Forwarded from News Zone
রাষ্ট্রীয় ধর্ম ইসলাম এইজন্য কোরান পাঠ করে শুরু হইছে। কমন সেন্স।
আমেরিকাও অসাম্প্রদায়িক কিন্তু শপথ হয় বাইবেল দিয়ে, ভারতে হয় গীতা দিয়ে।
এতো প্যাচাইয়েন না।
সহজ হন।
Loud & clear
আমেরিকাও অসাম্প্রদায়িক কিন্তু শপথ হয় বাইবেল দিয়ে, ভারতে হয় গীতা দিয়ে।
এতো প্যাচাইয়েন না।
সহজ হন।
Loud & clear
🥰62❤24💯9🫡4
🎯 ড. মুহাম্মদ ইউনূস
জন্ম: ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
৮ আগস্ট, ২০২৪ (বৃহস্পতিবার) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে বঙ্গভবনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
তিনি একজন সামজিক উদ্যোক্তা, সমাজসেবক ও নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। তিনি ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্রবিত্ত ধারণার প্রবর্তনের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বেশ কয়েকটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি প্রথমে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে ফুলব্রাইট স্কলারশিপ পান, পরে ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম এবং ২০১০ সালে কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল পান। ইউনুস হলেন মাত্র সাতজন ব্যক্তির একজন, যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল পেয়েছেন।
২০২০ সালে তিনি ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি থেকে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।
২০১১ সালে ফেব্রুয়ারিতে ইউনুস সাস্কিয়া ব্রুইস্টেন, সোফি আইজেনম্যান এবং হ্যান্স রাইটজের সাথে একত্রে ইউনুস সামাজিক ব্যবসা – গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভস প্রতিষ্ঠা করেন। ইউনুস সামাজিক ব্যবসা সারা বিশ্বে সামাজিক সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য সামাজিক ব্যবসা তৈরি ও ক্ষমতায়িত করে। ইউনুসের নতুন, মানবিক পুঁজিবাদের দৃষ্টিভঙ্গির আন্তর্জাতিক বাস্তবায়ন শাখা হিসেবে এই সামাজিক ব্যবসা উন্নয়নশীল দেশগুলিতে সামাজিক ব্যবসার জন্য ইনকিউবেটর তহবিল পরিচালনা করে এবং কোম্পানি, সরকার, ফাউন্ডেশন এবং এনজিওদের পরামর্শ সেবা প্রদান করে।
২০১২ সালে তিনি স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হন এবং এই পদে তিনি ২০১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক ছিলেন।
তিনি তার অর্থনৈতিক কাজের উপর ভিত্তি করে বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ করেছেন। তিনি গ্রামীণ আমেরিকা এবং গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড সদস্য, যা ক্ষুদ্রঋণকে সমর্থন করে।
ইউনুস ১৯৯৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের কার্যক্রমকে সমর্থনকারী জনহিতকর সংস্থা ইউনাইটেড নেশনস ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালন করেন।
#উপদেষ্টাদের_পরিচয়
©
জন্ম: ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
৮ আগস্ট, ২০২৪ (বৃহস্পতিবার) রাত ৯টা ১৫ মিনিটে বঙ্গভবনে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
