1652638538110.pdf
3.3 MB
Result:অপরিচিতা লিখিত অংশ
Click the link to see your individual results in your own answer noscripts:
https://quizzory.in/id/6280b32b712cd06b8209fd80
Click the link to see your individual results in your own answer noscripts:
https://quizzory.in/id/6280b32b712cd06b8209fd80
❤2🔥1
Document (1).pdf
136 KB
অপরিচিতা লিখিত অংশের ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর😊
আগের পিডিএফ টাতে প্রথম প্রশ্নটা টাইপ হয়নি,তাই রিপোস্ট দিলাম
এক্সাম না দিলেও এই প্রশ্নোত্তরগুলো পড়ে নিন
আগের পিডিএফ টাতে প্রথম প্রশ্নটা টাইপ হয়নি,তাই রিপোস্ট দিলাম
এক্সাম না দিলেও এই প্রশ্নোত্তরগুলো পড়ে নিন
❤35🔥3👏1
আজকের পরীক্ষার টপিক:
ঐকতান
সাম্যবাদী
এক্সাম টাইম: দুপুর ২ টা
ঐকতান
সাম্যবাদী
এক্সাম টাইম: দুপুর ২ টা
❤49👏2🔥1
পারিভাষিক শব্দ part:4 টা রিভিশন দিয়ে নাও আরেকবার... পোল শুরু করবো এখন।
❤24
Bureaucracy এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
6%
গণতন্ত্র
13%
প্রজাতন্ত্র
77%
আমলাতন্ত্র
4%
সমাজতন্ত্র
❤27🔥6😢5🤩5
❤18🔥3🥰3🤩2
Census এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
12%
তত্ত্বাবধায়ক
20%
পুঁজিবাদী
5%
তালিকা
63%
আদমশুমারী
🥰24😢12❤3
🥰15😢9👏2
🤩19😢16❤5🤔2😱2
🥰24❤6🔥1👏1
Chancellor এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
10%
পরিচার্য
70%
আচার্য
4%
গাম্ভীর্য
16%
প্রতিনিধি
❤17🥰6🔥4😢2
😢16❤14🥰5
Co-ordinator এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
7%
সংবিধান
7%
সংরক্ষণ
5%
সংশ্লেষণ
81%
সমন্বয়কারী
🥰17😢10❤5🔥2
😢26❤14🥰4😱3🔥2👏1
🥰16❤7🔥3
Concession এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
3%
ঠান্ডা
26%
হিমাগার
60%
ছাড়/সুবিধা
11%
ঠান্ডা যুদ্ধ
🔥16😢11❤6🤩4
লালসালু উপন্যাস থেকে ১০০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
🎴লালসালু ( MCQ কমন ৯০% প্রায় )
১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ জন্মগ্রহন করেন- চট্রগ্রামে।
২। সৈয়দ ওয়াল্লিউল্লাহর উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজী ভাষায় অনুদিত হয়- লালসালু ।
৩। সাংবাদিক হিসেবে- কর্মজীবন শুরু করেন সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
৪। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন- ১৯৭১ খ্রিষ্ট্রাব্দ।
৫।বাংলাদেশের কথাসাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ ছিলেন- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৬। ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়- ১৯৬৮ সালে।
৭। ‘নয়নচতারা’ গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়- ১৯৪৬ সালে।
৮।‘লালসালু’ উপন্যাস অনুযায়ী কী না হলে বিদেশে এক পাও চলে না- বদনা।
৯। নোয়াখালি অঞ্চলে শস্যের চেয়ে বেশি- টুপি।
১০। ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’ – বলা হয়েছে- শস্যহীন বলে।
১১।মজিদের শারীরিক গড়ন-শীর্ণকায়।
১২। মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ উম্মোচিত হয়েছে- মিথ্যাচার চরিত্রে।
১৩। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানেুষ আসতে লাগে- মাজারে মানত করতে।
১৪। মজিদ ভয় দেখেছে- রহিমার চোখে।
১৫। দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে –কলমা জানে না তাই।
