যে পদ বাক্যে ব্যাবহৃত হয়ে অন্য পদের দোষ, গুন, অবস্থা ইত্যাদি নির্দেশ করবে, তাকে বলা হয় বিশেষণ।
বিশেষণ দুই প্রকার।
১. নাম বিশেষণ
২. ভাব বিশেষন
বিশেষণ দুই প্রকার।
১. নাম বিশেষণ
২. ভাব বিশেষন
❤49🔥5
নাম বিশেষণের প্রকারভেদঃ
☀️রূপ বাচকঃ সবুজ মাাঠ, হলুদ ধান, নীল জামা
☀️গুনবাচকঃ চৌকস লোক, দক্ষ কারিগর, মেধাবী ছাত্র।
☀️অবস্থাবাচকঃ তাজা মাছ, রোগা ছেলে।
☀️সংখ্যাবাচকঃ হাজার লোক, দশ টাকা
☀️ক্রমবাচকঃ সত্তর পৃষ্ঠা, দশম শ্রেণি।
☀️ পরিমাণবাচকঃ সত্তরটনী জাহাজ, এক কেজি চাল
☀️অংশ বাচকঃ অর্ধেক সম্পত্তি, সিকি পথ
☀️ উপাদান বাচকঃ মেটে কলসী, বেলে মাটি।
☀️ প্রশ্নবাচকঃ কী অবস্থা?, কবে আসবে?
☀️অনির্দিষ্টতাজ্ঞপকঃ এই লোক, সেই ছেলে।
☀️রূপ বাচকঃ সবুজ মাাঠ, হলুদ ধান, নীল জামা
☀️গুনবাচকঃ চৌকস লোক, দক্ষ কারিগর, মেধাবী ছাত্র।
☀️অবস্থাবাচকঃ তাজা মাছ, রোগা ছেলে।
☀️সংখ্যাবাচকঃ হাজার লোক, দশ টাকা
☀️ক্রমবাচকঃ সত্তর পৃষ্ঠা, দশম শ্রেণি।
☀️ পরিমাণবাচকঃ সত্তরটনী জাহাজ, এক কেজি চাল
☀️অংশ বাচকঃ অর্ধেক সম্পত্তি, সিকি পথ
☀️ উপাদান বাচকঃ মেটে কলসী, বেলে মাটি।
☀️ প্রশ্নবাচকঃ কী অবস্থা?, কবে আসবে?
☀️অনির্দিষ্টতাজ্ঞপকঃ এই লোক, সেই ছেলে।
❤55🔥11🤔1😢1
সংখ্যা বাচক, ক্রম বাচক আর পরিমান বাচক যেন প্যাচ না লাগে। কিছুদিন আগে ইমন ভাই পোল দিলো সত্তর পৃষ্ঠা কিধরনের নাম বিশেষণ। গণহারে সবাই দাগাইছে সংখ্যাবাচক।সুতরাং সহজ বলে অবহেলা করা যাবে না।
❤44🔥4🥰4
এখন শিখবো ভাব বিশেষণ। হালকা কঠিন লাগবে। মাথা ঠান্ডা রাখতে পারলে বুঝবে। একদম সহজ। ভাববিশেষণ চার প্রকার। আমরা একটা একটা করে শিখবো।
❤37🔥5
১. ক্রিয়া বিশেষণঃ একটা শব্দ যখন ক্রিয়াকে বিশেষায়িত করবে তখন তাকে ক্রিয়া বিশেষণ বলে। ক্রিয়া কী ভাবে ঘটছে, তা বুঝিয়ে দেওয়া ক্রিয়াবিশেষণের কাজ। অনেক ক্ষেত্রে ক্রিয়া সংঘটনের স্থান-কালও ক্রিয়াবিশেষণ রূপে কাজ করে।
যেমনঃ ধীরে ধীরে বায়ু বয়। লক্ষ্য করো এখানে বয় হলো ক্রিয়া পদ। আর এটাকে বিশেষায়িত করেছে ধীরে ধীরে শব্দটাকে। অথ্যাৎ কি বলা যায়, এটা একটা ক্রিয়া বিশেষণ।আরো উদাহারনঃ তাড়াতাড়ি চল। দিন ভালো যাচ্ছে না। জিনিসটা সাবধানে রাখ।
এর আরো কয়েকটা উদাহারন দাও তো।
