ষড়যন্ত্র ফাঁস।
প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের নেপথ্যে কঠিন ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেছে।
শেখ হাসিনাকে এক্স প্রধান বিচারপতি সিনহা যেভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন ঠিক তেমনি ষড়যন্ত্র করেছিল ওবায়দুল হাসান সহ কয়েকজন।
যে রিপোর্ট এখনো মিডিয়া প্রকাশ করেনি তা নিম্নরূপ:
সজীব ওয়াজেদ জয় এতদিন আপনাদের সাথে 'আমি নাই, মা নাই' বলে বলে হটাৎ গতকাল রয়টার্সকে বলেছে তার মা পদত্যাগ করেননি। এটি একটি পরিকল্পিত ঘোষণা ছিল যা বোঝা গেছে আজ।
সেনাবাহিনীর নিচের দিকের অফিসাররা যদি জনগণের পক্ষে না থাকতো, তাহলে আজকে আরেকটা রক্তের বন্যা বয়ে যেত। আজকেও সেনাবাহিনীর ছোট অফিসাররা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থেকে ছাত্র জনতাকে বাঁচিয়েছে।
আজকে একটা ক্যু এর প্ল্যান করেছিল জয় এবং আরাফাত। কিন্তু সঠিক সময়ে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দারা ছাত্রদের কাছে তথ্য ফাঁস করে দেয়। এই তথ্য জানার পরে জুডিশিয়াল ক্যু রুখে দেয় ছাত্ররা।
জয় আরাফাত আর তাদের গাইডদের গোপন প্ল্যান ছিল এইরকম। ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস যখন রংপুরে আবু সাঈদের বাড়ি পরিদর্শন এবং কবর জিয়ারতের জন্য যাবেন এবং তারপরে উনার হেলিকপ্টার যখন আকাশে থাকবে ঠিক সেই সময়ে হাইকোর্টের অ্যাপিলিয়েট ডিভিশনের বিচারপতিরা ফুল কোর্ট বসিয়ে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করবে।
সাথে সাথে এই ক্যু এর সাথে জড়িত সেনাবাহিনীর ২৫ কর্মকর্তা, চাকুরি থেকে কর্মবিরতিতে থাকা দুর্নীতিবাজ পুলিশের একটি দল রাজধানীতে হট্টগোল শুরু করবে আর শেখ হাসিনা ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসবেন এবং সাথে সাথে আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা মাঠে চলে আসবে।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বিচারপতি সরকারের সাথে কোনো আলোচনা না করে হটাৎ ৫৭ বিচারপতিকে জরুরী মিটিংয়ে ডাকেন। স্ক্রলে জরুরি মিটিং ডাকার সংবাদ দেখে দর্শকরাও কনফিউজড হন।
কিন্তু আগে থেকে গোপন খবর পাওয়া ছাত্র জনতা সকাল ৯ টা বাজার আগেই চতুর্দিক থেকে ছুটে এসে হাইকোর্ট ঘেরাও করে। সেনাবাহিনীর সমর্থনে প্রধান বিচারপতি পিছু হটতে বাধ্য হন এবং পালিয়ে থাকেন। মিটিং স্থগিত হয়। ছাত্ররা বিচারপতির বাসা ঘেরাও করে রাখে। সেনাবাহিনী শৃংখলা রক্ষার আবরণে সেখানে ছিলো। পদত্যাগ পত্র সরকারকে দেয়া হয়েছে নিশ্চিত হয়ে ছাত্ররা হাইকোর্ট এবং বাসভবন ত্যাগ করে।
এই ঘটনার সাথে জড়িত আপিল বিভাগের আরো পাঁচজন বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
Musaddiq Ali Ibne Mohammad
সহ-সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের নেপথ্যে কঠিন ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেছে।
শেখ হাসিনাকে এক্স প্রধান বিচারপতি সিনহা যেভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন ঠিক তেমনি ষড়যন্ত্র করেছিল ওবায়দুল হাসান সহ কয়েকজন।
যে রিপোর্ট এখনো মিডিয়া প্রকাশ করেনি তা নিম্নরূপ:
সজীব ওয়াজেদ জয় এতদিন আপনাদের সাথে 'আমি নাই, মা নাই' বলে বলে হটাৎ গতকাল রয়টার্সকে বলেছে তার মা পদত্যাগ করেননি। এটি একটি পরিকল্পিত ঘোষণা ছিল যা বোঝা গেছে আজ।
সেনাবাহিনীর নিচের দিকের অফিসাররা যদি জনগণের পক্ষে না থাকতো, তাহলে আজকে আরেকটা রক্তের বন্যা বয়ে যেত। আজকেও সেনাবাহিনীর ছোট অফিসাররা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থেকে ছাত্র জনতাকে বাঁচিয়েছে।