১৬। মজিদের শক্তির মূল উৎস- মাজার।
১৭। মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ হল- রহিমার্ চরিত্রটি |
১৮। ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা গিয়েছিল- মজিদের বাড়িতে।
১৯। ঝড় এলে হাসুনির মায়ের অভ্যাস ছিল- হৈ চৈ করা।
২০। মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে চেয়েছিল- তামাক।
২১। মহিদ হাসুনির মাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল- বেগুনি রঙ্গের।
২২। মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায়- অন্য পীরদের আধিপত্য।
২৩।‘পাথর এবার হঠাৎ নড়ে’।– পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে- মজিদকে।
২৪। আমেনা বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিল – মা হওয়ার আশায়।
২৫। মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা ছিল- নাটকীয়।
২৬। জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার যে অসংগতির শিকার- বাল্যবিবাহ।
২৭। খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল- ছেলের মৃত্যুতে।
২৮।‘লালসালু’ উপন্যাসে যে পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে-ডোমপাড়া।
২৯। যার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৩০।মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিল তার তদারকির দায়িত্ব ছিল- রহিমা ও জমিলার |
৩১। জিকির করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল- মজিদ
৩২। এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে- সিংহের।
৩৩। মজিদের মুখে থুথু ফেলেছিল- জমিলা।
৩৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ্য রয়েছে- বালা।
৩৫। সহজ প্রাণধর্মের উজ্জ্বল প্রতীক -জমিলা।
৩৬। গ্রামবাসীর অন্তর জর্জরিত হয়ে ওঠে - অনুশোচনায়।
৩৭। মজিদের শক্তি প্রতিফলিত হয়- গ্রামবাসীর ওপর।
৩৮। বুড়ো, হাসুনির মাকে বেধড়ক প্রহার করে- ঘরের কথা মজিদকে বলায়।
৩৯। মজিদকে শিকড়গাড়া বৃক্ষ করতে সক্রিয় ছিল- ধর্ম।
৪০। মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল- মতিগঞ্জের সড়কের ওপর ।
৪১। আমেনা বিবির প্রতি মজিদের যে দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পেয়েছে- লালসা।
৪২। খালেক ব্যাপারীর সামনে বসে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে- ধলা মিঞা।
৪৩। শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে – জমিলার চোখ ।
৪৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মুখে জমিলার থুথু নিক্ষেপে প্রকাশ পেয়েছে- ক্রোধ।
৪৫। মজিদ পূর্বে যেখানে বাস করত- গারো পাহাড়ে।
৪৬। মজিদের দুদু মিয়াকে শাসনের মধ্যে নিহিত- আধিপত্য বিস্তার।
৪৭। রহিমার কাছে নিজের মৃত্যু কামনা করে- জমিলা।
৪৮। প্রথম যৌবনে মজিদ যেমন বৌ এর স্বপ্ন দেখতো-জমিলার মতো।
৪৯। ঢেঙ্গা বুড়োর বিচারে মজিদ যে সূরা পাঠ করেছিল- সূরা আন-নূর।
৫০। ‘ বতর’ শব্দের অর্থ- ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।
৫১। ‘ওনারে কইবেন, আমার যেন মওত হয়।’ আর্জিটি করেছিল- হাসুনির মা।
৫২। মাঠের ধান নষ্ট হয়ে যায়- শিলা বৃষ্টি হলে।
৫৩। ‘শস্যের চেয়ে টুটি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি’ বলতে বোঝানো হয়েছে- ধর্মীয় গোঁড়ামী।
৫৪। গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই- অন্য সংস্করণ।
৫৫। বিশ্বাসের পাথরে যেন- খোদাই করা চোখ।