তিনি একজন সামজিক উদ্যোক্তা, সমাজসেবক ও নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। তিনি ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা এবং ক্ষুদ্রঋণ ও ক্ষুদ্রবিত্ত ধারণার প্রবর্তনের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বেশ কয়েকটি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি প্রথমে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর থেকে ফুলব্রাইট স্কলারশিপ পান, পরে ২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম এবং ২০১০ সালে কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল পান। ইউনুস হলেন মাত্র সাতজন ব্যক্তির একজন, যিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেনশিয়াল মেডেল অব ফ্রিডম এবং যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসনাল গোল্ড মেডেল পেয়েছেন।
২০২০ সালে তিনি ন্যাশনাল এনডাউমেন্ট ফর ডেমোক্রেসি থেকে একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।
২০১১ সালে ফেব্রুয়ারিতে ইউনুস সাস্কিয়া ব্রুইস্টেন, সোফি আইজেনম্যান এবং হ্যান্স রাইটজের সাথে একত্রে ইউনুস সামাজিক ব্যবসা – গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভস প্রতিষ্ঠা করেন। ইউনুস সামাজিক ব্যবসা সারা বিশ্বে সামাজিক সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য সামাজিক ব্যবসা তৈরি ও ক্ষমতায়িত করে। ইউনুসের নতুন, মানবিক পুঁজিবাদের দৃষ্টিভঙ্গির আন্তর্জাতিক বাস্তবায়ন শাখা হিসেবে এই সামাজিক ব্যবসা উন্নয়নশীল দেশগুলিতে সামাজিক ব্যবসার জন্য ইনকিউবেটর তহবিল পরিচালনা করে এবং কোম্পানি, সরকার, ফাউন্ডেশন এবং এনজিওদের পরামর্শ সেবা প্রদান করে।
২০১২ সালে তিনি স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো ক্যালেডোনিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হন এবং এই পদে তিনি ২০১৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপক ছিলেন।
তিনি তার অর্থনৈতিক কাজের উপর ভিত্তি করে বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ করেছেন। তিনি গ্রামীণ আমেরিকা এবং গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বোর্ড সদস্য, যা ক্ষুদ্রঋণকে সমর্থন করে।
ইউনুস ১৯৯৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের কার্যক্রমকে সমর্থনকারী জনহিতকর সংস্থা ইউনাইটেড নেশনস ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালন করেন।
#উপদেষ্টাদের_পরিচয়
©
❤36🔥3👏2🥰1😱1
Forwarded from News Zone
শহীদ আবু সাঈদের ভাস্কর্য তৈরী নিয়ে তার বাবার বিবৃতি ও অনুরোধঃ
শহীদ সাঈদের বিনিমিয়ে নতুন বাংলাদেশ। সাঈদের বাবার আর্জি হচ্ছে তাকে নিয়ে যেন কোন ভাস্কর্য না বানানো হয়। সাঈদ প্র্যাক্টিশিং মুসলিম ছিলেন। এর পরিবর্তে সাঈদের স্মরণে সমাজকল্যাণমূলক কাজ যেন করা হয়। তাহলে তাঁর সন্তান সাদাকায়ে জারিয়ার সোয়াব কবরে পাবেন।
শহীদ সাঈদের বিনিমিয়ে নতুন বাংলাদেশ। সাঈদের বাবার আর্জি হচ্ছে তাকে নিয়ে যেন কোন ভাস্কর্য না বানানো হয়। সাঈদ প্র্যাক্টিশিং মুসলিম ছিলেন। এর পরিবর্তে সাঈদের স্মরণে সমাজকল্যাণমূলক কাজ যেন করা হয়। তাহলে তাঁর সন্তান সাদাকায়ে জারিয়ার সোয়াব কবরে পাবেন।
🥰46❤24🏆2🔥1👏1
🎯 ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের ভেতর যাদের জন্ম, তারাই হলো জেন-জি বা জেনারেশন জেড। বর্তমানে এই প্রজন্মের সদস্যদের বয়স ১২ থেকে ২৭ বছর। এই প্রজন্মের বৈশিষ্ট্য, ভালো দিক, মন্দ দিক নিয়ে অনেক কথা হয়, অনেক গবেষণা ও আলাপও হয়। তার পাশাপাশি এ প্রশ্নও ওঠে, জেড যেহেতু ইংরেজি বর্ণমালার সর্বশেষ বর্ণ, তাহলে জেনারেশন ওয়াই বা এক্সও নিশ্চয়ই আছে। তারা কারা?
