😢24😱13❤8🤩4🔥3👏1🎉1
🤩38😱33😢15❤6🎉4🔥2👏2
😢25😱17🔥9🤩2👏1🎉1
😢17❤10🔥8🤩8😱6🎉5
‘আমার বঙ্গবন্ধু ’ হলো-
Anonymous Quiz
29%
একটি বইয়ের নাম
50%
একটি গেমসের নাম
6%
একটি ভবনের নাম
15%
একটি স্থাপত্যের নাম
😱34❤12🔥6😢4🎉2
প্রথম বাংলা কমিকস-
Anonymous Quiz
14%
মিশন ইম্পসিবল
57%
হাদাঁ ভোঁদার গল্প
18%
নোমান
12%
মঙ্গলে একরাত
🤩28😢11❤10🔥5🎉2
😢29🔥14❤3🎉2🤩2
❤16🔥2🎉1🤩1
❤13😢11🤩5🔥2🎉2
😢14❤8🔥4🎉3
😢22❤9🔥5🤩2
😢10🤩9🔥8❤5🎉2😱1
তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের কোন শহর অবস্থিত?
Anonymous Quiz
8%
করিমগঞ্জ
9%
কলকাতা
27%
আসাম
56%
ডাউকি
❤21😢18🔥5🎉3🤩2😱1
Forwarded from Hasibul Hasan
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার নকশাকার কে?
Anonymous Quiz
2%
এম হোসেন আলী
36%
কামরুল হাসান
62%
শিবনারায়ণ দাস
1%
তাজউদ্দীন আহমেদ
😢18❤10🔥5😱5🎉1
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল--
Anonymous Quiz
6%
হরতাল
79%
অসহযোগ আন্দোলন
10%
কাগমারী সম্মেলন
5%
কিছুই চলেনি
🔥15😢10❤8🎉1🤩1
বিগবার্ড অপারেশনে নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করেন
Anonymous Quiz
13%
মেজর জহির আলম।
28%
টিক্কা খান
34%
জেনারেল ইয়াহিয়া খান
25%
রাও ফরমান আলী
😢38😱13🔥5🤩2🎉1
অসহযোগ আন্দোলন-১৯৭১
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়—২ মার্চ এবং সমাপ্ত হয়- ২৪ মার্চ।
অসহযোগ আন্দোলনের শুরুতেই ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলন করা হয়- মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা; জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন- আ স ম আব্দুর রব (তকালীন) ডাকসুর ভিপি।
৩ মার্চ গঠন করা হয় স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম ছয় দিনে হতাহতের সংখ্যা ছিল- নিহত ১৭২ ও আহত ৩৫৮ জন (সরকারি প্রেস নোট অনুযায়ী)।
ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন-১ মার্চ, ১৯৭১; অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়- ২ ও ৩ মার্চ, ১৯৭১।
বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করে-৩ মার্চ, ১৯৭১; পাঠ করেন সাজাহান সিরাজ।
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানটি পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়——৩ মার্চ, ১৯৭১।
পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ প্রতিরোধ দিবস পালন করে–২ মার্চ।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার শিল্পী- কামরুল হাসান।
অসহযোগ আন্দোলন সমাপ্ত হয় - স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে।
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়—২ মার্চ এবং সমাপ্ত হয়- ২৪ মার্চ।
অসহযোগ আন্দোলনের শুরুতেই ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলন করা হয়- মানচিত্র খচিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা; জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন- আ স ম আব্দুর রব (তকালীন) ডাকসুর ভিপি।
৩ মার্চ গঠন করা হয় স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম ছয় দিনে হতাহতের সংখ্যা ছিল- নিহত ১৭২ ও আহত ৩৫৮ জন (সরকারি প্রেস নোট অনুযায়ী)।
ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেন-১ মার্চ, ১৯৭১; অধিবেশন স্থগিতের প্রতিবাদে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়- ২ ও ৩ মার্চ, ১৯৭১।
বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করে-৩ মার্চ, ১৯৭১; পাঠ করেন সাজাহান সিরাজ।
‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি’ গানটি পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়——৩ মার্চ, ১৯৭১।
পাকিস্তান দিবসের পরিবর্তে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ প্রতিরোধ দিবস পালন করে–২ মার্চ।
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার শিল্পী- কামরুল হাসান।
অসহযোগ আন্দোলন সমাপ্ত হয় - স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে।
❤48😱6🔥1
৭ মার্চের ভাষণ
