গতবছর অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশনের তথ্য সংযোজন-ভুল সংশোধন এবং ষষ্ঠ শ্রেণিতে বাদ পড়া শিক্ষার্থীদের নতুন করে সংযোজনের সুযোগ দিচ্ছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। আগামীকাল রবিবার (১৮ আগস্ট) থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। চলবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিষয়টি জানিয়ে ইতোমধ্যে বোর্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।
🛑 Follow NewsZone For more important information
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন অনুমোদিত ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক এবং সংযুক্ত মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ সুযোগ পাচ্ছে।
🛑 Follow NewsZone For more important information
🔥76❤🔥7
News Zone
❌❌Dhaka Evercare Hospital এখানো নিশ্চিত করে জানাতে পারে নাই সুতরাং এখন আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকা উচিত।
আমরা এটা গুজব বলছি না ।
তবে নিশ্চিত না হয়ে এসব Post করা উচিত না ।
তবে নিশ্চিত না হয়ে এসব Post করা উচিত না ।
👌72💯14
চীন-ভারতের ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে বাংলাদেশ ভরে যাবে। চীন-ভারতের লোকজন বাংলাদেশের কর্পোরেট জব করে হাজার হাজার কোটি টাকা নিয়ে যাবে।
এটাই তো হওয়ার কথা। এটাই স্বাভাবিক।
ভারতের কোন আইআইটি থেকে কি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়? চীনের কোন ইউনিভার্সিটি থেকে কি রামদা উদ্ধার হয়?
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়। আফ্রিকার কোন দেশেও এমন নিউজ পাবেন না।
ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করে স্টুডেন্টরা ইউরোপ-আমেরিকার বাঘা বাঘা ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে পোস্টডক করতে পারে। এটা প্রমাণ করে ওদের দেশের গবেষণা এখন বিশ্বের একটা স্ট্যান্ডার্ডে চলে গেছে। আমাদের দেশের বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই এখনো সেই স্ট্যান্ডার্ডে পৌঁছুতে পারে নি। অন্য পাবলিক ইউনিভার্সিটির কথা নাই বললাম।
কেন পারে নি? —এর উত্তর আমরা সবাই জানি। কিন্তু সমাধান করবো না। মুখ খুলে নিজেদের দুর্বলতাগুলো মেনে নিয়ে সবাই মিলে আওয়াজ তুলবো না। আমাদের মানসিকতা হলো—যেভাবে চলছে চলুক না।
এটাই তো হওয়ার কথা। এটাই স্বাভাবিক।
ভারতের কোন আইআইটি থেকে কি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়? চীনের কোন ইউনিভার্সিটি থেকে কি রামদা উদ্ধার হয়?
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়। আফ্রিকার কোন দেশেও এমন নিউজ পাবেন না।
ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করে স্টুডেন্টরা ইউরোপ-আমেরিকার বাঘা বাঘা ইউনিভার্সিটিতে গিয়ে পোস্টডক করতে পারে। এটা প্রমাণ করে ওদের দেশের গবেষণা এখন বিশ্বের একটা স্ট্যান্ডার্ডে চলে গেছে। আমাদের দেশের বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ই এখনো সেই স্ট্যান্ডার্ডে পৌঁছুতে পারে নি। অন্য পাবলিক ইউনিভার্সিটির কথা নাই বললাম।
কেন পারে নি? —এর উত্তর আমরা সবাই জানি। কিন্তু সমাধান করবো না। মুখ খুলে নিজেদের দুর্বলতাগুলো মেনে নিয়ে সবাই মিলে আওয়াজ তুলবো না। আমাদের মানসিকতা হলো—যেভাবে চলছে চলুক না।
😢218💔36
University of Cambridge থেকে PhD করা ঢাবির সাবেক প্রফেসর এবং ইকোনোমিস্ট পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা হয়েছেন।
গোটা দশেক দেশের অভিজ্ঞতা নিয়ে Wahiduddin স্যার সময়, সুযোগ আর সাপোর্ট পেলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে উনি কী করতে পারেন, ভাবতেই ঈদের আনন্দ লাগছে!
Hoping for sunshine ☀️
© Tohin
গোটা দশেক দেশের অভিজ্ঞতা নিয়ে Wahiduddin স্যার সময়, সুযোগ আর সাপোর্ট পেলে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে উনি কী করতে পারেন, ভাবতেই ঈদের আনন্দ লাগছে!
Hoping for sunshine ☀️
© Tohin
❤288🥰22
জানার জন্য বলছি, গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পোরেশন হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যারা সামরিক ও প্রতিরক্ষা খাতে বিভিন্ন দেশের দূর্নীতি পর্যবেক্ষণ করে!