সাধারণত ২০ থেকে ২৫ বছর অর্থাৎ দুই যুগের মতো সময় ধরে একটি প্রজন্ম গড়ে ওঠে। যদিও তাদের শুরু ও শেষের বছরটি বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে নির্ধারিত হয়। প্রযুক্তিগত ক্রমবিবর্তন, বিশ্বায়ন ও সভ্যতার উন্নয়নও এ ক্ষেত্রে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেয়ারগিভার্স অব আমেরিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
তাহলে একনজরে একটু জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন প্রজন্মের নাম, তাঁদের জন্মের সময়সীমা ও বর্তমানে তাঁদের বয়সের মান।
🎯 গ্রেটেস্ট জেনারেশন বা মহত্তম প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯০১ থেকে ১৯২৭ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স অবশ্যই ৯৫ বছরের বেশি।
🎯 সাইলেন্ট জেনারেশন বা নীরব প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯২৮ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৭৯ থেকে ৯৪ বছর।
🎯 বেবি বুমার্স জেনারেশন: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৬০ থেকে ৭৮ বছর।
🎯 জেনারেশন এক্স: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৬৫ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৪৪ থেকে ৫৯ বছর।
🎯 জেনারেশন ওয়াই বা মিলেনিয়ালস বা সহস্রাব্দ প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। এবং এঁদের বর্তমান বয়স ২৮ থেকে ৪৩ বছর। এই প্রজন্মেরই যাঁদের জন্ম আবার ১৯৯০ সালের ভেতরে অর্থাৎ যাঁরা পুরো নব্বই দশকে তাঁদের শৈশব-কৈশোর পার করেছেন, তাঁদের বলা হয় নাইন্টিজ কিডস। এঁদের মা-বাবারা বেশির ভাগই বুমার্স ও জেনারেশন এক্সের সদস্য।
🎯 জেনারেশন জেড বা জেন-জি: এঁদের জন্মকাল ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ১২ থেকে ২৭ বছর। এঁদের মা-বাবারা মূলত জেনারেশন এক্স ও ওয়াইয়ের সদস্য।
🎯 জেনারেশন আলফা: এদের জন্মকাল আনুমানিক ২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবং এদের বর্তমান বয়স ০ থেকে ১২ বছর। এদের মা-বাবারা আবার জেনারেশন ওয়াই বা সহস্রাব্দ প্রজন্মের সদস্য।
যদিও আলফা প্রজন্মের শেষ সময় এখনো নির্ধারিত হয়নি। এই প্রজন্ম এখনো শিশু এবং এদের আচরণগত বৈশিষ্ট্য ও পরিসংখ্যান এখনো সর্বব্যাপী প্রকাশিত নয়, কাজেই বলা যাচ্ছে না যে এই সময়কাল শেষ হবে কত সালে।
প্রজন্ম নিয়ে লেখা বেশির ভাগ লোকের মতো প্রাথমিকভাবে ধরে নেওয়া যায় যে সহস্রাব্দের যুগটি ১৯৯৯-এর কাছাকাছি জন্মগ্রহণ করা পর্যন্ত চলতে থাকবে। কিন্তু ২০১১ সালের দিকে কিছু বৃহৎ, জাতীয় তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যে প্রজন্মের সদস্যরা প্রথম একটি স্মার্টফোনের সঙ্গে তাঁদের পুরো বয়ঃসন্ধিকাল কাটিয়েছেন, তাঁদের তিন-চতুর্থাংশের পূর্ববর্তী প্রজন্মের মতো ঐকমত্য খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লাগছে। কেউ কেউ এই গোষ্ঠীর জন্য জেনারেশন জেড নাম ব্যবহার করেছেন। কিন্তু অন্যরা যুক্তি দিয়েছেন যে যদি জেনারেশন ওয়াই না থাকে, তাহলে জেনারেশন জেডকেও উপযুক্ত বলে মনে হয় না।
জেনারেশন জেডের সবচেয়ে বয়সী সদস্যও মাত্র ২৭ বছরের। অর্থাৎ, এই প্রজন্মের সদস্যদের দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে বেশ কিছুটা সময় লাগতে পারে। তবে ইতিহাস বলে এঁদের হাত ধরে আসে নতুন পৃথিবী।
© Uttoron
সাধারণত ২০ থেকে ২৫ বছর অর্থাৎ দুই যুগের মতো সময় ধরে একটি প্রজন্ম গড়ে ওঠে। যদিও তাদের শুরু ও শেষের বছরটি বিভিন্ন পরিসংখ্যান ও তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে নির্ধারিত হয়। প্রযুক্তিগত ক্রমবিবর্তন, বিশ্বায়ন ও সভ্যতার উন্নয়নও এ ক্ষেত্রে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেয়ারগিভার্স অব আমেরিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে এ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
