GK Phobia। Exam Mate – Telegram
GK Phobia। Exam Mate
56.5K subscribers
2.22K photos
19 videos
313 files
1.47K links
Download Telegram
স্বাধীনতার ঘোষণা

 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন— ২৫ মার্চ রাত্রি বারোটার পর অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।

স্বাধীনতার ঘোষক- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণাটি বিবিসির প্রতি অধিবেশনে প্রচারিত হয়- ২৬ মার্চ।

২৬ মার্চ, ১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা জারি করেন- ওয়্যারলেসের মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধুর জারি করা মূল ঘোষণাটি ছিল ইংরেজিতে। ঘোষণাটি বাংলায় অনুবাদ করেন—ডু, মনজুলা আনোয়ার।

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক আব্দুঃ হান্নান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষণাটি প্রচার করেন--২৬ মার্চ, ১৯৭১।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম প্রচার শুরু করে কালুরঘাট থেকে।

মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে পুনরায় স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন ২৭ মার্চ সন্ধ্যায়।

২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার লক্ষ্যে পরিচালিত অপারেশনের আর্মি কোড নেইম ছিল—দি বিগবার্ড।

বিগবার্ড অপারেশনে নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করেন মেজর জহির আলম।

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে গ্রেফতারের খবর জানাতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন- Big Bird in Cage..

বাংলাদেশের জাতীয় দিবস স্বাধীনতা দিবস- ২৬ মার্চ; ২৬ মার্চকে স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করা হয় ১৯৮০ সালে।

স্বাধীনতা ঘোষণা সংবিধানে সংযোজিত হয়— পঞ্চদশ সংশোধনীতে।

আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র জারি করা হয়- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১; এ দিনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১; পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী; পাঠ করা হয় মুজিবনগরে।

বাংলাদেশ ছাড়া আর যে দেশের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করেন- ৩২ নং ধানমন্ডির বাসা থেকে; শুধু ৩২ নম্বর উল্লেখ করলে যে বিখ্যাত বাড়িকে বুঝায় তা হলো- ধানমন্ডি, ঢাকার সে সময়কার ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধুর বাসভবন।

হানাদার পাকিস্তানি সৈন্যরা বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়ি আক্রমণ করে—২৫ মার্চ, ১৯৭১।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ ছিল বৃহস্পতিবার।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান চালায় তার নাম ‘অপারেশন সার্চ লাইট।

অপারেশন সার্চ লাইট শুরু হয় ২৫ মার্চ রাত ১১:৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করার মধ্য দিয়ে।

অভিযানে ঢাকা শহরের মূল দায়িত্ব দেয়া হয়- জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।

গণহত্যা দিবস- ২৫ মার্চ। প্রথম পালিত হয়। ২০১৭ সালে।

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে যৌথ বাহিনী গঠিত হয়- ২১ নভেম্বর, ১৯৭১; যৌথ বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন-- জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান (এ কে খান)।
শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানে বন্দি করে রাখা হয় করাচির লায়ালপুরের মিয়ানওয়ালী জেলখানায়।

 

স্বাধীনতার ঘোষণার বাংলা অনুবাদ।

“ইহাই হয়ত আমার শেষ বার্তা, আজ হইতে বাংলাদেশ স্বাধীন। আমি বাংলাদেশের জনগণকে আহ্বান জানাইতেছি যে, যে যেখানে আছ, যাহার যা কিছু আছে, তাই নিয়ে রুখে দাঁড়াও, সর্বশক্তি দিয়ে হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ করো। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর শেষ সৈন্যটিকে বাংলার মাটি হইতে বিতাড়িত না করা পর্যন্ত এবং চূড়ান্ত বিজয় অর্জন না করা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাও।”

 

পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়

পাক হানাদার বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মিলিত মিত্র ও মুক্তিবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।

পাক বাহিনী আত্মসমর্পণ করে তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান); আত্মসমর্পণ করে ৯৩ হাজার পাকিস্তানি সৈন্য।

প্রথম আত্মসমর্পণকারী পাক সেনানায়ক মেজর জেনারেল জামশেদ।

মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন-গ্রুপ ক্যাপ্টেন একে খন্দকার।

মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পণের দলিল স্বাক্ষরিত হয় রেসকোর্স ময়দানে।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলা সন ও বার ছিল--১৩৭৮ সন ও বৃহস্পতিবার।

বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে—১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১, বাংলাদেশের বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর।

ভারতীয় বাহিনীর সাথে প্রথম ঢাকায় প্রবেশ করে— কাদেরীয়া বাহিনী।

স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয় ১২ মার্চ, ১৯৭২।

মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের প্রাক্কালে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী যে নৃশংস ও বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ চালায় তা হলো- বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞ, বুদ্ধিজীবী দিবস- ১৪ ডিসেম্বর।

মুক্তিযুদ্ধের একজন বিখ্যাত শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী;

শহীদ দার্শনিক-- ড. জিসি দেব (গোবিন্দচন্দ্র দেব)।
27🔥1🎉1
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে বঙ্গভবনে আসেন--ইন্দিরা গান্ধী (ভারত)।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন দেশে ফিরে আসেন ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২; পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পান ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপিত হয়– চট্টগ্রামের কালুরঘাটে; স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ‘চরমপত্র’ ও ‘জল্লাদের দরবার’ পাঠ করতেন এম আর আক্তার মুকুল।

মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে--ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, গাজীপুর, ১৯ মার্চ, ১৯৭১।
23🎉2
গ্রন্থ – লেখক

১। অসমাপ্ত আত্মজীবনী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী।

২। কারাগারের রোজনামচা- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (কারাগারে বসে লেখা ডাইরির সংকলন)।

৩। মুজিব ভাই - এবিএম মূসা

৪। শেখ মুজিবুর রহমানের সহজ পাঠ- - আতিয়ার রহমান

৫। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাঙালী-- কামাল উদ্দিন হোসেন

৬। দেয়াল (উপন্যাস) - হুমায়ূন আহমেদ

৭। বঙ্গবন্ধু জাতি রাষ্ট্রের জনক- প্রত্যয় জসীম

৮। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে কাছে থেকে দেখা - মুস্তাফা সারওয়ার

৯। জনকের মুখ- আখতার হুসেন (সম্পাদক)।

 

অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের রচয়িতা - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়— জুন, ২০১২ সালে, প্রকাশ করে ইউনিভার্সিটি প্রেস লি.।

-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ইংরেজি শিরোনাম— The Unfinished Memoirs.

-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থটির কপি রাইট- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট-২০১২।

-অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থের প্রচ্ছদ অংকন করেন- সমর মজুমদার।

-শেখ মুজিবুর রহমান ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ লেখা শুরু করেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময় থেকে।

-শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবনে সব থেকে মূল্যবান সময়গুলো কাটে--- কারাবন্দি অবস্থায়।

-৫৫ বছরের জীবনকালে শেখ মুজিবুর রহমান—৪,৬৮২ দিন কারাগারে ছিলেন (সংসদে প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী)।

-শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডির বাড়িটি বন্ধ করে রাখা হয়- ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫ এর পর থেকে। সাত্তার সরকার বাড়িটি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেয় ১২ জুন, ১৯৮১ সালে।

-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর ভূমিকা লিখেন- শেখ হাসিনা এবং সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন শেখ রেহানা।

-অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে শেখ মুজিবুর রহমান আত্মজীবনী লিখেছেন—১৯৫৫ সাল পর্যন্ত।

-তিনি আত্মজীবনী রচনা করেন- ১৯৬৬-৬৯ সালে কেন্দ্রীয় কারাগারে রাজবন্দি থাকাকালীন অবস্থায়।

-অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা ইংরেজিতে অনুবাদ করেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।

-অসমাপ্ত আত্মজীবনী আরবি ভাষায় অনুবাদ করেন- আবু রেজা মোহাম্মদ নেজামুদ্দিন নাভী; চীনা ভাষায়— চাই সি এবং জাপানি ভাষা- কাজুহিরো ওয়াতানাবে।

-ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে শেখ মুজিবুর রহমান যে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্যের স্মৃতিচারণ করেন- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর।

-শেখ মুজিবুর রহমান বিয়ে করেন– ১২/১৩ বছরে এবং বিয়ের সময় তাঁর স্ত্রীর বয়স ছিল- ৩ বছর।