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল-- অসহযোগ আন্দোলন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান); ভাষণে তিনি পেশ করেন- ৪ দফা দাবি; ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সগ্রামের ঘোষণা (পরোক্ষভাবে)।
৭ মার্চ বিখ্যাত - বঙ্গবন্ধুর ভাষণের জন্য; এ ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ শুরু হয় বিকেল ৩ টায়;
ভাষণের স্থায়িত্বকাল ছিল- ১৯ মিনিট।
শব্দ সংখ্যা-১১০৮টি।
৭ মার্চের ভাষণের চার দফার প্রথম দফা ছিল--- সামরিক শাসন প্রত্যাহার।
🔴৭ মার্চের ভাষণের দফা চারটি ছিল
-- সামরিক আইন প্রত্যাহার,
সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
গণহত্যার তদন্ত করা
এবং
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
৭ মার্চের ভাষণের শেষকথা ছিল-- জয় বাংলা।
পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার ফর্মুলা দেন- ভুট্টো।
অসহযোগ আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়- ৭ মার্চের ভাষণের পরে।
পাকিস্তানি সৈন্যরা জয়দেবপুরে নিরীহ মানুষের উপর হামলা চালায় ১৯ মার্চ, ১৯৭১।
জাতিসংঘের সংস্থা UNESCO ‘৭ মার্চের ভাষণ’কে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (Memory of the World Register) ঘোষণা করে- ৩০ অক্টোবর, ২০১৭।
বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে চলছিল-- অসহযোগ আন্দোলন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান); ভাষণে তিনি পেশ করেন- ৪ দফা দাবি; ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল স্বাধীনতা সংগ্রাম তথা মুক্তি সগ্রামের ঘোষণা (পরোক্ষভাবে)।
৭ মার্চ বিখ্যাত - বঙ্গবন্ধুর ভাষণের জন্য; এ ভাষণে তিনি ঘোষণা করেন- ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ শুরু হয় বিকেল ৩ টায়;
ভাষণের স্থায়িত্বকাল ছিল- ১৯ মিনিট।
শব্দ সংখ্যা-১১০৮টি।
৭ মার্চের ভাষণের চার দফার প্রথম দফা ছিল--- সামরিক শাসন প্রত্যাহার।
🔴৭ মার্চের ভাষণের দফা চারটি ছিল
-- সামরিক আইন প্রত্যাহার,
সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
গণহত্যার তদন্ত করা
এবং
নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
৭ মার্চের ভাষণের শেষকথা ছিল-- জয় বাংলা।
পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার ফর্মুলা দেন- ভুট্টো।
অসহযোগ আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়- ৭ মার্চের ভাষণের পরে।
পাকিস্তানি সৈন্যরা জয়দেবপুরে নিরীহ মানুষের উপর হামলা চালায় ১৯ মার্চ, ১৯৭১।
জাতিসংঘের সংস্থা UNESCO ‘৭ মার্চের ভাষণ’কে বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য (Memory of the World Register) ঘোষণা করে- ৩০ অক্টোবর, ২০১৭।
❤35🔥11😱3
স্বাধীনতার ঘোষণা
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন— ২৫ মার্চ রাত্রি বারোটার পর অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
স্বাধীনতার ঘোষক- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণাটি বিবিসির প্রতি অধিবেশনে প্রচারিত হয়- ২৬ মার্চ।
২৬ মার্চ, ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা জারি করেন- ওয়্যারলেসের মাধ্যমে।
বঙ্গবন্ধুর জারি করা মূল ঘোষণাটি ছিল ইংরেজিতে। ঘোষণাটি বাংলায় অনুবাদ করেন—ডু, মনজুলা আনোয়ার।
বঙ্গবন্ধুর পক্ষে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুঃ হান্নান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষণাটি প্রচার করেন--২৬ মার্চ, ১৯৭১।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম প্রচার শুরু করে কালুরঘাট থেকে।
মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন ২৭ মার্চ সন্ধ্যায়।
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার লক্ষ্যে পরিচালিত অপারেশনের আর্মি কোড নেইম ছিল—দি বিগবার্ড।
বিগবার্ড অপারেশনে নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করেন মেজর জহির আলম।
উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে গ্রেফতারের খবর জানাতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন- Big Bird in Cage..