যেমনঃ ধীরে ধীরে বায়ু বয়। লক্ষ্য করো এখানে বয় হলো ক্রিয়া পদ। আর এটাকে বিশেষায়িত করেছে ধীরে ধীরে শব্দটাকে। অথ্যাৎ কি বলা যায়, এটা একটা ক্রিয়া বিশেষণ।আরো উদাহারনঃ তাড়াতাড়ি চল। দিন ভালো যাচ্ছে না। জিনিসটা সাবধানে রাখ।
এর আরো কয়েকটা উদাহারন দাও তো।
❤52🔥7🤔2
২। বিশেষণের বিশেষণঃ একটা শব্দ যখন বিশেষণকে বিশেষায়িত করে তাকে বলা হয় বিশেষণের বিশেষণ। যেমনঃ সামান্য একটু দুধ দাও। এখানে একটু হলো বিশেষণ। আর এটাকে বিশেষায়িত করেছে সামান্য। সুতরাং এটি হলো বিশেষণের বিশেষণ। আরো উদাহারনঃ ধবধবে সাদা জামা, কুচকুচে কালো কুকুরছানা, টকটকে লাল ফুল,খুব জোরালো বাতাস,অতিশয় বুদ্ধিমান লোক,বেশ কনকনে ঠাণ্ডা ইত্যাদি। বুঝোনি মনে হচ্ছে। আচ্ছা আবার বলি, শোন, বিশেষণের বিশেষণ চেনার একটা উপায় হলো এখানে একটা বিশেষণ আরেকটা বিশেষণকে মডিফাই করবে। যেমন দেখো। টকটকে লাল ফুল এখানে লাল ফুল দিয়ে ফুলটা কেমন এটার একটা ধারণা পাওয়া যায়। তার মানে লাল শব্দটা একটা বিশেষণ। কিন্তু এরপরেও টকটকে শব্দটা ব্যাবহৃত হয়েছে। আর এই টকটকে শব্দটা লালকে মডিফাই করেছে। তাই এটা বিশেষণের বিশেষণ। ক্লিয়ার? তোমরা কয়েকটা উদাহারন দাও তো।
❤58🔥5🥰1👏1
৩.বাক্যের বিশেষণঃ কখনো কখনো কোনো পদ একটি সম্পূর্ণ বাক্যকে
মডিফাই করতে পারে, তখন তাকে বাক্যের বিশেষণবলে। সহজ কথায়, বাক্যের শুরুতে যদি-বাস্তবিকই, দুর্ভাগ্যক্রমে, সৌভাগ্যক্রমে,
ঘটনাক্রমে, ক্রমে ক্রমে, দুর্ভাগ্যবশত,
সৌভাগ্যবশত -ইত্যাদি শব্দগুলো থাকে, তবে এই শব্দগুলো বাক্যের ওপর প্রভাব ফেলে। সেজন্য এই শব্দগুলো হচ্ছে বাক্যের বিশেষণ। যেমন- দুর্ভাগ্যক্রমে, দেশ আবার বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছে, বাস্তবিকই, আজ আমাদের কঠিন পরিশ্রম করা প্রয়োজন।
মডিফাই করতে পারে, তখন তাকে বাক্যের বিশেষণবলে। সহজ কথায়, বাক্যের শুরুতে যদি-বাস্তবিকই, দুর্ভাগ্যক্রমে, সৌভাগ্যক্রমে,
ঘটনাক্রমে, ক্রমে ক্রমে, দুর্ভাগ্যবশত,
সৌভাগ্যবশত -ইত্যাদি শব্দগুলো থাকে, তবে এই শব্দগুলো বাক্যের ওপর প্রভাব ফেলে। সেজন্য এই শব্দগুলো হচ্ছে বাক্যের বিশেষণ। যেমন- দুর্ভাগ্যক্রমে, দেশ আবার বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় জর্জরিত হয়েছে, বাস্তবিকই, আজ আমাদের কঠিন পরিশ্রম করা প্রয়োজন।
❤54🔥6🥰1
৪.অব্যয়ের বিশেষণঃ যে বিশেষণ পদ অব্যয়পদকে বিশেষিত করে তাকে অব্যয়ের বিশেষণ বলে।
উদাহরণ:
তোমার একটু পরেই আমি এসেছি।
