আজকের পরীক্ষার টপিক:
ঐকতান
সাম্যবাদী
এক্সাম টাইম: দুপুর ২ টা
ঐকতান
সাম্যবাদী
এক্সাম টাইম: দুপুর ২ টা
❤49👏2🔥1
পারিভাষিক শব্দ part:4 টা রিভিশন দিয়ে নাও আরেকবার... পোল শুরু করবো এখন।
❤24
Bureaucracy এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
6%
গণতন্ত্র
13%
প্রজাতন্ত্র
77%
আমলাতন্ত্র
4%
সমাজতন্ত্র
❤27🔥6😢5🤩5
❤18🔥3🥰3🤩2
Census এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
12%
তত্ত্বাবধায়ক
20%
পুঁজিবাদী
5%
তালিকা
63%
আদমশুমারী
🥰24😢12❤3
🥰15😢9👏2
🤩19😢16❤5🤔2😱2
🥰24❤6🔥1👏1
Chancellor এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
10%
পরিচার্য
70%
আচার্য
4%
গাম্ভীর্য
16%
প্রতিনিধি
❤17🥰6🔥4😢2
😢16❤14🥰5
Co-ordinator এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
7%
সংবিধান
7%
সংরক্ষণ
5%
সংশ্লেষণ
81%
সমন্বয়কারী
🥰17😢10❤5🔥2
😢26❤14🥰4😱3🔥2👏1
🥰16❤7🔥3
Concession এর পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Anonymous Quiz
3%
ঠান্ডা
26%
হিমাগার
60%
ছাড়/সুবিধা
11%
ঠান্ডা যুদ্ধ
🔥16😢11❤6🤩4
লালসালু উপন্যাস থেকে ১০০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর
🎴লালসালু ( MCQ কমন ৯০% প্রায় )
১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ জন্মগ্রহন করেন- চট্রগ্রামে।
২। সৈয়দ ওয়াল্লিউল্লাহর উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজী ভাষায় অনুদিত হয়- লালসালু ।
৩। সাংবাদিক হিসেবে- কর্মজীবন শুরু করেন সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
৪। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন- ১৯৭১ খ্রিষ্ট্রাব্দ।
৫।বাংলাদেশের কথাসাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ ছিলেন- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৬। ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়- ১৯৬৮ সালে।
৭। ‘নয়নচতারা’ গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়- ১৯৪৬ সালে।
৮।‘লালসালু’ উপন্যাস অনুযায়ী কী না হলে বিদেশে এক পাও চলে না- বদনা।
৯। নোয়াখালি অঞ্চলে শস্যের চেয়ে বেশি- টুপি।
১০। ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’ – বলা হয়েছে- শস্যহীন বলে।
১১।মজিদের শারীরিক গড়ন-শীর্ণকায়।
১২। মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ উম্মোচিত হয়েছে- মিথ্যাচার চরিত্রে।
১৩। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানেুষ আসতে লাগে- মাজারে মানত করতে।
১৪। মজিদ ভয় দেখেছে- রহিমার চোখে।
১৫। দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে –কলমা জানে না তাই।
১৬। মজিদের শক্তির মূল উৎস- মাজার।
১৭। মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ হল- রহিমার্ চরিত্রটি |
১৮। ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা গিয়েছিল- মজিদের বাড়িতে।
১৯। ঝড় এলে হাসুনির মায়ের অভ্যাস ছিল- হৈ চৈ করা।
২০। মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে চেয়েছিল- তামাক।
২১। মহিদ হাসুনির মাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল- বেগুনি রঙ্গের।
২২। মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায়- অন্য পীরদের আধিপত্য।
২৩।‘পাথর এবার হঠাৎ নড়ে’।– পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে- মজিদকে।
২৪। আমেনা বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিল – মা হওয়ার আশায়।
২৫। মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা ছিল- নাটকীয়।
২৬। জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার যে অসংগতির শিকার- বাল্যবিবাহ।
২৭। খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল- ছেলের মৃত্যুতে।
২৮।‘লালসালু’ উপন্যাসে যে পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে-ডোমপাড়া।
২৯। যার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৩০।মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিল তার তদারকির দায়িত্ব ছিল- রহিমা ও জমিলার |