তাহলে একনজরে একটু জেনে নেওয়া যাক বিভিন্ন প্রজন্মের নাম, তাঁদের জন্মের সময়সীমা ও বর্তমানে তাঁদের বয়সের মান।
🎯 গ্রেটেস্ট জেনারেশন বা মহত্তম প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯০১ থেকে ১৯২৭ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স অবশ্যই ৯৫ বছরের বেশি।
🎯 সাইলেন্ট জেনারেশন বা নীরব প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯২৮ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৭৯ থেকে ৯৪ বছর।
🎯 বেবি বুমার্স জেনারেশন: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৪৬ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৬০ থেকে ৭৮ বছর।
🎯 জেনারেশন এক্স: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৬৫ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ৪৪ থেকে ৫৯ বছর।
🎯 জেনারেশন ওয়াই বা মিলেনিয়ালস বা সহস্রাব্দ প্রজন্ম: এঁদের জন্মকাল আনুমানিক ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। এবং এঁদের বর্তমান বয়স ২৮ থেকে ৪৩ বছর। এই প্রজন্মেরই যাঁদের জন্ম আবার ১৯৯০ সালের ভেতরে অর্থাৎ যাঁরা পুরো নব্বই দশকে তাঁদের শৈশব-কৈশোর পার করেছেন, তাঁদের বলা হয় নাইন্টিজ কিডস। এঁদের মা-বাবারা বেশির ভাগই বুমার্স ও জেনারেশন এক্সের সদস্য।
🎯 জেনারেশন জেড বা জেন-জি: এঁদের জন্মকাল ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এবং এঁদের বর্তমান বয়স ১২ থেকে ২৭ বছর। এঁদের মা-বাবারা মূলত জেনারেশন এক্স ও ওয়াইয়ের সদস্য।
🎯 জেনারেশন আলফা: এদের জন্মকাল আনুমানিক ২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবং এদের বর্তমান বয়স ০ থেকে ১২ বছর। এদের মা-বাবারা আবার জেনারেশন ওয়াই বা সহস্রাব্দ প্রজন্মের সদস্য।
যদিও আলফা প্রজন্মের শেষ সময় এখনো নির্ধারিত হয়নি। এই প্রজন্ম এখনো শিশু এবং এদের আচরণগত বৈশিষ্ট্য ও পরিসংখ্যান এখনো সর্বব্যাপী প্রকাশিত নয়, কাজেই বলা যাচ্ছে না যে এই সময়কাল শেষ হবে কত সালে।
প্রজন্ম নিয়ে লেখা বেশির ভাগ লোকের মতো প্রাথমিকভাবে ধরে নেওয়া যায় যে সহস্রাব্দের যুগটি ১৯৯৯-এর কাছাকাছি জন্মগ্রহণ করা পর্যন্ত চলতে থাকবে। কিন্তু ২০১১ সালের দিকে কিছু বৃহৎ, জাতীয় তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, যে প্রজন্মের সদস্যরা প্রথম একটি স্মার্টফোনের সঙ্গে তাঁদের পুরো বয়ঃসন্ধিকাল কাটিয়েছেন, তাঁদের তিন-চতুর্থাংশের পূর্ববর্তী প্রজন্মের মতো ঐকমত্য খুঁজে পেতে কিছুটা সময় লাগছে। কেউ কেউ এই গোষ্ঠীর জন্য জেনারেশন জেড নাম ব্যবহার করেছেন। কিন্তু অন্যরা যুক্তি দিয়েছেন যে যদি জেনারেশন ওয়াই না থাকে, তাহলে জেনারেশন জেডকেও উপযুক্ত বলে মনে হয় না।
জেনারেশন জেডের সবচেয়ে বয়সী সদস্যও মাত্র ২৭ বছরের। অর্থাৎ, এই প্রজন্মের সদস্যদের দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে বেশ কিছুটা সময় লাগতে পারে। তবে ইতিহাস বলে এঁদের হাত ধরে আসে নতুন পৃথিবী।
© Uttoron
🔥44👏3
Forwarded from News Zone
৪ আগস্ট রাতেই শেখ হাসিনা কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে সেইফ এক্সিটের জন্য রিকুয়েস্ট করে কিন্তু কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে রিজেক্ট করে দেয়
পরদিন সকালে আর্মি নেভি এয়ারফোর্স এবং পুলিশ চিফ গণভবনে যায়। তারা পৌঁছানোর আগেই শেখ হাসিনা প্রচন্ড রাগান্বিত অবস্থায় অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যদের অস্ত্র লোড রাখার নির্দেশ দেন। শেখ হাসিনার নির্দেশে এসএসএফ অস্ত্র লোড রাখে
সেই মুহূর্তে চার বাহিনীর চিফ গণভবনে আসলে এসএসএফ তাদের দিকে অস্ত্র তাক করে। কাউন্টার পজিশন নেয় সেনাপ্রধানের ফোর্সও।দুই বাহিনীর মাঝে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জে পড়ে যান শেখ হাসিনা।