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস স্বাধীনতা দিবস- ২৬ মার্চ; ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করা হয় ১৯৮০ সালে।
স্বাধীনতা ঘোষণা সংবিধানে সংযোজিত হয়— পঞ্চদশ সংশোধনীতে।
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র জারি করা হয়- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১; এ দিনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১; পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী; পাঠ করা হয় মুজিবনগরে।
বাংলাদেশ ছাড়া আর যে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন- ৩২ নং ধানমন্ডির বাসা থেকে; শুধু ৩২ নম্বর উল্লেখ করলে যে বিখ্যাত বাড়িকে বুঝায় তা হলো- ধানমন্ডি, ঢাকার সে সময়কার ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধুর বাসভবন।
হানাদার পাকিস্তানি সৈন্যরা বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়ি আক্রমণ করে—২৫ মার্চ, ১৯৭১।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ছিল বৃহস্পতিবার।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান চালায় তার নাম ‘অপারেশন সার্চ লাইট।
অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হয় ২৫ মার্চ রাত ১১:৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করার মধ্য দিয়ে।
অভিযানে ঢাকা শহরের মূল দায়িত্ব দেয়া হয়- জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
গণহত্যা দিবস- ২৫ মার্চ। প্রথম পালিত হয়। ২০১৭ সালে।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী গঠিত হয়- ২১ নভেম্বর, ১৯৭১; যৌথ বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন-- জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান (এ কে খান)।
শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানে বন্দি করে রাখা হয় করাচির লায়ালপুরের মিয়ানওয়ালী জেলখানায়।
স্বাধীনতার ঘোষণার বাংলা অনুবাদ।
“ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছ, যাহার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করো। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।”
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়
পাক হানাদার বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মিলিত মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
পাক বাহিনী আত্মসমর্পণ করে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান); আত্মসমর্পণ করে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য।
প্রথম আত্মসমর্পণকারী পাক সেনানায়ক মেজর জেনারেল জামশেদ।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন-গ্রুপ ক্যাপ্টেন একে খন্দকার।
মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরিত হয় রেসকোর্স ময়দানে।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলা সন ও বার ছিল--১৩৭৮ সন ও বৃহস্পতিবার।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে—১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১, বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর।
ভারতীয় বাহিনীর সাথে প্রথম ঢাকায় প্রবেশ করে— কাদেরীয়া বাহিনী।
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয় ১২ মার্চ, ১৯৭২।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের প্রাক্কালে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী যে নৃশংস ও বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ চালায় তা হলো- বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী দিবস- ১৪ ডিসেম্বর।
মুক্তিযুদ্ধের একজন বিখ্যাত শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী;
শহীদ দার্শনিক-- ড. জিসি দেব (গোবিন্দচন্দ্র দেব)।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন— ২৫ মার্চ রাত্রি বারোটার পর অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
স্বাধীনতার ঘোষক- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণাটি বিবিসির প্রতি অধিবেশনে প্রচারিত হয়- ২৬ মার্চ।
২৬ মার্চ, ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা জারি করেন- ওয়্যারলেসের মাধ্যমে।
বঙ্গবন্ধুর জারি করা মূল ঘোষণাটি ছিল ইংরেজিতে। ঘোষণাটি বাংলায় অনুবাদ করেন—ডু, মনজুলা আনোয়ার।
বঙ্গবন্ধুর পক্ষে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুঃ হান্নান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষণাটি প্রচার করেন--২৬ মার্চ, ১৯৭১।
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম প্রচার শুরু করে কালুরঘাট থেকে।
মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন ২৭ মার্চ সন্ধ্যায়।
২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার লক্ষ্যে পরিচালিত অপারেশনের আর্মি কোড নেইম ছিল—দি বিগবার্ড।
বিগবার্ড অপারেশনে নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করেন মেজর জহির আলম।
উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে গ্রেফতারের খবর জানাতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন- Big Bird in Cage..
