বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?
Anonymous Quiz
6%
জিকা
40%
ইউ এন ডিপি
44%
বিশ্ব ব্যাংক
10%
আই এম এফ
❤14😢14🎉2🤩2🔥1
❤11🔥6😢5🎉3😱2🤩2
🔥13❤9😢8🤩5😱3🎉2
😢24😱13❤8🤩4🔥3👏1🎉1
🤩38😱33😢15❤6🎉4🔥2👏2
😢25😱17🔥9🤩2👏1🎉1
😢17❤10🔥8🤩8😱6🎉5
‘আমার বঙ্গবন্ধু ’ হলো-
Anonymous Quiz
29%
একটি বইয়ের নাম
50%
একটি গেমসের নাম
6%
একটি ভবনের নাম
15%
একটি স্থাপত্যের নাম
😱34❤12🔥6😢4🎉2
প্রথম বাংলা কমিকস-
Anonymous Quiz
14%
মিশন ইম্পসিবল
57%
হাদাঁ ভোঁদার গল্প
18%
নোমান
12%
মঙ্গলে একরাত
🤩28😢11❤10🔥5🎉2
😢29🔥14❤3🎉2🤩2
❤16🔥2🎉1🤩1
❤13😢11🤩5🔥2🎉2
😢14❤8🔥4🎉3
😢22❤9🔥5🤩2
😢10🤩9🔥8❤5🎉2😱1
তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের কোন শহর অবস্থিত?
Anonymous Quiz
8%
করিমগঞ্জ
9%
কলকাতা
27%
আসাম
56%
ডাউকি
❤21😢18🔥5🎉3🤩2😱1
Forwarded from Hasibul Hasan
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার নকশাকার কে?
Anonymous Quiz
2%
এম হোসেন আলী
36%
কামরুল হাসান
62%
শিবনারায়ণ দাস
1%
তাজউদ্দীন আহমেদ
😢18❤10🔥5😱5🎉1
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল--
Anonymous Quiz
6%
হরতাল
79%
অসহযোগ আন্দোলন
10%
কাগমারী সম্মেলন
5%
কিছুই চলেনি
🔥15😢10❤8🎉1🤩1
বিগবার্ড অপারেশনে নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করেন
Anonymous Quiz
13%
মেজর জহির আলম।
28%
টিক্কা খান
34%
জেনারেল ইয়াহিয়া খান
25%
রাও ফরমান আলী
😢38😱13🔥5🤩2🎉1
অসহযোগ আন্দোলন-১৯৭১
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়—২ মার্চ এবং সমাপ্ত হয়- ২৪ মার্চ।
অসহযোগ আন্দোলনের শুরুতেই ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলন করা হয়- মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা; জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন- আ স ম আব্দুর রব (তকালীন) ডাকসুর ভিপি।
৩ মার্চ গঠন করা হয় স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম ছয় দিনে হতাহতের সংখ্যা ছিল- নিহত ১৭২ ও আহত ৩৫৮ জন (সরকারি প্রেস নোট অনুযায়ী)।
ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন-১ মার্চ, ১৯৭১; অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়- ২ ও ৩ মার্চ, ১৯৭১।
বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করে-৩ মার্চ, ১৯৭১; পাঠ করেন সাজাহান সিরাজ।
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানটি পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়——৩ মার্চ, ১৯৭১।
পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ প্রতিরোধ দিবস পালন করে–২ মার্চ।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার শিল্পী- কামরুল হাসান।
অসহযোগ আন্দোলন সমাপ্ত হয় - স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে।
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়—২ মার্চ এবং সমাপ্ত হয়- ২৪ মার্চ।
অসহযোগ আন্দোলনের শুরুতেই ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলন করা হয়- মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা; জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন- আ স ম আব্দুর রব (তকালীন) ডাকসুর ভিপি।
৩ মার্চ গঠন করা হয় স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম ছয় দিনে হতাহতের সংখ্যা ছিল- নিহত ১৭২ ও আহত ৩৫৮ জন (সরকারি প্রেস নোট অনুযায়ী)।
ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন-১ মার্চ, ১৯৭১; অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়- ২ ও ৩ মার্চ, ১৯৭১।
বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করে-৩ মার্চ, ১৯৭১; পাঠ করেন সাজাহান সিরাজ।
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানটি পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়——৩ মার্চ, ১৯৭১।
পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ প্রতিরোধ দিবস পালন করে–২ মার্চ।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার শিল্পী- কামরুল হাসান।
অসহযোগ আন্দোলন সমাপ্ত হয় - স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে।
❤48😱6🔥1
৭ মার্চের ভাষণ
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল-- অসহযোগ আন্দোলন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান); ভাষণে তিনি পেশ করেন- ৪ দফা দাবি; ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সগ্রামের ঘোষণা (পরোক্ষভাবে)।
৭ মার্চ বিখ্যাত - বঙ্গবন্ধুর ভাষণের জন্য; এ ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ শুরু হয় বিকেল ৩ টায়;
ভাষণের স্থায়িত্বকাল ছিল- ১৯ মিনিট।
শব্দ সংখ্যা-১১০৮টি।
৭ মার্চের ভাষণের চার দফার প্রথম দফা ছিল--- সামরিক শাসন প্রত্যাহার।
🔴৭ মার্চের ভাষণের দফা চারটি ছিল
-- সামরিক আইন প্রত্যাহার,
সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
গণহত্যার তদন্ত করা
এবং
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
৭ মার্চের ভাষণের শেষকথা ছিল-- জয় বাংলা।
পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার ফর্মুলা দেন- ভুট্টো।
অসহযোগ আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়- ৭ মার্চের ভাষণের পরে।
পাকিস্তানি সৈন্যরা জয়দেবপুরে নিরীহ মানুষের উপর হামলা চালায় ১৯ মার্চ, ১৯৭১।
জাতিসংঘের সংস্থা UNESCO ‘৭ মার্চের ভাষণ’কে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (Memory of the World Register) ঘোষণা করে- ৩০ অক্টোবর, ২০১৭।
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল-- অসহযোগ আন্দোলন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান); ভাষণে তিনি পেশ করেন- ৪ দফা দাবি; ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সগ্রামের ঘোষণা (পরোক্ষভাবে)।
৭ মার্চ বিখ্যাত - বঙ্গবন্ধুর ভাষণের জন্য; এ ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ শুরু হয় বিকেল ৩ টায়;
ভাষণের স্থায়িত্বকাল ছিল- ১৯ মিনিট।
শব্দ সংখ্যা-১১০৮টি।
৭ মার্চের ভাষণের চার দফার প্রথম দফা ছিল--- সামরিক শাসন প্রত্যাহার।
🔴৭ মার্চের ভাষণের দফা চারটি ছিল
-- সামরিক আইন প্রত্যাহার,
সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
গণহত্যার তদন্ত করা
এবং
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
৭ মার্চের ভাষণের শেষকথা ছিল-- জয় বাংলা।
পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার ফর্মুলা দেন- ভুট্টো।
অসহযোগ আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়- ৭ মার্চের ভাষণের পরে।
পাকিস্তানি সৈন্যরা জয়দেবপুরে নিরীহ মানুষের উপর হামলা চালায় ১৯ মার্চ, ১৯৭১।
জাতিসংঘের সংস্থা UNESCO ‘৭ মার্চের ভাষণ’কে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (Memory of the World Register) ঘোষণা করে- ৩০ অক্টোবর, ২০১৭।
❤35🔥11😱3