গুচ্ছের ৩ লাখ ৫ হাজার আবেদনের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিবে ৯০ হাজার এর বেশি।
এর মধ্যে A ইউনিটে দিবে ৫৩ হাজারের অধিক।
এর মধ্যে A ইউনিটে দিবে ৫৩ হাজারের অধিক।
😱115😢27🫡19😐16🕊14🔥9💔9🤷♂6🆒5❤🔥4👌2
😨14❤9⚡2🔥1🏆1
ক্লাস করতে না চাওয়ায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজে ছাত্রকে গুলি করলেন শিক্ষক
😢184😱84🤯47😐39😨17🫡17👏9💔7🤷♂6😭6🔥3
লিটন, সৌম্য, শান্ত
তিনজনে ৩৬ বলে ৩২ রান!
তোমাদের এই ঋণ
কোনোদিন শোধ হবে না! না না না..
তিনজনে ৩৬ বলে ৩২ রান!
তোমাদের এই ঋণ
কোনোদিন শোধ হবে না! না না না..
💔73😢24😐15👏11😭6🤷♂5💯4😨3🏆2🎉1👌1
একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আজকের ঘটনার বিবরণ:
আমাদের কমিউনিটি মেডিসিনের লেকচারার রায়হান শরীফ তৃতীয় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী তমালের পায়ে আইটেম পরীক্ষা চলাকালীন গুলি করেন।এখানে উল্লেখ্য যে ফরেন্সিক মেডিসিনে পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকার পরেও তিনি জোরপূর্বক আমাদের আইটেম নেন।
আজ দুপুর তিনটা নাগাদ আমাদের মেডিকেলে আইটেম চলাকালীন এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।আইটেম শেষ হতে অনেক দেরি হয়ে যাওয়ায় তিনি বলেন আমাদের গণ আইটেম নিবেন।সেসময় আমরা রুমে আনুমানিক ২৫ জন উপস্থিত ছিলাম।আজ ক্লাসে তিনি তমালকে দাঁড় করিয়ে বকাঝকা করেন এবং হুমকি দেন আইটেম টেবিলে ওকে দেখে নিবে বলে।
আইটেম শুরু হওয়ার আগে সে আমাদের বলেন আমাদের পোষা প্রাণী আছে কিনা। তারপর নিজের বন্দুক বের করে বলেন এইটা আমার পোষা পাখি। অত:পর সে গুলি চালিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। একসময় তমালকে টার্গেট করে সত্যি সত্যিই গুলি চালিয়ে দেন।গুলিটি তমালের থাইয়ের অ্যান্টেরিয়র কম্পার্টমেন্টে লাগে।আমাদের আরেকজন ব্যাচমেটের কানের পাশে দিয়ে গুলি যায়।সে এখন কানে শুনতে পারছেনা।
এখানে উল্লেখ্য তমালের সাথে তার কোনরকম কথা কাটাকাটি হয়নি।কোনকারণ ছাড়াই তিনি গুলিটি চালায়।বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এই বিষয়ে কিছুটা ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে।
ঘটনার আকষ্মিকতায় আমরা সকলে হতভম্ব হয়ে যায়।তখনও আমাদের সেই নরপশু শিক্ষক হম্বিতম্বি চালিয়ে যায় এবং তমালকে হসপিটালে নিয়ে যেতে অনেকরকম বাধা দেয়।অত:পর আমাদের ব্যাচের ছেলেরা আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে তমালকে হসপিটালে নিয়ে যায়।
তিনি পূর্বেও ক্লাসে অনেকবার ফায়ারআর্মস, ছুরি, দা,ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসেছে।আমাদের অসংখ্যবার হুমকি দিয়েছে গুলি করে দেওয়ার।সে প্রফ পরীক্ষা চলাকালীন সময়েও গুলি নিয়ে এসে আমাদের হুমকি দিয়েছে।এই বিষয়ে আমাদের প্রফেসররা অবগত।তিনি খুব ছোট ছোট কারণে ক্লাসে কিছু ছেলেমেয়েকে টার্গেট করতেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতেন।
তার আচরণ কখনোই একজন শিক্ষক বা ডাক্তারের মতো ছিলনা।তার আচরণ ছিল সণ্ত্রাসের মতো
আমার প্রশ্নগুলো হল একজন শিক্ষক ক্লাসে ক্রমাগত বন্দুক নিয়ে আসে কীভাবে?
উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের এতদিন সবকিছু দেখেও চোখ বন্ধ করে রাখার কারণটা কী?
আর সবথেকে বড় প্রশ্ন একজন সরকারি মেডিকেলের স্টুডেন্ট হয়েও আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা তো আজ আর নিজেদের ক্লাসরুমেও নিরাপদ নই।
আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
#WeWantJusticeRightNow
Collected post
আমাদের কমিউনিটি মেডিসিনের লেকচারার রায়হান শরীফ তৃতীয় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী তমালের পায়ে আইটেম পরীক্ষা চলাকালীন গুলি করেন।এখানে উল্লেখ্য যে ফরেন্সিক মেডিসিনে পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকার পরেও তিনি জোরপূর্বক আমাদের আইটেম নেন।
আজ দুপুর তিনটা নাগাদ আমাদের মেডিকেলে আইটেম চলাকালীন এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটি ঘটে।আইটেম শেষ হতে অনেক দেরি হয়ে যাওয়ায় তিনি বলেন আমাদের গণ আইটেম নিবেন।সেসময় আমরা রুমে আনুমানিক ২৫ জন উপস্থিত ছিলাম।আজ ক্লাসে তিনি তমালকে দাঁড় করিয়ে বকাঝকা করেন এবং হুমকি দেন আইটেম টেবিলে ওকে দেখে নিবে বলে।
আইটেম শুরু হওয়ার আগে সে আমাদের বলেন আমাদের পোষা প্রাণী আছে কিনা। তারপর নিজের বন্দুক বের করে বলেন এইটা আমার পোষা পাখি। অত:পর সে গুলি চালিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। একসময় তমালকে টার্গেট করে সত্যি সত্যিই গুলি চালিয়ে দেন।গুলিটি তমালের থাইয়ের অ্যান্টেরিয়র কম্পার্টমেন্টে লাগে।আমাদের আরেকজন ব্যাচমেটের কানের পাশে দিয়ে গুলি যায়।সে এখন কানে শুনতে পারছেনা।
এখানে উল্লেখ্য তমালের সাথে তার কোনরকম কথা কাটাকাটি হয়নি।কোনকারণ ছাড়াই তিনি গুলিটি চালায়।বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে এই বিষয়ে কিছুটা ভুল তথ্য প্রচার করা হয়েছে।
ঘটনার আকষ্মিকতায় আমরা সকলে হতভম্ব হয়ে যায়।তখনও আমাদের সেই নরপশু শিক্ষক হম্বিতম্বি চালিয়ে যায় এবং তমালকে হসপিটালে নিয়ে যেতে অনেকরকম বাধা দেয়।অত:পর আমাদের ব্যাচের ছেলেরা আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে তমালকে হসপিটালে নিয়ে যায়।
তিনি পূর্বেও ক্লাসে অনেকবার ফায়ারআর্মস, ছুরি, দা,ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসেছে।আমাদের অসংখ্যবার হুমকি দিয়েছে গুলি করে দেওয়ার।সে প্রফ পরীক্ষা চলাকালীন সময়েও গুলি নিয়ে এসে আমাদের হুমকি দিয়েছে।এই বিষয়ে আমাদের প্রফেসররা অবগত।তিনি খুব ছোট ছোট কারণে ক্লাসে কিছু ছেলেমেয়েকে টার্গেট করতেন এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালি করতেন।
তার আচরণ কখনোই একজন শিক্ষক বা ডাক্তারের মতো ছিলনা।তার আচরণ ছিল সণ্ত্রাসের মতো
আমার প্রশ্নগুলো হল একজন শিক্ষক ক্লাসে ক্রমাগত বন্দুক নিয়ে আসে কীভাবে?
উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের এতদিন সবকিছু দেখেও চোখ বন্ধ করে রাখার কারণটা কী?
