Forwarded from News Zone
রাজশাহীর কোনো শিক্ষার্থীকে মিথ্যা মামলা গ্রেফতার ও হয়রানি করা হলে যোগাযোগ করুন -
আইনজীবী টিমঃ
সরকার শাইন মাহমুদ
অ্যাডভোকেট, রাজশাহী জজ কোর্ট
Mobile: 01832123456
অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম
মোবাইল:+880 1739-079866
ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া
মোবাইল:+880 1711-945604
অ্যাডভোকেট এস এম তাসমিরুল ইসলাম
মোবাইল: +8801686668225
অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান
মোবাইল:+880 1729-921148
অ্যাডভোকেট তারেক আব্দুল্লাহ
মোবাইল:+8801321205400
আল মামুন রাসেল
মোবাইল : + 8801732-604603
আইনজীবী টিমঃ
সরকার শাইন মাহমুদ
অ্যাডভোকেট, রাজশাহী জজ কোর্ট
Mobile: 01832123456
অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম
মোবাইল:+880 1739-079866
ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া
মোবাইল:+880 1711-945604
অ্যাডভোকেট এস এম তাসমিরুল ইসলাম
মোবাইল: +8801686668225
অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান
মোবাইল:+880 1729-921148
অ্যাডভোকেট তারেক আব্দুল্লাহ
মোবাইল:+8801321205400
আল মামুন রাসেল
মোবাইল : + 8801732-604603
❤21
Forwarded from News Zone
রাবি আপডেটঃ পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।
ঘটনার শুরু হয় পুলিশের মিথ্যাচারের মাধ্যমে। সকলকে হেনস্থার মাধ্যমে ক্যাম্পাস থেকে বের করার পর প্রক্টর বলে, শিক্ষার্থীরা নাকি পুলিশের দিকে জুতা ছুড়ে মেরেছে যার কারণে সাদা পোশাকের কিছু গোয়েন্দা সংস্থার লোক তাদেরকে আটক করার চেষ্টা করেছে। অথচ সাংবাদিক থেকে শুরু করে সেখানে যারা উপস্থিত ছিল সকলেই তখন বলেছে আমরা এমন কিছু দেখি নাই।
তারা ছাত্র সহ শিক্ষকদের গায়েও হাত তুলেছে। শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করতে চাইলে শিক্ষকরা বাধা দেন।
শিক্ষার্থীদের মতে, কর্মসূচি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার নির্দেশেই সাদা পোশাকের বাহিনীকে ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে লেলিয়ে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মারধর এবং অন্যায় ভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
©
ঘটনার শুরু হয় পুলিশের মিথ্যাচারের মাধ্যমে। সকলকে হেনস্থার মাধ্যমে ক্যাম্পাস থেকে বের করার পর প্রক্টর বলে, শিক্ষার্থীরা নাকি পুলিশের দিকে জুতা ছুড়ে মেরেছে যার কারণে সাদা পোশাকের কিছু গোয়েন্দা সংস্থার লোক তাদেরকে আটক করার চেষ্টা করেছে। অথচ সাংবাদিক থেকে শুরু করে সেখানে যারা উপস্থিত ছিল সকলেই তখন বলেছে আমরা এমন কিছু দেখি নাই।
তারা ছাত্র সহ শিক্ষকদের গায়েও হাত তুলেছে। শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করতে চাইলে শিক্ষকরা বাধা দেন।
শিক্ষার্থীদের মতে, কর্মসূচি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টার নির্দেশেই সাদা পোশাকের বাহিনীকে ছাত্র-ছাত্রীদের উপরে লেলিয়ে দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদেরকে মারধর এবং অন্যায় ভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
©
😢114
কথা দিয়েছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের থেকে কাউকে গ্রেফতার করবেন না, মামলা দিয়ে হয়রানি করবেন না ৷ আপনারা কথা রাখেননি ৷
আপনারা আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপর আঘাত করেছেন ৷ সারাদেশে আমার স্কুল কলেজের ভাইবোনদের উপর লাঠিচার্জ করেছেন ৷ যাকে ইচ্ছা তাকে জেলে পাঠিয়েছেন ৷ আন্দোলনকারীকে খুঁজে না পেলে বাসা থেকে ভাইকে তুলে নিয়েছেন, বাবা'কে হুমকি দিয়েছেন ! মাশরুর তার উদাহরণ ৷
যারা একটিবারের জন্যও এই আন্দোলনে এসেছে তারা শান্তিতে ঘুমাতে পারেনা, গ্রেফতারের ভয়ে থাকে ৷ এমন অনেকে আছে যাদের পরিবার এখনো তাদের খোঁজ পায়নি ৷ এমন তো হওয়া উচিৎ ছিল না !