৩১। জিকির করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল- মজিদ
৩২। এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে- সিংহের।
৩৩। মজিদের মুখে থুথু ফেলেছিল- জমিলা।
৩৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ্য রয়েছে- বালা।
৩৫। সহজ প্রাণধর্মের উজ্জ্বল প্রতীক -জমিলা।
৩৬। গ্রামবাসীর অন্তর জর্জরিত হয়ে ওঠে - অনুশোচনায়।
৩৭। মজিদের শক্তি প্রতিফলিত হয়- গ্রামবাসীর ওপর।
৩৮। বুড়ো, হাসুনির মাকে বেধড়ক প্রহার করে- ঘরের কথা মজিদকে বলায়।
৩৯। মজিদকে শিকড়গাড়া বৃক্ষ করতে সক্রিয় ছিল- ধর্ম।
৪০। মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল- মতিগঞ্জের সড়কের ওপর ।
৪১। আমেনা বিবির প্রতি মজিদের যে দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পেয়েছে- লালসা।
৪২। খালেক ব্যাপারীর সামনে বসে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে- ধলা মিঞা।
৪৩। শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে – জমিলার চোখ ।
৪৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মুখে জমিলার থুথু নিক্ষেপে প্রকাশ পেয়েছে- ক্রোধ।
৪৫। মজিদ পূর্বে যেখানে বাস করত- গারো পাহাড়ে।
৪৬। মজিদের দুদু মিয়াকে শাসনের মধ্যে নিহিত- আধিপত্য বিস্তার।
৪৭। রহিমার কাছে নিজের মৃত্যু কামনা করে- জমিলা।
৪৮। প্রথম যৌবনে মজিদ যেমন বৌ এর স্বপ্ন দেখতো-জমিলার মতো।
৪৯। ঢেঙ্গা বুড়োর বিচারে মজিদ যে সূরা পাঠ করেছিল- সূরা আন-নূর।
৫০। ‘ বতর’ শব্দের অর্থ- ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।
৫১। ‘ওনারে কইবেন, আমার যেন মওত হয়।’ আর্জিটি করেছিল- হাসুনির মা।
৫২। মাঠের ধান নষ্ট হয়ে যায়- শিলা বৃষ্টি হলে।
৫৩। ‘শস্যের চেয়ে টুটি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি’ বলতে বোঝানো হয়েছে- ধর্মীয় গোঁড়ামী।
৫৪। গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই- অন্য সংস্করণ।
৫৫। বিশ্বাসের পাথরে যেন- খোদাই করা চোখ।
৫৬। ঘরের ম্লান আলোয় কবরের সেই অনাবৃত অংশটা - মৃত মানুষের খোলা চোখের মতো দেখায়।
৫৭। আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল – ১৩ বছর বয়সে।
৫৮। মোনাজাত শেষে মজিদ পা ফেলছিল – উত্তর দিকে।
৫৯। আমেনা বিবি ও রহিমার মধ্যে মিল রয়েছে – নিঃসন্তানের দিকটা।
৬০। ঘুমকাতুরে- জমিলা।
৬১। খালেক ব্যাপারীর মতে আক্কাস দাড়ি রাখেনি- ইংরেজি পড়েছে বলে।
৬২। গ্রামে হিড়িত পড়েছে- মসজিদ স্থাপনের।
৬৩। আমেনা বিবির আনন্দ আর সুখের নিশানা- থোতা মুখের তালগাছ।
৬৪। আওয়ালপুরের পীরের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে- ধর্মব্যবসা।
৬৫।আওয়ালপুরের পীর আছরের সময় যে নামাজ পেয়েছে- জোহর।
৬৬। মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিল- সমবেদনা প্রকাশ করতে।
৬৭। আওয়ালপুরের পীরের প্রতি আমেনার প্রকাশ পেয়েছে- অন্ধবিশ্বাস।
৬৮। খালেক ব্যাপারি সঙ্গে ধলা মিয়ার সম্পর্ক ছিল- শ্যালক।
🎴লালসালু ( MCQ কমন ৯০% প্রায় )
১। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ জন্মগ্রহন করেন- চট্রগ্রামে।
২। সৈয়দ ওয়াল্লিউল্লাহর উপন্যাসটি ফরাসি ও ইংরেজী ভাষায় অনুদিত হয়- লালসালু ।
৩। সাংবাদিক হিসেবে- কর্মজীবন শুরু করেন সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
৪। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন- ১৯৭১ খ্রিষ্ট্রাব্দ।
৫।বাংলাদেশের কথাসাহিত্যকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার পথিকৃৎ ছিলেন- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
৬। ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়- ১৯৬৮ সালে।
৭। ‘নয়নচতারা’ গল্পগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়- ১৯৪৬ সালে।
৮।‘লালসালু’ উপন্যাস অনুযায়ী কী না হলে বিদেশে এক পাও চলে না- বদনা।
৯। নোয়াখালি অঞ্চলে শস্যের চেয়ে বেশি- টুপি।
