
একটি সত্যি রূপকথার গল্প দিয়ে বিষয়টির অবতারণা করা যাক। হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে মোহো ব্র্যাকাটার্স নামে এক প্রজাতির পাখি ছিল। হ্যাঁ, কোনো একসময় ছিল, এখন আর নেই। বাঁশির সুরের মত বিষণ্ণভাবে ডাকে বলে এদের চলতি নাম কোয়াই ও-ও। এই বিরলতম প্রজাতির পাখি কমতে কমতে আটের দশকে গোটা পৃথিবীতে মাত্র দুটি কোয়াই ও-ও বেঁচে থাকে, একটি পুরুষ, আরেকটি নারী।
পরিবেশবিদদের আশা ছিল এই জুটি থেকেই ধীরে ধীরে আবার প্রজাতিটির বংশবৃদ্ধি হবে, বিলুপ্তির দোরগোড়া থেকে ফিরে আসবে প্রাণচঞ্চল প্রকৃতির মাঝে। কিন্তু বিধাতা বোধহয় অলক্ষ্যে ক্রূর হাসি হাসছিলেন। এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে মারা যায় একমাত্র জীবিত নারী পাখিটি। সঙ্গিনীকে হারিয়ে পুরুষ কোয়াই শুধুই ও-ও করে করুন সুরে ডেকে চলে। বৃষ্টির মধ্যে, বাজের শব্দের মধ্যেও তার আকুলি বিকুলি ধ্বনিত হয়েছে এক গাছ থেকে আরেক গাছে। ছড়িয়ে পড়েছে পুনর্মিলনের বিফল আকুতি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাঁশির বিষন্ন সুর হাওয়াই দ্বীপের ঘন জঙ্গলের প্রান্তরে প্রান্তরে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে ফিরে এসেছে। আমাদের দুর্ভাগ্য কোয়াই ও-ও প্রজাতির শেষ সদস্যটিও একদিন মারা গেলেন সঙ্গিনীকে খুঁজে পাওয়ার নিষ্ফল আশা নিয়ে লোকচক্ষুর অন্তরালে। পাঠকদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি, পাখিদের ধ্বনি-সুর-গান নিয়ে একটি অপূর্ব সুন্দর ছবি (সাউন্ড ৩২) বানিয়েছেন আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্মাতা স্যাম গ্রিন। প্রজাতির শেষ সদস্যের মৃত্যুর তিন দশক পর এই ছবিতে কান্নার সুর ধ্বনিত হলে প্রেক্ষাগৃহে শ্রোতা দর্শকদের হৃদয়ও যেন দুমড়ে মুচড়ে ওঠে।
জলবায়ু পরিবর্তন ও দ্রুত নগরায়ণের এই যুগে প্রতি ঘণ্টায় হারিয়ে যাচ্ছে অসংখ্য প্রজাতি। বাংলাদেশের মতো জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ দেশে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় এখনই সময় পদক্ষেপ নেওয়ার।
বায়োব্লিটজ এমনই একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রকৃতির সঠিক তথ্য পেতে পারি - জানতে পারি কী আছে, কী হারাচ্ছি, আর কী রক্ষা করা জরুরি।
প্রথমেই আসি এই বায়োব্লিটজ জিনিসটা মূলত কি।
বায়োব্লিটজ হলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে ও একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যত বেশি সম্ভব প্রজাতির সন্ধান, শনাক্তকরণ ও তালিকাভুক্ত করার একটি নিবিড়, সম্মিলিত এবং দ্রুতগতির বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম। একে " বায়োলজিকাল ম্যারাথন"ও বলা চলে। এটির মূল উদ্দেশ্য কোনো এলাকার জীববৈচিত্র্যের একটি তাৎক্ষণিক "স্ন্যাপশট" বা ছবি তুলে ধরা।
এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বা শুধু বিশেষজ্ঞদের গবেষণা নয়; বরং এতে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রকৃতিপ্রেমীরা বিশেষজ্ঞদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেন। এটি বিজ্ঞানকে জনসাধারণের কাছে উন্মুক্ত করে এবং বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহে সকলের অংশগ্রহণকে বাড়িয়ে তোলে।
বায়োব্লিটজের ইতিহাস:
"বায়োব্লিটজ" শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন মার্কিন ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের প্রকৃতিবিদ সুসান রুডি। ১৯৯৬ সালে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র কেনিলওর্থ অ্যাকুয়াটিক গার্ডেনে প্রথম বায়োব্লিটজের আয়োজন করা হয়। স্যাম ড্রোজ এবং ড্যান রডি ছিলেন এর আয়োজনে এবং এতে প্রায় ১,০০০ প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।
প্রথম থেকেই এই কার্যক্রমে সাধারণ মানুষ ও মিডিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এটিই পরবর্তীতে বায়োব্লিটজের একটি প্রধান দিক হয়ে ওঠে—বিজ্ঞানকে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
১৯৯৮ সালে হার্ভার্ডের জীববিজ্ঞানী ই. ও. উইলসন এবং পিটার অ্যালডেন ওয়ালডেন পন্ডের চারপাশের জীবজগৎ ক্যাটালগ করার জন্য একটি প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন, যা পরে স্টেটওয়াইড "বায়োডাইভার্সিটি ডেস"-এ রূপ নেয়। এই ধারণাটি বায়োব্লিটজের সাথে খুবই সাদৃশ্যপূর্ণ।
বায়োব্লিটজের একটি ভিন্নরূপ হলো "ব্লগার ব্লিটজ", যেখানে সবাই এক স্থানে জড়ো হওয়ার বদলে ব্লগাররা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে জরিপ চালিয়ে তার ফলাফল একটি মানচিত্রে জমা দিত। এর মূল লক্ষ্য ছিল ব্যাপকভাবে সচেতনতা তৈরি করা।
বায়োব্লিটজ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১. একটি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের একটি দ্রুত ও মূল্যবান "তথ্যভাণ্ডার" তৈরি করে, যা ভবিষ্যতের গবেষণা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিবেশগত নীতি নির্ধারণে সাহায্য করে।
২.বায়োব্লিটজ সাধারণ মানুষকে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত হতে দেয়। এটি বিজ্ঞানকে গণমুখী ও সহজবোধ্য করে তোলে।
৩. মানুষ যখন নিজ হাতে প্রজাপতি, পাখি বা গাছ শনাক্ত করে, তখন তারা প্রকৃতির সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত হয়। এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।
৪. স্থানীয় মানুষদের তাদের নিজস্ব পরিবেশের সম্পদ সম্পর্কে জানতে এবং তা সংরক্ষণের দায়িত্ব নিতে উৎসাহিত করে।
৫. এটি একটি মজাদার, শিক্ষণীয় এবং সামাজিক অভিজ্ঞতা, যা অংশগ্রহণকারীদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
একটি বাস্তবমুখী ঘটনা দিয়ে ইতি টানতে চাই।
পরিবেশবিদদের আশা ছিল এই জুটি থেকেই ধীরে ধীরে আবার প্রজাতিটির বংশবৃদ্ধি হবে, বিলুপ্তির দোরগোড়া থেকে ফিরে আসবে প্রাণচঞ্চল প্রকৃতির মাঝে। কিন্তু বিধাতা বোধহয় অলক্ষ্যে ক্রূর হাসি হাসছিলেন। এক প্রাকৃতিক দুর্যোগে মারা যায় একমাত্র জীবিত নারী পাখিটি। সঙ্গিনীকে হারিয়ে পুরুষ কোয়াই শুধুই ও-ও করে করুন সুরে ডেকে চলে। বৃষ্টির মধ্যে, বাজের শব্দের মধ্যেও তার আকুলি বিকুলি ধ্বনিত হয়েছে এক গাছ থেকে আরেক গাছে। ছড়িয়ে পড়েছে পুনর্মিলনের বিফল আকুতি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বাঁশির বিষন্ন সুর হাওয়াই দ্বীপের ঘন জঙ্গলের প্রান্তরে প্রান্তরে প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে ফিরে এসেছে। আমাদের দুর্ভাগ্য কোয়াই ও-ও প্রজাতির শেষ সদস্যটিও একদিন মারা গেলেন সঙ্গিনীকে খুঁজে পাওয়ার নিষ্ফল আশা নিয়ে লোকচক্ষুর অন্তরালে। পাঠকদের জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি, পাখিদের ধ্বনি-সুর-গান নিয়ে একটি অপূর্ব সুন্দর ছবি (সাউন্ড ৩২) বানিয়েছেন আমেরিকান চলচ্চিত্র নির্মাতা স্যাম গ্রিন। প্রজাতির শেষ সদস্যের মৃত্যুর তিন দশক পর এই ছবিতে কান্নার সুর ধ্বনিত হলে প্রেক্ষাগৃহে শ্রোতা দর্শকদের হৃদয়ও যেন দুমড়ে মুচড়ে ওঠে।