-শেখ মুজিবুর রহমান অসুস্থ হয়ে পড়েন- ১৯৩৪ সালে সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় এবং তিনি অসুস্থতার কারণে পড়াশুনা করতে পারেননি- ৪ বছর।

-শেখ মুজিবুর রহমান এর নামে সর্বপ্রথম গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়- ১৯৩৮ সালে।  

-হিন্দুদের সাথে করা মারামারি ও দাঙ্গাহাঙ্গামার মামলায়।

-শেখ মুজিবুর রহমান মুসলিম ছাত্রলীগের সম্পাদক নিযুক্ত হন—১৯৩৯ সালে।

-শেখ মুজিবুর রহমান মেট্রিক পাশ করেন ১৯৪১ সালে (দ্বিতীয় বিভাগে)।

-‘Sincerety of purpose and honesty of purpose' থাকলে জীবনে পরাজিত হবা না - শেখ মুজিবুর রহমানকে এ উপদেশ দিয়েছিলেন- তার পিতা।

-শেখ মুজিবুর রহমান যে অর্থনৈতিক মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন-- সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি।

-শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষায় রাজনৈতিক প্রয়োজনের সময় কোন নেতা কৌশলে আত্মগোপন করতেন - মাওলানা ভাসানী।

-‘আমি বুড়া আর মুজিব গুড়া, তাই ওর আমি নানা, ও আমার নাতি উক্তিটি করেন- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।

-শেখ মুজিবুর রহমান ছাত্রদের নিয়ে ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ নামক সংগঠন গড়ে তুলেন—- ১৯৬০ সালের ডিসেম্বর মাসে।

-অসমাপ্ত আত্মজীবনীর তথ্যানুযায়ী ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড় ও বন্যায় প্রাণহানি ঘটে- ১০ লক্ষ লোকের।

-শেখ মুজিবুর রহমান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন- ৫ জুন, ১৯৫৫ সালে।
22🔥5👏1🎉1
শেখ মুজিবুর রহমান এর পিতা ও মাতা যার বিরুদ্ধে বক্তব্য না দেওয়ার জন্য শেখ মুজিবুর রহমানকে পরামর্শ দিতেন - শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের বিরুদ্ধে।

-মুসলিম লীগ ডিফেন্স কমিটিতে শেখ মুজিবুর রহমান এর পদ ছিল- সেক্রেটারি।

-অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ৪টি খাতার সংকলন।  

-রাজনৈতিক জীবনের সূচনার পূর্বে শেখ মুজিবুর রহমান কোন নেতার আদর্শের ভক্ত হয়ে পড়েছিলেন - সুভাষ চন্দ্র বসু।

-শেখ মুজিবুর রহমান প্রাদেশিক মুসলিম লীগ কাউন্সিলের সদস্য হন- -১৯৪৩ সালে।

-ইসলামীয়া কলেজে অধ্যায়নকালে শেখ মুজিবুর রহমান থাকতেন-- বেকার হোস্টেলে। তিনি ছিলেন মানবিক বিভাগের ছাত্র।

-শেখ মুজিবুর রহমান যে দৈনিক কাগজের পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিনিধি ছিলেন - ইত্তেহাদ।

-পাকিস্তান সৃষ্টির পর শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথম জেলে ঢুকানো হয়—১১ মার্চ, ১৯৪৮ সালে এবং মুক্তি পান ১৫ মার্চ, ১৯৪৮ সালে।

-‘দরকার হলে সমানে হাতও চালাতে পারতাম, আর এটা আমার ছোটকাল থেকে বদ অভ্যাসও ছিল’- উক্তিটি শেখ মুজিবুর রহমানের।

-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় রাষ্ট্রভাষা বাংলা আন্দোলনের ছাত্র সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন - শেখ মুজিবুর রহমান।

-‘জেলের মধ্যে জেল, তাকেই বলে সেল’ উক্তিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের।

-ঢাকা জেলে শেখ মুজিবুর রহমান কাজ করতেন- সুতা কাটার।

-শেখ মুজিবুর রহমান খুলনা জেলে ছিলেন-- প্রায় তিন মাস। তাকে নাকের ভিতর দিয়ে খাওয়ানো হতো ফরিদপুর জেলে।