১০। ‘কিন্তু দেশটা কেমন মরার দেশ’ – বলা হয়েছে- শস্যহীন বলে।
১১।মজিদের শারীরিক গড়ন-শীর্ণকায়।
১২। মোদাচ্ছের পীরের কবর আবিষ্কার করায় মজিদ উম্মোচিত হয়েছে- মিথ্যাচার চরিত্রে।
১৩। বিভিন্ন গ্রাম থেকে মহব্বতনগরে মানেুষ আসতে লাগে- মাজারে মানত করতে।
১৪। মজিদ ভয় দেখেছে- রহিমার চোখে।
১৫। দুদু মিঞার মুখে লজ্জার হাসি আসে –কলমা জানে না তাই।
১৬। মজিদের শক্তির মূল উৎস- মাজার।
১৭। মজিদের সঙ্গে গ্রামবাসীর যোগসূত্রকারী চরিত্র হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ হল- রহিমার্ চরিত্রটি |
১৮। ঢেঙা বুড়োর হাতে মার খেয়ে হাসুনির মা গিয়েছিল- মজিদের বাড়িতে।
১৯। ঝড় এলে হাসুনির মায়ের অভ্যাস ছিল- হৈ চৈ করা।
২০। মজিদ হাসুনির মার কাছ থেকে চেয়েছিল- তামাক।
২১। মহিদ হাসুনির মাকে শাড়ি কিনে দিয়েছিল- বেগুনি রঙ্গের।
২২। মজিদের গড়া মাজারে লোকজনের আসা কমে যায়- অন্য পীরদের আধিপত্য।
২৩।‘পাথর এবার হঠাৎ নড়ে’।– পাথর বলতে বোঝানো হয়েছে- মজিদকে।
২৪। আমেনা বিবি তার স্বামীকে পানিপড়া আনতে বলেছিল – মা হওয়ার আশায়।
২৫। মজিদের মহব্বতনগর গ্রামে প্রবেশটা ছিল- নাটকীয়।
২৬। জমিলা আমাদের সমাজব্যবস্থার যে অসংগতির শিকার- বাল্যবিবাহ।
২৭। খোদার অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাজারে খ্যাংটা বুড়ি নালিশ করেছিল- ছেলের মৃত্যুতে।
২৮।‘লালসালু’ উপন্যাসে যে পাড়ার উৎসবের কথা বর্ণিত আছে-ডোমপাড়া।
২৯। যার বিলাপ শুনে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৩০।মজিদের বাড়িতে জিকিরের জন্য যে শিরনি রান্না চলছিল তার তদারকির দায়িত্ব ছিল- রহিমা ও জমিলার |
৩১। জিকির করতে করতে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিল- মজিদ
৩২। এশার নামাজ পড়ে মজিদ মাজারে কিসের আওয়াজ শুনেছিল বলে প্রকাশ করে- সিংহের।
৩৩। মজিদের মুখে থুথু ফেলেছিল- জমিলা।
৩৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে চৌকাঠে বসলে ঘরে কী আসে বলে উল্লেখ্য রয়েছে- বালা।
৩৫। সহজ প্রাণধর্মের উজ্জ্বল প্রতীক -জমিলা।
৩৬। গ্রামবাসীর অন্তর জর্জরিত হয়ে ওঠে - অনুশোচনায়।
৩৭। মজিদের শক্তি প্রতিফলিত হয়- গ্রামবাসীর ওপর।
৩৮। বুড়ো, হাসুনির মাকে বেধড়ক প্রহার করে- ঘরের কথা মজিদকে বলায়।
৩৯। মজিদকে শিকড়গাড়া বৃক্ষ করতে সক্রিয় ছিল- ধর্ম।
৪০। মজিদ মোনাজাতের ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে ছিল- মতিগঞ্জের সড়কের ওপর ।
৪১। আমেনা বিবির প্রতি মজিদের যে দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ পেয়েছে- লালসা।
৪২। খালেক ব্যাপারীর সামনে বসে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করে- ধলা মিঞা।
৪৩। শত্রুর আভাস পাওয়া হরিণের চোখের মতোই সতর্ক হয়ে ওঠে – জমিলার চোখ ।
৪৪। ‘লালসালু’ উপন্যাসে মজিদের মুখে জমিলার থুথু নিক্ষেপে প্রকাশ পেয়েছে- ক্রোধ।
৪৫। মজিদ পূর্বে যেখানে বাস করত- গারো পাহাড়ে।
৪৬। মজিদের দুদু মিয়াকে শাসনের মধ্যে নিহিত- আধিপত্য বিস্তার।
৪৭। রহিমার কাছে নিজের মৃত্যু কামনা করে- জমিলা।
৪৮। প্রথম যৌবনে মজিদ যেমন বৌ এর স্বপ্ন দেখতো-জমিলার মতো।
৪৯। ঢেঙ্গা বুড়োর বিচারে মজিদ যে সূরা পাঠ করেছিল- সূরা আন-নূর।
৫০। ‘ বতর’ শব্দের অর্থ- ফসল কাটার উপযুক্ত সময়।
৫১। ‘ওনারে কইবেন, আমার যেন মওত হয়।’ আর্জিটি করেছিল- হাসুনির মা।
৫২। মাঠের ধান নষ্ট হয়ে যায়- শিলা বৃষ্টি হলে।
৫৩। ‘শস্যের চেয়ে টুটি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি’ বলতে বোঝানো হয়েছে- ধর্মীয় গোঁড়ামী।
৫৪। গ্রামের লোকেরা যেন রহিমারই- অন্য সংস্করণ।
৫৫। বিশ্বাসের পাথরে যেন- খোদাই করা চোখ।
৫৬। ঘরের ম্লান আলোয় কবরের সেই অনাবৃত অংশটা - মৃত মানুষের খোলা চোখের মতো দেখায়।
৫৭। আমেনা বিবির বিয়ে হয়েছিল – ১৩ বছর বয়সে।
৫৮। মোনাজাত শেষে মজিদ পা ফেলছিল – উত্তর দিকে।
৫৯। আমেনা বিবি ও রহিমার মধ্যে মিল রয়েছে – নিঃসন্তানের দিকটা।
৬০। ঘুমকাতুরে- জমিলা।