৫৬। ঘরের ম্লান আলোয় কবরের সেই অনাবৃত অংশটা - মৃত মানুষের খোলা চোখের মতো দেখায়।
৫৭। আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল – ১৩ বছর বয়সে।
৫৮। মোনাজাত শেষে মজিদ পা ফেলছিল – উত্তর দিকে।
৫৯। আমেনা বিবি ও রহিমার মধ্যে মিল রয়েছে – নিঃসন্তানের দিকটা।
৬০। ঘুমকাতুরে- জমিলা।
৬১। খালেক ব্যাপারীর মতে আক্কাস দাড়ি রাখেনি- ইংরেজি পড়েছে বলে।
৬২। গ্রামে হিড়িত পড়েছে- মসজিদ স্থাপনের।
৬৩। আমেনা বিবির আনন্দ আর সুখের নিশানা- থোতা মুখের তালগাছ।
৬৪। আওয়ালপুরের পীরের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে- ধর্মব্যবসা।
৬৫।আওয়ালপুরের পীর আছরের সময় যে নামাজ পেয়েছে- জোহর।
৬৬। মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিল- সমবেদনা প্রকাশ করতে।
৬৭। আওয়ালপুরের পীরের প্রতি আমেনার প্রকাশ পেয়েছে- অন্ধবিশ্বাস।
৬৮। খালেক ব্যাপারি সঙ্গে ধলা মিয়ার সম্পর্ক ছিল- শ্যালক।
🎴লালসালু ( MCQ কমন ৯০% প্রায় )
১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ জন্মগ্রহন করেন- চট্রগ্রামে।
২। সৈয়দ ওয়াল্লিউল্লাহর উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজী ভাষায় অনুদিত হয়- লালসালু ।
৩। সাংবাদিক হিসেবে- কর্মজীবন শুরু করেন সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
৪। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন- ১৯৭১ খ্রিষ্ট্রাব্দ।
৫।বাংলাদেশের কথাসাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ ছিলেন- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৬। ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়- ১৯৬৮ সালে।
৭। ‘নয়নচতারা’ গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়- ১৯৪৬ সালে।
৮।‘লালসালু’ উপন্যাস অনুযায়ী কী না হলে বিদেশে এক পাও চলে না- বদনা।
৯। নোয়াখালি অঞ্চলে শস্যের চেয়ে বেশি- টুপি।
১০। ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’ – বলা হয়েছে- শস্যহীন বলে।
১১।মজিদের শারীরিক গড়ন-শীর্ণকায়।
১২। মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ উম্মোচিত হয়েছে- মিথ্যাচার চরিত্রে।
১৩। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানেুষ আসতে লাগে- মাজারে মানত করতে।
১৪। মজিদ ভয় দেখেছে- রহিমার চোখে।
১৫। দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে –কলমা জানে না তাই।
১৬। মজিদের শক্তির মূল উৎস- মাজার।
১৭। মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ হল- রহিমার্ চরিত্রটি |
১৮। ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা গিয়েছিল- মজিদের বাড়িতে।
১৯। ঝড় এলে হাসুনির মায়ের অভ্যাস ছিল- হৈ চৈ করা।
২০। মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে চেয়েছিল- তামাক।
২১। মহিদ হাসুনির মাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল- বেগুনি রঙ্গের।
২২। মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায়- অন্য পীরদের আধিপত্য।
২৩।‘পাথর এবার হঠাৎ নড়ে’।– পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে- মজিদকে।
২৪। আমেনা বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিল – মা হওয়ার আশায়।
২৫। মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা ছিল- নাটকীয়।
২৬। জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার যে অসংগতির শিকার- বাল্যবিবাহ।
