নর্ড স্ট্রিম-২' পাইপলাইন প্রকল্প কোন সাগরের তলদেশে অবস্থিত?
Anonymous Quiz
20%
কাস্পিয়ান সাগর
24%
কৃষ্ণ সাগর
41%
ভূমধ্যসাগর
15%
বাল্টিক সাগর
😢21😱7
👏6😢6
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটের আকার-
Anonymous Quiz
30%
৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা
33%
৭,৭১,৭৮৫ কোটি টাকা
16%
৬,৬১,৮৮৫ কোটি টাকা
21%
৭,৮১,৭৮৫ কোটি টাকা
🤔7😢5👏4🥰3
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যূত্থানের সময় কত দফা প্রণয়ন করা হয়েছিল?
Anonymous Quiz
9%
৭ দফা
6%
৯ দফা
82%
১১ দফা
4%
১৩ দফা
🔥12
বাংলাদেশের কোন মসজিদকে ইউনেস্কো “বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান” ঘোষণা করেছে?
Anonymous Quiz
4%
কুসুম্বা মসজিদ
6%
ছোট সোনা মসজিদ
3%
আতিয়া জামে মসজিদ
86%
ষাট গম্বুজ মসজিদ
2%
সাত গম্বুজ মসজিদ
🔥12
🤣12🕊8🥰3😢2
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১” কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
Anonymous Quiz
22%
রাশিয়া
51%
যুক্তরাষ্ট্র
11%
যুক্তরাজ্য
16%
ফ্রান্স
🥰9😢5😱3
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণ করবে কোন দেশ?
Anonymous Quiz
17%
আমেরিকা
20%
চীন
44%
রাশিয়া
19%
ফ্রান্স
😢6🥰4👏2
আয়তনে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ সিটি কর্পোরেশন কোনটি?
Anonymous Quiz
9%
রাজশাহী
45%
গাজীপুর
31%
চট্টগ্রাম
15%
ঢাকা
😱16👌9😢3
কত তারিখে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ সরাসরি শুরু হয়।
Anonymous Quiz
18%
২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
22%
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
41%
২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
18%
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
👏5🔥3😱2
২০৩১ সালে বাংলাদেশে ও ভারতে কততম ওয়ানডে বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে?
Anonymous Quiz
17%
13
29%
14
36%
15
19%
16
🔥8😱6
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত সালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেন?
Anonymous Quiz
41%
2010
17%
2011
29%
2009
12%
2012
🔥12😢4🤔2🕊2
ইসরায়েলের যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে সক্ষম এমন একটি অত্যাধুনিক ড্রোন উন্মোচন করেছে ইরান। ড্রোনটির নাম ‘মোহাজের-১০’।
#recent_gk
#recent_gk
🔥35❤7🤣1
👏12❤8😱1🕊1
বাংলাদেশ ব্যাংকের রেটিং এ আর্থিক প্রতিষ্ঠানে শীর্ষে আছে-অগ্রণী এসএমই ফাইন্যান্সিং কোম্পানি।
কিন্তু
বাংলাদেশ ব্যাংকের রেটিং এ আর্থিক ব্যাংকে শীর্ষে আছে-ব্র্যাক ব্যাংক।
#recent_gk
কিন্তু
বাংলাদেশ ব্যাংকের রেটিং এ আর্থিক ব্যাংকে শীর্ষে আছে-ব্র্যাক ব্যাংক।
#recent_gk
🔥13❤10
❛ব্রিকস এবং এর আদ্যোপান্ত❜
✅ব্রিকস কি :
চারটি উন্নয়নশীল দেশ তাদেরকে বিশ্ব অর্থনীতির নায়ক বানানোর জন্য একটা জোট তৈরি করার চিন্তা-ভাবনা করে।এরই প্রচেষ্টার ধারায় একুশ শতাব্দীর শুরুতেই অর্থাৎ ২০০১ সালেই দেশ চারটি তাদের নামের আদ্যক্ষরেই তাদের জোটের নাম দেয় ব্রিক।তাদের সতীর্থ হতে আরেকটা দেশ আসে এই জোটের মধ্যে,এরপরেই জোটে পাঁচটা দেশের নামের আদ্যক্ষরে জোট পরিচিতি পায় ব্রিকস হিসেবে।
✅ব্রিকসের সদস্যদেশ:
২০০১ সালে ব্রিকসের যাত্রার শুরুতে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ছিল জোটে।২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা আসলে ব্রিকস তার নামের পূর্ণতা পায়।২০১০ এর আগে যার নাম ছিল 'ব্রিক'।এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাসহ সদস্যদেশ হয় ৫ টি।সম্প্রতি ব্রিকস ১৫ তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৩ এ তা ১১ সদস্য দেশের জোটে পরিণত হয়।
✅ব্রিকসের পটভূমি :
২০০১ সালে প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে ২০০৯ সালের ১৬ই জুন প্রথম BRIC শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চারটি দেশের নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে BRIC অর্থনৈতিক ব্লকে তাদের সদস্যপদ ঘোষণা করেন। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে, দক্ষিণ আফ্রিকাকে এই অর্থনৈতিক ব্লকে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়, যার ফলে BRIC থেকে BRICS হয়।।[BRICS এর পূর্ণরূপ B=Brazil, R=Russia, I=India, C=China, S=South Africa]।