জলবায়ু পরিবর্তন ও দ্রুত নগরায়ণের এই যুগে প্রতি ঘণ্টায় হারিয়ে যাচ্ছে অসংখ্য প্রজাতি। বাংলাদেশের মতো জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ দেশে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় এখনই সময় পদক্ষেপ নেওয়ার।
বায়োব্লিটজ এমনই একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, যার মাধ্যমে আমরা আমাদের প্রকৃতির সঠিক তথ্য পেতে পারি - জানতে পারি কী আছে, কী হারাচ্ছি, আর কী রক্ষা করা জরুরি।
প্রথমেই আসি এই বায়োব্লিটজ জিনিসটা মূলত কি।
বায়োব্লিটজ হলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে ও একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যত বেশি সম্ভব প্রজাতির সন্ধান, শনাক্তকরণ ও তালিকাভুক্ত করার একটি নিবিড়, সম্মিলিত এবং দ্রুতগতির বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম। একে " বায়োলজিকাল ম্যারাথন"ও বলা চলে। এটির মূল উদ্দেশ্য কোনো এলাকার জীববৈচিত্র্যের একটি তাৎক্ষণিক "স্ন্যাপশট" বা ছবি তুলে ধরা।
এটি কোনো আনুষ্ঠানিক বা শুধু বিশেষজ্ঞদের গবেষণা নয়; বরং এতে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রকৃতিপ্রেমীরা বিশেষজ্ঞদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করেন। এটি বিজ্ঞানকে জনসাধারণের কাছে উন্মুক্ত করে এবং বৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহে সকলের অংশগ্রহণকে বাড়িয়ে তোলে।
বায়োব্লিটজের ইতিহাস:
"বায়োব্লিটজ" শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন মার্কিন ন্যাশনাল পার্ক সার্ভিসের প্রকৃতিবিদ সুসান রুডি। ১৯৯৬ সালে ওয়াশিংটন ডি.সি.-র কেনিলওর্থ অ্যাকুয়াটিক গার্ডেনে প্রথম বায়োব্লিটজের আয়োজন করা হয়। স্যাম ড্রোজ এবং ড্যান রডি ছিলেন এর আয়োজনে এবং এতে প্রায় ১,০০০ প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছিল।
প্রথম থেকেই এই কার্যক্রমে সাধারণ মানুষ ও মিডিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এটিই পরবর্তীতে বায়োব্লিটজের একটি প্রধান দিক হয়ে ওঠে—বিজ্ঞানকে সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।
১৯৯৮ সালে হার্ভার্ডের জীববিজ্ঞানী ই. ও. উইলসন এবং পিটার অ্যালডেন ওয়ালডেন পন্ডের চারপাশের জীবজগৎ ক্যাটালগ করার জন্য একটি প্রোগ্রাম তৈরি করেছিলেন, যা পরে স্টেটওয়াইড "বায়োডাইভার্সিটি ডেস"-এ রূপ নেয়। এই ধারণাটি বায়োব্লিটজের সাথে খুবই সাদৃশ্যপূর্ণ।
বায়োব্লিটজের একটি ভিন্নরূপ হলো "ব্লগার ব্লিটজ", যেখানে সবাই এক স্থানে জড়ো হওয়ার বদলে ব্লগাররা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে জরিপ চালিয়ে তার ফলাফল একটি মানচিত্রে জমা দিত। এর মূল লক্ষ্য ছিল ব্যাপকভাবে সচেতনতা তৈরি করা।
বায়োব্লিটজ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
১. একটি অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের একটি দ্রুত ও মূল্যবান "তথ্যভাণ্ডার" তৈরি করে, যা ভবিষ্যতের গবেষণা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরিবেশগত নীতি নির্ধারণে সাহায্য করে।
২.বায়োব্লিটজ সাধারণ মানুষকে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার সাথে সরাসরি যুক্ত হতে দেয়। এটি বিজ্ঞানকে গণমুখী ও সহজবোধ্য করে তোলে।
৩. মানুষ যখন নিজ হাতে প্রজাপতি, পাখি বা গাছ শনাক্ত করে, তখন তারা প্রকৃতির সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত হয়। এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষার গুরুত্ব বুঝতে সাহায্য করে।