কোথায় মহাখালীর সেতু ভবন আর কোথায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ! অথচ আপনারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মহাখালীর সেতুভবনে হামলার জন্য গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলেন ৷ সাথে আছে আসিফ মাহতাব স্যার, মাশরুর সহ আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী অসংখ্য শিক্ষার্থী ৷
রিক্সা থেকে নামিয়ে প্রিজন ভ্যানে তুলছেন, বাসা থেকে তুলে নিয়ে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ৷ আমার বোনদের রাস্তায় ফেলে পিটিয়েছেন ৷ কি ভাবছেন ? এভাবেই সবকিছু শেষ হয়ে যাবে ?
৬ দিনের ডিবি হেফাজত দিয়ে ৬জনকে আটকে রাখা যায় কিন্তু এই বাংলাদেশের পুরো তরুণ প্রজন্মকে কিভাবে আটকে রাখবেন ? দূর্নীতি, লুটপাট, অর্থ পাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার করে যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছেন প্রতিনিয়ত সেগুলো কিভাবে নিবৃত করবেন ?
পুলিশ ভাইদের উদ্দেশ্যে একটা বলি ৷ এ দেশের মানুষের ক্ষোভ আপনাদের উপর নয়, পুলিশের উপর নয় ৷ এই ক্ষোভ আপনার গায়ের ওই পোশাকটার উপর ৷ যে পোশাকটাকে ইউজ করে বছরের পর বছর আপনাদের দিয়ে এ দেশের অসংখ্য মানুষকে দমন-পীড়ন করা হয়েছে, অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে, জেল আর আদালতের প্রাঙ্গনে চক্কর কাটানো হয়েছে, সেই পোশাকটার উপর ৷ ওই পোশাকটা ছেড়ে আসুন আমাদের সাথে, বুকে টেনে নিব ৷
এ পথ যেহেতু সত্যের পথ, ন্যায়ের পথ, তাই যেকোনো কিছু মোকাবেলা করতে আমরা বিন্দুমাত্র বিচলিত নই ৷ যতদিন না এ বাংলাদেশ আন্দোলনকারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠছে ; গণগ্রেফতার, জুলুম, নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে ;
ততদিন এ লড়াই চলবে ৷
-সার্জিস আলম
প্রধান সমন্বয়ক
আপনারা আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপর আঘাত করেছেন ৷ সারাদেশে আমার স্কুল কলেজের ভাইবোনদের উপর লাঠিচার্জ করেছেন ৷ যাকে ইচ্ছা তাকে জেলে পাঠিয়েছেন ৷ আন্দোলনকারীকে খুঁজে না পেলে বাসা থেকে ভাইকে তুলে নিয়েছেন, বাবা'কে হুমকি দিয়েছেন ! মাশরুর তার উদাহরণ ৷
যারা একটিবারের জন্যও এই আন্দোলনে এসেছে তারা শান্তিতে ঘুমাতে পারেনা, গ্রেফতারের ভয়ে থাকে ৷ এমন অনেকে আছে যাদের পরিবার এখনো তাদের খোঁজ পায়নি ৷ এমন তো হওয়া উচিৎ ছিল না !