✅ব্রিকসের প্রতি উন্নয়নশীল দেশগুলার আগ্রহের কারণ:
ব্রিকস সামিট ২০২৩ এর প্রেক্ষিতে উন্নয়নশীল প্রায় ৪০ টা দেশ ব্রিকসের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এই ছয়টি দেশ ব্রিকস জোটে তাদের সদস্যপদ নিশ্চিত করে।তারা মূলত পশ্চিমা একচেটিয়া ডলার ও বাণিজ্য আধিপত্য থেকে বের হয়ে ব্রিকসের সদস্য হয়ে বিশ্ব বাণিজ্যে নিজেদের আঞ্চলিক মুদ্রার প্রচলন ও নিজস্ব মুদ্রায় লেনদেন করতে ব্রিকসে আসে।যেমন:সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেদের তেল রপ্তানিতে নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য করতে সক্ষম হবে।এছাড়া দেশগুলো ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে নিজেদের শক্তিশালী করতে পারবে।
✅বাংলাদেশ কেন ব্রিকসে নেই:
বাংলাদেশ ২০১৪ সালে ব্রিকসের আওতাধীন নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে (এনডিবি)প্রাথমিক বাছাইয়ে ছিল।যা পরবর্তীতে ২০২১ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত হয়।কিন্তু ব্রিকসে পূর্ণ সদস্য হওয়া আরো বাড়তি সুবিধা দিবে।বাংলাদেশ চীন থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রিত হলে বাংলাদেশ এর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.কে আব্দুল মোমেনসহ প্রতিনিধি ব্যক্তিবর্গ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।চীন থেকে বাংলাদেশের ব্রিকসের সদস্য হওয়ার বিষয়ে ও অর্থনৈতিক নানা সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়।কিন্তু বৈশ্বিক রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে বাংলাদেশকে নেওয়া হয়নি ব্রিকসে,এটা মনে করা হচ্ছে।তবে প্রথম পর্যায়ে সদস্যপদ না পেলেও আশা হারায় নি বাংলাদেশ।আরো সুযোগ আছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনেকে ও কূটনীতিক ব্যক্তিবর্গ।
✅ব্রিকসের উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ:
ব্রিকস এর দেশগুলোকে উন্নয়নশীল, তারপরেও শিল্পের দিক দিয়ে উন্নতই বলা চলে।তারা বিশ্ব অর্থনীতিতে ও বাণিজ্যে আমেরিকার একক আধিপত্যকে কমাতে ও নিজেদের ক্ষমতা বাড়াতে এবং বিশ্ব বাণিজ্যে লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্রিকসের দেশগুলো যাতে তাদের আঞ্চলিক মুদ্রায় যাতে লেনদেন করতে পারে সেই জন্যেই তারা চেষ্টা চালাচ্ছে।।
ব্রিকস গঠনের সময় অনেকেই বলেছেন যে, অর্থনৈতিক জোটটি ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্ব অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করবে।কিন্তু,ভবিষ্যতে কি ঘটবে তা পুরাপুরি সঠিক বলা সবার পক্ষেই দুঃসাধ্য।তবে দুই নদীর মাছ খাওয়া ভারত যেহেতু একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রভুক্ত কোয়াড,আশিয়ান জোটের সদস্য,একইসাথে চীনভুক্ত ব্রিকসের সদস্য।তাই ভারত নানা ক্ষেত্রে সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের ভূমিকা অর্থাৎ বিশ্বাসঘাতকতা যেন ব্রিকসে না করে সেটাই দেখার বিষয় ব্রিকসের ভবিষ্যৎ যাত্রাকে দীর্ঘস্থায়ী কতটুকু হবে।
পরিশেষে বলা যায়, বর্তমানে ভূরাজনৈতিক ,কূটনৈতিক, অর্থনীতি,তারসাথে প্রযুক্তির উৎকর্ষ ইত্যাকার বিষয়গুলো একটি দেশের বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে প্রধান প্রভাবক হিসেবে থাকার শ্রেষ্ঠ দাবিদার।
✅ব্রিকস কি :
চারটি উন্নয়নশীল দেশ তাদেরকে বিশ্ব অর্থনীতির নায়ক বানানোর জন্য একটা জোট তৈরি করার চিন্তা-ভাবনা করে।এরই প্রচেষ্টার ধারায় একুশ শতাব্দীর শুরুতেই অর্থাৎ ২০০১ সালেই দেশ চারটি তাদের নামের আদ্যক্ষরেই তাদের জোটের নাম দেয় ব্রিক।তাদের সতীর্থ হতে আরেকটা দেশ আসে এই জোটের মধ্যে,এরপরেই জোটে পাঁচটা দেশের নামের আদ্যক্ষরে জোট পরিচিতি পায় ব্রিকস হিসেবে।
✅ব্রিকসের সদস্যদেশ:
২০০১ সালে ব্রিকসের যাত্রার শুরুতে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ছিল জোটে।২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা আসলে ব্রিকস তার নামের পূর্ণতা পায়।২০১০ এর আগে যার নাম ছিল 'ব্রিক'।এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাসহ সদস্যদেশ হয় ৫ টি।সম্প্রতি ব্রিকস ১৫ তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৩ এ তা ১১ সদস্য দেশের জোটে পরিণত হয়।