👌122🔥35🆒2
‘নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন করা কঠিন। তাই আগের পদ্ধতিতে ফেরার চেষ্টা করব। তবে আগেরটাতে ফিরে গেলেও আমরা এমনভাবে ফিরে যাব না যে বর্তমানটার সঙ্গে মিল থাকবে না। আগেরটায় ফিরে গেলে তারা যা পড়ে ফেলেছে তার সঙ্গে মিল রাখতে হবে, সেজন্য অতিদ্রুত কিছু কাজ করতে হবে।’
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ
✅ বিস্তারিত
🛑 Follow NewsZone For more important information
👏136👌18🔥5
পুরোদমে খুলেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান; বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি
© Jamuna TV
© Jamuna TV
🔥180🌚20
কুড়িয়ে পাওয়া ১৮ লাখ টাকা থানায় জমা দিলেন শিক্ষার্থীরা
রাজশাহী নগরীর ভদ্রা এলাকার একটি গলির ভেতর ব্যাগভর্তি ১৮ লাখ টাকা কুড়িয়ে পেয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পরে ওই টাকা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। টাকার ব্যাগের সঙ্গে সোনালী রঙের একটি রহস্যজনক ধাতব বস্তু পাওয়া গেছে। এই ধাতব বস্তুটিতে ১৮টি ছিদ্র আছে। পুলিশ বলছে, এই টাকা কোথা থেকে এলো তা তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রাজশাহী নগরীর ভদ্রা এলাকার একটি গলির ভেতর ব্যাগভর্তি ১৮ লাখ টাকা কুড়িয়ে পেয়েছেন শিক্ষার্থীরা। পরে ওই টাকা থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। টাকার ব্যাগের সঙ্গে সোনালী রঙের একটি রহস্যজনক ধাতব বস্তু পাওয়া গেছে। এই ধাতব বস্তুটিতে ১৮টি ছিদ্র আছে। পুলিশ বলছে, এই টাকা কোথা থেকে এলো তা তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
🔥191❤13❤🔥3
‘আল্লাহ যাকে খুশি তাকে সম্মানিত করেন এবং যাকে খুশি তাকে অপদস্থ করেন।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ২৬)
❤273❤🔥16💯15
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৫শ' কোটি ডলারের বেশি আত্মসাৎ করেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য। তারা জানায়, মালয়েশিয়ার একটি ব্যাংকের মাধ্যমে তাকে অর্থ-আত্মসাতের সুযোগ করে দেয়, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম। যাতে মধ্যস্ততা করেন, ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিক।
দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আশা করা হচ্ছে, এটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের পর ২০ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পোরেশন নামে একটি পোর্টাল।
এতে বলা হয়, রাশিয়ার সহযোগিতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণে খরচ ধরা হয়, এক হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। প্রয়োজনের তুলনায় যা অনেক বেশি। যাতে মালয়েশিয়ার এক ব্যাঙ্কের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এই বাজেট থেকে ৫শ' কোটি ডলার আত্মসাতের সুযোগ করে দেয়, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম।
নিজের ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের ৩০ শতাংশ পেয়েছেন টিউলিপ, শেখ রেহানা ও পরিবারের কয়েক সদস্য। ২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাতের সময় সঙ্গী হয়েছিলেন, টিউলিপ সিদ্দিক।
গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের দাবি, সে সময় ঢাকা-মস্কোর বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির মধ্যস্থতাও করেন তিনি।
২০০৯ সালে ‘প্রচ্ছায়া লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানি চালু করেন, টিউলিপ সিদ্দিক, তার মা শেখ রেহানা ও চাচা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক। যুক্তরাষ্ট্রেও জুমানা ইনভেস্টমেন্ট নামে একটি কোম্পানি রয়েছে তাদের। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের অভিযোগ, এই কোম্পানির মাধ্যমেই বিভিন্ন দেশের অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থপাচার করতেন, শেখ হাসিনা।
দেশের সবচেয়ে বড় ও ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। আশা করা হচ্ছে, এটি পুরোপুরি বাস্তবায়নের পর ২০ শতাংশ বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করবে। সম্প্রতি এ বিষয়ে নিজস্ব অনুসন্ধানের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পোরেশন নামে একটি পোর্টাল।
এতে বলা হয়, রাশিয়ার সহযোগিতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণে খরচ ধরা হয়, এক হাজার ২৬৫ কোটি ডলার। প্রয়োজনের তুলনায় যা অনেক বেশি। যাতে মালয়েশিয়ার এক ব্যাঙ্কের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে এই বাজেট থেকে ৫শ' কোটি ডলার আত্মসাতের সুযোগ করে দেয়, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা-রোসাট্রম।
নিজের ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকের মধ্যস্থতায় রাশিয়ার সঙ্গে এ চুক্তি করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই মধ্যস্থতার বিনিময়ে পাচার করা অর্থের ৩০ শতাংশ পেয়েছেন টিউলিপ, শেখ রেহানা ও পরিবারের কয়েক সদস্য। ২০১৩ সালে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে শেখ হাসিনার সাক্ষাতের সময় সঙ্গী হয়েছিলেন, টিউলিপ সিদ্দিক।
গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের দাবি, সে সময় ঢাকা-মস্কোর বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র চুক্তির মধ্যস্থতাও করেন তিনি।
২০০৯ সালে ‘প্রচ্ছায়া লিমিটেড’ নামে একটি ভুয়া কোম্পানি চালু করেন, টিউলিপ সিদ্দিক, তার মা শেখ রেহানা ও চাচা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক। যুক্তরাষ্ট্রেও জুমানা ইনভেস্টমেন্ট নামে একটি কোম্পানি রয়েছে তাদের। গ্লোবাল ডিফেন্স কর্পের অভিযোগ, এই কোম্পানির মাধ্যমেই বিভিন্ন দেশের অফশোর অ্যাকাউন্টে অর্থপাচার করতেন, শেখ হাসিনা।
😱75🔥9😐9😢8🫡4