-‘বালুর দেশের মানুষের মনও বালুর মতো উড়ে বেড়ায় আর পলি মাটির বাংলার মানুষের মনও ঐ রকমই নরম, ঐ রকমই সবুজ’- উক্তিটি-- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের।

-‘বিদেশে না গেলে নিজের দেশকে ভালোভাবে চেনা কষ্টকর’ শেখ মুজিবুর রহমান উক্তিটি করেন ১৯৫২ সালের চীন সফর শেষে।

-কারাগারের রোজনামচা প্রকাশিত হয়- ফাল্গুন, ১৪২৩মার্চ, ২০১৭; প্রকাশ করে বাংলা একাডেমি প্রকাশক- ড. জালাল আহমেদ।

-কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থের প্রচ্ছদ ও গ্রন্থ নকশা করেন– তারিক সুজাত।  

-গ্রন্থস্বত্ব জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।

-কারাগারের রোচনামচা গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

-কারাগারের রোজনামচা বইটির নাম রাখেন শেখ রেহানা।   

-কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থটির ইংরেজি শিরোনাম— Prison Diary of Bangabondhu Sheikh Mujibur Rahman ইংরেজি অনুবাদ করেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল আলম।

-শেখ মুজিবুর রহমান জননিরাপত্তা আইনে গ্রেপ্তার হন ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬২ সালে। এবং মুক্তি লাভ করেন- ১৮ জুন, ১৯৬২ সালে।

-শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন-১ মার্চ, ১৯৬৬ সালে।  

-কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থটির মূল উৎস—- শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ডাইয়েরী (১৯৬৬-৬৮)।

-১৯৬০ সালে জেলখানায় বসে শেখ মুজিবুর রহমান লেখেন— দুইটি খাতা। যার মধ্যে একটি খাতার শিরোনাম ছিল ‘থালা বাটি কম্বল, জেলখানার সম্বল’ - পরবর্তীতে স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) খাতাটি খুঁজে বের করেন।  

-কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থটির মূল বিষয়— ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতার সোপানগুলোর বিভিন্ন দিকের আলোচনা।

-‘জেলের ভিতর অনেক ছোট ছোট জেল আছে’ উক্তিটি শেখ মুজিবুর রহমানের।

-‘মানুষ যখন অমানুষ হয় তখন হিংস্র জন্তুর চেয়েও হিংস্র হয়ে যায়’ উক্তিটি-- শেখ মুজিবুর রহমানের।  

-‘গুড়ার পরে পান্ডা, পাণ্ডার পর নেতা, এই তো হলো নেতার ডেফিনেশন’ শেখ মুজিবুর রহমান এ উক্তিটি করেন নূরুল আমীনকে ইঙ্গিত করে।

-‘ভদ্র লোকের কিল খেয়ে কিল হজম করতে হয়’ উক্তিটি শেখ মুজিবুর রহমানের।

-শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী জেলখানায় তার সাথে দেখা করে সবচেয়ে বেশি আঘাত পেতেন-- শেখ রাসেল।

-১৯৪৮ সালের কোন তারিখকে ‘বাংলা ভাষা দাবি’ দিবস ঘোষণা করা হয়—১১ মার্চ।

-ভাষা আন্দোলনের সময় শেখ মুজিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজনকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল- ঢাকা জেলখানার চার নম্বর ওয়ার্ডে।

-জেলখানায় শেখ মুজিবুর রহমান যে ওয়ার্ডে থাকতেন তার নাম সিভিল ওয়ার্ড।

-বাঙালিদের চেয়েও ওদের একতা বেশি শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা জেলখানায় বসে একথা লিখেছেন জেলখানার শত শত কাক সম্পর্কে।

-শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীর বক্তব্য অনুযায়ী পাকিস্তানে রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির আন্দোলন ও জুলুমের প্রথম প্রতিবাদ ছিল-- ১৯৪৯ সালে দিনাজপুর জেলায় ছাত্রবন্দি ও অন্যান্য বন্দির মুক্তির প্রতিবাদে ডাকা ‘জুলুম প্রতিরোধ দিবস’।

-১৯৬৮ সালে শেখ মুজিবুর রহমান কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান--১৭ জানুয়ারি।