আজকে একটা ক্যু এর প্ল্যান করেছিল জয় এবং আরাফাত। কিন্তু সঠিক সময়ে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দারা ছাত্রদের কাছে তথ্য ফাঁস করে দেয়। এই তথ্য জানার পরে জুডিশিয়াল ক্যু রুখে দেয় ছাত্ররা।
জয় আরাফাত আর তাদের গাইডদের গোপন প্ল্যান ছিল এইরকম। ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস যখন রংপুরে আবু সাঈদের বাড়ি পরিদর্শন এবং কবর জিয়ারতের জন্য যাবেন এবং তারপরে উনার হেলিকপ্টার যখন আকাশে থাকবে ঠিক সেই সময়ে হাইকোর্টের অ্যাপিলিয়েট ডিভিশনের বিচারপতিরা ফুল কোর্ট বসিয়ে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করবে।
সাথে সাথে এই ক্যু এর সাথে জড়িত সেনাবাহিনীর ২৫ কর্মকর্তা, চাকুরি থেকে কর্মবিরতিতে থাকা দুর্নীতিবাজ পুলিশের একটি দল রাজধানীতে হট্টগোল শুরু করবে আর শেখ হাসিনা ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসবেন এবং সাথে সাথে আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা মাঠে চলে আসবে।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বিচারপতি সরকারের সাথে কোনো আলোচনা না করে হটাৎ ৫৭ বিচারপতিকে জরুরী মিটিংয়ে ডাকেন। স্ক্রলে জরুরি মিটিং ডাকার সংবাদ দেখে দর্শকরাও কনফিউজড হন।
কিন্তু আগে থেকে গোপন খবর পাওয়া ছাত্র জনতা সকাল ৯ টা বাজার আগেই চতুর্দিক থেকে ছুটে এসে হাইকোর্ট ঘেরাও করে। সেনাবাহিনীর সমর্থনে প্রধান বিচারপতি পিছু হটতে বাধ্য হন এবং পালিয়ে থাকেন। মিটিং স্থগিত হয়। ছাত্ররা বিচারপতির বাসা ঘেরাও করে রাখে। সেনাবাহিনী শৃংখলা রক্ষার আবরণে সেখানে ছিলো। পদত্যাগ পত্র সরকারকে দেয়া হয়েছে নিশ্চিত হয়ে ছাত্ররা হাইকোর্ট এবং বাসভবন ত্যাগ করে।
এই ঘটনার সাথে জড়িত আপিল বিভাগের আরো পাঁচজন বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে।
Musaddiq Ali Ibne Mohammad
সহ-সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
😱418😢36❤🔥34❤12🔥7👌6🤩4🕊4
All eyes on Gopalganj 🐸
আর্মি তো লাইভ ও করবে না ।😞
ওপারে ভালো থাকিও গোপালগঞ্জ.
🔥317🌚67🫡19😭9👌6😇6🥰2👏2
ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গুলির ঘটনা ঘটেছে।
এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের হেড অফিস ফের দখলের চেষ্টা করলে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এসময় প্রবেশে বাধা দিলে কর্মকর্তাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এসময় ইসলামী ব্যাংকের গোডাউন গার্ড (ডিজি) শফিউল্লাহ সরদার, অফিসার মামুন, আব্দুর রহমান ও বাকী বিল্লাহসহ পাঁচ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হন।
এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের হেড অফিস ফের দখলের চেষ্টা করলে সংঘর্ষ ও গোলাগুলি হয়। এসময় প্রবেশে বাধা দিলে কর্মকর্তাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়। এসময় ইসলামী ব্যাংকের গোডাউন গার্ড (ডিজি) শফিউল্লাহ সরদার, অফিসার মামুন, আব্দুর রহমান ও বাকী বিল্লাহসহ পাঁচ কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হন।
😢254😭33
যেসব শিক্ষার্থী রাস্তায় ট্রাফিকের কাজ করছে তাদের তালিকা করে সবাইকে পুলিশের পক্ষ থেকে সার্টিফিকেট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন।
❤291😐36❤🔥16👏14🌚12💔8😱5🥰1
(সূত্র: প্রথম আলো। লিঙ্ক কমেন্টে)
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশন ছাড়া বাকি স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা, টিকিট বিক্রি কিংবা স্বয়ংক্রিয় ভাড়া কেটে রাখার ব্যবস্থা পুরোপুরি অক্ষত আছে। ফলে চাইলে যেকোনো সময় উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা সম্ভব।
.