আমাদের মাথা ঠিক উপরেই উড়ছিল একঝাঁক মশা ।
উদাহরণ দুটিতে 'একটু' ও 'ঠিক' বিশেষণ দুটি যথাক্রমে 'পরেই' ও 'উপরেই' অব্যয় দুটিকে বিশেষিত করছে। তাই 'একটু' ও 'ঠিক' অব্যয়ের বিশেষণ।
তারপর
☀️ ধিক তারে, শত ধিক র্নিলজ্জ যে জন। দেখো এখানে ধিক এর কিন্তু আলাদা অর্থ নেই। কিন্তু ধিক শব্দটাকে মডিফাই করেছে কে? শত। তাই এটি অব্যয়ের বিশেষণ।
তবে এই অব্যয়ের বিশেষণ নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। আমরা আপাতত সেদিকে না গিয়েএইটুকু জেনে রাখি।
উদাহরণ:
তোমার একটু পরেই আমি এসেছি।
আমাদের মাথা ঠিক উপরেই উড়ছিল একঝাঁক মশা ।
উদাহরণ দুটিতে 'একটু' ও 'ঠিক' বিশেষণ দুটি যথাক্রমে 'পরেই' ও 'উপরেই' অব্যয় দুটিকে বিশেষিত করছে। তাই 'একটু' ও 'ঠিক' অব্যয়ের বিশেষণ।
তারপর
☀️ ধিক তারে, শত ধিক র্নিলজ্জ যে জন। দেখো এখানে ধিক এর কিন্তু আলাদা অর্থ নেই। কিন্তু ধিক শব্দটাকে মডিফাই করেছে কে? শত। তাই এটি অব্যয়ের বিশেষণ।
তবে এই অব্যয়ের বিশেষণ নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। আমরা আপাতত সেদিকে না গিয়েএইটুকু জেনে রাখি।
❤44🔥2😢2
এইটটুকু যদি বুঝো তাহলে আলহামদুলিল্লাহ। এবার একদম নড়েচড়ে বসো। কঠিন টপিকসে ঢুকবো। ধরো তোমাকে একটা শব্দ দিয়ে বললো বিশেষ্য নাকি বিশেষন বলতে। তখন কি করবো।
❤30🔥4😢4
বিশেষ্য চেনার উপায়ঃ
১। কি বা কিসের দিয়ে যদি প্রশ্ন করা যায় তাহলে - --বিশেষ্য।
২। বহুবচন হলে বিশেষ্য। যেমনঃ পাখিরা। দেখো রা যুক্ত হয়ে এটি বহুবচন হয়েছে। তাহলে পাখি কোন পদ? অবশ্যই বিশেষ্য।
৩। পদাশ্রিত নির্দেশক (টি, টা,খানা, খানি,ইত্যাদি ইত্যাদি) যদি শব্দের শেষে যুক্ত হয় তাহলে বিশেষ্য। যেমনঃ কলমটি। দেখো টি যুক্ত হয়েছে। তাহলে কোন পদ? বিশেষ্য।
৪। শব্দের শেষে তা, মি,ত্ব, ্য থাকলে বিশেষ্য।
৫। বিভক্তি যুক্ত হলে। যেমন করিমকে। কে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। তাহলে করিম বিশেষ্য।
১। কি বা কিসের দিয়ে যদি প্রশ্ন করা যায় তাহলে - --বিশেষ্য।
২। বহুবচন হলে বিশেষ্য। যেমনঃ পাখিরা। দেখো রা যুক্ত হয়ে এটি বহুবচন হয়েছে। তাহলে পাখি কোন পদ? অবশ্যই বিশেষ্য।
৩। পদাশ্রিত নির্দেশক (টি, টা,খানা, খানি,ইত্যাদি ইত্যাদি) যদি শব্দের শেষে যুক্ত হয় তাহলে বিশেষ্য। যেমনঃ কলমটি। দেখো টি যুক্ত হয়েছে। তাহলে কোন পদ? বিশেষ্য।
