Bangla Phobia।Exam Mate – Telegram
Bangla Phobia।Exam Mate
28.4K subscribers
746 photos
13 videos
179 files
568 links
Download Telegram
Score (12)-
1😱1
Qs kemon chilo? 🙂👀
20
তৎসম শব্দ চেনার কৌশল🙂
🥰158
Forwarded from Bangla Phobia।Exam Mate (D I H A N ☘️)
১। প্রমিত বাংলা বানানের নিয়মানুযায়ী ‘ঈ’ ‘ঊ’ ‘ঋ’ এবং এ তিনটি বর্ণের কারচিহ্ন যুক্ত শব্দই তৎসম শব্দ।
২। মূর্ধন্য- ‘ণ’ যুক্ত সব শব্দ তৎসম শব্দ।
৩। যে শব্দের পূর্বে প্র, পরা, অপ, সম, অব, উপ, অতি, অভি প্রভৃতি উপসর্গ যুক্ত থাকে সেগুলো তৎসম শব্দ ।
৪। বিসর্গ যুক্ত শব্দগুলো এবং বিসর্গসন্ধিসাধিত শব্দগুলো তৎসম শব্দ

৫। অব্যয়পদের শেষে ‘ত’ থাকলে তা সাধারণত তৎসম হয়।
৬। শব্দের শেষে তব্য এবং অনীয় তাকলে সেসব শব্দ তৎসম হয়।
৭। সমাসবদ্ধ একটি অংশ তৎসম জানা থাকলে অপর অশংটি এবং সমস্তপদটিও তৎসম হয়।
৮। বহুবচনবাচক শব্দ যেমন গণ, বুন্দ, মন্ডলী, বর্গ, আবলী, গুচ্ছ, রাজি, মালা, রাশি প্রভূতি শব্দ থাকলে তৎসম হয়।
68🥰4🔥1
Forwarded from Emon( •̀_•́ )
CamScanner 06-21-2022 22.50.pdf
3.3 MB
কৃৎ প্রত্যয় নোট & শর্টকাট
23🔥4🥰1
আসসালামু আলাইকুম।
পদ প্রকরণ শুরু করি।??
এত কম রিসপন্স হলে তো ভালোলাগবে না। নাকি আজ না করে পরে কোন একদিন করবো?
61🔥6🥰3
বাক্যে ব্যাবহৃত বিভক্তিযুক্ত ধাতু ও শব্দকে পদ বলে।

পদ দুই প্রকার।
১। অব্যয় পদ
২। সব্যয় পদ।
সব্যয় পদ ৪ প্রকারঃ
১. বিশেষ্য
২. বিশেষণ
৩. সর্বনাম

৪. ক্রিয়া
69🔥7
সবার শুরুতে আলোচনা হলো বিশেষ্য নিয়ে। আমি  ভাববাচক ও গুনবাচক  বিশেষ্য নিয়ে শর্টকাট দিবো। চলো আরো দেখে নিই বিশেষ্যের প্রকারভেদ ও উদাহারন -

১। সংজ্ঞা বাচক বিশেষ্যঃ নজরুল, ওমর, ঢাকা, হিমালয় ইত্যাদি।
২। জাতিবাচক বিশেষ্যঃ মানুষ, গরু, পাখি, নদী, ইংরেজ ইত্যাদি

৩। সমষ্টিবাচক বিশেষ্যঃ সভা, দল, জনতা,সমিতি, ঝাক ইত্যাদি

৪। ভাববাচক বিশেষ্যঃ গমন, দর্শন, ভোজন( বিশেষ শর্টকার্টঃ অন  উচ্চারিত হয় শেষে)

৫। গুনবাচক বিশেষ্যঃ মধুরতা, তারুণ্য, তিক্ততা।  [বিশেষ শর্টকাটঃ য ফল(্য),  তূ, মি, ত্ব, পনা ইত্যাদি থাকে শেষে))]
54🥰6
ভাববাচক ও গুনবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ দাও কয়েকটা
বিশেষ্য তেমন কঠিন না। এইটুকুই হলো বিশেষ্য। এখন বিশেষণ শুরু করবো। এখন থেকে হালকা প্যাচের দিকে যাবো।
🔥2414🥰3
যে পদ বাক্যে ব্যাবহৃত হয়ে  অন্য পদের দোষ, গুন, অবস্থা ইত্যাদি নির্দেশ করবে, তাকে বলা হয়  বিশেষণ।

বিশেষণ দুই প্রকার।

১. নাম বিশেষণ
২. ভাব বিশেষন
49🔥5
নাম বিশেষণের প্রকারভেদঃ

☀️রূপ বাচকঃ সবুজ মাাঠ, হলুদ ধান, নীল জামা
☀️গুনবাচকঃ চৌকস লোক, দক্ষ কারিগর, মেধাবী ছাত্র।
☀️অবস্থাবাচকঃ  তাজা মাছ, রোগা ছেলে।