৬১। খালেক ব্যাপারীর মতে আক্কাস দাড়ি রাখেনি- ইংরেজি পড়েছে বলে।
৬২। গ্রামে হিড়িত পড়েছে- মসজিদ স্থাপনের।
৬৩। আমেনা বিবির আনন্দ আর সুখের নিশানা- থোতা মুখের তালগাছ।
৬৪। আওয়ালপুরের পীরের মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে- ধর্মব্যবসা।
৬৫।আওয়ালপুরের পীর আছরের সময় যে নামাজ পেয়েছে- জোহর।
৬৬। মজিদ হাসপাতালে গিয়েছিল- সমবেদনা প্রকাশ করতে।
৬৭। আওয়ালপুরের পীরের প্রতি আমেনার প্রকাশ পেয়েছে- অন্ধবিশ্বাস।
৬৮। খালেক ব্যাপারি সঙ্গে ধলা মিয়ার সম্পর্ক ছিল- শ্যালক।
❤41🥰5🔥2😢1🤩1
৬৯। ধলা মিয়াকে ব্যাপারী আওয়ালপুরে যেতে বলেছিল- পানিপড়া আনতে।
৭০। ধলা মিয়ার দেবংশি তেঁতুল গাছকে ভয় পাওয়ার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে - কুসংস্কার বিশ্বাস।
৭১। মজিদ বারবার ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলায় প্রকাশ পেয়েছে- দৃঢ়তা।
৭২। আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ আখ্যা দিয়েছে - ইবলিশ।
৭৩। খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভায় পায় -ধর্মভীতির কারণে।
৭৪। ‘আমেনা’ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য- নিঃসন্তান।
৭৫। ঢেঙ্গা বুড়োর স্ত্রীর জানাজা পাড়ানোর কথা ছিল- মোল্লা শেখের।
৭৬। “তানি যে খোদার মানুষ” উক্তিটি হল - রহিমার।
৭৭। উঠানোর পথটুকু পাড়ি দিতে আমেনা বিবি পরিপ্রান্ত বোধ করে- অসুস্থাতায়।
৭৮। আমেনা বিবি মজিদের কাছে চড়ে গিয়েছিল- পালকি।
৭৯। আমেনা বিবিকে পালকি থেকে নামিয়ে মজিদ যেতে বলেছিলেন- মাজারে।
৮০। মজিদ বার বার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল- রূপের মোহে।
৮১। মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায় – ধর্মভীতির কারণে।
৮২। আমেনা বিবি মাজারে পাক শুরু করেছিল- ডান দিক থেকে।
৮৩। রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো দেখেছিল- বেড়ার ফুটো দিয়ে।
৮৪। আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মূর্ছা গিয়েছিল- শারীরিক দুর্বলতায়।
৮৫। খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে- সন্দেহে।
৮৬। আমেনা বিবির ক্ষেত্রে প্রজোয্য- স্বামীভীরু।
৮৭। যে গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌছেছে- তালগাছ।
৮৮।মোদাব্বের মিয়ার ছেলের নাম- আক্কাস।
৮৯। মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রে উম্মোচিত হয়েছে- শোষণ।
৯০। ‘পুলক’ শব্দের অর্থ- আনন্দ।
৯১।“বেত্তমিজের মতো কথা কইস না” উক্তিটি যার সম্পর্কে করা হয়েছিল- আক্কাস।
৯২।মহব্বতনগর গ্রামের বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিল - খালেক ব্যাপারী।
৯৩। মহব্বতনগর গ্রামে মসজিদ নির্মাণে তদারকিতে ছিল- মজিদ।
৯৪। সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ ছিল- মজিদ।
৯৫। মজিদের যশ, খ্যাতির উৎস –পুরনো কবরটি।
৯৬। মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ- নিঃসন্তান হওয়ায়।
৯৭। যার বিলাপে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৯৮। রহিমা পোষ্য রাখতে চায়- হাসুনিকে।
৯৯। “মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে” এখানে অন্য কথা বলতে বোঝানো হয়েছে- দ্বিতীয় বিয়ে।
১০০। ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু- গ্রামীণ জীবন, কুসংস্কার ও গোঁড়ামি
পড়া শেষ হলে রিয়েক্ট দিবেন।
৭০। ধলা মিয়ার দেবংশি তেঁতুল গাছকে ভয় পাওয়ার মধ্যে প্রকাশ পেয়েছে - কুসংস্কার বিশ্বাস।
৭১। মজিদ বারবার ধলা মিয়াকে আওয়ালপুরে যেতে বলায় প্রকাশ পেয়েছে- দৃঢ়তা।
৭২। আওয়ালপুরের পীরকে মজিদ আখ্যা দিয়েছে - ইবলিশ।
৭৩। খালেক ব্যাপারী মজিদকে ভায় পায় -ধর্মভীতির কারণে।
৭৪। ‘আমেনা’ ক্ষেত্রে প্রযোজ্য- নিঃসন্তান।
৭৫। ঢেঙ্গা বুড়োর স্ত্রীর জানাজা পাড়ানোর কথা ছিল- মোল্লা শেখের।
৭৬। “তানি যে খোদার মানুষ” উক্তিটি হল - রহিমার।
৭৭। উঠানোর পথটুকু পাড়ি দিতে আমেনা বিবি পরিপ্রান্ত বোধ করে- অসুস্থাতায়।