৪। শব্দের শেষে তা, মি,ত্ব, ্য থাকলে বিশেষ্য।
৫। বিভক্তি যুক্ত হলে। যেমন করিমকে। কে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। তাহলে করিম বিশেষ্য।
❤42🔥9👏2🥰1
বিশেষণ চেনার উপায়ঃ
১। কেমন দিয়ে প্রশ্ন করা যায়। যেমন নীল ফুল। কেমন ফুল? উত্তর হলো নীল।
২.। ইন, ঈক, ইত,ইষ্ট, মতী, বতী, ব্রতী, মান, বান, কুল,তম,তর, প্রবণ, শীল শালী, স্পর্শী, হীন, তম, অনীয়, গত ইত্যাদি যুক্ত থাকলে তা বিশেষণ৷ যেমনঃ বৃহত্তম সাগর, কনিষ্ঠ ভাই ইত্যাদি
১। কেমন দিয়ে প্রশ্ন করা যায়। যেমন নীল ফুল। কেমন ফুল? উত্তর হলো নীল।
২.। ইন, ঈক, ইত,ইষ্ট, মতী, বতী, ব্রতী, মান, বান, কুল,তম,তর, প্রবণ, শীল শালী, স্পর্শী, হীন, তম, অনীয়, গত ইত্যাদি যুক্ত থাকলে তা বিশেষণ৷ যেমনঃ বৃহত্তম সাগর, কনিষ্ঠ ভাই ইত্যাদি
❤37🥰7🔥5
চলো এবার এগুলো অ্যাপ্লাই করে দেখি।বাংলা ভাষায় একই পদে বিশেষ্য এবং বিশেষণ দুটো একসাথে ব্যবহার হতে পারে। এগুলোর কতগুলো উদাহরণ দেখি
☀️ভালো
বিশেষণ রূপ : ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন,
সাইফা ভালো মেয়ে।
বিশেষ্য রূপে : আপন ভালো সবাই চায়।
ভাইয়া কিভবে বুঝলাম ভালো কখন বিশেষ্য হয়েছে আর কখন বিশেষণ? প্রথমটাতে দেখি। ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন। উপরে বলেছি না কেমন দ্বারা প্রশ্ন করা যায় কাকে? বিশেষণ কে। তাই না? তাহলে প্রশ্ন করি।
কেমন বাড়ি পাওয়া কঠিন? উত্তরঃ ভালো। অথ্যাৎ এটাকে কেমন দ্বারা প্রশ্ন করলে মিলে যায়।
২য় টা দেখো কী দ্বারা প্রশ্ন করা যায়। আমরা তো জানি কি দ্বারা প্রশ্ন করা গেলে বিশেষ্য হয়। তাহলে করে দেখি। আপন কি সবাই চাই? উত্তরঃ ভালো।
ক্লিয়ার?
☀️ভালো
বিশেষণ রূপ : ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন,
সাইফা ভালো মেয়ে।
বিশেষ্য রূপে : আপন ভালো সবাই চায়।
ভাইয়া কিভবে বুঝলাম ভালো কখন বিশেষ্য হয়েছে আর কখন বিশেষণ? প্রথমটাতে দেখি। ভালো বাড়ি পাওয়া কঠিন। উপরে বলেছি না কেমন দ্বারা প্রশ্ন করা যায় কাকে? বিশেষণ কে। তাই না? তাহলে প্রশ্ন করি।
কেমন বাড়ি পাওয়া কঠিন? উত্তরঃ ভালো। অথ্যাৎ এটাকে কেমন দ্বারা প্রশ্ন করলে মিলে যায়।
২য় টা দেখো কী দ্বারা প্রশ্ন করা যায়। আমরা তো জানি কি দ্বারা প্রশ্ন করা গেলে বিশেষ্য হয়। তাহলে করে দেখি। আপন কি সবাই চাই? উত্তরঃ ভালো।
ক্লিয়ার?