✅ব্রিকসের পটভূমি :
২০০১ সালে প্রাথমিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে ২০০৯ সালের ১৬ই জুন প্রথম BRIC শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে চারটি দেশের নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে BRIC অর্থনৈতিক ব্লকে তাদের সদস্যপদ ঘোষণা করেন। ২০১০ সালের ডিসেম্বরে, দক্ষিণ আফ্রিকাকে এই অর্থনৈতিক ব্লকে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়, যার ফলে BRIC থেকে BRICS হয়।।[BRICS এর পূর্ণরূপ B=Brazil, R=Russia, I=India, C=China, S=South Africa]।
✅ব্রিকসের প্রতি উন্নয়নশীল দেশগুলার আগ্রহের কারণ:
ব্রিকস সামিট ২০২৩ এর প্রেক্ষিতে উন্নয়নশীল প্রায় ৪০ টা দেশ ব্রিকসের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এই ছয়টি দেশ ব্রিকস জোটে তাদের সদস্যপদ নিশ্চিত করে।তারা মূলত পশ্চিমা একচেটিয়া ডলার ও বাণিজ্য আধিপত্য থেকে বের হয়ে ব্রিকসের সদস্য হয়ে বিশ্ব বাণিজ্যে নিজেদের আঞ্চলিক মুদ্রার প্রচলন ও নিজস্ব মুদ্রায় লেনদেন করতে ব্রিকসে আসে।যেমন:সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেদের তেল রপ্তানিতে নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য করতে সক্ষম হবে।এছাড়া দেশগুলো ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে নিজেদের শক্তিশালী করতে পারবে।
✅বাংলাদেশ কেন ব্রিকসে নেই:
বাংলাদেশ ২০১৪ সালে ব্রিকসের আওতাধীন নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকে (এনডিবি)প্রাথমিক বাছাইয়ে ছিল।যা পরবর্তীতে ২০২১ সালে ১৬ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত হয়।কিন্তু ব্রিকসে পূর্ণ সদস্য হওয়া আরো বাড়তি সুবিধা দিবে।বাংলাদেশ চীন থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে আমন্ত্রিত হলে বাংলাদেশ এর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.কে আব্দুল মোমেনসহ প্রতিনিধি ব্যক্তিবর্গ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।চীন থেকে বাংলাদেশের ব্রিকসের সদস্য হওয়ার বিষয়ে ও অর্থনৈতিক নানা সহযোগিতার বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়।কিন্তু বৈশ্বিক রাজনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে বাংলাদেশকে নেওয়া হয়নি ব্রিকসে,এটা মনে করা হচ্ছে।তবে প্রথম পর্যায়ে সদস্যপদ না পেলেও আশা হারায় নি বাংলাদেশ।আরো সুযোগ আছে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ এর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনেকে ও কূটনীতিক ব্যক্তিবর্গ।
✅ব্রিকসের উদ্দেশ্য ও সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ:
ব্রিকস এর দেশগুলোকে উন্নয়নশীল, তারপরেও শিল্পের দিক দিয়ে উন্নতই বলা চলে।তারা বিশ্ব অর্থনীতিতে ও বাণিজ্যে আমেরিকার একক আধিপত্যকে কমাতে ও নিজেদের ক্ষমতা বাড়াতে এবং বিশ্ব বাণিজ্যে লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্রিকসের দেশগুলো যাতে তাদের আঞ্চলিক মুদ্রায় যাতে লেনদেন করতে পারে সেই জন্যেই তারা চেষ্টা চালাচ্ছে।।
ব্রিকস গঠনের সময় অনেকেই বলেছেন যে, অর্থনৈতিক জোটটি ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্ব অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করবে।কিন্তু,ভবিষ্যতে কি ঘটবে তা পুরাপুরি সঠিক বলা সবার পক্ষেই দুঃসাধ্য।তবে দুই নদীর মাছ খাওয়া ভারত যেহেতু একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রভুক্ত কোয়াড,আশিয়ান জোটের সদস্য,একইসাথে চীনভুক্ত ব্রিকসের সদস্য।তাই ভারত নানা ক্ষেত্রে সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের ভূমিকা অর্থাৎ বিশ্বাসঘাতকতা যেন ব্রিকসে না করে সেটাই দেখার বিষয় ব্রিকসের ভবিষ্যৎ যাত্রাকে দীর্ঘস্থায়ী কতটুকু হবে।
পরিশেষে বলা যায়, বর্তমানে ভূরাজনৈতিক ,কূটনৈতিক, অর্থনীতি,তারসাথে প্রযুক্তির উৎকর্ষ ইত্যাকার বিষয়গুলো একটি দেশের বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে প্রধান প্রভাবক হিসেবে থাকার শ্রেষ্ঠ দাবিদার।
🔥17❤3🥰2