কোথায় মহাখালীর সেতু ভবন আর কোথায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ! অথচ আপনারা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক আরিফ সোহেলকে মহাখালীর সেতুভবনে হামলার জন্য গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিলেন ৷ সাথে আছে আসিফ মাহতাব স্যার, মাশরুর সহ আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী অসংখ্য শিক্ষার্থী ৷
রিক্সা থেকে নামিয়ে প্রিজন ভ্যানে তুলছেন, বাসা থেকে তুলে নিয়ে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ৷ আমার বোনদের রাস্তায় ফেলে পিটিয়েছেন ৷ কি ভাবছেন ? এভাবেই সবকিছু শেষ হয়ে যাবে ?
৬ দিনের ডিবি হেফাজত দিয়ে ৬জনকে আটকে রাখা যায় কিন্তু এই বাংলাদেশের পুরো তরুণ প্রজন্মকে কিভাবে আটকে রাখবেন ? দূর্নীতি, লুটপাট, অর্থ পাচার, ক্ষমতার অপব্যবহার করে যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছেন প্রতিনিয়ত সেগুলো কিভাবে নিবৃত করবেন ?
পুলিশ ভাইদের উদ্দেশ্যে একটা বলি ৷ এ দেশের মানুষের ক্ষোভ আপনাদের উপর নয়, পুলিশের উপর নয় ৷ এই ক্ষোভ আপনার গায়ের ওই পোশাকটার উপর ৷ যে পোশাকটাকে ইউজ করে বছরের পর বছর আপনাদের দিয়ে এ দেশের অসংখ্য মানুষকে দমন-পীড়ন করা হয়েছে, অত্যাচার-নির্যাতন করা হয়েছে, জেল আর আদালতের প্রাঙ্গনে চক্কর কাটানো হয়েছে, সেই পোশাকটার উপর ৷ ওই পোশাকটা ছেড়ে আসুন আমাদের সাথে, বুকে টেনে নিব ৷
এ পথ যেহেতু সত্যের পথ, ন্যায়ের পথ, তাই যেকোনো কিছু মোকাবেলা করতে আমরা বিন্দুমাত্র বিচলিত নই ৷ যতদিন না এ বাংলাদেশ আন্দোলনকারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠছে ; গণগ্রেফতার, জুলুম, নির্যাতন বন্ধ হচ্ছে ;
ততদিন এ লড়াই চলবে ৷
-সার্জিস আলম
প্রধান সমন্বয়ক
❤251🔥31😱3
Forwarded from News Zone
News Zone
❌গুজব Detected রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। -Detected by Admin Panel(Rumors Checker Bot )
Reminder : এসব গুজব ইচ্ছাকৃতভাবে ছড়ানো হতে পারে
❤27🤩4
বিশেষ সতর্কীকরণঃ.....❗❗❗
আপনারা সকলে অবগত আছেন যে আজ আমাদের ৬ জন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ডিবি হেফাজত হতে মুক্তি পেয়ে পরিবারের কাছে ফিরতে পেরেছেন আলহামদুলিল্লাহ। তবে এখনো তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত আছেন। উনারা সম্পূর্ণভাবে স্বুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে অতি দ্রুত ফিরে আসবে বলে আশা রাখছি। আপনারা এটাও জানেন যে আজ মুক্ত হয়ে সার্জিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাই তাদের ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটা পোস্ট করে কিছুটা বাস্তবতা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছিলেন। আর এর পর থেকেই উনাদের একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যায়। ফলে কিছু কুচক্রী মহল ও সুযোগ সন্ধানী উনাদের ছবি ও নাম ব্যাবহার করে অসংখ্য একাউন্ট খুলে নিয়েছে। তাই সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ থাকবে উনারা স্বুস্থ স্বাভাবিক হয়ে আমাদের মাঝে ফেরার আগ পর্যন্ত ভূয়া কোন একাউন্ট থেকে কোন পোস্ট বা মেসেজ পেয়ে বিভ্রান্ত হবেন না বা ওসব একাউন্টের সাথে ব্যাক্তিগত কোন কার্যকলাপ করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটার দায়ভারও কেউ নিবে না। তাই সবাই সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন, তাদের জন্য দোয়া করুন আর আমরা আশা রাখছি তারা অচিরেই আদের মাঝে সম্পূর্ণ কর্মোদ্দীপনা নিয়ে ফিরবেন ইনশাল্লাহ, সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরার জন্য অনুরোধ করা হলো।
(আর এই বার্তাটি শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে)
~বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
আপনারা সকলে অবগত আছেন যে আজ আমাদের ৬ জন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ডিবি হেফাজত হতে মুক্তি পেয়ে পরিবারের কাছে ফিরতে পেরেছেন আলহামদুলিল্লাহ। তবে এখনো তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত আছেন। উনারা সম্পূর্ণভাবে স্বুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে অতি দ্রুত ফিরে আসবে বলে আশা রাখছি। আপনারা এটাও জানেন যে আজ মুক্ত হয়ে সার্জিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহ ভাই তাদের ফেসবুক একাউন্ট থেকে একটা পোস্ট করে কিছুটা বাস্তবতা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছিলেন। আর এর পর থেকেই উনাদের একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যায়। ফলে কিছু কুচক্রী মহল ও সুযোগ সন্ধানী উনাদের ছবি ও নাম ব্যাবহার করে অসংখ্য একাউন্ট খুলে নিয়েছে। তাই সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ থাকবে উনারা স্বুস্থ স্বাভাবিক হয়ে আমাদের মাঝে ফেরার আগ পর্যন্ত ভূয়া কোন একাউন্ট থেকে কোন পোস্ট বা মেসেজ পেয়ে বিভ্রান্ত হবেন না বা ওসব একাউন্টের সাথে ব্যাক্তিগত কোন কার্যকলাপ করে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটার দায়ভারও কেউ নিবে না। তাই সবাই সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন, তাদের জন্য দোয়া করুন আর আমরা আশা রাখছি তারা অচিরেই আদের মাঝে সম্পূর্ণ কর্মোদ্দীপনা নিয়ে ফিরবেন ইনশাল্লাহ, সে পর্যন্ত সবাইকে ধৈর্য ধরার জন্য অনুরোধ করা হলো।
(আর এই বার্তাটি শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে)
~বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
❤98🔥4😱2
Forwarded from News Zone
Sarjis Alam নামে যে পেইজটি থেকে পোস্ট করা হচ্ছে, এটি সম্পূর্ণ ফেক পেইজ।
আমরা পেইজগুলোর Name History বের করেছি। (ছবি দেখো)
উনি কোনো পেইজ খুলেননি, খুললে সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে জানা যাবে ইনশাআল্লাহ।
যেকোনো পেইজ ফলো করার আগে হিস্টোরি চেক + সমন্বয়কদের অফিসিয়াল আইডিতে নজর রাখিয়ো।
©Sabas Edu
আমরা পেইজগুলোর Name History বের করেছি। (ছবি দেখো)