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমটিসিএলের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, দুই স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বলা হয়েছিল সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক হিসাব, এ নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হয়নি। দুটি স্টেশনের ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি পুনঃস্থাপনে ৫০ কোটি টাকাও লাগার কথা নয়।
---
কুইজ:
১। আমাদেরকে যে বলা হলো, এক বছরের মধ্যে মেট্রোরেল চালুই করা যাবে না। ভুল শুনলাম নাকি?
২। বাকি ৩০০ কোটি টাকা কার বা কাদের পকেটে যাওয়ার কথা ছিল?
✅ বিস্তারিত
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া স্টেশন ছাড়া বাকি স্টেশনে যাত্রী ওঠানামা, টিকিট বিক্রি কিংবা স্বয়ংক্রিয় ভাড়া কেটে রাখার ব্যবস্থা পুরোপুরি অক্ষত আছে। ফলে চাইলে যেকোনো সময় উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেল চালু করা সম্ভব।
.
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএমটিসিএলের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, দুই স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর বলা হয়েছিল সাড়ে ৩০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক হিসাব, এ নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হয়নি। দুটি স্টেশনের ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি পুনঃস্থাপনে ৫০ কোটি টাকাও লাগার কথা নয়।
---
কুইজ:
১। আমাদেরকে যে বলা হলো, এক বছরের মধ্যে মেট্রোরেল চালুই করা যাবে না। ভুল শুনলাম নাকি?
২। বাকি ৩০০ কোটি টাকা কার বা কাদের পকেটে যাওয়ার কথা ছিল?
✅ বিস্তারিত
😨138👏15
https://thedailycampus.com/national/149781/%E0%A6%86%E0%A6%AE%E0%A6%BF-%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%97-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A6%BF-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE
এটা একটু পড়ে আসেন আর ভাবেন একটা মহিলা কপটতার কোন লেভেলে চলে গেছে
এটা একটু পড়ে আসেন আর ভাবেন একটা মহিলা কপটতার কোন লেভেলে চলে গেছে
দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস
আমি পদত্যাগ করেছি: হাসিনা
শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি পদত্যাগ করেছি কারণ লাশের মিছিল আমি দেখতে চাইনি। তারা শিক্ষার্থীদের লাশের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি তার অনুমতি দিইনি। তার আগেই প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছি।
👌89😐36😨25🤩14👏7🌚5🤗3😱2
কোটাবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ধীরে ধীরে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে সব ধরনের ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে।
এখন পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া ক্যাম্পাসগুলো হলো–
১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)
২) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক)
৩) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
৪) রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)
৫)বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ৬)নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)
৭) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
৮) শের-এ বাংলা মেডিকেল কলেজ,বরিশাল
৯) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
১০) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)
১১) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
আশা করছি বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র রাজনীতি থাকবেনা।
এখন পর্যন্ত ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া ক্যাম্পাসগুলো হলো–
১) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)
২) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক)
৩) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
৪) রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)
৫)বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ৬)নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)
৭) বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
৮) শের-এ বাংলা মেডিকেল কলেজ,বরিশাল
৯) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
১০) খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)
১১) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
আশা করছি বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র রাজনীতি থাকবেনা।
🔥251❤20😢8👏7😐4❤🔥1🥰1
গতকাল রাতে ঢাকা থেকে গাজীপুর আসার সময় কিছু ছাত্র আমাদের গাড়িকে থামিয়ে কাগজ দেখতে চায়!