☀️সংখ্যাবাচকঃ  হাজার লোক, দশ টাকা
☀️ক্রমবাচকঃ সত্তর পৃষ্ঠা,  দশম শ্রেণি।
☀️ পরিমাণবাচকঃ সত্তরটনী জাহাজ,  এক কেজি চাল
☀️অংশ বাচকঃ  অর্ধেক সম্পত্তি, সিকি পথ
☀️ উপাদান বাচকঃ মেটে কলসী, বেলে মাটি।
☀️  প্রশ্নবাচকঃ কী অবস্থা?,  কবে আসবে?
☀️অনির্দিষ্টতাজ্ঞপকঃ এই লোক, সেই ছেলে।
55🔥11🤔1😢1
সংখ্যা বাচক, ক্রম বাচক আর পরিমান বাচক যেন প্যাচ না লাগে। কিছুদিন আগে ইমন ভাই পোল দিলো সত্তর পৃষ্ঠা কিধরনের নাম বিশেষণ। গণহারে সবাই দাগাইছে সংখ্যাবাচক।সুতরাং সহজ বলে অবহেলা করা যাবে না।
44🔥4🥰4
এখন শিখবো ভাব বিশেষণ। হালকা কঠিন লাগবে। মাথা ঠান্ডা রাখতে পারলে বুঝবে। একদম সহজ। ভাববিশেষণ চার প্রকার। আমরা একটা একটা করে শিখবো।
37🔥5
১. ক্রিয়া বিশেষণঃ একটা শব্দ যখন ক্রিয়াকে বিশেষায়িত করবে তখন তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। ক্রিয়া কী ভাবে ঘটছে, তা বুঝিয়ে দেওয়া ক্রিয়াবিশেষণের কাজ। অনেক ক্ষেত্রে ক্রিয়া সংঘটনের স্থান-কাল‌ও ক্রিয়াবিশেষণ রূপে কাজ করে। 
যেমনঃ ধীরে ধীরে বায়ু বয়। লক্ষ্য করো এখানে বয় হলো ক্রিয়া পদ। আর এটাকে বিশেষায়িত করেছে ধীরে ধীরে শব্দটাকে। অথ্যাৎ কি বলা যায়,  এটা একটা ক্রিয়া বিশেষণ।আরো উদাহারনঃ তাড়াতাড়ি চল। দিন ভালো যাচ্ছে না। জিনিসটা সাবধানে রাখ।
এর আরো কয়েকটা উদাহারন দাও তো।
52🔥7🤔2
এত কম রিসপন্স হলে তো হবে না। বাদ দেই তাহলে??
😢56
২। বিশেষণের বিশেষণঃ একটা শব্দ যখন বিশেষণকে বিশেষায়িত করে তাকে বলা হয় বিশেষণের বিশেষণ। যেমনঃ সামান্য একটু দুধ দাও। এখানে একটু হলো বিশেষণ। আর এটাকে বিশেষায়িত করেছে সামান্য। সুতরাং এটি হলো বিশেষণের বিশেষণ। আরো উদাহারনঃ  ধবধবে সাদা জামা, কুচকুচে  কালো কুকুরছানা, টকটকে লাল ফুল,খুব জোরালো বাতাস,অতিশয় বুদ্ধিমান লোক,বেশ কনকনে ঠাণ্ডা ইত্যাদি। বুঝোনি মনে হচ্ছে। আচ্ছা আবার বলি,  শোন, বিশেষণের বিশেষণ চেনার একটা উপায় হলো এখানে একটা বিশেষণ আরেকটা বিশেষণকে মডিফাই করবে। যেমন দেখো। টকটকে লাল ফুল এখানে   লাল ফুল দিয়ে ফুলটা কেমন এটার একটা ধারণা পাওয়া যায়। তার মানে লাল শব্দটা একটা বিশেষণ।  কিন্তু এরপরেও টকটকে শব্দটা ব্যাবহৃত হয়েছে। আর এই টকটকে শব্দটা লালকে মডিফাই করেছে। তাই এটা বিশেষণের বিশেষণ। ক্লিয়ার? তোমরা কয়েকটা উদাহারন দাও তো।
58🔥5🥰1👏1
.বাক্যের বিশেষণঃ কখনো কখনো কোনো পদ একটি সম্পূর্ণ বাক্যকে
মডিফাই করতে পারে, তখন তাকে বাক্যের বিশেষণবলে। সহজ কথায়, বাক্যের শুরুতে যদি-বাস্তবিকই, দুর্ভাগ্যক্রমে, সৌভাগ্যক্রমে,
ঘটনাক্রমে, ক্রমে ক্রমে, দুর্ভাগ্যবশত,
সৌভাগ্যবশত -ইত্যাদি শব্দগুলো থাকে, তবে এই শব্দগুলো বাক্যের ওপর প্রভাব ফেলে। সেজন্য এই শব্দগুলো হচ্ছে বাক্যের বিশেষণ। যেমন- দুর্ভাগ্যক্রমে, দেশ আবার বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছে, বাস্তবিকই, আজ আমাদের কঠিন পরিশ্রম করা প্রয়োজন।
54🔥6🥰1
আচ্ছা তোমরা কি বুঝতেছো? না বুঝলে বলবা
42🥰2
৪.অব্যয়ের বিশেষণঃ যে বিশেষণ পদ অব্যয়পদকে বিশেষিত করে তাকে অব্যয়ের বিশেষণ বলে।

উদাহরণ:
তোমার একটু পরেই আমি এসেছি।
আমাদের মাথা  ঠিক উপরেই উড়ছিল একঝাঁক মশা ।
উদাহরণ  দুটিতে 'একটু' ও 'ঠিক' বিশেষণ দুটি যথাক্রমে 'পরেই' ও 'উপরেই' অব্যয় দুটিকে বিশেষিত করছে। তাই  'একটু' ও 'ঠিক' অব্যয়ের বিশেষণ।
তারপর
☀️ ধিক তারে, শত ধিক র্নিলজ্জ যে জন। দেখো এখানে ধিক এর কিন্তু আলাদা অর্থ নেই। কিন্তু  ধিক শব্দটাকে মডিফাই করেছে কে? শত। তাই এটি অব্যয়ের বিশেষণ।

তবে এই অব্যয়ের বিশেষণ নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। আমরা আপাতত সেদিকে না গিয়েএইটুকু জেনে রাখি।
44🔥2😢2