প্রিয় বীর চট্টলাবাসী,
সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে শত্রুদের আক্রমণকে রুখে দেবার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে আজ বিকেল ৩ টায় নিউমার্কেট চলে আসুন।
কেউ আঘাত করার চেষ্টা করলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করবেন।✊
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
খান তালাত মাহমুদ রাফি
সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে শত্রুদের আক্রমণকে রুখে দেবার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে আজ বিকেল ৩ টায় নিউমার্কেট চলে আসুন।
কেউ আঘাত করার চেষ্টা করলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ করবেন।✊
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
খান তালাত মাহমুদ রাফি
🔥168⚡5
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
৩রা আগস্ট, ২০২৪
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নির্মমভাবে চালানো গণহত্যার বিচার, গণহত্যায় দায়ীদের পদত্যাগ এবং গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবিতে সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৫৮ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয়ক টিম গঠন করা হলো।
বার্তাপ্রেরকঃ
রিফাত রশিদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
৩রা আগস্ট, ২০২৪
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নির্মমভাবে চালানো গণহত্যার বিচার, গণহত্যায় দায়ীদের পদত্যাগ এবং গ্রেফতারকৃতদের মুক্তির দাবিতে সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৫৮ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বয়ক টিম গঠন করা হলো।
বার্তাপ্রেরকঃ
রিফাত রশিদ
সমন্বয়ক
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
🔥151❤🔥12❤5🥰4
যখন আমরা ডিবি অফিসে বন্দি ছিলাম তখনই প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করে আন্দোলন স্থগিত করতে বলা হয়। এমনকি জোর করে গণভবনে নিয়া যাওয়ার পরিকল্পনাও চলছিল। এই প্রস্তাবের প্রতিবাদে ও মুক্তির দাবিতে আমরা অনশনে বসেছিলাম।
আপোষহীনতার মূল্য যদি মৃত্যুও হয় তাও পরিশোধ করতে প্রস্তুত আছি। ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ আহ্বান করছি।
আসিফ মাহমুদ
সমন্বয়ক
আপোষহীনতার মূল্য যদি মৃত্যুও হয় তাও পরিশোধ করতে প্রস্তুত আছি। ছাত্র-নাগরিক অভ্যুত্থানে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের অংশগ্রহণ আহ্বান করছি।
আসিফ মাহমুদ
সমন্বয়ক
🔥322❤🔥19❤6
Pray for Cumilla!!!
ওপেন ফায়ার হচ্ছে,ইতিমধ্যে হতাহতের নিউজ ও পাওয়া গেছে
ওপেন ফায়ার হচ্ছে,ইতিমধ্যে হতাহতের নিউজ ও পাওয়া গেছে
😢230😭42😨6❤🔥2
জরুরি অবস্থা ও সরকারের সাথে আলোচনা প্রসঙ্গে—
১৯শে জুলাই আমরা কারফিউ ভঙ্গ করে শাটডাউন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমাদের সে বক্তব্য কোনো মিডিয়ায় প্রচার করতে দেওয়া হয় নাই। সে রাতে আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মম অত্যাচার করা হয় এ ঘোষণার জন্য এবং আন্দোলন প্রত্যাহার ও সরকারের সাথে আলোচনায় বসার জন্য জবরদস্তি করা হয়।
ছাত্রজনতা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিল৷ সরকার দমন-পীড়ন করে সেটিকে সংঘাত ও সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ করে শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এবার এরকম পরিস্থিতি হলে কারো জন্যই পরিণতি ভালো হবে না।