তখন শেখ রেহানা ওই রুমে অবস্থান করছিলেন।
আর্মি চিফ এবং এয়ার চিফ মার্শাল স্মার্টলি সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করেন। তারা শেখ রেহানাকে অন্য কক্ষে নিয়ে যান।
এরপর সজীব ওয়াজেদ জয়কে ফোন করা হয়। জয় সেনাপ্রধানকে বলেন “তোকে উপরে উঠাইছে আমার মা, তুই কি করিস বসে বসে? তোরও তো বউ বাচ্চা আছে; দেখে নিব”
জবাবে সেনাপ্রধান জয়কে বলেন “জয় শান্ত হও। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এই মুহূর্তে হয় ম্যাডাম (শেখ হাসিনা) রিজাইন দিবেন, নয়ত আমি স্টেপ আউট করব। তখন এসএসএফ আমাকে মেরে ফেলবে। আর আমাকে মারলে আমার ফোর্স তোমার মাকে হ ত্যা করবে”
পরবর্তীতে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন।
এবং যাওয়ার পূর্বে পুলিশের আইজিপিকে নির্দেশ দেন "আমি চলে যাওয়ার এক মাসের মধ্যে দেশের এমন অবস্থা করবেন যেন আগামী ২০-২৫ বছরে দেশ মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে"
― Eyewitness
© Shafin Rahman
✅ এটা শুনুন
🛑 Follow NewsZone For more important information
পরদিন সকালে আর্মি নেভি এয়ারফোর্স এবং পুলিশ চিফ গণভবনে যায়। তারা পৌঁছানোর আগেই শেখ হাসিনা প্রচন্ড রাগান্বিত অবস্থায় অবস্থান করছিলেন। পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যদের অস্ত্র লোড রাখার নির্দেশ দেন। শেখ হাসিনার নির্দেশে এসএসএফ অস্ত্র লোড রাখে
সেই মুহূর্তে চার বাহিনীর চিফ গণভবনে আসলে এসএসএফ তাদের দিকে অস্ত্র তাক করে। কাউন্টার পজিশন নেয় সেনাপ্রধানের ফোর্সও।দুই বাহিনীর মাঝে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জে পড়ে যান শেখ হাসিনা।
তখন শেখ রেহানা ওই রুমে অবস্থান করছিলেন।
আর্মি চিফ এবং এয়ার চিফ মার্শাল স্মার্টলি সিচুয়েশন হ্যান্ডেল করেন। তারা শেখ রেহানাকে অন্য কক্ষে নিয়ে যান।
এরপর সজীব ওয়াজেদ জয়কে ফোন করা হয়। জয় সেনাপ্রধানকে বলেন “তোকে উপরে উঠাইছে আমার মা, তুই কি করিস বসে বসে? তোরও তো বউ বাচ্চা আছে; দেখে নিব”
জবাবে সেনাপ্রধান জয়কে বলেন “জয় শান্ত হও। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এই মুহূর্তে হয় ম্যাডাম (শেখ হাসিনা) রিজাইন দিবেন, নয়ত আমি স্টেপ আউট করব। তখন এসএসএফ আমাকে মেরে ফেলবে। আর আমাকে মারলে আমার ফোর্স তোমার মাকে হ ত্যা করবে”
পরবর্তীতে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেন।
এবং যাওয়ার পূর্বে পুলিশের আইজিপিকে নির্দেশ দেন "আমি চলে যাওয়ার এক মাসের মধ্যে দেশের এমন অবস্থা করবেন যেন আগামী ২০-২৫ বছরে দেশ মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে"
― Eyewitness
© Shafin Rahman
✅ এটা শুনুন
🛑 Follow NewsZone For more important information
😱48❤1👏1
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব পেলেন ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার।
❤52🕊7🔥3🥰2
#উপদেষ্টাদের_পরিচয়
✅সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
সুপরিচিত পরিবেশ অধিকারকর্মী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হয়েছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। পরিবেশবিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী তিনি। দেশের পরিবেশবিষয়ক নানা ব্যাপারে তিনি সব সময় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরিবেশসংক্রান্ত ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তাঁকে ২০২১ সালে ‘এশিয়ার নোবেল’খ্যাত র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বিশ্বের ‘৪০ পরিবেশবিষয়ক হিরো’র একজন ছিলেন তিনি।