৭৮। আমেনা বিবি মজিদের কাছে চড়ে গিয়েছিল- পালকি।
৭৯। আমেনা বিবিকে পালকি থেকে নামিয়ে মজিদ যেতে বলেছিলেন- মাজারে।
৮০। মজিদ বার বার আমেনা বিবির দিকে আড়চোখে তাকাচ্ছিল- রূপের মোহে।
৮১। মজিদের সামনে খালেক ব্যাপারী অসহায় – ধর্মভীতির কারণে।
৮২। আমেনা বিবি মাজারে পাক শুরু করেছিল- ডান দিক থেকে।
৮৩। রহিমা মাজারে আমেনা বিবির দৃশ্যগুলো দেখেছিল- বেড়ার ফুটো দিয়ে।
৮৪। আমেনা বিবি মাজারের মধ্যে মূর্ছা গিয়েছিল- শারীরিক দুর্বলতায়।
৮৫। খালেক ব্যাপারীর গলায় শিশুর ভাব আসে- সন্দেহে।
৮৬। আমেনা বিবির ক্ষেত্রে প্রজোয্য- স্বামীভীরু।
৮৭। যে গাছ দেখে আমেনা বিবি বুঝত যে স্বামীর বাড়িতে পৌছেছে- তালগাছ।
৮৮।মোদাব্বের মিয়ার ছেলের নাম- আক্কাস।
৮৯। মজিদ আক্কাসকে দমাতে চাওয়ায় তার চরিত্রে উম্মোচিত হয়েছে- শোষণ।
৯০। ‘পুলক’ শব্দের অর্থ- আনন্দ।
৯১।“বেত্তমিজের মতো কথা কইস না” উক্তিটি যার সম্পর্কে করা হয়েছিল- আক্কাস।
৯২।মহব্বতনগর গ্রামের বড় মসজিদ নির্মাণে বারো আনা ব্যয় বহন করতে চেয়েছিল - খালেক ব্যাপারী।
৯৩। মহব্বতনগর গ্রামে মসজিদ নির্মাণে তদারকিতে ছিল- মজিদ।
৯৪। সচ্ছলতায় শিকড়গাড়া বৃক্ষ ছিল- মজিদ।
৯৫। মজিদের যশ, খ্যাতির উৎস –পুরনো কবরটি।
৯৬। মজিদের নিঃসঙ্গবোধের কারণ- নিঃসন্তান হওয়ায়।
৯৭। যার বিলাপে জমিলার মন খারাপ হয়েছিল- খ্যাংটা বুড়ির।
৯৮। রহিমা পোষ্য রাখতে চায়- হাসুনিকে।
৯৯। “মজিদের মনে কিন্তু অন্য কথা ঘোরে” এখানে অন্য কথা বলতে বোঝানো হয়েছে- দ্বিতীয় বিয়ে।
১০০। ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু- গ্রামীণ জীবন, কুসংস্কার ও গোঁড়ামি
পড়া শেষ হলে রিয়েক্ট দিবেন।
❤141🔥9👏8
Written guidelines and Review Post :
Long post alert and must read💥
আমি আপনাদের সবার খাতাই চেক করেছি,যারা যারা এন্সার করেছেন।কমনলি কিছু গাইডলাইন আমার দেয়ার আছে এই ক্ষেত্রে।নেক্সট রিটেনের সময় এগুলো মাথায় রাখলে ইন শা আল্লাহ আরো আপগ্রেড হবে পারফর্মেন্স।পোস্টটা একটু বড় হবে আগেই বলে নিচ্ছি।তবে সবাইকে ধরে ধরে বলা পসিবল না। সবার ক্ষেত্রে সবগুলো খাটবে তাও না।যা যা এনালাইসিস করে পেয়েছি,আমি পয়েন্ট করে রেখেছিলাম।তা বলছি। আশা করি আপনাদের কাজে দিবে😊
প্রথমত,যদি জিজ্ঞাসা করা হয় "..........."-এ দ্বারা কি বোঝানো হয়েছে?এটা মাথায় রাখতে হবে যে, আপনি যত ভালোই লিখুন না কেন সেটা ৮-১০ লাইনই হোক না কেন,যদি সঠিক প্রেক্ষাপট আইডেন্টিফাই করতে না পারেন,তবে ০ পাওয়ারও সম্ভাবনা থাকবে।আর কেউ যদি ৩ লাইনের ভিতরে উপমার আসল অর্থ,গল্পে কি বোঝাতে চেয়েছে সেই অর্থ ঠিকঠাক লিখে,সে-ও ফুল মার্ক পেয়ে যেতে পারে।৬-৭ লাইনের বেশি না যাওয়াই ভালো।সময় ম্যানেজমেন্ট খুব বেশি জরুরি,২ মার্কের জন্য ২.৫ মিনিটের বেশি সময় নেয়া উচিত হবে না।
দ্বিতীয়ত,কোনো প্রশ্নে আসলে কি জানতে চেয়েছে সেটা আইডেন্টিফাই করে পূর্ণাঙ্গ কথাটুকু লিখতে হবে।যেমন আপনাদের গতকালকের প্রশ্নের উত্তরে আমি এই বিষয়টাতে একটু ল্যাকিংস দেখেছি।গড়পড়তা সবারই এখানে একটু সমস্যা হয়েছে।যেমন জানতে চাওয়া হয়েছে, কলিকাল যে পোয়া হইয়া আসিল! -এই লাইনের ব্যাখ্যা। প্রশ্নের পাশাপাশি মার্ক কতো সেটাও দেখা লাগবে।এই লাইনের আক্ষরিক অর্থ অনেকে লিখতে পেরেছেন।কিন্তু টিচার যদি ২ মার্কের জন্য এটাও এক্সপেক্ট করে যে গল্পের সাথে কিভাবে রিলেটেবল সেটাও দেখানো হোক আর অবশ্যই অনেকে আক্ষরিক অর্থ ও গল্পে কোন প্রেক্ষিতে কথাটি লিখা হয়েছে সেই সঠিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করবে,সেক্ষেত্রে মার্ক কম আসতে পারে একটু।তবে এখানে আরও একটা কথা আছে,এখন প্রেক্ষাপট সঠিকটা না লিখতে পারলে শুধু আক্ষরিক অর্থ লিখাটাই উত্তম হয়তো।কারণ ভুল কিছু লিখার রিস্কের চেয়ে যেটুকু সঠিক জানি,সেটুকু ডেলিভার করতে পারাও ভালো।
তৃতীয়ত, এই ২ মার্কের প্রশ্নগুলোর জন্য ব্যাসিক কন্সেপ্ট হলো এইচ এস সির সৃজনশীলের খ নং প্রশ্ন।প্রথমেই শর্টকাটে লাইনের অর্থ এক লাইনে বুঝিয়ে দিয়ে, যদি ২-৩ লাইন গ্যাজ দেয়ার টাইম থাকে সেটা দিয়ে দিতে হবে আর কি!