৪. স্থানীয় মানুষদের তাদের নিজস্ব পরিবেশের সম্পদ সম্পর্কে জানতে এবং তা সংরক্ষণের দায়িত্ব নিতে উৎসাহিত করে।
৫. এটি একটি মজাদার, শিক্ষণীয় এবং সামাজিক অভিজ্ঞতা, যা অংশগ্রহণকারীদের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
একটি বাস্তবমুখী ঘটনা দিয়ে ইতি টানতে চাই।
❤20🔥2👏1🎉1
যে স্কুলপড়ুয়া তার সহপাঠীকে, ভাই-বোনকে যত্ন করে, রক্ষা করার চেষ্টা করে, সেই আবার সঠিক জ্ঞানের অভাবে একটি বিষহীন সাপকেও মেরে ফেলতে উদ্যত হয়। আর বয়স বাড়লে অরণ্য ভ্রমণে গিয়ে পথের দুপাশে কাচের, প্লাস্টিকের বোতল, চিপস বিস্কুট চানাচুর চকলেটের প্যাকেট ফেলে আসতে দ্বিধা করে না। কারণ অরণ্যের হস্তিটি তার কাছে ক্ষনিকের উপভোগের বস্তু। ভাগ্যক্রমে দেখে ফেলা চিতাবাঘটি সোশ্যাল মিডিয়ায় তার স্ট্যাটাস সিম্বল মাত্র। সে মনে করে, পৃথিবীটা শুধুমাত্র তার একার।
আর তাই উন্নয়ন নগরায়ন খনিজ-সহ সমস্ত প্রাকৃতিক সম্পদের লুণ্ঠন এবং অসীম ভোগবাদের কানাগলিতে সোনার হরিণের পিছনে ছুটলে কেবলই বিপদ বাড়বে।
✅ Participate in CoEN Bioblitz 2025 : https://www.facebook.com/share/p/19ahHcnzWF/
আর তাই উন্নয়ন নগরায়ন খনিজ-সহ সমস্ত প্রাকৃতিক সম্পদের লুণ্ঠন এবং অসীম ভোগবাদের কানাগলিতে সোনার হরিণের পিছনে ছুটলে কেবলই বিপদ বাড়বে।
✅ Participate in CoEN Bioblitz 2025 : https://www.facebook.com/share/p/19ahHcnzWF/
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
❤13
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য সময় (২০২৫-২৬)
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - নভেম্বর মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় - ডিসেম্বর
বুয়েট - নভেম্বর-ডিসেম্বর
বিইউপি - ডিসেম্বর
মেডিকেল - ডিসেম্বর
AFMC - ডিসেম্বর
মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় - ডিসেম্বর
শাবিপ্রবি - ডিসেম্বর
MIST - ডিসেম্বর
IUT - ডিসেম্বর
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় - জানুয়ারি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় - জানুয়ারি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় - জানুয়ারি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় - জানুয়ারি
ডেন্টাল - জানুয়ারি
গুচ্ছ - মার্চের শেষ হতে এপ্রিলের প্রথমার্ধ
কৃষি গুচ্ছ - এপ্রিল
বি.দ্র: এ বছর ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি Overlap হওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে।
© Admission Informer
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় - নভেম্বর মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় - ডিসেম্বর
বুয়েট - নভেম্বর-ডিসেম্বর
বিইউপি - ডিসেম্বর
মেডিকেল - ডিসেম্বর
AFMC - ডিসেম্বর
মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয় - ডিসেম্বর
শাবিপ্রবি - ডিসেম্বর
MIST - ডিসেম্বর
IUT - ডিসেম্বর
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় - জানুয়ারি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় - জানুয়ারি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় - জানুয়ারি
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় - জানুয়ারি
ডেন্টাল - জানুয়ারি
গুচ্ছ - মার্চের শেষ হতে এপ্রিলের প্রথমার্ধ
কৃষি গুচ্ছ - এপ্রিল
বি.দ্র: এ বছর ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি Overlap হওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে।