❤53🥰8
মন্দ
বিশেষণ রূপে : মন্দ কথা বলতে নেই। কেমন কথা? উত্তর মন্দ।
বিশেষ্য রূপে : এখানে কী মন্দটা তুমি দেখলে?(টা যুক্ত আছে। বলেছিলাম টা, টি যুক্ত হলে বিশেষ্য হয়)
পুণ্য
বিশেষণ রূপে : তোমার এই পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক। কেমন প্রচেষ্টা? উত্তরঃ পুন্য প্রচেষ্টা। তাই বিশেষন
বিশেষ্য রূপে : পুণ্যে মতি হোক। ( বিভক্তি যুক্ত আছে। পুন্যে। তাই বিশেষ্য
নিশীথ
বিশেষণ রূপে : নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশি।( কেমন রাতে? উত্তরঃ নিশীথ)
বিশেষ্য রূপে : গভীর নিশীথে প্রকৃতি থাকে নীরব।( এ বিভক্তি যুক্ত আছে। নিশীথে)
ক্লিয়ার কিনা বলো?
বিশেষণ রূপে : মন্দ কথা বলতে নেই। কেমন কথা? উত্তর মন্দ।
বিশেষ্য রূপে : এখানে কী মন্দটা তুমি দেখলে?(টা যুক্ত আছে। বলেছিলাম টা, টি যুক্ত হলে বিশেষ্য হয়)
পুণ্য
বিশেষণ রূপে : তোমার এই পুণ্য প্রচেষ্টা সফল হোক। কেমন প্রচেষ্টা? উত্তরঃ পুন্য প্রচেষ্টা। তাই বিশেষন
বিশেষ্য রূপে : পুণ্যে মতি হোক। ( বিভক্তি যুক্ত আছে। পুন্যে। তাই বিশেষ্য
নিশীথ
বিশেষণ রূপে : নিশীথ রাতে বাজছে বাঁশি।( কেমন রাতে? উত্তরঃ নিশীথ)
বিশেষ্য রূপে : গভীর নিশীথে প্রকৃতি থাকে নীরব।( এ বিভক্তি যুক্ত আছে। নিশীথে)
ক্লিয়ার কিনা বলো?
❤48👏4🥰1
বুঝলে বলো তো,
মানুষ চেনা কঠিন। এখানে চেনা কোন পদ? আর কেন?
মানুষ চেনা কঠিন। এখানে চেনা কোন পদ? আর কেন?
❤25🥰1
আচ্ছা যখন বাক্য দেওয়া থাকবে তখন তো বুঝলাম। কিন্তু যদি আমাকে শব্দ দিয়ে বলে কোন পদ? যেমন বললো দরিদ্র কোন পদ? তখন কি করবো।
যদি এমন দেয় তখন আমরা শব্দটার সাথে আরেকটা যুক্তিসঙ্গত বাক্য বা শব্দ যুক্ত করবো। যেমন আমি করলাম দরিদ্র লোক। এবার কিন্ত আমি প্রশ্ন করতে পারবো। কেমন লোক? দরিদ্র লোক। তাহলে দরিদ্র কোন পদ? অবশ্যই বিশেষণ।
বুঝছো?
যদি এমন দেয় তখন আমরা শব্দটার সাথে আরেকটা যুক্তিসঙ্গত বাক্য বা শব্দ যুক্ত করবো। যেমন আমি করলাম দরিদ্র লোক। এবার কিন্ত আমি প্রশ্ন করতে পারবো। কেমন লোক? দরিদ্র লোক। তাহলে দরিদ্র কোন পদ? অবশ্যই বিশেষণ।
বুঝছো?
❤37🔥5👏1