আর সবথেকে বড় প্রশ্ন একজন সরকারি মেডিকেলের স্টুডেন্ট হয়েও আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? আমরা তো আজ আর নিজেদের ক্লাসরুমেও নিরাপদ নই।
আমরা এর সঠিক বিচার চাই।
#WeWantJusticeRightNow
Collected post
😢219👏26😱18🤯12💔8😭5🤷♂3❤3🔥3😨1
News Zone
একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আজকের ঘটনার বিবরণ: আমাদের কমিউনিটি মেডিসিনের লেকচারার রায়হান শরীফ তৃতীয় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী তমালের পায়ে আইটেম পরীক্ষা চলাকালীন গুলি করেন।এখানে উল্লেখ্য যে ফরেন্সিক মেডিসিনে পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকার পরেও তিনি জোরপূর্বক আমাদের আইটেম…
New Fear Unlocked For Medi Student
😢79😭9😱6💔5🤷♂4👏2💘2👌1
News Zone
একজন প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে আজকের ঘটনার বিবরণ: আমাদের কমিউনিটি মেডিসিনের লেকচারার রায়হান শরীফ তৃতীয় বর্ষের একজন শিক্ষার্থী তমালের পায়ে আইটেম পরীক্ষা চলাকালীন গুলি করেন।এখানে উল্লেখ্য যে ফরেন্সিক মেডিসিনে পর্যাপ্ত শিক্ষক থাকার পরেও তিনি জোরপূর্বক আমাদের আইটেম…
বর্তমান জেনারেশন গালিগালাজ ,Sexual Harassment করা শিক্ষকদের আইডল মানে ।
তাহলে এমন শিক্ষকের আবির্ভাব ঘটা কি খুব অস্বাভাবিক?
তাহলে এমন শিক্ষকের আবির্ভাব ঘটা কি খুব অস্বাভাবিক?
😢169👌44🔥13🤷♂12👏12💯5😍4🕊2🍓2🆒2
গতকাল ঢাকার প্রায় ৭০০ ছেলে মেয়ে রাবির পরীক্ষা মিস করতে বসেছিলো। কারণ, ধূমকেতুর লোকো রাস্তাতেই ফেইল করে বসে।
এমন পরিস্থিতি অনেক নিয়োগ পরীক্ষার সময়ও হয়েছে। বহু ছেলে মেয়ে জাস্ট ট্রেনের টাইমলি না পৌঁছানোর কারণে পরীক্ষা দিতে পারে নাই।
বাট এবারের পরিস্থিতিটা একটু আলাদাই ছিলো।
এবারের ট্রেন রেল মহাপরিচালক নিজে মনিটর করতেসিলেন রাজশাহী থেকে। এবং ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই তিনি ফোন করেন রাবির ভিসিকে। অনুরোধ করে পরীক্ষা দেড় ঘন্টা পিছাইয়া দেন।
বাট, এখন নষ্ট ট্রেন ঠিক করে দেড় ঘন্টায় রাজশাহী পৌঁছানোর উপায় কী?
ঐ সময় চিলাহাটি থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো চিলাহাটি এক্সপ্রেস। উনি দ্রুতযানের লোকো খুলে ধূমকেতুতে লাগাইয়া তখনই ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করেন। এরপর পরে স্টপেজ বাতিল করে টানা ট্রেন চালাইয়া আইনা ট্রেন থামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশনে। ৭০০ থেকে ৮০০ ছেলেমেয়ে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পায়।
আগেই বলেছি, এইসব ঘটনা নতুন না। আগেও ঘটেছে। প্রতিবারই স্টুডেন্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আগে আসতে। কতৃপক্ষ কোন দায় নেয়নি কখনও।
বাট এবারই প্রথম কতৃপক্ষ নিজে দায়িত্ব নিয়ে ছাত্রদের পেইনটা নিজের উপর নিয়েছেন। প্রেশার নিয়ে, দায়িত্ব নিয়ে এতোগুলো স্টুডেন্টের স্বপ্ন বাঁচিয়ে দিয়েছেন।
অথচ চাইলে তিনিও দায় এড়াইয়া বলতে পারতেন, যে ছাত্রদের দোষ। তারা আগে বের হয়নি কেন? উনি সেটা বলেননি।