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস স্বাধীনতা দিবস- ২৬ মার্চ; ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করা হয় ১৯৮০ সালে।
স্বাধীনতা ঘোষণা সংবিধানে সংযোজিত হয়— পঞ্চদশ সংশোধনীতে।
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র জারি করা হয়- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১; এ দিনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১; পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী; পাঠ করা হয় মুজিবনগরে।
বাংলাদেশ ছাড়া আর যে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন- ৩২ নং ধানমন্ডির বাসা থেকে; শুধু ৩২ নম্বর উল্লেখ করলে যে বিখ্যাত বাড়িকে বুঝায় তা হলো- ধানমন্ডি, ঢাকার সে সময়কার ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধুর বাসভবন।
হানাদার পাকিস্তানি সৈন্যরা বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়ি আক্রমণ করে—২৫ মার্চ, ১৯৭১।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ছিল বৃহস্পতিবার।
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান চালায় তার নাম ‘অপারেশন সার্চ লাইট।
অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হয় ২৫ মার্চ রাত ১১:৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করার মধ্য দিয়ে।
অভিযানে ঢাকা শহরের মূল দায়িত্ব দেয়া হয়- জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
গণহত্যা দিবস- ২৫ মার্চ। প্রথম পালিত হয়। ২০১৭ সালে।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী গঠিত হয়- ২১ নভেম্বর, ১৯৭১; যৌথ বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন-- জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান (এ কে খান)।
শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানে বন্দি করে রাখা হয় করাচির লায়ালপুরের মিয়ানওয়ালী জেলখানায়।
স্বাধীনতার ঘোষণার বাংলা অনুবাদ।
“ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছ, যাহার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করো। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।”
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়
পাক হানাদার বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মিলিত মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
পাক বাহিনী আত্মসমর্পণ করে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান); আত্মসমর্পণ করে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য।
প্রথম আত্মসমর্পণকারী পাক সেনানায়ক মেজর জেনারেল জামশেদ।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন-গ্রুপ ক্যাপ্টেন একে খন্দকার।
মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরিত হয় রেসকোর্স ময়দানে।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলা সন ও বার ছিল--১৩৭৮ সন ও বৃহস্পতিবার।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে—১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১, বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর।
ভারতীয় বাহিনীর সাথে প্রথম ঢাকায় প্রবেশ করে— কাদেরীয়া বাহিনী।
স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয় ১২ মার্চ, ১৯৭২।
মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের প্রাক্কালে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী যে নৃশংস ও বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ চালায় তা হলো- বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী দিবস- ১৪ ডিসেম্বর।
মুক্তিযুদ্ধের একজন বিখ্যাত শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী;
শহীদ দার্শনিক-- ড. জিসি দেব (গোবিন্দচন্দ্র দেব)।
❤27🔥1🎉1
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে বঙ্গভবনে আসেন--ইন্দিরা গান্ধী (ভারত)।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন দেশে ফিরে আসেন ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২; পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পান ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপিত হয়– চট্টগ্রামের কালুরঘাটে; স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘চরমপত্র’ ও ‘জল্লাদের দরবার’ পাঠ করতেন এম আর আক্তার মুকুল।
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে--ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, গাজীপুর, ১৯ মার্চ, ১৯৭১।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন দেশে ফিরে আসেন ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২; পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পান ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপিত হয়– চট্টগ্রামের কালুরঘাটে; স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘চরমপত্র’ ও ‘জল্লাদের দরবার’ পাঠ করতেন এম আর আক্তার মুকুল।
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে--ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, গাজীপুর, ১৯ মার্চ, ১৯৭১।
❤23🎉2
গ্রন্থ – লেখক
১। অসমাপ্ত আত্মজীবনী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী।
২। কারাগারের রোজনামচা- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (কারাগারে বসে লেখা ডাইরির সংকলন)।
৩। মুজিব ভাই - এবিএম মূসা
৪। শেখ মুজিবুর রহমানের সহজ পাঠ- - আতিয়ার রহমান
৫। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাঙালী-- কামাল উদ্দিন হোসেন
৬। দেয়াল (উপন্যাস) - হুমায়ূন আহমেদ
৭। বঙ্গবন্ধু জাতি রাষ্ট্রের জনক- প্রত্যয় জসীম
৮। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কাছে থেকে দেখা - মুস্তাফা সারওয়ার
৯। জনকের মুখ- আখতার হুসেন (সম্পাদক)।
অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের রচয়িতা - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়— জুন, ২০১২ সালে, প্রকাশ করে ইউনিভার্সিটি প্রেস লি.।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি শিরোনাম— The Unfinished Memoirs.