পরবর্তীতে ডিবি অফিস থেকেও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমাদের অনশন ও রাজপথে আন্দোলনের কারণে সে পরিকল্পনা সফল হয়নি।
আমরা এখনো শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে চাই। আমরা কোনো সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও প্রাণনাশ চাই না৷ নিরাপত্তা বাহিনীকেও এরজন্য সহযোগিতা করতে হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের রাজপথে দেখা গেলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে এর দায়ভার নিতে হবে।
তবে রক্ত ঝড়লে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমরা ন্যায়বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। কোনো ধরনের দমন-পীড়ন, প্রোপাগাণ্ডা ও ষড়যন্ত্র করে এ আন্দোলন থামানো যাবে না।
জরুরি অবস্থা বা কারফিউ ছাত্র-নাগরিক মেনে নিবে না। শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি চাইলে গুলি ও হামলা করার নির্দেশ বন্ধ করতে হবে। অসহযোগ আন্দোলনের নির্দেশনা অনুযায়ী চলতে হবে।
খুনি সরকারের কাছে বিচার চাওয়া বা সংলাপে বসারও সুযোগ আর নেই। ক্ষমা চাওয়ার সময়ও পার হয়ে গেছে। যখন সময় ছিল তখন সরকার ব্লক রেইড দিয়ে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করেছে, নির্যাতন করেছে। আখতার হোসেন, আরিফ সোহেলসহ রাজবন্দীদের কারাগারে রেখে আমরা কোনো ধরনের সমঝোতায় যাবো না।
নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্র-নাগরিকের পাশে থাকুন। সরকার জনগণের বিপক্ষে দাঁড়ালে সেই সরকারের হুকুম শুনতে আপনারা আর বাধ্য নন। ছাত্রদের সাথে মিছিলে যোগ দিন। আমরা পুলিশ নয়, হুকুমের আসামীকে কাঠগড়ায় দাঁড়া করাতে চাই। নিরাপত্তা বাহিনীকে মিছিলে যোগদানের আহ্বান থাকবে।
সবাই শান্তিপূর্ণভাবে আজকের বিক্ষোভ ও আগামীকাল থেকে অসহযোগ কর্মসূচী সফল করুন।
"বাংলাদেশের জনগণ,
নেমে আসুন, নেমে পড়ুন"
"বাংলাদেশের অভিভাবক,
নেমে আসুন, নেমে পড়ুন"
"বাংলাদেশের শিক্ষকেরা,
নেমে আসুন, নেমে পড়ুন"
"বাংলাদেশের শ্রমিকেরা
নেমে আসুন, নেমে পড়ুন"
মো. নাহিদ ইসলাম,
সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
১৯শে জুলাই আমরা কারফিউ ভঙ্গ করে শাটডাউন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমাদের সে বক্তব্য কোনো মিডিয়ায় প্রচার করতে দেওয়া হয় নাই। সে রাতে আমাকে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্মম অত্যাচার করা হয় এ ঘোষণার জন্য এবং আন্দোলন প্রত্যাহার ও সরকারের সাথে আলোচনায় বসার জন্য জবরদস্তি করা হয়।
ছাত্রজনতা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিল৷ সরকার দমন-পীড়ন করে সেটিকে সংঘাত ও সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ করে শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এবার এরকম পরিস্থিতি হলে কারো জন্যই পরিণতি ভালো হবে না।
পরবর্তীতে ডিবি অফিস থেকেও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দফতরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমাদের অনশন ও রাজপথে আন্দোলনের কারণে সে পরিকল্পনা সফল হয়নি।
আমরা এখনো শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে চাই। আমরা কোনো সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও প্রাণনাশ চাই না৷ নিরাপত্তা বাহিনীকেও এরজন্য সহযোগিতা করতে হবে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের রাজপথে দেখা গেলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে এর দায়ভার নিতে হবে।