উনি কোনো পেইজ খুলেননি, খুললে সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে জানা যাবে ইনশাআল্লাহ।
যেকোনো পেইজ ফলো করার আগে হিস্টোরি চেক + সমন্বয়কদের অফিসিয়াল আইডিতে নজর রাখিয়ো।
©Sabas Edu
❤78
Forwarded from News Zone
আপনারা ইতোমধ্যে অবগত আছেন যে চলমান বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শাবিপ্রবির CEP বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী রুদ্র সেন শহীদ হয়েছে। সে লক্ষ্যে আমরা রুদ্রের পরিবারের জন্য CEP Fraternity এবং CEP Alumni এর সাথে একটা ফান্ড কালেকশন করার উদ্যোগ নিচ্ছি
রুদ্রের পরিবার সম্পর্কে আমরা CEP Fraternity এর কাছ থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি-
রুদ্রের গ্রামের বাড়ি পাহাড়পুর, দিনাজপুর।
ওর বাবা (বয়স ৬৫+) বেসরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। ছয় বছর আগে অবসর নিয়েছেন। এখন বাড়ির পাশের বাজারে একটা ছোটোখাটো মুদি দোকান দিয়ে কোনোরকমে সংসার চালিয়ে নিচ্ছেন। ওর মা গৃহিনী। উনার বয়স- ৫৫+। ওর এক বোন আছেন, উনি বিবাহিত।
দুই রুম বিশিষ্ট ওর গ্রামের সেই বাড়িটা পুরাতন এবং অনেক আগের।
রুদ্র-ই ছিল ওর পরিবারের ফোকাস; আর এই রুদ্রকেই উনারা হারিয়েছেন। এমন অবস্থায় ওর বৃদ্ধ বাবা-মা অনেক ভেঙে পড়েছেন।
সবকিছু মিলিয়ে ওর পরিবারকে যদি বড় ধরনের একটা আর্থিক সাপোর্ট দেওয়া যেতো তাইলে উনারা উপকৃত হতেন।
নিচের সংযুক্ত নাম্বারে আপনারা আপনাদের উপহার পাঠাতে পারবেন:
01750858774 (বিকাশ /নগদ)
বি.দ্র. টাকা পাঠানোর পর কমেন্টে দেওয়া গুগল ফর্মটি পূরন করবেন।
©SUST insiders
রুদ্রের পরিবার সম্পর্কে আমরা CEP Fraternity এর কাছ থেকে কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি-
রুদ্রের গ্রামের বাড়ি পাহাড়পুর, দিনাজপুর।
ওর বাবা (বয়স ৬৫+) বেসরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। ছয় বছর আগে অবসর নিয়েছেন। এখন বাড়ির পাশের বাজারে একটা ছোটোখাটো মুদি দোকান দিয়ে কোনোরকমে সংসার চালিয়ে নিচ্ছেন। ওর মা গৃহিনী। উনার বয়স- ৫৫+। ওর এক বোন আছেন, উনি বিবাহিত।
দুই রুম বিশিষ্ট ওর গ্রামের সেই বাড়িটা পুরাতন এবং অনেক আগের।
রুদ্র-ই ছিল ওর পরিবারের ফোকাস; আর এই রুদ্রকেই উনারা হারিয়েছেন। এমন অবস্থায় ওর বৃদ্ধ বাবা-মা অনেক ভেঙে পড়েছেন।
সবকিছু মিলিয়ে ওর পরিবারকে যদি বড় ধরনের একটা আর্থিক সাপোর্ট দেওয়া যেতো তাইলে উনারা উপকৃত হতেন।
নিচের সংযুক্ত নাম্বারে আপনারা আপনাদের উপহার পাঠাতে পারবেন:
01750858774 (বিকাশ /নগদ)
বি.দ্র. টাকা পাঠানোর পর কমেন্টে দেওয়া গুগল ফর্মটি পূরন করবেন।
©SUST insiders
❤62
কল /মেসেজ ফরওয়ার্ডিং বা কল ট্র্যাক করা এগুলো নিয়ে দু একটা কথা বলতে হয়, যেহেতু অনেকেই মেসেজ দিচ্ছেন এগুলো নিয়ে!
~ প্রথমত কল বা মেসেজ ফরওয়ার্ডিং বা ডাইভার্ট করা মানেই "আপনার কলে বলা কথা বা সেন্ড করা মেসেজ অন্য কেও শুনতে/দেখতে পারবে এমনটা নয়"
~ দ্বিতীয়ত কল ফরওয়ার্ডিং এর ব্যাপারটা হচ্ছে, কল ফরওয়ার্ডিং চালু করলে কি হয়?