-১৯৪৯ সালের ২৩ জুন যখন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করা হয় তখন শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন- জেলায়খানায়।

- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তারের পর রাখা হয়-- সেনাবাহিনীর ১৪ ডিভিশন হেডকোয়ার্টারের অফিসার মেসের ১০ নং কক্ষে।
🔥122😱2
-‘পড়েছি পাঠানের হাতে খানা খেতে হবে সাথে’ শেখ মুজিবুর রহমান উক্তিটি করেন— আগরতলা মামলায় সেনানিবাসে বন্দি থাকা অবস্থায়।

-কারাগারের রোজনামচা গ্রন্থে শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা প্রস্তাব পেশের তারিখ উল্লেখ করেছেন- ১৩ জানুয়ারি, ১৯৬৬ (পৃ, ২১৪)। তবে তাঁর রাজনৈতিক জীবন পরিচয় অংশে ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ উল্লেখ করা হয়েছে।

-আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়- আর্মি, নেভি ও এয়ার ফোর্স আইনে।

-‘খানে দজ্জাল তো দুনিয়াতে এসেছে, ইমাম মেহেদীর খবর কি?’ শেখ মুজিবুর রহমান জেলখানায় কথাটি বলেছিলেন— ডিআইজি ওবায়দুল্লাকে।

-শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত জেলে গিয়েছিলেন- ৫ বার।

-শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ গ্রেপ্তারের পর তার পরিবারের সদস্যদের বন্দি রাখা হয়— ধানমন্ডির ১৮ নম্বর বাড়িতে।

-কয়েকটি বিরোধী দলের (পাকিস্তান গণতান্ত্রিক আন্দোলন নামক ঐক্যজোট) ৬ দফার পরিবর্তে ৮ দফা কর্মসূচিকে শেখ মুজিবুর রহমান, অভিহিত করেছেন - পূর্ব বাংলার লোকদের ধোকা দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে।

-শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব বাংলার নাম ‘বাংলাদেশ’ করেন- ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
12🔥2🎉1
Forwarded from Exam Mate Official (Abstracted Alif)
16🔥6😱1🎉1
Forwarded from GK Phobia। Exam Mate (𝙳𝚘𝚌𝚝𝚘𝚛 𝚂𝚝𝚛𝚊𝚗𝚐𝚎 ۞)
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জাতির জনক #বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জীবনি নিয়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং ১০০ MCQ প্রশ্ন ও উত্তর সাজিয়ে দেওয়া আছে॥ শুধু শেয়ার নয় পরীক্ষার সময় পড়ে যেতে ভূলনা।এখান থেকে প্রশ্ন আসার সম্ভাবনা অনেক অনেক বেশী_________
=================================
Kabir Sizer
Senior English Teacher,3Doctors
Ex-English lecturer,S@ifur’s @Tah_shaD
47🔥7😱6🤩5
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী-
Anonymous Quiz
14%
ইয়াহিয়া খান
28%
জুলফিকার আলী ভুট্টো
33%
মেজর টিক্কা খান
25%
মেজর রাও ফরমান আলী
😢3413😱4
22😢4🔥3
15😢12🔥3🎉1
মেজর আবু তাহের কত নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
Anonymous Quiz
22%
38%
33%
১১
6%
😢18🤩116🔥4
'বিজয় উল্লাস' ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
Anonymous Quiz
21%
খুলনা
25%
রংপুর
34%
যশোর
20%
কুষ্টিয়া
😢30🔥87😱5🤩2
যুদ্ধাপরাধের দায়ে প্রথম মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ব্যক্তির নাম কি?
Anonymous Quiz
14%
গোলাম আযম
56%
আবদুল কাদের মোল্লা
16%
নিজাম উদ্দিন
14%
মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী
😢248🔥5🤩2
স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানের কততম সংশোধনীতে সংযোজিত হয় ?
Anonymous Quiz
32%
পঞ্চম
33%
পঞ্চদশ
32%
সপ্তম
2%
পঞ্চাশ
😢1310🔥2
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ধ্রুবতারা' এর পরিচালক কে?
Anonymous Quiz
32%
চাষী নজরুল ইসলাম
34%
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
30%
মোরশেদুল ইসলাম
4%
কামরুল হাসান
😢195🤩3🎉1