তবে রক্ত ঝড়লে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমরা ন্যায়বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।
গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। কোনো ধরনের দমন-পীড়ন, প্রোপাগাণ্ডা ও ষড়যন্ত্র করে এ আন্দোলন থামানো যাবে না।
জরুরি অবস্থা বা কারফিউ ছাত্র-নাগরিক মেনে নিবে না। শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি চাইলে গুলি ও হামলা করার নির্দেশ বন্ধ করতে হবে। অসহযোগ আন্দোলনের নির্দেশনা অনুযায়ী চলতে হবে।
খুনি সরকারের কাছে বিচার চাওয়া বা সংলাপে বসারও সুযোগ আর নেই। ক্ষমা চাওয়ার সময়ও পার হয়ে গেছে। যখন সময় ছিল তখন সরকার ব্লক রেইড দিয়ে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করেছে, নির্যাতন করেছে। আখতার হোসেন, আরিফ সোহেলসহ রাজবন্দীদের কারাগারে রেখে আমরা কোনো ধরনের সমঝোতায় যাবো না।
নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আহ্বান থাকবে খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্র-নাগরিকের পাশে থাকুন। সরকার জনগণের বিপক্ষে দাঁড়ালে সেই সরকারের হুকুম শুনতে আপনারা আর বাধ্য নন। ছাত্রদের সাথে মিছিলে যোগ দিন। আমরা পুলিশ নয়, হুকুমের আসামীকে কাঠগড়ায় দাঁড়া করাতে চাই। নিরাপত্তা বাহিনীকে মিছিলে যোগদানের আহ্বান থাকবে।
সবাই শান্তিপূর্ণভাবে আজকের বিক্ষোভ ও আগামীকাল থেকে অসহযোগ কর্মসূচী সফল করুন।
"বাংলাদেশের জনগণ,
নেমে আসুন, নেমে পড়ুন"
"বাংলাদেশের অভিভাবক,
নেমে আসুন, নেমে পড়ুন"
"বাংলাদেশের শিক্ষকেরা,
নেমে আসুন, নেমে পড়ুন"
"বাংলাদেশের শ্রমিকেরা
নেমে আসুন, নেমে পড়ুন"
মো. নাহিদ ইসলাম,
সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
🫡207🔥42❤🔥14❤6🥰2
আমার একটা একান্তই ব্যক্তিগত মত শেয়ার করার তাগিদ অনুভব করছি। আজ বিকেল ৩টায় ছাত্ররা সবাইকে ডাক দিয়েছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতা সমাবেশে। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন ব্যান্ড-সংগীত শিল্পীরা তাদের গানের সম্মিলিত কনসার্ট 'Get UP-Stand Up' এর ডাক দিয়েছে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে, ঠিক ওই একই সময় মানে বিকেল ৩ টায়।
একইসময়ে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ডাকা দুইটা প্রোগ্রামের ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে। ছাত্ররা যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সমাবেশের ডাক দিচ্ছে, সেটার গুরুত্ব ওই গানের কনসার্টের চেয়ে কয়েক লক্ষ গুণ বেশি।
আপনাদের মনে রাখা উচিৎ, এই গান এবং কালচারাল পাড়ার লোকজন( হাতে গোনা ২/১ জন ব্যতিক্রমী বাদে) কিন্তু শুরু থেকে ছিলো না, এখন এসে কথা বলার চেষ্টা করছে, তাও আবার ঢাকঢাক গুড়গুড় করে।
আমার কাছে মনে হচ্ছে একই সময়ে কনসার্টের মিনিং হলো ছাত্র জনতাকে ডিভাইড করা। কারণ ইয়াং এবং আর্বান ক্লাসের মানুষজনের ভেতর এসব ব্যান্ডের কনসার্টের প্রতি একটা বিশেষ ঝোঁক থাকে। কাজেই তারা যদি সবাই সরোবরের কনসার্টে দৌঁড়ায়, তাহলে শহীদ মিনারের সমাবেশে লোকজন কমে যায়!
শিল্পীদের যদি প্রোগ্রাম করার ইচ্ছাই থাকে, সেটা ভিন্ন জায়গায় কেন? তাও সময়টাও সেইম রেখে? আপনারাও তো জনতার কাতারে একসাথে গিয়ে দাঁড়াতে পারতেন শহীদ মিনারে গিয়েই। দরকার হলে সমাবেশ শেষে সেখানেই বিপ্লবী গান পরিবেশন করতেন।
কিন্তু ছাত্রদের আন্দোলনের ঠিক একইসময়ে ভিন্ন জায়গায় লম্বা সময় ধরে গানের প্রোগ্রামে সবাইকে ব্যস্ত রাখার মতলবটা খুব একটা সময়োপযোগী বলে মনে হচ্ছে না কেন যেন!