ধরেন আপনার দুইটা ফোন, এর মাঝে "একটায় কথা বলতেছেন, বা সামহাউ মোবাইলটা বন্ধ আছে বা কেও ফোন দিলে কেটে দিচ্ছেন" তখন আপনি যে নাম্বারে কল ফরওয়ার্ডিং চালু করে রেখেছেন সেই নাম্বারে ফোনকলগুলি ফরওয়ার্ড হয়ে যাবে।
অর্থাৎ কল ফরওয়ার্ডিং চালুর পরে, উপরের তিনটা শর্তের যেকোনো একটা হলে তখন "যে নাম্বারে কল ফরওয়ার্ডিং" চালু করা সেই নাম্বারে কলগুলো ফরওয়ার্ড হয়ে যাবে!
সিম্পল ভাবে মেসেজ ফরওয়ার্ড এর ব্যাপারটাও!!
~ মেইন ব্যাপারটা হচ্ছে কল ফরওয়ার্ডিং বা ডাইভার্ট টা তখনই চালু হয় ,যদি আপনি নিজে চালু করেন ( মোবাইল সিম কোম্পানির কোনো ব্যবহারকারীর কল ডাইভার্ট চালু করার ক্ষমতা আছে কিনা জানা নেই বা আইনানুগ নিয়ম নেই বলেই জানি আমি)। সুতরাং ,অন্য কেও চাইলো আর আপনার সিমের কল ফরওয়ার্ডিং চালু করলো এটা ভুল। সে চাইলে তার সিমের কল ফরওয়ার্ডিং চালু করে রিসিভার হিসেবে আপনার নাম্বার দিয়ে দিতে পারে। এতে তার কল ফরওয়ার্ডিং হয়ে আপনার কাছে চলে আসবে!! এই তো!
~ কল ফরওয়ার্ডিং চালু করার পর, যে নাম্বার থেকে কল ফরওয়ার্ডিং চালু হয় সে নাম্বারের ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নেয়!
আর কল ফরওয়ার্ডিং নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকলে ,এটি চালু আছে কিনা দেখতে, *#62# এ ডায়াল করুন, যদি চালু থাকে তবে বন্ধ করতে ##02# ডায়াল করুন।
একটা ব্যাপার পরিষ্কার করি, "কল ফরওয়ার্ডিং এর মাধ্যমে কেও আপনার কলে কথা বলা শুনতে পারেনা!!!
এখন আসি নাম্বার ট্র্যাকিং, এটা লিগ্যাল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি সিম কোম্পানির সহায়তায় সিডিআর বের করে বা আপনার ফোনের আই এম ই আই নাম্বারের মাধ্যমে + অন্যান্য আরো নিয়মে লোকেশন বের করে ,যেটা অপরাধীদের ধরতে ব্যবহার হয়। চাইলাম আর হয়ে গেলো যেকারোটা ,ব্যাপারটা মোটেও এমন নয়!!!
সর্বশেষ একটা কথা বলি,
"মানুষ কিছু কিছু সময় যে জিনিসকে ভয় পায়, সেটাই বেশি সত্য মনে করে"
এজন্যই সত্য খবরের চেয়ে ,গুজব দ্রুত ছড়ায়!
এজন্যই, সুযোজ সন্ধানীরা ভয় দেখানোকে হাতিয়ার বানিয়ে ফেইম কামায়, কেওবা অর্থ-ক্ষমতা!
যাই হোক, অনলাইন দুনিয়া হোক সবার জন্য নিরাপদ।
ধন্যবাদ
Abdullah Al Imran
Founder - Probfly IT
~ প্রথমত কল বা মেসেজ ফরওয়ার্ডিং বা ডাইভার্ট করা মানেই "আপনার কলে বলা কথা বা সেন্ড করা মেসেজ অন্য কেও শুনতে/দেখতে পারবে এমনটা নয়"
~ দ্বিতীয়ত কল ফরওয়ার্ডিং এর ব্যাপারটা হচ্ছে, কল ফরওয়ার্ডিং চালু করলে কি হয়?