বেশিরভাগ সময়ই আমি সরকারি অফিসারদের সমালোচনা করেছি, হয়রানির স্বীকার হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বলেছি। ভালো কথা কমই লেখা হয়েছে।
আমি সেই ভালো কথাটা আজকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাপরিচালক অসীম কুমারকে বলতে চাই। আপনাকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।
সরকারি কর্মকর্তাদের লিমিটেশন অনেক, আমরা জানি। তারা সিস্টেমের বাইরে যেতে পারেন না, সেইটাও জানি। বাট চাইলে তারা মানুষকে হেল্প করতে পারেন। চাইলেই একটু সহজ ওয়েতে অনেককিছুই ম্যানেজ করে ফেলতে পারেন, সেইটার সবচেয়ে বড় প্রমাণ জনাব অসীম কুমার তালুকদার।
- সাদিকুর রহমান খান
-Admission informer
এমন পরিস্থিতি অনেক নিয়োগ পরীক্ষার সময়ও হয়েছে। বহু ছেলে মেয়ে জাস্ট ট্রেনের টাইমলি না পৌঁছানোর কারণে পরীক্ষা দিতে পারে নাই।
বাট এবারের পরিস্থিতিটা একটু আলাদাই ছিলো।
এবারের ট্রেন রেল মহাপরিচালক নিজে মনিটর করতেসিলেন রাজশাহী থেকে। এবং ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই তিনি ফোন করেন রাবির ভিসিকে। অনুরোধ করে পরীক্ষা দেড় ঘন্টা পিছাইয়া দেন।
বাট, এখন নষ্ট ট্রেন ঠিক করে দেড় ঘন্টায় রাজশাহী পৌঁছানোর উপায় কী?
ঐ সময় চিলাহাটি থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো চিলাহাটি এক্সপ্রেস। উনি দ্রুতযানের লোকো খুলে ধূমকেতুতে লাগাইয়া তখনই ট্রেন চালানোর ব্যবস্থা করেন। এরপর পরে স্টপেজ বাতিল করে টানা ট্রেন চালাইয়া আইনা ট্রেন থামান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশনে। ৭০০ থেকে ৮০০ ছেলেমেয়ে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পায়।
আগেই বলেছি, এইসব ঘটনা নতুন না। আগেও ঘটেছে। প্রতিবারই স্টুডেন্টদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে আগে আসতে। কতৃপক্ষ কোন দায় নেয়নি কখনও।
বাট এবারই প্রথম কতৃপক্ষ নিজে দায়িত্ব নিয়ে ছাত্রদের পেইনটা নিজের উপর নিয়েছেন। প্রেশার নিয়ে, দায়িত্ব নিয়ে এতোগুলো স্টুডেন্টের স্বপ্ন বাঁচিয়ে দিয়েছেন।
অথচ চাইলে তিনিও দায় এড়াইয়া বলতে পারতেন, যে ছাত্রদের দোষ। তারা আগে বের হয়নি কেন? উনি সেটা বলেননি।
বেশিরভাগ সময়ই আমি সরকারি অফিসারদের সমালোচনা করেছি, হয়রানির স্বীকার হয়ে তাদের বিরুদ্ধে বলেছি। ভালো কথা কমই লেখা হয়েছে।
আমি সেই ভালো কথাটা আজকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাপরিচালক অসীম কুমারকে বলতে চাই। আপনাকে অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ এবং শুভেচ্ছা।
সরকারি কর্মকর্তাদের লিমিটেশন অনেক, আমরা জানি। তারা সিস্টেমের বাইরে যেতে পারেন না, সেইটাও জানি। বাট চাইলে তারা মানুষকে হেল্প করতে পারেন। চাইলেই একটু সহজ ওয়েতে অনেককিছুই ম্যানেজ করে ফেলতে পারেন, সেইটার সবচেয়ে বড় প্রমাণ জনাব অসীম কুমার তালুকদার।
- সাদিকুর রহমান খান
-Admission informer
🔥237❤142🫡31🥰14❤🔥12
জাবি D ইউনিটের সংশোধিত ফলাফল প্রকাশিত। মেরিট পরিবর্তন হয়নি। সাবজেক্ট ভিত্তিক মার্ক চেঞ্জ হয়েছে
😐55🤷♂28😭16😢6👏4🤯3🕊3💔2👌1🆒1
D-Unit-Male-Merit-Corrected.pdf
2.6 MB
✅JU D Unit Update
Correction Result
Correction Result
🤷♂8😢4👌2