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটির কপি রাইট- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট-২০১২।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের প্রচ্ছদ অংকন করেন- সমর মজুমদার।
-শেখ মুজিবুর রহমান ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লেখা শুরু করেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে।
-শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবনে সব থেকে মূল্যবান সময়গুলো কাটে--- কারাবন্দি অবস্থায়।
-৫৫ বছরের জীবনকালে শেখ মুজিবুর রহমান—৪,৬৮২ দিন কারাগারে ছিলেন (সংসদে প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী)।
-শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির বাড়িটি বন্ধ করে রাখা হয়- ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ এর পর থেকে। সাত্তার সরকার বাড়িটি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেয় ১২ জুন, ১৯৮১ সালে।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ভূমিকা লিখেন- শেখ হাসিনা এবং সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন শেখ রেহানা।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে শেখ মুজিবুর রহমান আত্মজীবনী লিখেছেন—১৯৫৫ সাল পর্যন্ত।
-তিনি আত্মজীবনী রচনা করেন- ১৯৬৬-৬৯ সালে কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দি থাকাকালীন অবস্থায়।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী আরবি ভাষায় অনুবাদ করেন- আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নাভী; চীনা ভাষায়— চাই সি এবং জাপানি ভাষা- কাজুহিরো ওয়াতানাবে।
-ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে শেখ মুজিবুর রহমান যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যের স্মৃতিচারণ করেন- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর।
-শেখ মুজিবুর রহমান বিয়ে করেন– ১২/১৩ বছরে এবং বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীর বয়স ছিল- ৩ বছর।
-শেখ মুজিবুর রহমান অসুস্থ হয়ে পড়েন- ১৯৩৪ সালে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় এবং তিনি অসুস্থতার কারণে পড়াশুনা করতে পারেননি- ৪ বছর।
-শেখ মুজিবুর রহমান এর নামে সর্বপ্রথম গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়- ১৯৩৮ সালে।
-হিন্দুদের সাথে করা মারামারি ও দাঙ্গাহাঙ্গামার মামলায়।
-শেখ মুজিবুর রহমান মুসলিম ছাত্রলীগের সম্পাদক নিযুক্ত হন—১৯৩৯ সালে।
-শেখ মুজিবুর রহমান মেট্রিক পাশ করেন ১৯৪১ সালে (দ্বিতীয় বিভাগে)।
-‘Sincerety of purpose and honesty of purpose' থাকলে জীবনে পরাজিত হবা না - শেখ মুজিবুর রহমানকে এ উপদেশ দিয়েছিলেন- তার পিতা।
-শেখ মুজিবুর রহমান যে অর্থনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন-- সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি।
-শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষায় রাজনৈতিক প্রয়োজনের সময় কোন নেতা কৌশলে আত্মগোপন করতেন - মাওলানা ভাসানী।
-‘আমি বুড়া আর মুজিব গুড়া, তাই ওর আমি নানা, ও আমার নাতি উক্তিটি করেন- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
-শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রদের নিয়ে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ নামক সংগঠন গড়ে তুলেন—- ১৯৬০ সালের ডিসেম্বর মাসে।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর তথ্যানুযায়ী ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় প্রাণহানি ঘটে- ১০ লক্ষ লোকের।
-শেখ মুজিবুর রহমান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন- ৫ জুন, ১৯৫৫ সালে।
১। অসমাপ্ত আত্মজীবনী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী।
২। কারাগারের রোজনামচা- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (কারাগারে বসে লেখা ডাইরির সংকলন)।
৩। মুজিব ভাই - এবিএম মূসা
৪। শেখ মুজিবুর রহমানের সহজ পাঠ- - আতিয়ার রহমান
৫। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাঙালী-- কামাল উদ্দিন হোসেন
৬। দেয়াল (উপন্যাস) - হুমায়ূন আহমেদ
৭। বঙ্গবন্ধু জাতি রাষ্ট্রের জনক- প্রত্যয় জসীম
৮। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কাছে থেকে দেখা - মুস্তাফা সারওয়ার
৯। জনকের মুখ- আখতার হুসেন (সম্পাদক)।
অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের রচয়িতা - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়— জুন, ২০১২ সালে, প্রকাশ করে ইউনিভার্সিটি প্রেস লি.।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি শিরোনাম— The Unfinished Memoirs.