ধরেন আপনার দুইটা ফোন, এর মাঝে "একটায় কথা বলতেছেন, বা সামহাউ মোবাইলটা বন্ধ আছে বা কেও ফোন দিলে কেটে দিচ্ছেন" তখন আপনি যে নাম্বারে কল ফরওয়ার্ডিং চালু করে রেখেছেন সেই নাম্বারে ফোনকলগুলি ফরওয়ার্ড হয়ে যাবে।
অর্থাৎ কল ফরওয়ার্ডিং চালুর পরে, উপরের তিনটা শর্তের যেকোনো একটা হলে তখন "যে নাম্বারে কল ফরওয়ার্ডিং" চালু করা সেই নাম্বারে কলগুলো ফরওয়ার্ড হয়ে যাবে!
সিম্পল ভাবে মেসেজ ফরওয়ার্ড এর ব্যাপারটাও!!
~ মেইন ব্যাপারটা হচ্ছে কল ফরওয়ার্ডিং বা ডাইভার্ট টা তখনই চালু হয় ,যদি আপনি নিজে চালু করেন ( মোবাইল সিম কোম্পানির কোনো ব্যবহারকারীর কল ডাইভার্ট চালু করার ক্ষমতা আছে কিনা জানা নেই বা আইনানুগ নিয়ম নেই বলেই জানি আমি)। সুতরাং ,অন্য কেও চাইলো আর আপনার সিমের কল ফরওয়ার্ডিং চালু করলো এটা ভুল। সে চাইলে তার সিমের কল ফরওয়ার্ডিং চালু করে রিসিভার হিসেবে আপনার নাম্বার দিয়ে দিতে পারে। এতে তার কল ফরওয়ার্ডিং হয়ে আপনার কাছে চলে আসবে!! এই তো!
~ কল ফরওয়ার্ডিং চালু করার পর, যে নাম্বার থেকে কল ফরওয়ার্ডিং চালু হয় সে নাম্বারের ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নেয়!
আর কল ফরওয়ার্ডিং নিয়ে কোনো সন্দেহ থাকলে ,এটি চালু আছে কিনা দেখতে, *#62# এ ডায়াল করুন, যদি চালু থাকে তবে বন্ধ করতে ##02# ডায়াল করুন।
একটা ব্যাপার পরিষ্কার করি, "কল ফরওয়ার্ডিং এর মাধ্যমে কেও আপনার কলে কথা বলা শুনতে পারেনা!!!
এখন আসি নাম্বার ট্র্যাকিং, এটা লিগ্যাল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি সিম কোম্পানির সহায়তায় সিডিআর বের করে বা আপনার ফোনের আই এম ই আই নাম্বারের মাধ্যমে + অন্যান্য আরো নিয়মে লোকেশন বের করে ,যেটা অপরাধীদের ধরতে ব্যবহার হয়। চাইলাম আর হয়ে গেলো যেকারোটা ,ব্যাপারটা মোটেও এমন নয়!!!
সর্বশেষ একটা কথা বলি,
"মানুষ কিছু কিছু সময় যে জিনিসকে ভয় পায়, সেটাই বেশি সত্য মনে করে"
এজন্যই সত্য খবরের চেয়ে ,গুজব দ্রুত ছড়ায়!
এজন্যই, সুযোজ সন্ধানীরা ভয় দেখানোকে হাতিয়ার বানিয়ে ফেইম কামায়, কেওবা অর্থ-ক্ষমতা!
যাই হোক, অনলাইন দুনিয়া হোক সবার জন্য নিরাপদ।
ধন্যবাদ
Abdullah Al Imran
Founder - Probfly IT
❤54👏4