এরা ২/৩ মিনিট সময় লাগিয়ে পুরো কাগজ গুলো পড়ে দেখে!। কাগজ ঠিক ঠাক থাকায় যাবার জন্য ছেড়ে দেয় এবং শেষে বলে - সরি আংকেল!
এদের মধ্যে এতটুকু বোধ আছে যে একটু সময় লাগিয়েছে তাই সরি বলতে হবে!
দুইদিন না যেতেই ছাত্রদের ট্রাফিক কন্ট্রোল নিয়ে বিরক্ত হয়ে পোস্ট দিচ্ছেন অনেকেই!
যাদের কাজের এত সমালোচনা তাদের কি এখানে কাজ করার কথা?! এদের কারো কি ট্রাফিক ট্রেনিং ট্রেনিং আছে?! এরা রাস্তায় নেমেছে শুধুমাত্র আমাদেরকে সাহায্য করার জন্য! কারন রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ নেই! এদের এই কাজ করার জন্য কোন দায় নেই!
এক ঘন্টা রোদে দাড়িয়ে থেকে দেখেন কেমন লাগে! এরা বিনা পারিশ্রমিকে রোদ কি বৃষ্টি কি দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে! আর আপনি এসি গাড়িতে বসে এদের সমালোচনা করে যাচ্ছেন!
আর এমন না যে ট্রাফিক পুলিশ থাকা অবস্থায় আমরা রকেটের গতিতে বাসায় চলে আসতাম! জ্যামের শহর ঢাকা ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালনের সময়ই কিন্তু হয়!
ঘুষের কথা বাদ রাখলাম!
ভাই এরা ছোট ছোট স্টুডেন্ট! এদের ভুল হবে স্বাভাবিক! পারলে আপনি নিজে তাদের জায়গায় দাড়িয়ে শিখিয়ে দেন কিভাবে করতে হবে! গাইড করেন!
ট্রাফিক পুলিশ নিজ দায়িত্বে না আসা পর্যন্ত এদেরকে মনোবল ধরে রাখতে সাহায্য করতে না পারলেও নেগেটিভিটি ছড়াবেন না প্লিজ!
এরা ২/৩ মিনিট সময় লাগিয়ে পুরো কাগজ গুলো পড়ে দেখে!। কাগজ ঠিক ঠাক থাকায় যাবার জন্য ছেড়ে দেয় এবং শেষে বলে - সরি আংকেল!
এদের মধ্যে এতটুকু বোধ আছে যে একটু সময় লাগিয়েছে তাই সরি বলতে হবে!
দুইদিন না যেতেই ছাত্রদের ট্রাফিক কন্ট্রোল নিয়ে বিরক্ত হয়ে পোস্ট দিচ্ছেন অনেকেই!
যাদের কাজের এত সমালোচনা তাদের কি এখানে কাজ করার কথা?! এদের কারো কি ট্রাফিক ট্রেনিং ট্রেনিং আছে?! এরা রাস্তায় নেমেছে শুধুমাত্র আমাদেরকে সাহায্য করার জন্য! কারন রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ নেই! এদের এই কাজ করার জন্য কোন দায় নেই!
এক ঘন্টা রোদে দাড়িয়ে থেকে দেখেন কেমন লাগে! এরা বিনা পারিশ্রমিকে রোদ কি বৃষ্টি কি দিন রাত কাজ করে যাচ্ছে! আর আপনি এসি গাড়িতে বসে এদের সমালোচনা করে যাচ্ছেন!
আর এমন না যে ট্রাফিক পুলিশ থাকা অবস্থায় আমরা রকেটের গতিতে বাসায় চলে আসতাম! জ্যামের শহর ঢাকা ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালনের সময়ই কিন্তু হয়!
ঘুষের কথা বাদ রাখলাম!
ভাই এরা ছোট ছোট স্টুডেন্ট! এদের ভুল হবে স্বাভাবিক! পারলে আপনি নিজে তাদের জায়গায় দাড়িয়ে শিখিয়ে দেন কিভাবে করতে হবে! গাইড করেন!
ট্রাফিক পুলিশ নিজ দায়িত্বে না আসা পর্যন্ত এদেরকে মনোবল ধরে রাখতে সাহায্য করতে না পারলেও নেগেটিভিটি ছড়াবেন না প্লিজ!
❤🔥390👌22🔥19❤11💯11🕊6👏2🌚2