© Admission Informer
❤52😭39👏5🔥3🆒2😢1👌1😨1
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ (সম্ভাব্য)
বিজ্ঞান ইউনিট - ১৩ ডিসেম্বর
মানবিক ইউনিট - ২০ ডিসেম্বর
ব্যবসা শিক্ষা ইউনিট - ৬ ডিসেম্বর
আইবিএ ইউনিট - ২৮ নভেম্বর
চারুকলা ইউনিট - ২৯ নভেম্বর
বিজ্ঞান ইউনিট - ১৩ ডিসেম্বর
মানবিক ইউনিট - ২০ ডিসেম্বর
ব্যবসা শিক্ষা ইউনিট - ৬ ডিসেম্বর
আইবিএ ইউনিট - ২৮ নভেম্বর
চারুকলা ইউনিট - ২৯ নভেম্বর
😢42🔥12❤10😭9😱5🤩3💔2🕊1😍1😨1
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা
১৬ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান)
১৭ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট (মানবিক)
২৪ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট (বাণিজ্য)
পরীক্ষা দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশালে হবে।
১৬ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট (বিজ্ঞান)
১৭ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিট (মানবিক)
২৪ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট (বাণিজ্য)
পরীক্ষা দুই শিফটে অনুষ্ঠিত হবে।
পরীক্ষা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশালে হবে।
❤35😨8🥰2😭2
প্রথমবারের মতো মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এমসিকিউ এর পাশাপাশি লিখিত অংশ থাকবে। তবে খুব বেশি নম্বর লিখিত অংশের জন্য থাকবে না। ১০ থেকে ২০ নম্বর লিখিত থাকতে পারে৷ বিষয়টি বিএনএন্ডডিসি চূড়ান্ত করবে
😢40🔥26👌5😭5❤4👏4🥰3
Times Higher Education World University Rankings 2026
801-1000:
Daffodil International University
Gazipur Agricultural University
Jahangirnagar University
North South University
University of Dhaka
1001-1200:
Bangladesh Agricultural University
Bangladesh University of Engineering and Technology
Brac University
Jashore University of Science and Technology
Khulna University of Engineering and Technology
University of Rajshahi
1201-1500:
American International University Bangladesh
Chittagong University of Engineering and Technology
Khulna University
Mawlana Bhasani science and Technology University
Noakhali Science and Technology University
University of Chittagong
1501+
East west University
Military Institute of Science and Technology
✅ News Zone
801-1000:
Daffodil International University
Gazipur Agricultural University
Jahangirnagar University
North South University
University of Dhaka
1001-1200:
Bangladesh Agricultural University
Bangladesh University of Engineering and Technology
Brac University
Jashore University of Science and Technology
Khulna University of Engineering and Technology
University of Rajshahi
1201-1500:
American International University Bangladesh
Chittagong University of Engineering and Technology
Khulna University
Mawlana Bhasani science and Technology University
Noakhali Science and Technology University
University of Chittagong
1501+
East west University
Military Institute of Science and Technology
✅ News Zone
🔥40❤24💔5💯2
এবারের মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষা হবে একইদিনে, একই প্রশ্নপত্রে! তথ্যটি সঠিক- নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর
👌28🔥14💔8😨6❤4🥰3❤🔥1👏1💯1😭1