চতুর্থত,বানান।শব্দের বানানের দিকে খেয়াল রাখা খুব জরুরি।বেশিরভাগ বাংলা শিক্ষকই বাংলা বানানের না তাকাতে চাইলেও তাদের দৃষ্টিতে সেটা পড়বে।আর শুদ্ধ বানান জানাটা বাংলা ২য় পত্র থেকে শুদ্ধিকরণ আসলেও লাগবে।ভালো লিখলেও দেখা যায় নরমাল বানানও ভুল করে বসি আমরা।যেটা করলে নেগেটিভ ইম্প্রেশন পড়ে খাতার ওপরে।কোনো কোনো টিচার চাইলে মার্ক্সও কাটতে পারেন।এডমিশন টেস্ট প্রতিযোগিতামূলক টেস্ট।বানানের প্রতি সঠিক নজর আপনাকে কয়েক ধাপ এগিয়েও রাখতে পারে!যেমন,কাঁসি,শানাই,অন্তঃসলিলা প্রভৃতি বানান ভুল লিখেছেন।
মামাকে কেন মনুর সাথে তুলনা করা হল-এটার কন্সেপ্ট ম্যাক্সিমাম মানুষ হয় কি প্রেক্ষিতে এই উক্তি গল্পে উল্লেখ করা হয়েছে এটা সঠিক লিখতে পারেননি।আবার অনেকে মনু কে সেটুকু লিখে রেখে দিয়েছেন।আবার অনেকে সঠিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করলেও মনু কে সেটা উল্লেখ করেননি।কনসেপ্ট ভুল আবার মনু কে সেটাও উল্লেখ না করলে পুরো প্রশ্নের উত্তরে মার্ক দেয়ার জায়গা থাকে না আসলে।আবার মনু কে সেটা একদমই না জানলে লিখবেন না,কারণ অনেকে মনুর পরিচয়ও ভুল লিখেছেন।যেটা দেখলে টিচার শিওর হয়ে যাবে যে আসলে ভিতরে অন্তঃসারশূন্য...মোদ্দাকথা মনুর সঠিক পরিচয় ও মামা যে কলকাতা ও হাবড়ার পুল প্রসঙ্গে কথাটা বলেছে এই দুটো জিনিস ঠিক থাকলে পরিপূর্ণ মার্ক পাওয়া সম্ভব।
ঠিক একইভাবে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের বিরোধ নেই -এই প্রশ্নের মার্ক ২।প্রজাপতি ও পঞ্চশরের সঠিক অর্থ বলার সাথে এটা অনুপম যে বিয়ের প্রসঙ্গে বলল এটাও উল্লেখ্য।
মামা আমাদের সংসারের প্রধান গর্বের সামগ্রী। এটা অনুপমের পরিবারের সব দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন এই প্রেক্ষিতে বলা হয়নি।বরং তিনি বুদ্ধিতে পারদর্শী এবং কারো কাছে একবিন্দু ঠকতে রাজি নন।বিয়ের যৌতুকের প্রসঙ্গে অনুপম এটা বলেছে।
আর অনেকে শুরুতে লিখে নেন যে,"......" এটি নিচে ব্যাখ্যা করা হল।এটা না লিখে ডিরেক্ট প্রশ্নের উত্তর শুরু করলেও চলে আর এতে করে লেখার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়।এই এক্সট্রা টাইমটুকু অন্য রিটেন পার্টে কাজে লাগাতে পারবেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা,শব্দার্থ টীকা ও পাঠ পরিচিতি অবশ্যই পড়ুন।
Long post alert and must read💥
আমি আপনাদের সবার খাতাই চেক করেছি,যারা যারা এন্সার করেছেন।কমনলি কিছু গাইডলাইন আমার দেয়ার আছে এই ক্ষেত্রে।নেক্সট রিটেনের সময় এগুলো মাথায় রাখলে ইন শা আল্লাহ আরো আপগ্রেড হবে পারফর্মেন্স।পোস্টটা একটু বড় হবে আগেই বলে নিচ্ছি।তবে সবাইকে ধরে ধরে বলা পসিবল না। সবার ক্ষেত্রে সবগুলো খাটবে তাও না।যা যা এনালাইসিস করে পেয়েছি,আমি পয়েন্ট করে রেখেছিলাম।তা বলছি। আশা করি আপনাদের কাজে দিবে😊