২৭। খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল- ছেলের মৃত্যুতে।
২৮।‘লালসালু’ উপন্যাসে যে পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে-ডোমপাড়া।
২৯। যার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৩০।মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিল তার তদারকির দায়িত্ব ছিল- রহিমা ও জমিলার |
৩১। জিকির করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল- মজিদ
৩২। এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে- সিংহের।
৩৩। মজিদের মুখে থুথু ফেলেছিল- জমিলা।
৩৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ্য রয়েছে- বালা।
৩৫। সহজ প্রাণধর্মের উজ্জ্বল প্রতীক -জমিলা।
৩৬। গ্রামবাসীর অন্তর জর্জরিত হয়ে ওঠে - অনুশোচনায়।
৩৭। মজিদের শক্তি প্রতিফলিত হয়- গ্রামবাসীর ওপর।
৩৮। বুড়ো, হাসুনির মাকে বেধড়ক প্রহার করে- ঘরের কথা মজিদকে বলায়।
৩৯। মজিদকে শিকড়গাড়া বৃক্ষ করতে সক্রিয় ছিল- ধর্ম।
৪০। মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল- মতিগঞ্জের সড়কের ওপর ।
৪১। আমেনা বিবির প্রতি মজিদের যে দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পেয়েছে- লালসা।
৪২। খালেক ব্যাপারীর সামনে বসে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে- ধলা মিঞা।
৪৩। শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে – জমিলার চোখ ।
৪৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মুখে জমিলার থুথু নিক্ষেপে প্রকাশ পেয়েছে- ক্রোধ।
৪৫। মজিদ পূর্বে যেখানে বাস করত- গারো পাহাড়ে।
৪৬। মজিদের দুদু মিয়াকে শাসনের মধ্যে নিহিত- আধিপত্য বিস্তার।
৪৭। রহিমার কাছে নিজের মৃত্যু কামনা করে- জমিলা।
৪৮। প্রথম যৌবনে মজিদ যেমন বৌ এর স্বপ্ন দেখতো-জমিলার মতো।
৪৯। ঢেঙ্গা বুড়োর বিচারে মজিদ যে সূরা পাঠ করেছিল- সূরা আন-নূর।
৫০। ‘ বতর’ শব্দের অর্থ- ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।
৫১। ‘ওনারে কইবেন, আমার যেন মওত হয়।’ আর্জিটি করেছিল- হাসুনির মা।
৫২। মাঠের ধান নষ্ট হয়ে যায়- শিলা বৃষ্টি হলে।
৫৩। ‘শস্যের চেয়ে টুটি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি’ বলতে বোঝানো হয়েছে- ধর্মীয় গোঁড়ামী।
৫৪। গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই- অন্য সংস্করণ।
৫৫। বিশ্বাসের পাথরে যেন- খোদাই করা চোখ।
৫৬। ঘরের ম্লান আলোয় কবরের সেই অনাবৃত অংশটা - মৃত মানুষের খোলা চোখের মতো দেখায়।
৫৭। আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল – ১৩ বছর বয়সে।
৫৮। মোনাজাত শেষে মজিদ পা ফেলছিল – উত্তর দিকে।
৫৯। আমেনা বিবি ও রহিমার মধ্যে মিল রয়েছে – নিঃসন্তানের দিকটা।
৬০। ঘুমকাতুরে- জমিলা।
৬১। খালেক ব্যাপারীর মতে আক্কাস দাড়ি রাখেনি- ইংরেজি পড়েছে বলে।
৬২। গ্রামে হিড়িত পড়েছে- মসজিদ স্থাপনের।
৬৩। আমেনা বিবির আনন্দ আর সুখের নিশানা- থোতা মুখের তালগাছ।
৬৪। আওয়ালপুরের পীরের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে- ধর্মব্যবসা।
৬৫।আওয়ালপুরের পীর আছরের সময় যে নামাজ পেয়েছে- জোহর।
৬৬। মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিল- সমবেদনা প্রকাশ করতে।
৬৭। আওয়ালপুরের পীরের প্রতি আমেনার প্রকাশ পেয়েছে- অন্ধবিশ্বাস।
৬৮। খালেক ব্যাপারি সঙ্গে ধলা মিয়ার সম্পর্ক ছিল- শ্যালক।
❤41🥰5🔥2😢1🤩1