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটির কপি রাইট- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট-২০১২।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের প্রচ্ছদ অংকন করেন- সমর মজুমদার।
-শেখ মুজিবুর রহমান ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লেখা শুরু করেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে।
-শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবনে সব থেকে মূল্যবান সময়গুলো কাটে--- কারাবন্দি অবস্থায়।
-৫৫ বছরের জীবনকালে শেখ মুজিবুর রহমান—৪,৬৮২ দিন কারাগারে ছিলেন (সংসদে প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী)।
-শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির বাড়িটি বন্ধ করে রাখা হয়- ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ এর পর থেকে। সাত্তার সরকার বাড়িটি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেয় ১২ জুন, ১৯৮১ সালে।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ভূমিকা লিখেন- শেখ হাসিনা এবং সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন শেখ রেহানা।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে শেখ মুজিবুর রহমান আত্মজীবনী লিখেছেন—১৯৫৫ সাল পর্যন্ত।
-তিনি আত্মজীবনী রচনা করেন- ১৯৬৬-৬৯ সালে কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দি থাকাকালীন অবস্থায়।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনী আরবি ভাষায় অনুবাদ করেন- আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নাভী; চীনা ভাষায়— চাই সি এবং জাপানি ভাষা- কাজুহিরো ওয়াতানাবে।
-ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে শেখ মুজিবুর রহমান যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যের স্মৃতিচারণ করেন- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর।
-শেখ মুজিবুর রহমান বিয়ে করেন– ১২/১৩ বছরে এবং বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীর বয়স ছিল- ৩ বছর।
-শেখ মুজিবুর রহমান অসুস্থ হয়ে পড়েন- ১৯৩৪ সালে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় এবং তিনি অসুস্থতার কারণে পড়াশুনা করতে পারেননি- ৪ বছর।
-শেখ মুজিবুর রহমান এর নামে সর্বপ্রথম গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়- ১৯৩৮ সালে।
-হিন্দুদের সাথে করা মারামারি ও দাঙ্গাহাঙ্গামার মামলায়।
-শেখ মুজিবুর রহমান মুসলিম ছাত্রলীগের সম্পাদক নিযুক্ত হন—১৯৩৯ সালে।
-শেখ মুজিবুর রহমান মেট্রিক পাশ করেন ১৯৪১ সালে (দ্বিতীয় বিভাগে)।
-‘Sincerety of purpose and honesty of purpose' থাকলে জীবনে পরাজিত হবা না - শেখ মুজিবুর রহমানকে এ উপদেশ দিয়েছিলেন- তার পিতা।
-শেখ মুজিবুর রহমান যে অর্থনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন-- সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি।
-শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষায় রাজনৈতিক প্রয়োজনের সময় কোন নেতা কৌশলে আত্মগোপন করতেন - মাওলানা ভাসানী।
-‘আমি বুড়া আর মুজিব গুড়া, তাই ওর আমি নানা, ও আমার নাতি উক্তিটি করেন- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
-শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রদের নিয়ে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ নামক সংগঠন গড়ে তুলেন—- ১৯৬০ সালের ডিসেম্বর মাসে।
-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর তথ্যানুযায়ী ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় প্রাণহানি ঘটে- ১০ লক্ষ লোকের।
-শেখ মুজিবুর রহমান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন- ৫ জুন, ১৯৫৫ সালে।
❤22🔥5👏1🎉1