প্রথমত,যদি জিজ্ঞাসা করা হয় "..........."-এ দ্বারা কি বোঝানো হয়েছে?এটা মাথায় রাখতে হবে যে, আপনি যত ভালোই লিখুন না কেন সেটা ৮-১০ লাইনই হোক না কেন,যদি সঠিক প্রেক্ষাপট আইডেন্টিফাই করতে না পারেন,তবে ০ পাওয়ারও সম্ভাবনা থাকবে।আর কেউ যদি ৩ লাইনের ভিতরে উপমার আসল অর্থ,গল্পে কি বোঝাতে চেয়েছে সেই অর্থ ঠিকঠাক লিখে,সে-ও ফুল মার্ক পেয়ে যেতে পারে।৬-৭ লাইনের বেশি না যাওয়াই ভালো।সময় ম্যানেজমেন্ট খুব বেশি জরুরি,২ মার্কের জন্য ২.৫ মিনিটের বেশি সময় নেয়া উচিত হবে না।
দ্বিতীয়ত,কোনো প্রশ্নে আসলে কি জানতে চেয়েছে সেটা আইডেন্টিফাই করে পূর্ণাঙ্গ কথাটুকু লিখতে হবে।যেমন আপনাদের গতকালকের প্রশ্নের উত্তরে আমি এই বিষয়টাতে একটু ল্যাকিংস দেখেছি।গড়পড়তা সবারই এখানে একটু সমস্যা হয়েছে।যেমন জানতে চাওয়া হয়েছে, কলিকাল যে পোয়া হইয়া আসিল! -এই লাইনের ব্যাখ্যা। প্রশ্নের পাশাপাশি মার্ক কতো সেটাও দেখা লাগবে।এই লাইনের আক্ষরিক অর্থ অনেকে লিখতে পেরেছেন।কিন্তু টিচার যদি ২ মার্কের জন্য এটাও এক্সপেক্ট করে যে গল্পের সাথে কিভাবে রিলেটেবল সেটাও দেখানো হোক আর অবশ্যই অনেকে আক্ষরিক অর্থ ও গল্পে কোন প্রেক্ষিতে কথাটি লিখা হয়েছে সেই সঠিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করবে,সেক্ষেত্রে মার্ক কম আসতে পারে একটু।তবে এখানে আরও একটা কথা আছে,এখন প্রেক্ষাপট সঠিকটা না লিখতে পারলে শুধু আক্ষরিক অর্থ লিখাটাই উত্তম হয়তো।কারণ ভুল কিছু লিখার রিস্কের চেয়ে যেটুকু সঠিক জানি,সেটুকু ডেলিভার করতে পারাও ভালো।
তৃতীয়ত, এই ২ মার্কের প্রশ্নগুলোর জন্য ব্যাসিক কন্সেপ্ট হলো এইচ এস সির সৃজনশীলের খ নং প্রশ্ন।প্রথমেই শর্টকাটে লাইনের অর্থ এক লাইনে বুঝিয়ে দিয়ে, যদি ২-৩ লাইন গ্যাজ দেয়ার টাইম থাকে সেটা দিয়ে দিতে হবে আর কি!
চতুর্থত,বানান।শব্দের বানানের দিকে খেয়াল রাখা খুব জরুরি।বেশিরভাগ বাংলা শিক্ষকই বাংলা বানানের না তাকাতে চাইলেও তাদের দৃষ্টিতে সেটা পড়বে।আর শুদ্ধ বানান জানাটা বাংলা ২য় পত্র থেকে শুদ্ধিকরণ আসলেও লাগবে।ভালো লিখলেও দেখা যায় নরমাল বানানও ভুল করে বসি আমরা।যেটা করলে নেগেটিভ ইম্প্রেশন পড়ে খাতার ওপরে।কোনো কোনো টিচার চাইলে মার্ক্সও কাটতে পারেন।এডমিশন টেস্ট প্রতিযোগিতামূলক টেস্ট।বানানের প্রতি সঠিক নজর আপনাকে কয়েক ধাপ এগিয়েও রাখতে পারে!যেমন,কাঁসি,শানাই,অন্তঃসলিলা প্রভৃতি বানান ভুল লিখেছেন।
মামাকে কেন মনুর সাথে তুলনা করা হল-এটার কন্সেপ্ট ম্যাক্সিমাম মানুষ হয় কি প্রেক্ষিতে এই উক্তি গল্পে উল্লেখ করা হয়েছে এটা সঠিক লিখতে পারেননি।আবার অনেকে মনু কে সেটুকু লিখে রেখে দিয়েছেন।আবার অনেকে সঠিক প্রেক্ষাপট উল্লেখ করলেও মনু কে সেটা উল্লেখ করেননি।কনসেপ্ট ভুল আবার মনু কে সেটাও উল্লেখ না করলে পুরো প্রশ্নের উত্তরে মার্ক দেয়ার জায়গা থাকে না আসলে।আবার মনু কে সেটা একদমই না জানলে লিখবেন না,কারণ অনেকে মনুর পরিচয়ও ভুল লিখেছেন।যেটা দেখলে টিচার শিওর হয়ে যাবে যে আসলে ভিতরে অন্তঃসারশূন্য...মোদ্দাকথা মনুর সঠিক পরিচয় ও মামা যে কলকাতা ও হাবড়ার পুল প্রসঙ্গে কথাটা বলেছে এই দুটো জিনিস ঠিক থাকলে পরিপূর্ণ মার্ক পাওয়া সম্ভব।
ঠিক একইভাবে প্রজাপতির সঙ্গে পঞ্চশরের বিরোধ নেই -এই প্রশ্নের মার্ক ২।প্রজাপতি ও পঞ্চশরের সঠিক অর্থ বলার সাথে এটা অনুপম যে বিয়ের প্রসঙ্গে বলল এটাও উল্লেখ্য।