এই মুহুর্তে ছাত্রদের ডাকে শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার সমবেত হওয়াটা কয়েক হাজার-লক্ষগুণ বেশি জরুরি সরোবরের ওই কনসার্টে যোগ দেওয়া থেকে।
সবাই বিচক্ষণতার সাথে সিদ্ধান্ত নিয়েন— এইতো এতটুকুই বলার ছিলো!
-Saiyed Abdullah
একইসময়ে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ডাকা দুইটা প্রোগ্রামের ব্যাপারে আমার আপত্তি আছে। ছাত্ররা যখন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সমাবেশের ডাক দিচ্ছে, সেটার গুরুত্ব ওই গানের কনসার্টের চেয়ে কয়েক লক্ষ গুণ বেশি।
আপনাদের মনে রাখা উচিৎ, এই গান এবং কালচারাল পাড়ার লোকজন( হাতে গোনা ২/১ জন ব্যতিক্রমী বাদে) কিন্তু শুরু থেকে ছিলো না, এখন এসে কথা বলার চেষ্টা করছে, তাও আবার ঢাকঢাক গুড়গুড় করে।
আমার কাছে মনে হচ্ছে একই সময়ে কনসার্টের মিনিং হলো ছাত্র জনতাকে ডিভাইড করা। কারণ ইয়াং এবং আর্বান ক্লাসের মানুষজনের ভেতর এসব ব্যান্ডের কনসার্টের প্রতি একটা বিশেষ ঝোঁক থাকে। কাজেই তারা যদি সবাই সরোবরের কনসার্টে দৌঁড়ায়, তাহলে শহীদ মিনারের সমাবেশে লোকজন কমে যায়!
শিল্পীদের যদি প্রোগ্রাম করার ইচ্ছাই থাকে, সেটা ভিন্ন জায়গায় কেন? তাও সময়টাও সেইম রেখে? আপনারাও তো জনতার কাতারে একসাথে গিয়ে দাঁড়াতে পারতেন শহীদ মিনারে গিয়েই। দরকার হলে সমাবেশ শেষে সেখানেই বিপ্লবী গান পরিবেশন করতেন।
কিন্তু ছাত্রদের আন্দোলনের ঠিক একইসময়ে ভিন্ন জায়গায় লম্বা সময় ধরে গানের প্রোগ্রামে সবাইকে ব্যস্ত রাখার মতলবটা খুব একটা সময়োপযোগী বলে মনে হচ্ছে না কেন যেন!
এই মুহুর্তে ছাত্রদের ডাকে শহীদ মিনারে ছাত্র-জনতার সমবেত হওয়াটা কয়েক হাজার-লক্ষগুণ বেশি জরুরি সরোবরের ওই কনসার্টে যোগ দেওয়া থেকে।
সবাই বিচক্ষণতার সাথে সিদ্ধান্ত নিয়েন— এইতো এতটুকুই বলার ছিলো!
-Saiyed Abdullah
Facebook
Log in or sign up to view
See posts, photos and more on Facebook.
💯146🔥26👌2
Urgent‼️‼️
Kandirpar ar police line area need medical team.
Spread it as much as possible🙏
Kandirpar ar police line area need medical team.
Spread it as much as possible🙏
😢144😭21
This media is not supported in your browser
VIEW IN TELEGRAM
আবু সাইদের রংপুর।
জাগো বাহে কোনঠে সবাই
জাগো বাহে কোনঠে সবাই
🔥315❤🔥20❤9
ছাত্র-জনতার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
এক দফা এখন সার্বজীনন। এর বাইরে আর কোন আলাপ নেই।
©️হাসনাত আবদুল্লাহ
এক দফা এখন সার্বজীনন। এর বাইরে আর কোন আলাপ নেই।
©️হাসনাত আবদুল্লাহ
❤286🔥43