রিজওয়ানা হাসান দেশের একাধিক বেসরকারি সংগঠনের (এনজিও) পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আছেন। এর মধ্যে আছে এফআইভিডিবি, নিজেরা করি, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্মস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি), গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ব্র্যাক।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের জন্ম ১৯৬৮ সালের ১৫ জানুয়ারি। আর বেলার সঙ্গে কাজ শুরু করেন ১৯৯৩ সালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।
© Uttoron
✅সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
সুপরিচিত পরিবেশ অধিকারকর্মী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নতুন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হয়েছেন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। পরিবেশবিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী তিনি। দেশের পরিবেশবিষয়ক নানা ব্যাপারে তিনি সব সময় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। পরিবেশসংক্রান্ত ন্যায়বিচারের ক্ষেত্রে অবদানের জন্য তাঁকে ২০২১ সালে ‘এশিয়ার নোবেল’খ্যাত র্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। টাইম ম্যাগাজিনের দৃষ্টিতে বিশ্বের ‘৪০ পরিবেশবিষয়ক হিরো’র একজন ছিলেন তিনি।
রিজওয়ানা হাসান দেশের একাধিক বেসরকারি সংগঠনের (এনজিও) পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আছেন। এর মধ্যে আছে এফআইভিডিবি, নিজেরা করি, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্মস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি), গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ব্র্যাক।
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের জন্ম ১৯৬৮ সালের ১৫ জানুয়ারি। আর বেলার সঙ্গে কাজ শুরু করেন ১৯৯৩ সালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।
© Uttoron
❤36🔥5
#উপদেষ্টাদের_পরিচয়
✅আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী আসিফ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরও পাঁচ সমন্বয়কের সঙ্গে তাঁকেও আটক করে কয়েক দিন হেফাজতে রেখেছিল পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত কোটা সংস্কার আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন আসিফ মাহমুদ। ২০২৩ সালে ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রথম সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তবে কেন্দ্রীয় নেতারা সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেছেন অভিযোগে আসিফ প্রায় পাঁচ মাস পর সেখান থেকে পদত্যাগ করেন।
পরে গত বছরের ৪ অক্টোবর নতুন ছাত্রসংগঠন গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক হন আসিফ। আসিফ ১৯৯৮ সালের ১৪ জুলাই কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
#bcs_uttoron
✅আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী আসিফ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আরও পাঁচ সমন্বয়কের সঙ্গে তাঁকেও আটক করে কয়েক দিন হেফাজতে রেখেছিল পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত কোটা সংস্কার আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন আসিফ মাহমুদ। ২০২৩ সালে ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রথম সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তবে কেন্দ্রীয় নেতারা সংগঠনের গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করেছেন অভিযোগে আসিফ প্রায় পাঁচ মাস পর সেখান থেকে পদত্যাগ করেন।
পরে গত বছরের ৪ অক্টোবর নতুন ছাত্রসংগঠন গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক হন আসিফ। আসিফ ১৯৯৮ সালের ১৪ জুলাই কুমিল্লায় জন্মগ্রহণ করেন।
#bcs_uttoron
❤53