মামা আমাদের সংসারের প্রধান গর্বের সামগ্রী। এটা অনুপমের পরিবারের সব দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন এই প্রেক্ষিতে বলা হয়নি।বরং তিনি বুদ্ধিতে পারদর্শী এবং কারো কাছে একবিন্দু ঠকতে রাজি নন।বিয়ের যৌতুকের প্রসঙ্গে অনুপম এটা বলেছে।
আর অনেকে শুরুতে লিখে নেন যে,"......" এটি নিচে ব্যাখ্যা করা হল।এটা না লিখে ডিরেক্ট প্রশ্নের উত্তর শুরু করলেও চলে আর এতে করে লেখার সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পায়।এই এক্সট্রা টাইমটুকু অন্য রিটেন পার্টে কাজে লাগাতে পারবেন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা,শব্দার্থ টীকা ও পাঠ পরিচিতি অবশ্যই পড়ুন।
❤54🥰5🤔2🤩1
এই ছিল মোটামুটি রিভিউ।গতকাল সব খাতা চেক করে সবার ব্যক্তিগত মার্কিং করেছি।এটা প্রথম দিন বলে সবার স্ক্রিপ্ট পড়ে আবার মার্কিং করার মাধ্যমে দেখিয়েও দিয়েছি কোথায় ইম্প্রুভ করা লাগবে আরও।প্রতিদিন এভাবে ১০০ এর কাছাকাছি খাতা চেক করে মার্কিং করাটা দুঃসহ।আমার লিমিটেশনের জন্য আমি দুঃখিত।তবে আশা করি এটা আপনারা বুঝবেন।আজকে থেকে আমি মোটামুটি আপনাদের এন্সার চেক করে পড়ে দেখব, তবে মার্কিং দিব না আর শেষে সলিউশন শিটের পাশাপাশি এরকম রিভিউ পোস্ট দিয়ে দিব।আপনারা নিজ দায়িত্বে একটু মিলিয়ে নিবেন আর কোথায় ইম্প্রুভ করা যেত।রেজাল্ট শিটের পিডিএফে আপনাদের করা প্রশ্নের উত্তরও দেখা যায়।সেটার সাথে রিভিউ পোস্টের গাইডলাইন ও সলিউশন পোস্ট মিললো কিনা দেখে নিবেন।আর আজকে তো আমি দেখে বলেই দিয়েছি কার কার কোথায় কোথায় ইম্প্রুভ করার সুযোগ রয়েছে।বুদ্ধিমানের জন্য ইশারাই যথেষ্ট।সেভাবে নিজেকে আরো ইম্প্রুভ করে নিবেন।ধন্যবাদ সবাইকে।
আবারও সতর্কতা পার্টিসিপেশন গতকালকের মতো চাই,না-হয় এভাবে কন্টিনিউ করব না সত্যিই!ভালোই ইফোর্ট দিতে হচ্ছে এর পিছনে আমাকে...দোয়া করবেন আমার জন্য।😊
আর দিহান ভাই যে আপনাদের বাংলা ২য় পত্র রিটেন লিখতে দেন ডেইলি,সেটাও অবশ্যই এটেন্ড করবেন।কমেন্টে লিখে হলেও,খাতায় ৮-১০ লাইন লিখে হলেও।শুভ কামনা সবার জন্য।আমি আমার স্বল্প জ্ঞান থেকে শেয়ার করলাম কিছু গাইডলাইন।ভুলত্রুটি হতে পারে।আশা করি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
আপাতত ১২.৩০ পর্যন্ত এডমিনদেরকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া পোল না দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি
আবারও সতর্কতা পার্টিসিপেশন গতকালকের মতো চাই,না-হয় এভাবে কন্টিনিউ করব না সত্যিই!ভালোই ইফোর্ট দিতে হচ্ছে এর পিছনে আমাকে...দোয়া করবেন আমার জন্য।😊
আর দিহান ভাই যে আপনাদের বাংলা ২য় পত্র রিটেন লিখতে দেন ডেইলি,সেটাও অবশ্যই এটেন্ড করবেন।কমেন্টে লিখে হলেও,খাতায় ৮-১০ লাইন লিখে হলেও।শুভ কামনা সবার জন্য।আমি আমার স্বল্প জ্ঞান থেকে শেয়ার করলাম কিছু গাইডলাইন।ভুলত্রুটি হতে পারে।আশা করি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।
আপাতত ১২.৩০ পর্যন্ত এডমিনদেরকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া পোল না দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি
❤33